تسجيل الدخول
🚀 انضم إلى تحدي رمضان!
تعرف على المزيد
🚀 انضم إلى تحدي رمضان!
تعرف على المزيد
تسجيل الدخول
تسجيل الدخول
٢١٨:٢
ان الذين امنوا والذين هاجروا وجاهدوا في سبيل الله اولايك يرجون رحمت الله والله غفور رحيم ٢١٨
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَاجَرُوا۟ وَجَـٰهَدُوا۟ فِى سَبِيلِ ٱللَّهِ أُو۟لَـٰٓئِكَ يَرْجُونَ رَحْمَتَ ٱللَّهِ ۚ وَٱللَّهُ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ٢١٨
إِنَّ
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
وَٱلَّذِينَ
هَاجَرُواْ
وَجَٰهَدُواْ
فِي
سَبِيلِ
ٱللَّهِ
أُوْلَٰٓئِكَ
يَرۡجُونَ
رَحۡمَتَ
ٱللَّهِۚ
وَٱللَّهُ
غَفُورٞ
رَّحِيمٞ
٢١٨
تفاسير
فوائد
تدبرات
الإجابات
قراءات
أنت تقرأ تفسيرًا لمجموعة الآيات 2:217إلى 2:218

২১৭-২১৮ নং আয়াতের তাফসীররাসূলুল্লাহ (সঃ) একটি সেনাবাহিনী প্রেরণ করেন এবং হযরত আবু উবাইদা বিন জাররাহ (রাঃ)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তিনি বিদায়ের প্রাক্কালে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর বিচ্ছেদের দুঃখে ভীষণ ক্রন্দন করেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁকে ফিরিয়ে নেন এবং তার স্থলে হযরত আবদুল্লাহ বিন জাহাশ (রাঃ)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তাঁকে একখানা পত্র দিয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন | ‘বাতনে নাখলা' নামক স্থানে পৌঁছার পূর্বে এই পত্র পড়বে না। তথায় পৌছে যখন এর বিষয়বস্তু দেখবে তখন সঙ্গীদের কাউকেও তোমার সাথে যাবার জন্যে বাধ্য করবে না। অতএব হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) এই ক্ষুদ্র বাহিনী নিয়েই যাত্রা শুরু করেন। নির্ধারিত স্থানে পৌছে তিনি নবীজীর (সঃ) নির্দেশনামা পাঠ করতঃ ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়েন এবং বলেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর নির্দেশনামা পড়েছি এবং তাঁর নির্দেশ পালনে আমি প্রস্তুত রয়েছি। অতঃপর তিনি তাঁর সঙ্গীদেরকে পাঠ করে শুনিয়ে দেন এবং ঘটনাটি বর্ণনা করেন। সুতরাং দুই ব্যক্তি ফিরে যান, কিন্তু অন্যান্য সবাই তার সাথে যাবার জন্যে প্রস্তুত হয়ে যান। সম্মুখে অগ্রসর হয়ে তারা ইবনুল হারামী নামক কাফিরকে দেখতে পান। ঐ দিনটি জমাদিউল উখরার শেষ দিন ছিল কি রজবের প্রথম দিন ছিল এটা তাদের জানা ছিল না। সুতরাং তারা ঐ সেনাবাহিনীর উপর আক্রমণ চালান এবং ইবনুল হাযরামী মারা যায়। মুসলমানদের ঐ দলটি তথা হতে ফিরে আসেন। তখন মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে বলেঃ ‘দেখ! তারা নিষিদ্ধ মাসে যুদ্ধ করেছে এবং হত্যাও করেছে। এ ব্যাপারে এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম)। অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে যে,এই দলে ছিলেন হযরত আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ), হযরত আবু হুযাইফা বিন উবা বিন রাবী'আ (রাঃ), হযরত সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস (ব্লাঃ), হযরত উবা বিন গাওয়ান সালমা (রাঃ), হযরত সাহীল বিন বায়যা (রাঃ), হযরত আমের বিন ফাহীরাহ (রাঃ) এবং হযরত ওয়াকিদ বিন আবদুল্লাহ ইয়ারবুঈ (রাঃ)। বাতনে নাখলা’ পৌছে হযরত আবদুৱাহ বিন জাহাশ (রাঃ) পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছিলেন যে, যে ব্যক্তি শাহাদাত লাভের প্রত্যাশী একমাত্র সেই সম্মুখে অগ্রসর হবে। এখান হতে প্রত্যাবর্তনকারীগণ ছিলেন হযরত সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস ও হযরত উবা (রাঃ)। তাঁদের এই বাহিনীর সাথে না যাওয়ার কারণ ছিল এই যে, তাদের উট হারিয়ে গিয়েছিল। উট খোজ করার জন্যেই তারা রয়ে গিয়েছিলেন। মুশরিকদের মধ্যে হাকাম বিন কাইসান, উসমান বিন আবদুল্লাহ প্রভৃতি ছিল। হযরত ওয়াকিদের (রাঃ) হাতে আমর নিহত হয় এবং এই ক্ষুদ্র বাহিনী যুদ্ধ লব্ধ দ্রব্যনিয়ে ফিরে আসে। এটাই ছিল প্রথম যুদ্ধ লব্ধ মাল যা মুসলমান সাহাবীগণ (রাঃ) প্রাপ্ত হয়েছিলেন। এই প্রাণ উৎসর্গকারী দলটি দু’জন বন্দী ও গাণীমতের মাল নিয়ে ফিরে আসেন মক্কার মুশরিকরা তখন প্রতিবাদ স্বরূপ বলে : মুহাম্মদের (সঃ) দাবীতো এই যে, তিনি আল্লাহর আনুগত্য স্বীকারকারী, কিন্তু সম্মানিত মাসগুলোর কোন সম্মান করেন না, বরং রজব মাসে যুদ্ধ ও হত্যা করে থাকেন। মুসলমানগণ বলেনঃ “আমরা রজব মাসে তো হত্যা করিনি বরং জমাদিউল উখরা মাসে যুদ্ধ হয়েছে। প্রকৃত ব্যাপার এ যে, ওটা ছিল রজবের প্রথম রাত্রি এবং জমাদিউল উখরার শেষ রাত্রি। রজব মাস আরম্ভ হওয়া মাত্রই মুসলমানদের তরবারী কোষ বদ্ধ হয়েছিল। মুশরিকদের এ প্রতিবাদের উত্তরে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এতে আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “এই মাসগুলোতে যুদ্ধ হারাম বটে। কিন্তু হে মুশরিকরা! তোমাদের মন্দ কার্যাবলী তো মন্দ হিসেবে এর চেয়েও বেড়ে গেছে। তোমরা আমাকে অস্বীকার করছো। তোমরা আমার নবী (সঃ)-কে ও তার সহচরদেরকে আমার মসজিদ হতে প্রতিরোধ করছে। তোমরা তাদেরকে তথা হতে বহিস্কৃত করেছে। সুতরাং তোমাদের এই অসৎ কার্যাবলীর প্রতি দৃষ্টিপাত কর যে, ওগুলো কত জঘন্য কাজ!' এই নিষিদ্ধ মাসগুলোতেই মুশরিকরা মুসলমানদেরকে বায়তুল্লাহ শরীফ হতে বাধা দিয়েছিল এবং তারা বাধ্য হয়ে ফিরে গিয়েছিলেন। পরবর্তী বছর নিষিদ্ধ মাসগুলোতেই আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবীর (সঃ) হাতে মক্কা বিজয় করিয়ে দেন এবং তথায় মুসলমানদের পূর্ণ আধিপত্য লাভ হয়। তখন তারা প্রতিবাদ করলে এই আয়াতগুলো দ্বারা তাদের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। আমর বিন হাযরামীকে যে হত্যা করা হয়েছিল, সে তায়েফ হতে মক্কা আসছিল। রজবের চন্দ্র উদিত হয়েছিল বটে, কিন্তু সাহাবীদের (রাঃ) তা জানা ছিল না। তারা ঐ রাত্রিকে জমাদিউল উখরার রাত্রি মনে করেছিলেন।অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, হযরত আবদুল্লাহ বিন জাহাশের সাথে আট জন লোক ছিলেন। সাতজন তো তারাই যাদের নাম উপরে বর্ণিত হয়েছে। অষ্টম ছিলেন হযরত রাবাব আসাদী (রাঃ)। রাসূলুল্লাহ (সঃ) এঁদেরকে প্রথম বদর যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তনের সময় প্রেরণ করেছিলেন। এরা সবাই ছিলেন মুহাজির সাহাবী (রাঃ)। তাঁদের মধ্যে আনসারী একজনও ছিলেন না। দু’দিন চলার পর তারা নবীজী (সঃ)-এর পত্রখানা পাঠ করেছিলেন। পত্রে লিখিত ছিল, ‘আমার এই নির্দেশনামা পড়ে মক্কা, ও তায়েফের মধ্যবর্তী নাখলা' নামক স্থানে পৌছে তথায় অবস্থান করবে এবং কুরাইশ যাত্রীদলের অপেক্ষা করবে। তাদের খবরা-খবর জেনে আমার নিকট পৌছিয়ে দেবে। যখন এই মহান ব্যক্তিবর্গ এখান হতে গমন করেন তখন তারা সবাই গিয়েছিলেন। দু’জন সাহাবী যারা উট খুঁজতে গিয়ে রয়ে গিয়েছিলেন, এখান হতে তারাও সঙ্গেই গিয়েছিলেন। কিন্তু ‘ফারাগের উপরে ‘মাদানে পৌছে নাজরানে তাদেরকে উটের খোঁজে রয়ে যেতে হয়। কুরাইশদের এই যাত্রীদলের সাথে যায়তুন' প্রভৃতি ব্যবসায়ের মাল ছিল। মুশরিকদের মধ্যে উপরোল্লিখিত লোক ছাড়াও নাওফিস বিন আবদুল্লাহ প্রভৃতিও ছিল।মুসলমানগণ প্রথমে তাদেরকে দেখেতো কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন। তারা এই চিন্তা করেন যে, যদি তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয় তবে এই রাত্রির পরইতো নিষিদ্ধ মাস পড়ে যাবে, কাজেই তারা কিছুই করতে পারবেন না। সুতরাং পরামর্শক্রমে তারা অত্যন্ত বীরত্বের সাথে তাদের উপর আক্রমণ চালিয়ে দেন। হযরত ওয়াকিদ বিন আবদুল্লাহ তামীমী (রাঃ) আমর বিন হাযরামীকে লক্ষ্য করে এমনভাবে তীর নিক্ষেপ করেন যে, তার ফায়সালাই হয়ে যায়। উসমান ও আবদুল্লাহকে বন্দী করে নেয়া হয় এবং গাণীমতের মাল নিয়ে তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হন। পথেই সেনাপতি বলে দিয়েছিলেন যে, এই মালের এক পঞ্চমাংশ তো রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর জন্যেই থাকবে। সুতরাং এই অংশটি তাঁরা পৃথক করে রেখে দেন এবং বাকী অংশ সাহাবীদের (রাঃ) মধ্যে বন্টন করে দেন। যুদ্ধ লব্ধ মালের এক পঞ্চমাংশ যে বের করে দিতে হবে এই নির্দেশ তখন পর্যন্ত অবতীর্ণ হয়নি। যখন তাঁরা নবী (সঃ)-এর দরবারে উপস্থিত হন তখন তিনি এই ঘটনা শুনে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘নিষিদ্ধ মাসগুলোতে যুদ্ধ করতে আমি তোমাদেরকে কখন বলেছিলাম:' না তিনি সেই যাত্রী দলের কোন মাল গ্রহণ করলেন, না বন্দীদেরকে স্বীয় অধিকারে নিলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর এই কথায় ও কাজে তারা খুবই লজ্জিত হলেন এবং নিজেদের পাপ কার্য সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে গেলেন। অতঃপর অন্যান্য মুসলমানও তাঁদের সমালোচনা করতে আরম্ভ করলেন। আর ওদিকে কুরাইশরা বিদ্রুপ করতে আরম্ভ করলো যে, মুহাম্মদ (সঃ) ও তাঁর সহচরগণ নিষিদ্ধ মাসগুলোর মধ্যে যুদ্ধ-বিগ্রহ হতে বিরত হন না। অপর পক্ষে ইয়াহুদীরা একটা কুলক্ষণ বের করে। আমর বিন হারামী নিহত হয়েছিল বলে ইয়াহুদীরা বলে (আরবি) অর্থাৎ দীর্ঘ দিন ধরে প্রচণ্ড ও ভয়াবহ যুদ্ধ চলতে থাকবে।' আমরের পিতার নাম ছিল হারামী। এজন্যেই তারা কুলক্ষণ গ্রহণ করে বলে (আরবি) অর্থাৎ ‘যুদ্ধের সময় উপস্থিত হয়ে গেছে। হত্যাকারীর নাম ওয়াকিদ (রাঃ), কাজেই তারা বলে (আরবি) অর্থাৎ যুদ্ধের আগুন জ্বলে উঠেছে। কিন্তু মহান আল্লাহ এর বিপরীত করে দেন এবং পরিণাম সবই মুশরিকদের প্রতিকূলে হয়। তাদের প্রতিবাদের উত্তরে আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়। এতে বলা হয় যে, যুদ্ধ যদি নিষিদ্ধ মাসে হয়েই থাকে তবে তোমাদের কার্যাবলী এর চেয়েও জঘন্য। তোমাদের অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে এই যে, তোমরা মুসলমানদেরকে আল্লাহর দ্বীন হতে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে সম্ভাব্য কোন চেষ্টারই ত্রুটি করনি। এটা হত্যা অপেক্ষাও বেশী মারাত্মক। তোমরা এসব কাজ হতে না বিরত হচ্ছো, না তাওবা করছে, না লজ্জিত হচ্ছে। এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ হওয়ার পর মুসলমানগণ এই দুঃখ হতে মুক্তিপ্রাপ্ত হন এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) যাত্রীদলকে ও বন্দীদেরকে নিজের অধিকারে নিয়ে নেন। কুরাইশরা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট দূত পাঠিয়ে বলে, মুক্তিপণ নিয়ে এই বন্দীদেরকে ছেড়ে দিন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সঃ) দূতকে বলেন, আমার দু’জন সাহাবী হযরত সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং হযরত উত্বা বিন গাযওয়ান (রাঃ) যখন এসে যাবেন তখন তোমরা এসো। আমার ভয় হয় যে, তোমরা তাদেরকে কষ্ট দেবে। অতএব তারা উভয়ে এসে গেলে রাসূলুল্লাহ (সঃ) মুক্তিপণের বিনিময়ে বন্দীদ্বয়কে মুক্ত করে দেন। হযরত হাকাম বিন কাসইয়ান (রাঃ) তো মুসলমান হয়ে যান এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর খিদমতেই রয়ে যান। 'বি'রে মাউনা’ যুদ্ধে তিনি শহীদ হন। উসমান বিন আবদুল্লাহ মক্কায় ফিরে যায় এবং তথায় কুফরের অবস্থাতেই মারা যায়। এই আয়াত শুনে ঐ বিজেতাগণ অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর অসন্তুষ্টি, সাহাবীগণের (রাঃ) সমালোচনা ও কাফিরদের বিদ্রুপের কারণে তাঁদের অন্তরে যে দুঃখ ছিল, সবই দূর হয়ে যায়। কিন্তু এখন তাদের এই চিন্তা হয় যে, এ যুদ্ধের ফলে তারা পারলৌকিক পুণ্য লাভ করবেন কি-না এবং গাযীদের মধ্যে তাঁদেরকে গণ্য করা হবে কি-না! এ সম্বন্ধে তারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে শেষের আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এর দ্বারা আল্লাহ তা'আলা তাঁদেরকে বড় বড় আশা প্রদান করেন। মুসলমান ও কাফিরদের মধ্যকার যুদ্ধে সর্বপ্রথম ইবনুল হাযরামীই মারা যায়। কাফিরদের প্রতিনিধি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর দরবারে উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করে, ‘নিষিদ্ধ মাসগুলোর মধ্যে হত্যা করা কি বৈধ: তখন (আরবি)আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এটাই ছিল সর্বপ্রথম গাণীমতের মাল যা মুসলমানগণ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। হযরত আবদুল্লাহ বিন জাহাশই (রাঃ) সর্ব প্রথম যুদ্ধ লব্ধ মাল হতে এক পঞ্চমাংশ বের করেন এবং এটাই ইসলামে চালু হয়ে যায়। আল্লাহর নির্দেশও এই রকমই অবতীর্ণ হয়। এ দু’জন বন্দীও ছিল ইসলামের প্রথম বন্দী।

Notes placeholders
اقرأ واستمع وابحث وتدبر في القرآن الكريم

Quran.com منصة موثوقة يستخدمها ملايين الأشخاص حول العالم لقراءة القرآن الكريم والبحث فيه والاستماع إليه والتدبر فيه بعدة لغات. كما يوفر الموقع ترجمات وتفسيرات وتلاوات وترجمة كلمة بكلمة وأدوات للدراسة العميقة، مما يجعل القرآن الكريم في متناول الجميع.

كصدقة جارية، يكرّس Quran.com جهوده لمساعدة الناس على التواصل العميق مع القرآن الكريم. بدعم من Quran.Foundation، وهي منظمة غير ربحية 501(c)(3)، يواصل Quran.com في التقدم و النمو كمصدر مجاني وقيم للجميع، الحمد لله.

تصفّح
الصفحة الرئيسة
راديو القرآن الكريم
القرّاء
معلومات عنا
المطورون
تحديثات المنتج
الملاحظات
مساعدة
مشاريعنا
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
المشاريع غير الربحية التي تملكها أو تديرها أو ترعاها Quran.Foundation
الروابط الأكثر شيوعًا

آية الكرسي

يس

الملك

الرّحمن

الواقعة

الكهف

المزّمّل

خريطة الموقـعالخصوصيةالشروط والأحكام
© ٢٠٢٦ Quran.com. كل الحقوق محفوظة