تسجيل الدخول
🚀 انضم إلى تحدي رمضان!
تعرف على المزيد
🚀 انضم إلى تحدي رمضان!
تعرف على المزيد
تسجيل الدخول
تسجيل الدخول
٣٤:٤١
ولا تستوي الحسنة ولا السيية ادفع بالتي هي احسن فاذا الذي بينك وبينه عداوة كانه ولي حميم ٣٤
وَلَا تَسْتَوِى ٱلْحَسَنَةُ وَلَا ٱلسَّيِّئَةُ ۚ ٱدْفَعْ بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ فَإِذَا ٱلَّذِى بَيْنَكَ وَبَيْنَهُۥ عَدَٰوَةٌۭ كَأَنَّهُۥ وَلِىٌّ حَمِيمٌۭ ٣٤
وَلَا
تَسۡتَوِي
ٱلۡحَسَنَةُ
وَلَا
ٱلسَّيِّئَةُۚ
ٱدۡفَعۡ
بِٱلَّتِي
هِيَ
أَحۡسَنُ
فَإِذَا
ٱلَّذِي
بَيۡنَكَ
وَبَيۡنَهُۥ
عَدَٰوَةٞ
كَأَنَّهُۥ
وَلِيٌّ
حَمِيمٞ
٣٤
تفاسير
فوائد
تدبرات
الإجابات
قراءات
أنت تقرأ تفسيرًا لمجموعة الآيات 41:33إلى 41:36

৩৩-৩৬ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ যারা আল্লাহর বান্দাদেরকে তাঁর পথে আহ্বান করে। এবং নিজেও সকর্মশীল হয় ও ইসলাম গ্রহণ করে, তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে? এ হলো সেই ব্যক্তি যে নিজেরও উপকার সাধন করেছে এবং আল্লাহর সৃষ্টজীবেরও উপকার করেছে। ঐ ব্যক্তি এর মত নয় যে মুখে বড় বড় কথা বলে, কিন্তু নিজেই তা পালন করে না। পক্ষান্তরে, এ লোকটি তো নিজেও ভাল কাজ করে এবং অন্যদেরকেও ভাল কাজ করতে বলে।এ আয়াতটি আম বা সাধারণ। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-ই সর্বোত্তমরূপে এর আওতায় পড়েন। কেউ কেউ বলেন যে, এর দ্বারা মুআযযিনকে বুঝানো হয়েছে যিনি সকর্মশীলও বটে। যেমন সহীহ মুসলিমে রয়েছেঃ “কিয়ামতের দিন মুআযযিনগণ সমস্ত লোকের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উচ্চ গ্রীবা বিশিষ্ট হবে।” সুনানে মারফু’রূপে বর্ণিত আছেঃ “ইমাম যামিন এবং মুআযিন আমানতদার। আল্লাহ ইমামদেরকে সুপথ প্রদর্শন করুন এবং মুআযযিনদেরকে ক্ষমা করে দিন!” হযরত সা’দ ইবনে আবি অক্কাস (রাঃ) বলেনঃ “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার নিকট মুআযিনদের অংশ তাঁর পথে জিহাদকারীদের অংশের মত হবে। আযান ও ইকামতের মধ্যভাগে মুআযযিনদের অবস্থা ঐরূপ, যেমন কোন মুজাহিদ আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে রক্তে রঞ্জিত হয়।” (এটা ইমাম ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ “আমি যদি মুআযযিন হতাম তবে আমি হজ্ব, উমরা ও জিহাদকে এতো বেশী পরোয়া করতাম না।”হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেনঃ “আমি যদি মুআখ্যাযিন হতাম তবে আমার আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হতো এবং আমি রাত্রে দাঁড়িয়ে নফল ইবাদত এবং দিবসের নফল রোযার প্রতি এতো বেশী গুরুত্ব দিতাম না। আমি রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ্! আপনি মুআযযিনদেরকে ক্ষমা করুন!” এটা তিনবার বলেন। আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনি দু'আতে আমাদের কথা উল্লেখ করলেন না? অথচ আমরা আপনার হুকুম পাওয়া মাত্র তরবারী টেনে নেই (অর্থাৎ আল্লাহর পথে জিহাদের জন্যে প্রস্তুত হয়ে যাই)!” উত্তরে রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বললেনঃ “হ্যা, তা ঠিকই বটে। কিন্তু হে উমার (রাঃ)! এমন এক যুগ আসবে যখন আযান দেয়ার কাজটি শুধুমাত্র গরীব-মিসকীনদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। হে উমার (রাঃ)! জেনে রেখো যে, যেসব লোকের দেহের গোশত জাহান্নামের উপর হারাম, মুআযিনরাও তাদের অন্তর্ভুক্ত।” হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন যে, ... (আরবী)-এ আয়াতে মুআযিনেরই প্রশংসা করা হয়েছে। তার (আরবী) বলাটাই আল্লাহর পথে আহ্বান করা বুঝায়। হযরত ইবনে উমার (রাঃ) ও হযরত ইকরামা (রাঃ) বলেন যে, এ আয়াতটি মুআযযিনদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। আর এখানে যে বলা হয়েছে এবং সে ভাল কাজ করে। এর দ্বারা আযান ও ইকামতের মাঝে দুই রাকআত নামায পড়াকে বুঝানো হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেনঃ “প্রত্যেক দুই আযানের (আযান ও ইকামতের) মাঝে নামায রয়েছে।” তৃতীয়বারে তিনি বলেনঃ “যে ব্যক্তি (দুই রাকআত নামায পড়ার) ইচ্ছা করে।” একটি হাদীসে আছে যে, আযান ও ইকামতের মধ্যভাগের দু'আ প্রত্যাখ্যাত হয় না।সঠিক কথা এটাই যে, আয়াতটি সাধারণ হওয়ার দিক দিয়ে মুআযযিন ও গায়ের মুআযিন সবকেই শামিল করে। যে কেউই আল্লাহর পথে ডাক দেয় সেই এর অন্তর্ভুক্ত।এটা স্মরণ রাখার বিষয় যে, এ আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার সময় আযান দেয়ার প্রচলনই হয়নি। কেননা, এ আয়াত অবতীর্ণ হয় মক্কায়। আর আযান দেয়ার পদ্ধতি শুরু হয় মদীনায় হিজরতের পর, যখন আবদুল্লাহ্ ইবনে যায়েদ আবদি রাব্বিহ্ (রাঃ) স্বপ্নে আযান দিতে দেখেন ও শুনেন এবং তা রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর নিকট বর্ণনা করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁকে বলেনঃ “আযানের শব্দগুলো হযরত বিলাল (রাঃ)-কে শিখিয়ে দাও, কেননা তার কণ্ঠস্বর উচ্চ।” অতএব, সঠিক কথা এই যে, আয়াতটি আম বা সাধারণ এবং মুআযযিনও এর অন্তর্ভুক্ত।হযরত হাসান বসরী (রঃ) এই আয়াতটি পাঠ করে বলেনঃ “এই লোকগুলোই আল্লাহর বন্ধু। এরাই আল্লাহর আউলিয়া। আল্লাহ্ তা'আলার নিকট এরাই সবচেয়ে বেশী পছন্দনীয় এবং সবচেয়ে বেশী প্রিয়। কেননা, তারা নিজেরা আল্লাহর কথা মেনে নেয় এবং অন্যদেরকেও মানাবার চেষ্টা করে। আর সাথে সাথে তারা নিজেরা ভাল কাজ করে এবং ঘোষণা করে যে, তারা আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত। এরাই আল্লাহর প্রতিনিধি।”মহামহিমান্বিত আল্লাহ্ বলেনঃ ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না, বরং এ দু’য়ের মধ্যে বহু পার্থক্য রয়েছে। যে তোমার সাথে মন্দ ব্যবহার করে তুমি তার সাথে ভাল ব্যবহার কর। এভাবে মন্দকে ভাল দ্বারা প্রতিহত কর। হযরত উমার (রাঃ) বলেনঃ “তোমার ব্যাপারে যে আল্লাহর অবাধ্যচরণ করে, তার ব্যাপারে তুমি আল্লাহর আনুগত্য কর। এর চেয়ে বড় জিনিস আর কিছুই নেই।” মহান আল্লাহ্ বলেনঃ এর ফলে তোমার সাথে যার শত্রুতা আছে সে হয়ে যাবে তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত। এই গুণের অধিকারী করা হয় শুধু তাদেরকেই যারা ধৈর্যশীল এবং এই গুণের অধিকারী শুধু তাদেরকেই করা হয় যারা মহা ভাগ্যবান।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ মুমিনদেরকে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে যে, তারা যেন ক্রোধের সময় ধৈর্য ধারণ করে এবং অন্যদের অজ্ঞতা ও নির্বুদ্ধিতার উপর নিজেদের সহনশীলতার পরিচয় দেয়। তারা যেন অপরের অপরাধকে ক্ষমার চোখে দেখে। এরূপ লোককে আল্লাহ তাআলা শয়তানের আক্রমণ হতে রক্ষা করে থাকেন এবং তাদের শত্রুরা তাদের অন্তরঙ্গ বন্ধুতে পরিণত হয়ে যায়। এতো হলো মানবীয় অনিষ্ট হতে বাঁচবার পন্থা। এখন মহান আল্লাহ্ শয়তানী অনিষ্ট হতে বাঁচবার পন্থা বলে দিচ্ছেনঃ যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তবে তুমি আল্লাহর শরণাপন্ন হবে এবং তার দিকে ঝুঁকে পড়বে। তিনিই শয়তানকে শক্তি দিয়ে রেখেছেন যে, সে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দিবে। তার অনিষ্ট হতে রক্ষা করার ক্ষমতা তাঁরই রয়েছে। আল্লাহর নবী (সঃ) নামাযে বলতেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ আল্লাহর নিকট বিতাড়িত শয়তানের প্ররোচনা, ফুকার এবং অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”আমরা পূর্বেই বর্ণনা করেছি যে, কুরআন কারীমের মধ্যে এই স্থানের সাথে তুলনীয় সূরায়ে আরাফের একটি স্থান এবং সূরায়ে মুমিনূনের একটি স্থান ছাড়া আর কোন স্থান নেই। সূরায়ে আ'রাফের স্থানটি হচ্ছে আল্লাহ্ তা'আলার নিম্নের উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ “তুমি ক্ষমাপরায়ণতা অবলম্বন কর, সৎ কাজের নির্দেশ দাও এবং অজ্ঞদেরকে উপেক্ষা কর। যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে তবে আল্লাহর শরণ নিবে, তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।”(৭:১৯৯-২০০) সূরায়ে মুমিনূনের স্থানটি হলো মহান আল্লাহর নিম্নের উক্তিঃ (আরবী) অর্থাৎ “মন্দের মুকাবিলা কর যা উত্তম তা দ্বারা; তারা যা বলে আমি সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত। বলঃ হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি শয়তানের প্ররোচনা হতে। হে আমার প্রতিপালক! আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করি আমার নিকট তাদের উপস্থিতি হতে।”(২৩:৯৬-৯৮)

Notes placeholders
اقرأ واستمع وابحث وتدبر في القرآن الكريم

Quran.com منصة موثوقة يستخدمها ملايين الأشخاص حول العالم لقراءة القرآن الكريم والبحث فيه والاستماع إليه والتدبر فيه بعدة لغات. كما يوفر الموقع ترجمات وتفسيرات وتلاوات وترجمة كلمة بكلمة وأدوات للدراسة العميقة، مما يجعل القرآن الكريم في متناول الجميع.

كصدقة جارية، يكرّس Quran.com جهوده لمساعدة الناس على التواصل العميق مع القرآن الكريم. بدعم من Quran.Foundation، وهي منظمة غير ربحية 501(c)(3)، يواصل Quran.com في التقدم و النمو كمصدر مجاني وقيم للجميع، الحمد لله.

تصفّح
الصفحة الرئيسة
راديو القرآن الكريم
القرّاء
معلومات عنا
المطورون
تحديثات المنتج
الملاحظات
مساعدة
مشاريعنا
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
المشاريع غير الربحية التي تملكها أو تديرها أو ترعاها Quran.Foundation
الروابط الأكثر شيوعًا

آية الكرسي

يس

الملك

الرّحمن

الواقعة

الكهف

المزّمّل

خريطة الموقـعالخصوصيةالشروط والأحكام
© ٢٠٢٦ Quran.com. كل الحقوق محفوظة