تسجيل الدخول
🚀 انضم إلى تحدي رمضان!
تعرف على المزيد
🚀 انضم إلى تحدي رمضان!
تعرف على المزيد
تسجيل الدخول
تسجيل الدخول
١٣:١٤
وقال الذين كفروا لرسلهم لنخرجنكم من ارضنا او لتعودن في ملتنا فاوحى اليهم ربهم لنهلكن الظالمين ١٣
وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِرُسُلِهِمْ لَنُخْرِجَنَّكُم مِّنْ أَرْضِنَآ أَوْ لَتَعُودُنَّ فِى مِلَّتِنَا ۖ فَأَوْحَىٰٓ إِلَيْهِمْ رَبُّهُمْ لَنُهْلِكَنَّ ٱلظَّـٰلِمِينَ ١٣
وَقَالَ
ٱلَّذِينَ
كَفَرُواْ
لِرُسُلِهِمۡ
لَنُخۡرِجَنَّكُم
مِّنۡ
أَرۡضِنَآ
أَوۡ
لَتَعُودُنَّ
فِي
مِلَّتِنَاۖ
فَأَوۡحَىٰٓ
إِلَيۡهِمۡ
رَبُّهُمۡ
لَنُهۡلِكَنَّ
ٱلظَّٰلِمِينَ
١٣
تفاسير
فوائد
تدبرات
الإجابات
قراءات
أنت تقرأ تفسيرًا لمجموعة الآيات 14:13إلى 14:17

১৩-১৭ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআলা খবর দিচ্ছেন যে, কাফিরগণ যখন যুক্তিতর্কে হেরে গেল তখন নবীদেরকে ধমক দিতে ও ভয় দেখাতে লাগলো যে, তাদেরকে তারা দেশ থেকে তাড়িয়ে দিবে। হযরত শুআইবের (আঃ) কওমও তাদের নবী ও মুমিনদের এ কথাই বলেছিলঃ “আমরা তোমাদের বাসভূমি হতে বের করে দিবো।' হযরত লূতের (আঃ) সম্প্রদায়ও অনুরূপ কথাই বলেছিলঃ ‘নূত (আঃ) ও তার অনুসারীদেরকে তোমাদের গ্রাম থেকে বের করে দাও। কুরাইশ মুশরিকরাও এইরূপই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল এবং বলেছিলঃ ‘তাকে বন্দীকর, হত্যা কর অথবা দেশ থেকে বের করে দাও। তাদের সম্পর্কে খবর দিতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তারা তোমাকে দেশ হতে উৎখাত করবার চুড়ান্ত চেষ্টা করেছিল তোমাকে সেথা হতে বহিষ্কার করবার জন্যে; তা হলে তোমার পর তারাও সেথায় অল্পকাল টিকে থাকতো।” (১৭:৭৪)।আর এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যখন কাফিরগণ চক্রান্ত করে তোমাকে বন্দী করার অথবা হত্যা করার এবং দেশে হতে) বের করে দেয়ার, তারা চক্রান্ত করেছিল, আল্লাহও কৌশল করেন আর আল্লাহ চক্রান্তের উত্তম প্রতিফল প্রদানকারী।” (৮:৩০) তিনি স্বীয় নবীকে (সঃ) নিরাপদে মক্কায় পৌছিয়ে দিলেন। মদীনাবাসীকে তাঁর আনসার বা সাহায্যকারী বানিয়ে দিলেন। তাঁরা তাঁর সেনাবাহিনীর অন্তভূক্ত হয়ে তাঁর পতাকা তলে এসে কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করেন এবং ধীরে ধীরে আল্লাহ তাআলা তাঁকে উন্নতি দান করেন। এমন কি শেষ পর্যন্ত তিনি মক্কাও জয় করে নেন। ফলে এখন দ্বীনের দুশমনদের চক্রান্ত নস্যাৎ হয়ে যায় এবং তাদের আশার গুড়ে বালি পড়ে যায়। লোকেরা দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে শুরু করে এবং আল্লাহর কালেমা এবং তার দ্বীন অল্প সময়ের মধ্যে পূর্বে ও পশ্চিমে সমস্ত দ্বীনের উপর বিজয় লাভ করে। এ জন্যেই আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “রাসূলদের কাছে তাদের প্রতিপালক ওয়াহী করলেনঃ যালিমদেরকে আমি অবশ্যই ধ্বংস করবো। আর তাদের পরে আমি তোমাদেরকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করবই। যেমন আল্লাহ তাআলা অন্য এক জায়গায় বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থিরহয়েছে যে, অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে এবং আমার বাহিনীই হবে। বিজয়ী।” (৩৮:১৭১-৭৩) মহান আল্লাহ অন্য এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেনঃ অবশ্যই আমি এবং আমার রাসূলগণ জয়যুক্ত হবো, নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমতাবান, পরাক্রমশালী।” (৫৮:২১) আল্লাহ তাআলা আরো বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমি উপদেশের পর কিতাবে লিখে দিয়েছিঃ আমার যোগ্যতা সম্পন্ন বান্দাগণ পৃথিবীর অধিকারী হবে।” (২১:১০৫)হযরত মূসা (আঃ) তাঁর কওমকে বলেছিলেনঃ “তোমরা আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা কর এবং ধৈর্য ধারণ করো, নিশ্চয় যমীন আল্লাহর, তিনি তাঁর বান্দাদের যাকে চান যমীনের উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেন এবং ভাল পরিণাম খোদাভীরুদের জন্যেই।” আর এক জায়গায় ঘোষণা করা হয়েছেঃ “দুর্বল লোকদেরকে আমি যমীনের পূর্ব ও পশ্চিমের ওয়ারিস বানিয়ে দিয়েছি, যেখানে আমি বানী ইসরাঈলের ধৈর্য ধারণের কারণে আমার উত্তম ওয়াদা পুরণার্থে বরকত দান করেছিলাম; আর তাদের শত্রু ফিরাউন ও তার কওমের শিল্প এবং তাদের নির্মিত প্রাসাদসমূহ ধ্বংস করে দিয়েছিলাম।”ঘোষিত হয়েছেঃ “যমীন তোমাদের অধিকারে চলে আসবে, এই ওয়াদা ঐ লোকদের জন্যে যারা কিয়ামতের দিন আমার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে এবং আমার শাস্তিকে ভয় করে।” যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যে ব্যক্তি সীমা লংঘন করলো ও পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দিলো, তার বাসস্থান জাহান্নাম।” (৭৯:৩৭-৩৯) তিনি আরো বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের সামনে দণ্ডায়মান হওয়ার ভয় রাখে তার জন্যে রয়েছে দুটি উদ্যান।” (৫৫:৪৬) রাসূলগণ তাঁদের প্রতিপালকের কাছে সাহায্য, বিজয় ও ফায়সালা প্রার্থনা করলেন অথবা তাদের কওম এইরূপ প্রার্থনা করলো। রাসূলদের এইরূপ প্রার্থনা করা এটা হযরত ইবনু আব্বাসের (রাঃ) উক্তি। আর তাঁর কওমের এইরূপ প্রার্থনা করা এটা হযরত আবদুর রহমান ইবনু যায়েদ ইবনু আসলামের (রঃ) উক্তি। যেমন মক্কার মুশরিক কুরায়েশরা বলেছিলঃ “হে আল্লাহ! যদি এটা সত্য হয় তবে তুমি আকাশ হতে আমাদের উপর পাথর বর্ষণ কর অথবা অন্য কোন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আমাদের উপর নাযিল করো।” আবার এও হতে পারে যে, এদিকে কাফিররা এটা প্রার্থনা করলো, আর ওদিকে রাসূলগণও দুআ করলেন। যেমন বদরের যুদ্ধের দিন ঘটেছিল যে, একদিকে রাসূলুল্লাহ (সঃ) আল্লাহ তাআলার নিকট কাতর কণ্ঠে দুআ করেছিলেন, আর অপরদিকে কাফির নেতৃবর্গই প্রার্থনা করছিলঃ “হে আল্লাহ! আজ তুমি হক বা সত্যকে জয়যুক্ত কর।” হয়েছিলও তাই। মুমিনরা হক পথে ছিলেন, কাজেই তাঁরাই বিজয়ী হয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের বলেছিলেনঃ “তোমরা বিজয় প্রার্থনা করছিলে, তাতো এসে গেছে এবং এখনও যদি তোমরা (দুষ্কর্ম থেকে) বিরত থাক তবে এটাই হবে তোমাদের জন্যে কল্যাণকর।” এ সব ব্যাপারে সঠিক জ্ঞান এক মাত্র আল্লাহ তাআলারই রয়েছে।মহান আল্লাহর উক্তিঃ “উদ্ধত স্বৈরাচারী ব্যর্থ মনোরথ হলো।” যেমন তিনি এক জায়গায় বলেছেনঃ “(আদেশ করা হবে) নিক্ষেপ কর, নিক্ষেপ কর জাহান্নামে প্রত্যেক উদ্ধত কাফিরকে কল্যাণকর কাজে প্রবল বাধাদানকারী, সীমালংঘনকারী ও সন্দেহ পোষণকারী। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অন্য মা'বুদ গ্রহণ করতো তাকে কঠিন শাস্তিতে নিক্ষেপ কর।” হাদীসেও রয়েছে যে, কিয়ামতের দিন জাহান্নামকে আনয়ন করা হবে, তখন সে সমস্ত মাখলুককে ডাক দিয়ে বলবেঃ “আমি প্রত্যেক অহংকারী ও হঠকারীর জন্যে নির্ধারিত রয়েছি।” সেই দিন এ মন্দলোকদের কতইনা দূরাবস্থা হবে যেই দিন নবীগণ পর্যন্ত মহা প্রতাপান্বিত আল্লাহ তাআলার সামনে কড়জোড়ে দাড়িয়ে থাকবেন।এখানে (আরবি) শব্দটি (আরবি) (সামনে) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন এক জায়গায় আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তাদের সামনে ছিল এক রাজা, যে বল প্রয়োগে নৌকা সকল ছিনিয়ে নিতো।” (১৮:৭১) হযরত ইবনু আব্বাসের (রাঃ) কিরআত (আরবি) এইরূপই রয়েছে। মোটকথা, সামনে জাহান্নাম তার অপেক্ষায় থাকবে, যেখানে প্রবেশ করার পর আর বের হতে হবে না। কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তো জাহান্নাম সকাল-সন্ধ্যায় সামনে আসতেই থাকবে। তারপর ওটাই স্থায়ী ঠিকানা বা বাসস্থান হয়ে যাবে। অতঃপর সেখানে তার জন্যে পানির পরিবর্তে আগুনের মত পুঁজ রয়েছে এবং সীমাহীন ঠাণ্ডা এবং দুর্গন্ধময় পানি রয়েছে, যা জাহান্নামীদের ক্ষতস্থান হতে নির্গত হয়ে আসবে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “এটা হচ্ছে ফুটন্ত পানি ও পূজ সুতরাং এটার যেন তারা স্বাদ গ্রহণ করে।” (৩৮:৫৭)(আরবি) বলা হয় পুঁজ ও রক্তকে যা জাহান্নামীদের গোশতও চামড়া থেকে বয়ে আসবে। এটাকেই (আরবি) ও বলা হয়ে থাকে। এটা কাতাদা’র (রঃ) উক্তি। হযরত আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) (আরবি) (গলিত পুঁজ পান করানো হবে যা সে অতি কষ্টে গলাধঃকরণ করবে) এই উক্তির ব্যাখ্যায় বলেন যে, যখন তার কাছে তা নিয়ে যাওয়া হবে তখন তার খুব কষ্ট হবে। মুখের কাছে পৌছা মাত্রই সমস্ত চেহারার চামড়া ঝলসে গিয়ে তাতে পড়ে যাবে। এক চুমুক নেয়া মাত্রই পেটের নাড়িভূড়ি পায়খানার দ্বার দিয়ে বেরিয়ে যাবে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ “তাদেরকে ফুটন্ত পানি পান করানো হবে যা তাদের নাড়ি কেটে দিবে। আল্লাহ পাক আর এক জায়গায় বলেছেনঃ “প্রার্থনাকারীর চাহিদা গলিত তামার ন্যায় ফুটন্ত গরম পানি দ্বারা মেটানো হবে যা তার চেহারা দগ্ধিভূত করবে।” অতিকষ্টে সে চুক চুক করে গলাধঃকরণ করবে। ফেরেশতারা লোহার ঘন মেরে মেরে পান করাবে। বিস্বাদ, দুর্গন্ধ, গরমের তীব্রতা বা ঠাণ্ডার তীব্রতার কারণে গলা থেকে নামা অসম্ভব হয়ে যাবে। দেহে, অঙ্গ-প্রতঙ্গে, জোড়ে জোড়ে ব্যথা ও কষ্ট হবে। মনে হবে যেন মৃত্যু চলে আসছে। কিন্তু মৃত্যু হবে না। শিরায় শিরায় শাস্তি দেয়া হবে, কিন্তু প্রাণ বের হবে না। এক একটি পশম অসহনীয় শাস্তিতে পতিত, কিন্তু আত্মাদেহ হতে বের হতে পারবে না। সামনে, পেছনে, ডানে ও বামে হতে যেন মৃত্যু চলে আসছে, কিন্তু এসে পড়ছে না। বিভিন্ন প্রকারের শাস্তি, জাহান্নামের আগুন পরিবেষ্টন করে রয়েছে। কিন্তু মৃত্যুকে ডেকেও আসে না। মৃত্যুও আসে না, শাস্তিও সরে না, যেন সার্বক্ষণিক শাস্তি হতে থাকে। প্রত্যেক শাস্তি এমন যে, তা মৃত্যুর জন্যে যথেষ্ট হওয়ার চাইতেও বেশী। কিন্তু সেখানে তো মৃত্যুও হয়ে যাবে। এসব শাস্তির সাথে আরো কঠিন ও বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা যাককুম বৃক্ষ সম্বন্ধে বলেছেনঃ “এই বৃক্ষ উদ্গত হয় জাহান্নামের তলদেশ হতে। এর মোচা যেন শয়তানের মাথা। তারা এটা হতে ভক্ষণ করবে এবং এর দ্বারা উদরপূর্ণ করবে। তদুপরি তাদের জন্যে থাকবে ফুটন্ত পানির মিশ্রণ। আর তাদের গন্তব্য হবে অবশ্যই প্রজ্জ্বলিত অগ্নির দিকে।” মোট কথা, কখনো যাককুম খাওয়া, কখনো গরম ফুটন্ত পানি পান করা, কখনো আগুনে পোড়ানো, কখনো পুঁজ পান করানো ইত্যাদি বিভিন্ন শাস্তি তাদেরকে দেয়া হবে। আমরা এর থেকে আল্লাহ তাআলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। অনুরূপ আল্লাহ তাআলা আরো বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “এটাই সেই জাহান্নাম, যা অপরাধীরা অবিশ্বাস করে। তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মধ্যে ছুটাছুটি করবে” (৫৫:৪৩-৪৪) প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ আর এক জায়গায় বলেছেনঃ “নিশ্চয়ই যাকুম বৃক্ষ হবে পাপীদের খাদ্য। গলিত তারে মত, ওটা তার উদরে ফুটতে থাকবে, ফুটন্ত পানির মত। (ফেরেস্তাদেরকে বলা হবে) তাকে ধর এবং টেনে নিয়ে যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে। অতঃপর তার মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দিয়ে শাস্তি দাও। আর বলা হবেঃ আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত। এটাতো ওটাই, যে বিষয়ে তুমি সন্দেহ করতে।” তিনি আর এক জায়গায় বলেছেনঃ “এটাই, আর সীমালংঘনকারীদের জন্যে রয়েছে নিকৃষ্টতম পরিণাম জাহান্নাম, সেথায় তারা প্রবেশ করবে, কত নিকৃষ্ট বিশ্রামস্থল। এটা সীমালংঘনকারীদের জন্যে, সুতরাং তারা আস্বাদন করুক ফুটন্ত পানি ও পূজ। আরো আছে এইরূপ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি।” এমন আরো বহু শাস্তি রয়েছে যা মহা মহিমান্বিত ও প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ ছাড়া আর কেউই জানে না। আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “(হে মুহাম্মদ সঃ!) তোমার প্রতিপালক বান্দাদের প্রতি কোন অবিচার করেন না।” (৪১:৪৬)

Notes placeholders
اقرأ واستمع وابحث وتدبر في القرآن الكريم

Quran.com منصة موثوقة يستخدمها ملايين الأشخاص حول العالم لقراءة القرآن الكريم والبحث فيه والاستماع إليه والتدبر فيه بعدة لغات. كما يوفر الموقع ترجمات وتفسيرات وتلاوات وترجمة كلمة بكلمة وأدوات للدراسة العميقة، مما يجعل القرآن الكريم في متناول الجميع.

كصدقة جارية، يكرّس Quran.com جهوده لمساعدة الناس على التواصل العميق مع القرآن الكريم. بدعم من Quran.Foundation، وهي منظمة غير ربحية 501(c)(3)، يواصل Quran.com في التقدم و النمو كمصدر مجاني وقيم للجميع، الحمد لله.

تصفّح
الصفحة الرئيسة
راديو القرآن الكريم
القرّاء
معلومات عنا
المطورون
تحديثات المنتج
الملاحظات
مساعدة
مشاريعنا
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
المشاريع غير الربحية التي تملكها أو تديرها أو ترعاها Quran.Foundation
الروابط الأكثر شيوعًا

آية الكرسي

يس

الملك

الرّحمن

الواقعة

الكهف

المزّمّل

خريطة الموقـعالخصوصيةالشروط والأحكام
© ٢٠٢٦ Quran.com. كل الحقوق محفوظة