প্রবেশ কর
🚀 আমাদের রমজান চ্যালেঞ্জে যোগ দিন!
আরও জানুন
🚀 আমাদের রমজান চ্যালেঞ্জে যোগ দিন!
আরও জানুন
প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
৪৮:২১
واخرى لم تقدروا عليها قد احاط الله بها وكان الله على كل شيء قديرا ٢١
وَأُخْرَىٰ لَمْ تَقْدِرُوا۟ عَلَيْهَا قَدْ أَحَاطَ ٱللَّهُ بِهَا ۚ وَكَانَ ٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرًۭا ٢١
وَّاُخۡرٰى
لَمۡ
تَقۡدِرُوۡا
عَلَيۡهَا
قَدۡ
اَحَاطَ
اللّٰهُ
بِهَا​ؕ
وَكَانَ
اللّٰهُ
عَلٰى
كُلِّ
شَىۡءٍ
قَدِيۡرًا‏
٢١
এবং আরো অন্য (সাহায্য, সম্পদ ও বিজয়) যা এখনও তোমাদের অধিকারে আসেনি, আল্লাহ তা স্বীয় আয়ত্তে রেখেছেন, আল্লাহ সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
উত্তর
কিরাত
48:20 48:24 আয়াতের গ্রুপের জন্য একটি তাফসির পড়ছেন

২০-২৪ নং আয়াতের তাফসীর: যুদ্ধে লভ্য বিপুল সম্পদ দ্বারা রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর যুগের এবং পরবর্তী সব যুগেরই গানীমাতকে বুঝানো হয়েছে। ত্বরান্বিতকৃত গানীমাত দ্বারা খায়বারের গানীমাত এবং হোদায়বিয়ার সন্ধি উদ্দেশ্য। আল্লাহ্ তা'আলার এটাও একটি অনুগ্রহ যে, তিনি কাফিরদের মন্দ বাসনা পূর্ণ হতে দেননি, না তিনি মক্কার কাফিরদের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেছেন এবং না তিনি ঐ মুনাফিকদের মনের বাসনা পূর্ণ করেছেন যারা মুসলমানদের সাথে যুদ্ধে গমন না করে বাড়ীতেই রয়ে গিয়েছিল। তারা মুসলমানদের উপর না আক্রমণ চালাতে পেরেছে, না তাদের। সন্তানদেরকে শাসন-গর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এটা এ জন্যে যে, একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাই যে প্রকৃত রক্ষক ও সাহায্যকারী এ শিক্ষা যেন মুসলমানরা গ্রহণ করতে পারে। সুতরাং তারা যেন শত্ৰু সংখ্যার আধিক্য ও নিজেদের সংখ্যার স্বল্পতা দেখে সাহস হারিয়ে না ফেলে। তারা যেন এ বিশ্বাসও রাখে যে, প্রত্যেক কাজের পরিণাম আল্লাহ পাক অবগত রয়েছেন। বান্দাদের জন্যে এটাই উত্তম পন্থা যে, তারা আল্লাহ্ তা'আলার নির্দেশ অনুযায়ী আমল করবে এবং এতেই যে তাদের জন্যে মঙ্গল রয়েছে এ বিশ্বাস রাখবে। যদিও আল্লাহর ঐ নির্দেশ বাহ্যিক দৃষ্টিতে স্বভাব-বিরুদ্ধরূপে পরিলক্ষিত হয়। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হতে পারে যে, তোমরা যা অপছন্দ কর ওটাই তোমাদের জন্যে মঙ্গলজনক।” (২:২১৬)মহান আল্লাহর উক্তি ও ‘আল্লাহ তোমাদেরকে পরিচালিত করেন সরল পথে। অর্থাৎ আল্লাহ্ তা'আলা স্বীয় বান্দাদেরকে তাদের আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর আনুগত্যের কারণে সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করেন এবং গানীমাত ও বিজয় ইত্যাদিও দান করেন, যা তাদের সাধ্যের বাইরে। কিন্তু আল্লাহ্ তাআলার ক্ষমতার বাইরে কিছুই নেই। তিনি স্বীয় মুমিন বান্দাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তাদের জন্যে কঠিন সহজ করে দিবেন। তাই তিনি বলেনঃ আরো বহু সম্পদ আছে যা এখনো তোমাদের অধিকারে আসেনি, ওটা তো আল্লাহর নিকট রক্ষিত আছে। আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। তিনি তার মুমিন বান্দাদেরকে এমন জায়গা হতে রূযী দান করে থাকেন যা তারা ধারণাও করতে পারে না। এই গানীমাত দ্বারা খায়বারের গানীমাতকে বুঝানো হয়েছে যার ওয়াদা হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় করা হয়েছিল। অথবা এর দ্বারা মক্কা বিজয় বা পারস্য ও রোমের সম্পদকে বুঝানো হয়েছে। কিংবা এর দ্বারা ঐ সমুদয় বিজয়কে বুঝানো হয়েছে যেগুলো কিয়ামত পর্যন্ত মুসলমানরা লাভ করতে থাকবে।এরপর আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা শুভসংবাদ শুনাচ্ছেন যে, তাদের কাফিরদেরকে ভয় করা ঠিক নয়। কেননা, তারা যদি তাদের সাথে মুকাবিলা করতে আসে তবে পরিণামে তারা অবশ্যই পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে, তখন তারা কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না। কারণ, এটা হবে তাদের আল্লাহ্ ও তার রাসূল (সঃ)-এর বিরুদ্ধে লড়াই। সুতরাং তারা যে পরাজিত হবে এতে সন্দেহের কোন অবকাশ থাকতে পারে কি? অতঃপর প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ্ বলেনঃ আল্লাহর বিধান ও নীতি এটাই যে, যখন কাফির ও মুমিনদের মধ্যে মুকাবিলা হয় তখন তিনি মুমিনদেরকে কাফিরদের উপর জয়যুক্ত করে থাকেন এবং সত্যকে প্রকাশ করেন ও মিথ্যাকে দাবিয়ে দেন। যেমন বদরের যুদ্ধে তিনি মুমিনদেরকে কাফিরদের উপর জয়যুক্ত করেন। অথচ কাফিরদের সংখ্যাও ছিল মুমিনদের সংখ্যার কয়েকগুণ বেশী এবং তাদের যুদ্ধাস্ত্রও ছিল বহুগুণে অধিক।এরপর মহান আল্লাহ্ বলেন:তোমরা আল্লাহ্ তা'আলার এই অনুগ্রহের কথাও ভুলে যেয়ো না যে, তিনি মক্কা উপত্যকায় মুশরিকদের হস্ত তোমাদের হতে নিবারিত করেন এবং তোমাদের হস্ত তাদের হতে নিবারিত করেন তাদের উপর তোমাদেরকে বিজয়ী করবার পর। অর্থাৎ তিনি মুশরিকদের হাত তোমাদের পর্যন্ত পৌঁছতে দেননি, তারা তোমাদেরকে আক্রমণ করেনি। আবার তোমাদেরকেও তিনি মসজিদে হারামের পার্শ্বে যুদ্ধ করা হতে ফিরিয়ে রাখেন এবং তোমাদের ও তাদের মধ্যে সন্ধি করিয়ে দেন। এটা তোমাদের জন্যে দুনিয়া ও আখিরাত উভয় দিক দিয়েই উত্তম। এই সূরারই তাফসীরে হযরত সালমা ইবনে আকওয়া (রাঃ) বর্ণিত যে হাদীসটি গত হয়েছে তা স্মরণ থাকতে পারে যে, যখন সত্তর জন কাফিরকে বেঁধে সাহাবীগণ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর সামনে পেশ করেন তখন তিনি বলেনঃ “এদেরকে ছেড়ে দাও। মন্দের সূচনা এদের দ্বারাই হয়েছে এবং এর পুনরাবৃত্তিও এদের দ্বারাই হবে।” এ ব্যাপারেই (আরবী)-এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হুদায়বিয়ার সন্ধির দিন মক্কার আশিজন কাফির সুযোগ পেয়ে অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় তানঈম পাহাড়ের দিক হতে নেমে আসে। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) অসতর্ক ছিলেন না। তিনি তৎক্ষণাৎ সাহাবীদেরকে (রাঃ) খবর দেন। সুতরাং তাদের সকলকেই গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয় এবং রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর সামনে পেশ করা হয়। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) দয়া করে তাদের সবকেই ছেড়ে দেন। এরই বর্ণনা এই আয়াতে রয়েছে। (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম (রঃ), ইমাম আবু দাউদ (রঃ), ইমাম তিরমিযী (রঃ) এবং ইমাম নাসাঈ (রঃ)-ও এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন)হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল আল মুযানী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি। বলেনঃ “যে গাছটির কথা কুরআন কারীমের মধ্যে বর্ণিত হয়েছে ঐ গাছটির নীচে রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) অবস্থান করছিলেন। আমরাও তাঁর চতুম্পার্শ্বে ছিলাম। ঐ গাছটির শাখাগুলো রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর কোমর পর্যন্ত লটকে ছিল। তার সামনে হযরত আলী (রাঃ) বিদ্যমান ছিলেন এবং সুহাইল ইবনে আমরও তাঁর সামনে ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) হযরত আলী (রাঃ)-কে বলেনঃ “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ লিখো। এ কথা শুনে সুহাইল রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর হাত ধরে নেয় এবং বলেঃ “রহমান ও রাহীমকে আমরা চিনি না। আমাদের এই সন্ধিপত্রটি আমাদের দেশপ্রথা অনুযায়ী লিখিয়ে নিন।” রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তখন হযরত আলী (রাঃ)-কে বলেনঃ (আরবী) “লিখো।” তারপর লিখলেনঃ “এটা ঐ জিনিস যার উপর আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ (সঃ) মক্কাবাসীর সাথে সন্ধি করেছেন।” এ কথায় সুহাইল পুনরায় রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর হাত ধরে নেয় এবং বলেঃ “আপনি যদি আল্লাহর রাসূল (সঃ)-ই হন তাহলে তো আমরা আপনার উপর যুলুম করেছি। এই সন্ধি নামায় ঐ কথাই লিখিয়ে নিন। যা আমাদের মধ্যে প্রসিদ্ধ হয়ে রয়েছে।” তখন রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) হযরত আলী (রাঃ)-কে বললেনঃ “লিখো, এটা ঐ জিনিস যার উপর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ্ (সঃ) মক্কাবাসীর সাথে সন্ধি করেছেন। ইতিমধ্যে অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত ত্রিশজন কাফির যুবক এসে পড়ে। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তাদের বিরুদ্ধে বদ দু'আ করেন। আল্লাহ্ তাদেরকে বধির করে দেন। সাহাবীগণ (রাঃ) উঠে তখন তাদেরকে পাকড়াও করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “তোমাদেরকে কেউ কি নিরাপত্তা দান করেছে, না তোমরা কারো দায়িত্বের উপর এসেছো?” তারা উত্তরে বলেঃ “না।” এতদসত্ত্বেও নবী (সঃ) তাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং ছেড়ে দেন। তখন আল্লাহ্ তাবারাকা ওয়া তা'আলা .... (আরবী)-এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেন।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) ও ইমাম নাসাঈ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত ইবনে ইযী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) যখন কুরবানীর জন্তু সঙ্গে নিয়ে চললেন এবং যুলহুলাইফা নামক স্থান পর্যন্ত পৌছে গেলেন তখন হযরত উমার (রাঃ) আরয করলেনঃ “হে আল্লাহর নবী (সঃ)! আপনি এমন এক কওমের পল্লীতে যাচ্ছেন যাদের বহু যুদ্ধাস্ত্র রয়েছে, আর আপনি এ অবস্থায় যাচ্ছেন যে, আপনার কাছে অস্ত্র-শস্ত্র কিছুই নেই।” হযরত উমার (রাঃ)-এর একথা শুনে রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তোক পাঠিয়ে মদীনা হতে অস্ত্র-শস্ত্র এবং সমস্ত আসবাবপত্র আনিয়ে নিলেন। যখন তিনি মক্কার নিকটবর্তী হলেন তখন মুশরিকরা তাকে বাধা দিলো এবং বললো যে, তিনি যেন মক্কায় না যান। তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন এবং মিনায় গিয়ে অবস্থান করলেন। তার গুপ্তচর এসে তাকে খবর দিলেন যে, ইকরামা ইবনে আবু জেহেল পাচশ' সৈন্য নিয়ে তার উপর আক্রমণ করতে আসছে। তিনি তখন হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রাঃ)-কে বলেনঃ “হে খালিদ (রাঃ)! তোমার চাচাতো ভাই সেনাবাহিনী নিয়ে আমাদের উপর হামলা করতে আসছে, এখন কি করবে?” উত্তরে হযরত খালিদ (রাঃ) বলেনঃ “তাতে কি হলো? আমি তো আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সঃ)-এর তরবারী?" সেই দিন হতেই তাঁর উপাধি দেয়া হয় সাইফুল্লাহ্ (আল্লাহর তরবারী)। অতঃপর হযরত খালিদ (রাঃ) বলেনঃ “আপনি আমাকে যেখানে ইচ্ছা এবং যার সাথে ইচ্ছা মুকাবিলা করতে পাঠিয়ে দিন।” এরপর হযরত খালিদ (রাঃ) ইকরামা (রাঃ)-এর মুকাবিলায় বেরিয়ে পড়েন। যুদ্ধ ঘাঁটিতে উভয়ের মধ্যে মুকাবিলা হয়। হযরত খালিদ (রাঃ) তাঁকে এমন কঠিনভাবে আক্রমণ করেন যে, তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে টিকতে না পেরে মক্কায় ফিরে যেতে বাধ্য হন। হযরত খালিদ (রাঃ) ইকরামা (রাঃ)-কে মক্কার গলি পর্যন্ত পৌছিয়ে দিয়ে ফিরে আসেন। কিন্তু ইকরামা (রাঃ) পুনরায় নতুনভাবে সজ্জিত হয়ে মুকাবিলায় এগিয়ে আসেন। এবারও তিনি পরাজিত হয়ে মক্কার গলি পর্যন্ত পৌছে যান। ইকরামা (রাঃ) তৃতীয়বার আবার আসেন। এবারও একই অবস্থা হয়। এরই বর্ণনা ...(আরবী)-এই আয়াতে রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর সফলতা সত্ত্বেও কাফিরদেরকেও বাঁচিয়ে নেন যাতে মক্কায় অবস্থানরত দুর্বল মুসলমানরা ইসলামী সেনাবাহিনী কর্তৃক আঘাতপ্রাপ্ত না হয়। (ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এটা বর্ণনা করেছেন)কিন্তু এই রিওয়াইয়াতের ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনার অবকাশ রয়েছে। এটা হুদায়বিয়ার ঘটনা হওয়া অসম্ভব। কেননা, তখন পর্যন্ত হযরত খালিদ (রাঃ)-ই তো মুসলমান হননি। বরং ঐ সময় তিনি মুশরিকদের সেনাবাহিনীর সেনাপতি ছিলেন, যেমন এটা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এও হতে পারে যে, এটা উমরাতুল কাযার ঘটনা। কেননা, হুদায়বিয়ার সন্ধিনামায় এটাও একটা শর্ত ছিল যে, আগামী বছর রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) উমরা করার উদ্দেশ্যে মক্কায় আসবেন এবং তিন দিন পর্যন্ত তথায় অবস্থান করবেন। সুতরাং এই শর্ত মুতাবেক যখন রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) মক্কায় আগমন করেন তখন মক্কাবাসী মুশরিকরা তাকে বাধাও দেয়নি এবং তার সাথে যুদ্ধ-বিগ্রহেও লিপ্ত হয়নি। অনুরূপভাবে এটা মক্কা বিজয়ের ঘটনাও হতে পারে না। কেননা, ঐ বছর রাসূলুল্লাহ (সঃ) কুরবানীর জন্তু সঙ্গে নিয়ে যাননি। ঐ সময় তো তিনি যুদ্ধের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। সুতরাং এই রিওয়াইয়াতে বড়ই গোলমাল রয়েছে। এটা অবশ্যই ত্রুটিমুক্ত নয়। সুতরাং এ ব্যাপারে চিন্তা-গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর গোলাম হযরত ইকরামা (রাঃ) বলেন যে, কুরায়েশরা চল্লিশ বা পঞ্চাশজন লোককে এই উদ্দেশ্যে প্রেরণ করে যে, তারা যেন রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সেনাবাহিনীর চতুর্দিকে ঘোরাফেরা করে এবং সুযোগ পেলে যেন তাদের ক্ষতি সাধন করে কিংবা যেন কাউকেও গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এদের সকলকেই পাকড়াও করা হয় এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) সবকেই ক্ষমা করেন ও ছেড়ে দেন। তারা তার সেনাবাহিনীর উপর কিছু পাথর এবং তীরও নিক্ষেপ করেছিল।এটাও বর্ণিত আছে যে, ইবনে যানীম (রাঃ) নামক একজন সাহাবী হুদায়বিয়ার একটি ছোট পাহাড়ের উপর আরোহণ করেছিলেন। মুশরিকরা তার প্রতি তীর নিক্ষেপ করে তাঁকে শহীদ করে দেয়। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তাঁর কিছু অশ্বারোহীকে তাদের পশ্চাদ্ধাবনে পাঠিয়ে দেন। তারা তাদের সবকেই গ্রেফতার করে আনেন। তারা ছিল বারো জন অশ্বারোহী। রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) তাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “আমার পক্ষ থেকে তোমাদেরকে কোন নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে কি?” তারা উত্তরে বলেঃ “না।” তিনি আবার প্রশ্ন করেনঃ “কোন অঙ্গীকার ও চুক্তি আছে কি?” তারা জবাব দেয়ঃ “না।” কিন্তু এতদসত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে ছেড়ে দেন। এই ব্যাপারেই (আরবী)-এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
কুরআন পড়ুন, শুনুন, অনুসন্ধান করুন এবং চিন্তা করুন

Quran.com হল একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম যা বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কুরআন পড়তে, অনুসন্ধান করতে, শুনতে এবং তার উপর চিন্তাভাবনা করার জন্য ব্যবহার করে। এটি অনুবাদ, তাফসির, তেলাওয়াত, শব্দে শব্দ অনুবাদ এবং গভীর অধ্যয়নের জন্য সরঞ্জাম সরবরাহ করে, যা সকলের কাছে কুরআনকে সহজলভ্য করে তোলে।

সাদাকাহ জারিয়াহ হিসেবে, Quran.com মানুষকে কুরআনের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে সাহায্য করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। Quran.Foundation দ্বারা সমর্থিত, একটি 501(c)(3) অলাভজনক সংস্থা, Quran.com সকলের জন্য একটি বিনামূল্যের এবং মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বেড়ে চলেছে, আলহামদুলিল্লাহ.

নেভিগেট করুন
বাড়ি
কোরআন রেডিও
আবৃত্তিকারী
আমাদের সম্পর্কে
বিকাশকারীরা
পণ্য আপডেট
প্রতিক্রিয়া
সাহায্য
আমাদের প্রকল্পগুলি
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation এর মালিকানাধীন, পরিচালিত, অথবা স্পন্সরকৃত অলাভজনক প্রকল্প।
জনপ্রিয় লিঙ্ক

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

সাইটম্যাপগোপনীয়তাশর্তাবলী
© ২০২৬ Quran.com. সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত