প্রবেশ কর
🚀 আমাদের রমজান চ্যালেঞ্জে যোগ দিন!
আরও জানুন
🚀 আমাদের রমজান চ্যালেঞ্জে যোগ দিন!
আরও জানুন
প্রবেশ কর
প্রবেশ কর
৮৪:১৩
انه كان في اهله مسرورا ١٣
إِنَّهُۥ كَانَ فِىٓ أَهْلِهِۦ مَسْرُورًا ١٣
اِنَّهٗ
كَانَ
فِىۡۤ
اَهۡلِهٖ
مَسۡرُوۡرًا ؕ‏
١٣
সে তার পরিবার-পরিজনের মাঝে আনন্দে মগ্ন ছিল,
তাফসির
পাঠ
প্রতিফলন
উত্তর
কিরাত
84:1 84:15 আয়াতের গ্রুপের জন্য একটি তাফসির পড়ছেন

ইমাম মালিক (রঃ)-এর মুআত্তা নামক হাদীস গ্রন্থে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি জনগণকে নামায পড়ান এবং ঐ নামাযে তিনি(আরবি) এ সূরাটি পাঠ করেন। অতঃপর তিনি (সিজদার আয়াতে নামাযের মধ্যেই) সিজদা করেন। নামায শেষে তিনি জনগণকে সংবাদ দেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এভাবে নামাযের মধ্যে সিজদা করেছেন। (এ হাদীসটি সহীহ মুসলিম ও সুনানে নাসাঈতেও বর্ণিত হয়েছে)হযরত আবু রাফে (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আবু হুরাইরার (রাঃ) সাথে এশার নামায পড়েছি। তিনি নামাযে (আরবি) সূরাটি পাঠ করেন এবং (সিজদার আয়াতে) সিজদা করেন। আমি তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ আমি আবুল কাসেমের (সঃ) পিছনে (নামায পড়েছি এবং তার সিজদার সাথে) সিজদা করেছি। আমি তার সাথে সাক্ষাৎ না হওয়া পর্যন্ত (অর্থাৎ যতদিন বেঁচে আছি ততদিন পর্যন্ত) এই স্থলে সিজদা করতেই থাকবো। (ইমাম বুখারী (রঃ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের আরো সনদ রয়েছে) সহীহ মুসলিম ও সুনানে নাসাঈতে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ আমরা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে (আরবি) এবং(আরবি) এই সূরাদ্বয়ে সিজদা করেছি।১-১৫ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তাআলা বলেনঃ কিয়ামতের দিন আকাশ ফেটে যাবে, ওটা স্বীয় প্রতিপালকের আদেশ পালনের জন্যে উৎকর্ণ হয়ে থাকবে এবং ফেটে যাওয়ার আদেশ পাওয়া মাত্র ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। তার করণীয়ই হলো আল্লাহর আদেশ পালন। কেননা, এটা ঐ আল্লাহর আদেশ যা কেউ ঠেকাতে পারে না, যিনি সবারই উপর বিজয়ী সবকিছুই যার সামনে অসহায় ও নাচার ।জমীনকে যখন সম্প্রসারিত করে দেয়া হবে। অর্থাৎ জমীনকে প্রসারিত করা হবে, বিছিয়ে দেয়া হবে এবং প্রশস্ত করা হবে। হযরত আলী ইবনে হুসাইন (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী পাক (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা জমীনকে চামড়ার মত টেনে নিবেন। তাতে সব মানুষ শুধু দুটি পা রাখার মত জায়গা পাবে। সর্বপ্রথম আমাকে ডাকা হবে। হযরত জিব্রাঈল (আঃ) আল্লাহ তা'আলার ডান দিকে থাকবেন। আল্লাহর কসম! হযরত জিবরাঈল (আঃ)-এর পূর্বে আল্লাহ তাআলাকে কখনো দেখেননি। আমি তখন বলবো: হে আমার প্রতিপালক! ইনি হযরত জিবরাঈল (আঃ), আমাকে খবর দিয়েছেন যে, আপনি তাকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন। (এটা কি সত্য) তখন মহামহিমান্বিত আল্লাহ উত্তরে বলবেনঃ হ্যা, সত্য বলেছে।” অতঃপর আমি শাফাআতের অনুমতিপ্রাপ্ত হবো এবং বলবো: “হে আমার প্রতিপালক! আপনার বান্দারা পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে আপনার ইবাদত করেছে।!” ঐ সময় তিনি মাকামে মাহমুদে থাকবেন। (এ হাদীসটি ইমাম ইবনু জারীর (রঃ) বর্ণনা করেছেন)আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ পৃথিবী তার অভ্যন্তরে যা আছে তা বাইরে নিক্ষেপ করবে ও শূন্যগর্ভ হবে অর্থাৎ জমীন তার অভ্যন্তরভাগ থেকে সকল মৃতকে উঠিয়ে ফেলবে এবং এভাবে ও গর্ভ শূন্য হয়ে যাবে। সেও প্রতিপালকের ফরমানের অপেক্ষায় থাকবে তার জন্যে এটাই করণীয়ও বটে। এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ হে মানুষ! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট পৌছানো পর্যন্ত যে কঠোর সাধনা করে থাকো পরে তোমরা তাঁর সাক্ষাৎ লাভ করবে। অর্থাৎ তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের প্রতি অগ্রসর হতে থাকবে, আমল করতে থাকবে, অবশেষে একদিন তার সাথে মিলিত হবে এবং তার সম্মুখে দাঁড়াবে। তখন তোমরা নিজেদের প্রচেষ্টা ও কার্যাবলী স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করবে।হযরত জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “হযরত জিবরাঈল (আঃ) বলেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ) আপনি যতদিন ইচ্ছা জীবন যাপন করুন, অবশেষে একদিন আপনার মৃত্যু অনিবার্য। যা কিছুর প্রতি মনের আকর্ষণ সৃষ্টি করার করুন, একদিন তা থেকে বিচ্ছেদ অবধারিত। যা ইচ্ছা আমল করুন, একদিন তার সাথে সাক্ষাৎ হবে।” (আরবি) শব্দের (আরবি) সর্বনাম দ্বারা রব হবে বা প্রতিপালককে বুঝানো হয়েছে বলে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন। তখন অর্থ হবেঃ তোমার সাথে তোমার প্রতিপালকের সাক্ষাৎ হবেই। তিনি তোমাকে তোমার সকল আমলের পারিশ্রমিক দিবেন। তোমার সকল প্রচেষ্টার প্রতিফল তোমাকে প্রদান করবেন। এ উভয় কথাই পরস্পরের সাথে সম্পৃক্ত। কাতাদা (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ হে আদম সন্তান! তোমরা চেষ্টা কর বটে কিন্তু নিজেদের চেষ্টায় তোমরা দুর্বল। সকল চেষ্টা পুণ্যাভিমুখী যেন হতে পারে এ চেষ্টা করো। প্রকৃতপক্ষে পূণ্যকাজ করাবার এবং পাপকাজ হতে বিরত রাখার শক্তি একমাত্র আল্লাহর। তাঁর সাহায্য ছাড়া এটা সম্ভব নয়।মহান আল্লাহ বলেনঃ যাকে তার আমলনামা দক্ষিণ হস্তে দেয়া হবে তার হিসাব নিকাশ সহজেই নেয়া হবে। অর্থাৎ তার ছোট খাট পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর খুটিনাটিভাবে যার আমলের হিসাব গ্রহণ করা হবে তার ধ্বংস অনিবার্য। সে শাস্তি হতে পরিত্রাণ পাবে না।হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “(কিয়ামতের দিন) যার হিসাব যাচাই করা হবে, আযাব তার জন্য অবধারিত।” হযরত আয়েশা (রাঃ) একথা শুনে বলেনঃ আল্লাহ তা'আলা কি একথা বলেন নাই? “অতঃপর যার আমলনামা ডান হাতে প্রদান করা হবে তার হিসাব হবে সহজতর।” উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, সেটা তো হিসাবের নামে দৃশ্যতঃ পেশ করা মাত্র (যথার্থ হিসাব নয়)। কিয়ামতের দিন যে ব্যক্তির হিসাব যাচাই করা হবে, আযাব তার জন্যে অবধারিত।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) ইমাম বুখারী (রঃ) ইমাম তিরমিযী (রঃ, ইমাম নাসাঈ (রঃ) এবং ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) বর্ণনা করেছেন)অন্য একটি বিওয়াইয়াতে আছে যে, এটা বর্ণনা করার পর রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় অক্ষুণী স্বীয় হস্তের উপর রেখে যেভাবে কেউ কোন জিনিস তন্ন তন্ন করে বুজে ঠিক সেইভাবে অঙ্গুলি নাড়াচাড়া করে বলেনঃ “অর্থাৎ যাকে তন্ন তন্ন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে সে আযাব থেকে বাঁচতে পারবে না।” হযরত আয়েশা (ব্রাঃ) বলেন যে, যার কাছ থেকে যথারীতি হিসাব নেয়া হবে সে আযাব থেকে রক্ষা পাবে না। তাকে শাস্তি ভোগ থেকে রেহাই দেয়া হবে না। (আরবি) দ্বারা শুধু পেশকরণ বুঝানো হয়েছে। হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ) কে তার কোন এক নামাযে বলতে শুনি? (আরবি) অর্থাৎ “হে আল্লাহ! আমার হিসাব আপনি সহজভাবে গ্রহণ করুন।” তিনি এ নামায হতে ফারেগ হলে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলামঃ হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! এ সহজ হিসাব কি? তিনি উত্তরে বললেনঃ “শুধু আমলনামার প্রতি দৃষ্টি দেয়ানো হবে অর্থাৎ ভাসাভাসা ন্যর দেয়ানো হবে। তারপর বলা হবেঃ যাও, আমি তোমাকে মাফ করে দিয়েছি। কিন্তু হে আয়েশা (রাঃ)! আল্লাহ তা'আলা যার কাছ থেকে হিসাব নিবেন সে ধ্বংস হয়ে যাবে। মোটকথা, যার ডান হাতে আমলনামা দেয়া হবে সে তা পেশ হওয়ার পরপরই ছাড়া পেয়ে যাবে। তারপর দলীয় লোকদের কাছে উৎফুল্লভাবে ফিরে আসবে। হযরত সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ "তোমরা আমল করতে রয়েছে, কিন্তু প্রকৃত অবস্থা কারো জানা নেই। শীঘ্রই এমন সময় আসবে যখন তোমরা নিজেদের আমলসমূহ চিনতে পারবে। কোন কোন লোক উৎফুল্লভাবে দলীয় লোকদের সাথে মিলিত হবে। আর কোন কোন লোক বিমর্ষভাবে, মলিন মুখে এবং উদাসীন চেহারায় ফিরে আসবে। যারা পিঠের কাছে বাম হাতে আমলনামা পাবে তারা ক্ষতিগ্রস্ততা ও ধ্বংসের কথা ভেবে চীৎকার করবে, মৃত্যু কামনা করবে এবং জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে। পৃথিবীতে তারা খুব হাসিখুশী বা নিশ্চিন্ত আরাম আয়েশে দিন কাটিয়েছে। পরকালের জন্যে সামান্যতম ভয়ও তাদের ছিল না। আজ তাদেরকে সর্বপ্রকারের দুঃখ যাতনা, বিমর্ষতা, মলিনতা এবং উদাসীনতা সবদিক দিয়ে ঘিরে ফেলেছে। তারা মনে করেছিল যে মৃত্যুর পর আর পুনরুত্থান হবে না এবং আর কোন জীবন নেই। তারা আল্লাহ তাআলার কাছে যাওয়ার কথা মোটেই বিশ্বাস করেনি।তাই, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ নিশ্চয়ই তারা ফিরে যাবে। আল্লাহ অবশ্য তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। প্রথমবার তিনি যেভাবে সৃষ্টি করেছেন দ্বিতীয় বারও সেভাবেই সৃষ্টি করবেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে পাপ ও পূণ্য কর্মের প্রতিফল প্রদান করবেন। তিনি তাদের প্রতি সবিশেষ দৃষ্টি রাখেন। তারা যা কিছু করছে সে সম্পর্কে তিনি পূর্ণ ওয়াকিফহাল।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
কুরআন পড়ুন, শুনুন, অনুসন্ধান করুন এবং চিন্তা করুন

Quran.com হল একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম যা বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ বিভিন্ন ভাষায় কুরআন পড়তে, অনুসন্ধান করতে, শুনতে এবং তার উপর চিন্তাভাবনা করার জন্য ব্যবহার করে। এটি অনুবাদ, তাফসির, তেলাওয়াত, শব্দে শব্দ অনুবাদ এবং গভীর অধ্যয়নের জন্য সরঞ্জাম সরবরাহ করে, যা সকলের কাছে কুরআনকে সহজলভ্য করে তোলে।

সাদাকাহ জারিয়াহ হিসেবে, Quran.com মানুষকে কুরআনের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হতে সাহায্য করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। Quran.Foundation দ্বারা সমর্থিত, একটি 501(c)(3) অলাভজনক সংস্থা, Quran.com সকলের জন্য একটি বিনামূল্যের এবং মূল্যবান সম্পদ হিসেবে বেড়ে চলেছে, আলহামদুলিল্লাহ.

নেভিগেট করুন
বাড়ি
কোরআন রেডিও
আবৃত্তিকারী
আমাদের সম্পর্কে
বিকাশকারীরা
পণ্য আপডেট
প্রতিক্রিয়া
সাহায্য
আমাদের প্রকল্পগুলি
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation এর মালিকানাধীন, পরিচালিত, অথবা স্পন্সরকৃত অলাভজনক প্রকল্প।
জনপ্রিয় লিঙ্ক

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

সাইটম্যাপগোপনীয়তাশর্তাবলী
© ২০২৬ Quran.com. সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত