Sign in
🚀 Join our Ramadan Challenge!
Learn more
🚀 Join our Ramadan Challenge!
Learn more
Sign in
Sign in
28:48
فلما جاءهم الحق من عندنا قالوا لولا اوتي مثل ما اوتي موسى اولم يكفروا بما اوتي موسى من قبل قالوا سحران تظاهرا وقالوا انا بكل كافرون ٤٨
فَلَمَّا جَآءَهُمُ ٱلْحَقُّ مِنْ عِندِنَا قَالُوا۟ لَوْلَآ أُوتِىَ مِثْلَ مَآ أُوتِىَ مُوسَىٰٓ ۚ أَوَلَمْ يَكْفُرُوا۟ بِمَآ أُوتِىَ مُوسَىٰ مِن قَبْلُ ۖ قَالُوا۟ سِحْرَانِ تَظَـٰهَرَا وَقَالُوٓا۟ إِنَّا بِكُلٍّۢ كَـٰفِرُونَ ٤٨
فَلَمَّا
جَآءَهُمُ
ٱلۡحَقُّ
مِنۡ
عِندِنَا
قَالُواْ
لَوۡلَآ
أُوتِيَ
مِثۡلَ
مَآ
أُوتِيَ
مُوسَىٰٓۚ
أَوَلَمۡ
يَكۡفُرُواْ
بِمَآ
أُوتِيَ
مُوسَىٰ
مِن
قَبۡلُۖ
قَالُواْ
سِحۡرَانِ
تَظَٰهَرَا
وَقَالُوٓاْ
إِنَّا
بِكُلّٖ
كَٰفِرُونَ
٤٨
But when the truth came to them from Us, they said, “If only he was given the like of what Moses had been given.”1 Did they not deny what had been given to Moses earlier? They claimed, “Both ˹Scriptures˺ are works of magic, supporting each other!”2 Adding, “We truly deny both.”
Tafsirs
Lessons
Reflections
Answers
Qiraat
You are reading a tafsir for the group of verses 28:48 to 28:51

৪৮-৫১ নং আয়াতের তাফসীরইতিপূর্বে আল্লাহ তা'আলা বর্ণনা করেছেনঃ যদি নবীদেরকে প্রেরণ করার পূর্বে আমি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করতাম তবে তাদের একথা বলার অধিকার থাকতো যে, তাদের কাছে নবী আগমন করলে তবে অবশ্যই তারা তাদেরকে মেনে চলতো। এজন্যেই আমি রাসূল প্রেরণ করেছি। বিশেষ করে আমি শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-কে পাঠিয়েছি। যখন তিনি জনগণের নিকট আগমন করেন তখন তারা চক্ষু ফিরিয়ে নেয়, মুখ ঘুরিয়ে নেয় এবং অত্যন্ত দর্পভরে বলেঃ হযরত মূসা (আঃ)-কে যেমন বহু মুজিযা দেয়া হয়েছিল যথা-লাঠি, হাতের ঔজ্জ্বল্য, তুফান, ফড়িং, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত এবং শস্য ও ফলের হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি, যেগুলো দেখে আল্লাহর শত্রুরা বিচলিত হয়ে পড়ে এবং সমুদ্রকে বিভক্ত করা, মেঘ দ্বারা ছায়া করা ও মান্না-সালওয়া অবতীর্ণ হওয়া ইত্যাদি, যেগুলো ছিল বড় বড় মুজিযা, তেমনিভাবে মুহাম্মাদ (সঃ)-কে কেন দেয়া হয় না? তাদের একথার জবাবে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ এ লোকগুলো যে ঘটনাকে উদাহরণ রূপে পেশ করছে এবং যেসব মুজিযা দেখতে চাচ্ছে এসব মু'জিযা হযরত মূসা (আঃ)-এর থাকা সত্ত্বেও কয়জন লোক তার উপর ঈমান এনেছিল? তারা তো পরিষ্কারভাবে বলেছিলঃ “মূসা (আঃ) ও হারূন (আঃ) এ দুই ভাই যাদুকর ছাড়া কিছুই নয়। তারা আমাদের হতে শাসন ক্ষমতা ছিনিয়ে নিতে চায়। সুতরাং আমরা কখনো তাদের কথা মানতে পারি না। এভাবে তারা ঐ দুই নবী (আঃ)-কে অবিশ্বাস করে, ফলে তারা ধ্বংস হয়ে যায়। তাই মহান আল্লাহ বলেনঃ তারা বলেছিল, “এই দুই ভাই যাদুকর, তারা একত্রিত হয়ে আমাদেরকে খাটো করার জন্যে ও নিজেদেরকে বড় মানিয়ে নেয়ার জন্যেই এসেছে। আমরা তাদের প্রত্যেককেই প্রত্যাখ্যান করি।”এখানে শুধু হযরত মূসা (আঃ)-এর উল্লেখ রয়েছে বটে, কিন্তু তারা দু ভাই এমনভাবে মিলে গিয়েছিলেন যে, যেন তারা দুজন এক। এ জন্যে একজনের উল্লেখই অপরজনের জন্যে যথেষ্ট মনে করা হয়। যেমন কবি বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যখন আমি কোন জায়গার ইচ্ছা করি তখন সেখানে আমার লাভ হবে কি ক্ষতি হবে তা আমি জানি না। এখানে কবি শুধু লাভের কথা উল্লেখ করেছেন, ক্ষতির কথা উল্লেখ করেননি। কেননা, লাভ ও ক্ষতি, ভাল ও মন্দ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। একটির সাথে অপরটি থাকা অপরিহার্য। এজন্যেই কবি শুধু কল্যাণের উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হয়েছেন, অনিষ্টের উল্লেখ তিনি করেননি।মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, ইয়াহূদীরা কুরায়েশদেরকে বলে যে, তারা যেন মুহাম্মাদ (সঃ)-কে এ কথা বলে। তখন আল্লাহ তা'আলা তাদের কথার প্রতিবাদে বলেনঃ পূর্বে মূসা (আঃ)-কে যা দেয়া হয়েছিল তা কি তারা অস্বীকার করেনি? তারা বলেছিলঃ উভয়ই যাদু, একে অপরকে সমর্থন করে, অর্থাৎ হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত হারূন (আঃ)। তারা এই উত্তর পেয়ে নীরব হয়ে যায়। একটি উক্তি এও আছে যে, দু’জন যাদুকর দ্বারা হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-কে বুঝানো হয়েছে। আর একটি উক্তি এটাও যে, দু’জন যাদুকর দ্বারা হযরত ঈসা (আঃ) ও হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) উদ্দেশ্য। দ্বিতীয় উক্তি অপেক্ষা প্রথম উক্তিটিই বেশী দৃঢ় ও উত্তম। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। (আরবি) এর কিরআতের উপর এই ভাবার্থ। আর (আরবি) যাদের কিরআত তারা বলেন যে, এর দ্বারা তাওরাত ও কুরআন উদ্দেশ্য। এ দু’টি একটি অপরটির সত্যতা প্রতিপাদনকারী। কারো কারো মতে এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তাওরাত ও ইঞ্জীল। আবার কেউ কেউ বলেন যে, এর দ্বারা ইঞ্জীল ও কুরআন উদ্দেশ্য। কোনটি সঠিক কথা তা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন। তবে এই কিরআতেও যাহেরী তাওরাত ও কুরআনের অর্থ সঠিক। কেননা এর পরেই আল্লাহ পাকের উক্তি রয়েছেঃ “তোমরাই তাহলে এ দু’টো অপেক্ষা বেশী হিদায়াত দানকারী কোন কিতাব আল্লাহ তা'আলার নিকট হতে নিয়ে এসো, যার আনুগত্য আমি করবো?” কুরআন কারীমে তাওরাত ও কুরআনকে অধিকাংশ জায়গায় একই সাথে আনয়ন করা হয়েছে। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “তুমি বল- কে ঐ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যা নিয়ে মূসা (আঃ) এসেছিল, যা লোকদের জন্যে জ্যোতি ও হিদায়াত স্বরূপ?” (৬:৯২) এর পরেই তিনি বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “এই কিতাবকেও (কুরআনকেও) আমি বরকতময় ও কল্যাণময় রূপে অবতীর্ণ করেছি। আর এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “তোমরা আমার অবতারিত এই কল্যাণময় কিতাবের অনুসরণ কর এবং আল্লাহকে ভয় কর, তাহলে তোমাদের উপর দয়া করা হবে।” (৬:১৫৬) জ্বিনেরা বলেছিলঃ “আমরা এমন এক কিতাব শ্রবণ করেছি যা মূসা (আঃ)-এর পরে অবতীর্ণ করা হয়েছে, যা ওর পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর সত্যতা প্রতিপাদনকারী।” অরাকা ইবনে নওফল (রাঃ) বলেছিলেনঃ “এটা আল্লাহর রহস্যবিদ যাকে হযরত মূসা (আঃ)-এর উপর অবতীর্ণ করা হয়েছিল।” চিন্তাবিদ ও ধর্মীয় শাস্ত্রে গভীরভাবে মনোনিবেশকারী ব্যক্তির কাছে এটা স্পষ্ট যে, আসমানী কিতাবসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী এই কুরআন মজীদ ও ফুরকান হামীদই বটে। এটা প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত আল্লাহ স্বীয় দয়ালু নবী (সঃ)-এর উপর অবতীর্ণ করেছেন। এরপর তাওরাত শরীফের মর্যাদা, যাতে নূর ও হিদায়াত ছিল, যা অনুসারে নবীরা ও তাদের অনুসারীরা হুকুম জারী করতেন। ইঞ্জীল তো শুধু তাওরাতকে পূর্ণকারী এবং কোন কোন হারামকে হালালকারী ছিল। এজন্যেই এখানে বলা হয়েছেঃ তোমরা সত্যবাদী হলে আল্লাহর নিকট হতে এক কিতাব আনয়ন কর, যা পথ-নির্দেশে এতদুভয় হতে উৎকৃষ্টতর হবে; আমি সে কিতাব অনুসরণ করবো। অতঃপর হে নবী (সঃ)! তারা যদি এতে অপারগ হওয়া সত্ত্বেও তোমার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তাহলে জানবে যে, তারা তো শুধু নিজেদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে। আর আল্লাহর পথ-নির্দেশ অগ্রাহ্য করে যে ব্যক্তি নিজ খেয়াল খুশীর অনুসরণ করে তার চেয়ে অধিক বিভ্রান্ত আর কে হতে পারে? এভাবে যারা নিজেদের নফসের উপর যুলুম করে সে শেষ পর্যন্ত সঠিক পথ লাভে বঞ্চিত হয়। আমি তো তাদের কাছে বিস্তারিতভাবে আমার বাণী পৌছিয়ে দিয়েছি যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। তাদের দ্বারা বলতে মুজাহিদ (রঃ) ও অন্যান্যদের মতে কুরায়েশদেরকে বুঝানো হয়েছে। স্পষ্ট ও প্রকাশমান কথা এটাই। কারো কারো মতে এদের দ্বারা রিফাআহ্ ও তার সঙ্গী নয়জন লোককে বুঝানো হয়েছে। রিফাআহ্ ছিল হযরত সুফিয়া বিন্তে হুইয়াই (রাঃ)-এর মামা, যে তামীমাহ্ বিতে অহাবকে তালাক প্রদান করেছিল, যার দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছিল আবদুর রহমান ইবনে যুবায়েরের সাথে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Read, Listen, Search, and Reflect on the Quran

Quran.com is a trusted platform used by millions worldwide to read, search, listen to, and reflect on the Quran in multiple languages. It provides translations, tafsir, recitations, word-by-word translation, and tools for deeper study, making the Quran accessible to everyone.

As a Sadaqah Jariyah, Quran.com is dedicated to helping people connect deeply with the Quran. Supported by Quran.Foundation, a 501(c)(3) non-profit organization, Quran.com continues to grow as a free and valuable resource for all, Alhamdulillah.

Navigate
Home
Quran Radio
Reciters
About Us
Developers
Product Updates
Feedback
Help
Our Projects
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Non-profit projects owned, managed, or sponsored by Quran.Foundation
Popular Links

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

SitemapPrivacyTerms and Conditions
© 2026 Quran.com. All Rights Reserved