Iniciar sesión
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
Iniciar sesión
Iniciar sesión
34:39
قل ان ربي يبسط الرزق لمن يشاء من عباده ويقدر له وما انفقتم من شيء فهو يخلفه وهو خير الرازقين ٣٩
قُلْ إِنَّ رَبِّى يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ لَهُۥ ۚ وَمَآ أَنفَقْتُم مِّن شَىْءٍۢ فَهُوَ يُخْلِفُهُۥ ۖ وَهُوَ خَيْرُ ٱلرَّٰزِقِينَ ٣٩
قُلۡ
إِنَّ
رَبِّي
يَبۡسُطُ
ٱلرِّزۡقَ
لِمَن
يَشَآءُ
مِنۡ
عِبَادِهِۦ
وَيَقۡدِرُ
لَهُۥۚ
وَمَآ
أَنفَقۡتُم
مِّن
شَيۡءٖ
فَهُوَ
يُخۡلِفُهُۥۖ
وَهُوَ
خَيۡرُ
ٱلرَّٰزِقِينَ
٣٩
Diles: “Mi Señor aumenta el sustento a quien Él quiere de Sus siervos y se lo restringe [a quien quiere], y todo lo que gasten en caridad, Él se los compensará. Él es el mejor proveedor”.
Tafsires
Lecciones
Reflexiones.
Respuestas
Qiraat
Estás leyendo un tafsir para el grupo de versículos 34:34 hasta 34:39

৩৪-৩৯ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে সান্ত্বনা দিচ্ছেন এবং পূর্ববর্তী নবীদের ন্যায় চরিত্র গড়ে তোলার উপদেশ দান করেছেন। যে লোকালয়েই তারা গিয়েছেন সেখানেই তাদের বিরোধিতা করা হয়েছে। ধনী ও প্রভাবশালী লোকেরা তাঁদেরকে অমান্য করেছে। তবে গরীবেরা তাঁদের অনুগত হয়েছে। যেমন হযরত নূহ (আঃ)-এর কওম তাকে বলেছিলঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমরা কি তোমার উপর ঈমান আনবো, অথচ নিম্নশ্রেণীর লোকেরাই শুধু তোমার অনুসরণ করেছে?”(২৬:১১১) আর এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমরা তো দেখছি যে, আমাদের মধ্যে যারা নিম্নশ্রেণীর লোক তারাই শুধু তোমার অনুসরণ করেছে।”(১১:২৭) হযরত সালেহ (আঃ)-এর কওমের প্রভাবশালী অহংকারী লোকেরা যাদেরকে দুর্বল মনে করা হতো এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে বলেছিলঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমরা কি জান যে, সালেহ (আঃ) তাঁর প্রতিপালকের পক্ষ হতে রাসূলরূপে প্রেরিত হয়েছেন? তারা উত্তরে বললোঃ যা সহ তিনি প্রেরিত হয়েছেন আমরা ওর উপর ঈমান আনয়নকারী। তখন অহংকারীরা বললো:তোমরা যার উপর ঈমান এনেছো আমরা তাকে অস্বীকারকারী।”(৭:৭৫-৭৬)মহামহিমান্বিত আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “এভাবেই আমি তাদের এককে অপরের দ্বারা ফিনায় ফেলে থাকি যাতে তারা বলেঃ এরাই কি তারা যাদের উপর আমাদের মাঝে হতে আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন? কৃতজ্ঞদেরকে কি আল্লাহ অবগত নন?”(৬:৫৩) আর এক জায়গায় রয়েছেঃ “প্রত্যেক জনপদে তথাকার বড় ও প্রভাবশালী লোকেরা পাপী ও চক্রান্তকারী হয়ে থাকে। অন্য এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “কোন জনপদকে যখন আমি ধ্বংস করার ইচ্ছা করি তখন তথাকার উদ্ধত ও অবাধ্য লোকদেরকে কিছু আদেশ প্রদান করি, তারা সেগুলো অমান্য করে তখন আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিই।”(১৭:১৬)।মহামহিমান্বিত আল্লাহ এখানে বলেনঃ যখন আমি কোন লোকালয়ে সতর্ককারী অর্থাৎ নবী বা রাসুল প্রেরণ করেছি তখনই ওর বিত্তশালী, ধনাঢ্য এবং প্রভাবশালী অধিবাসীরা বলেছেঃ তোমরা যা সহ প্রেরিত হয়েছে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করি।হযরত আবু রাযীন (রঃ) বর্ণনা করেছেন যে, দু'টি লোক একে অপরের (সাথে ব্যবসায়ে) অংশীদার ছিল। একজন সাগর পারে চলে গেল এবং অপরজন সেখানেই রয়ে গেল। যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) প্রেরিত হলেন তখন সাগর পারের লোকটি তার ঐ সাথীকে পত্রের মাধ্যমে জিজ্ঞেস করলোঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর অবস্থা কি?” সে জবাবে লিখলোঃ “নিম্নশ্রেণীর লোকেরাই তার কথা শুনছে ও মানছে। কিন্তু কুরায়েশ বংশের সম্ভ্রান্ত লোকেরা তাঁকে মানছে না।” পত্র পাঠ করে সে ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে চলে আসলো এবং তার ঐ সাথীর নিকট হাযির হলো। সে লেখা পড়া জানতো। আসমানী কিতাবগুলোতে তার ভাল জ্ঞান ছিল। সে তার সাথী থেকে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এখন কোথায় তা জেনে নিয়ে তার। খিদমতে হাযির হলো। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে সে জিজ্ঞেস করলোঃ “আপনি মানুষকে কিসের দিকে আহ্বান করেন?” রাসূলুল্লাহ (সঃ) জবাবে বললেনঃ “আমি মানুষকে এরূপ এরূপের দিকে আহ্বান করে থাকি।” এটা শুনেই সে বললোঃ “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আল্লাহর রাসূল।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) প্রশ্ন করলেনঃ “তুমি এটা কি করে জানলে?” উত্তরে সে বললোঃ “যে নবীই প্রেরিত হয়েছেন, তাঁর অনুসারী হয়েছে শুধুমাত্র নিম্নশ্রেণীর ও দরিদ্র শ্রেণীর লোকেরা।” বর্ণনাকারী বলেন যে, তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন ঐ লোকটিকে জানিয়ে দেন যে, তার উক্তির সত্যতায় আল্লাহ তা'আলা আয়াত নাযিল করেছেন। অনুরূপ উক্তি রোমক সম্রাট হিরাক্লিয়াসও করেছিল, যখন সে আবু সুফিয়ানকে তাঁর অজ্ঞতার অবস্থায় জিজ্ঞেস করেছিলঃ “সম্ভ্রান্ত লোকেরা তাঁর অনুসরণ করছে, না দুর্বল ও নিম্নশ্রেণীর লোকেরা?” উত্তরে তিনি বলেছিলেনঃ “দুর্বল ও নিম্নশ্রেণীর লোকেরাই তাঁর অনুসারী হচ্ছে। ঐ সময় হিরাক্লিয়াস মন্তব্য করেছিল যে, প্রত্যেক রাসূলেরই অনুসারী হয়েছে দুর্বল ও নিম্নশ্রেণীর লোকেরাই।এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, কাফিররা ও মুশরিকরা বলতোঃ আমরা ধনে-জনে সমৃদ্ধশালী, সুতরাং আমাদেরকে কিছুতেই শাস্তি দেয়া হবে না। এ কথা তারা ফখর করে বলতো যে তারা আল্লাহর প্রিয় বান্দা। যদি তাদের উপর তার বিশেষ মেহেরবানী না হতো তবে তিনি তাদেরকে এসব নিয়ামত দা করতেন না। আর দুনিয়ায় যখন তিনি তাদের উপর মেহেরবানী করেছেন তখন আখিরাতেও তাদের উপর মেহেরবানী করবেন। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক জায়গাতেই তাদের এ দাবী খণ্ডন করেছেন। যেমন তিনি এক জায়গায় বলেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা কি মনে করে যে, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির প্রাচুর্যই তাদের বড় হওয়া ও উত্তম হওয়ার মাপকাঠি? না, এগুলোই তাদের জন্যে মন্দের কারণ, কিন্তু তারা বুঝে না।” (২৩:৫৫) অন্য আয়াতে আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তাদের মাল ও তাদের সন্তান-সন্ততি যেন তোমাকে বিস্মিত না করে, আল্লাহ পার্থিব জীবনেও তাদেরকে শাস্তি দিতে চান এবং তাদের মৃত্যুও কুফরীর অবস্থাতেই হবে।”(৯:৫৫) মহামহিমান্বিত আল্লাহ আরো বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমাকে ছেড়ে দাও এবং তাকে আমি সৃষ্টি করেছি অসাধারণ করে। আমি তাকে দিয়েছি বিপুল ধন-সম্পদ এবং নিত্যসঙ্গী পুত্রগণ। আর তাকে দিয়েছি স্বচ্ছন্দ জীবনের প্রচুর উপকরণ। এরপরও সে কামনা করে যে, আমি তাকে আরো অধিক দিই। না, তা হবে না, সে তো আমার নিদর্শন সমূহের উদ্ধত বিরুদ্ধাচারী। আমি অচিরেই তাকে ক্রমবর্ধমান শাস্তি দ্বারা আচ্ছন্ন করবো।”(৭৪:১১-১৭)। ঐ ব্যক্তির কথাও বর্ণিত হয়েছে যে, যার দু'টি বাগান ছিল। সে ধনশালী ছিল, ফল-ফুলের মালিক ছিল, সন্তানাদিও ছিল। কিন্তু কোন জিনিসই তার উপকার করেনি। আল্লাহর আযাবে সবকিছুই ধ্বংস ও মাটি হয়ে গিয়েছিল আখিরাতের পূর্বেই। এজন্যেই আল্লাহ তা'আলা এখানে বলেনঃ আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা তার রিযক বর্ধিত করেন অথবা এটা সীমিত করেন। দুনিয়াতে তিনি শত্রু-মিত্র সকলকেই দান করে থাকেন। গরীব বা ধনী হওয়া আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি বা অসন্তুষ্টির লক্ষণ নয়। বরং তাতে অন্য কোন হিকমত লুক্কায়িত থাকে। কিন্তু অধিকাংশ লোকই এটা জানে না।মহান আল্লাহ বলেনঃ তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এমন কিছু নয় যা তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করে দিবে। হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলা তোমাদের আকৃতি ও তোমাদের মালের দিকে দেখেন না, বরং তিনি দেখেন তোমাদের অন্তরের দিকে ও তোমাদের আমলের দিকে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ), ইমাম মুসলিম (রঃ) এবং ইমাম ইবনে মাজাহ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তবে যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারাই তাদের কর্মের জন্যে পাবে বহুগুণ পুরস্কার, তারা প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে। তাদের এক একটি পুণ্য দশগুণ হবে এবং এভাবে বাড়াতে বাড়াতে সাতশ' গুণ পর্যন্ত করে দেয়া হবে। জান্নাতের বালাখানায় তারা নিরাপদে অবস্থান করবে। তাদের কোন ভয় ও চিন্তা থাকবে না। হযরত আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “জান্নাতে এমন প্রাসাদ রয়েছে যার ভিতর থেকে বাহির এবং বাহির থেকে ভিতর দেখা যাবে।” তখন একজন বেদুঈন জিজ্ঞেস করলোঃ “এটা কার জন্যে?” উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “যে উত্তম ও নরম কথা বলে, গরীবকে খাদ্য খেতে দেয়, অধিক রোযা রাখে এবং লোকেরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন উঠে (তাহাজ্জুদের) নামায পড়ে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ যারা আমার আয়াতকে ব্যর্থ করবার চেষ্টা করবে, অন্যদেরকে আল্লাহর পথে বাধা দেবে এবং রাসূলদের অনুসরণ হতে জনগণকে ফিরিয়ে রাখবে তারা জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করতে থাকবে। মহামহিমান্বিত আল্লাহ এরপর বলেনঃ আল্লাহ তার পরিপূর্ণ হিকমত অনুযায়ী যাকে ইচ্ছা করেন দুনিয়ায় বহু কিছু দান করে থাকেন এবং যাকে ইচ্ছা খুব কম দেন। একজন সুখ-সাগরে ভেসে আছে এবং আর একজন অতি দুঃখ-কষ্টে কাল যাপন করছে। তার এ হিকমতের কথা কেউ বুঝতে পারবে না। এর গোপন রহস্য তিনিই জানেন। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “লক্ষ্য কর, আমি কিভাবে তাদের একদলকে অপর দলের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম, আখিরাত তো নিশ্চয়ই মর্যাদায় মহত্তর ও গুণে শ্রেষ্ঠতর।”(১৭:২১) অর্থাৎ আখিরাতের ফযীলত ও মর্যাদা সবচেয়ে বড়। এখানে যেমন ধনী ও গরীবের ভিত্তিতে মর্যাদার উঁচু ও নীচু আছে, ঠিক তেমনই আখিরাতেও আমলের ভিত্তিতে মর্যাদা কম-বেশী হবে। সৎ লোকেরা তো জান্নাতের উচ্চ প্রাসাদে অবস্থান করবে। আর অসৎ লোকেরা জাহান্নামের নিম্নস্তরে থাকবে মর্যাদাহীন অবস্থায়।রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন যে, দুনিয়ায় সবচেয়ে উত্তম হলো ঐ ব্যক্তি যে খাঁটি মুসলমান হয় এবং প্রয়োজন মত রুযী পায়, আর আল্লাহর পক্ষ হতে যাকে অল্পে তুষ্ট রাখা হয়। (এ হাদীসটি সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)আল্লাহর হুকুম এবং তাঁর বৈধ করা কাজের সীমার মধ্যে থেকে মানুষ যা কিছু খরচ করবে তার বিনিময় তিনি তাদেরকে দুই জাহানে প্রদান করবেন।হাদীসে এসেছে যে, প্রত্যহ সকালে একজন ফেরেশতা দু'আ করেনঃ “হে আল্লাহ! কৃপণের মালকে ধ্বংস ও বরবাদ করে দিন।” আর একজন ফেরেশতা দু'আ করেনঃ “হে আল্লাহ! (আপনার পথে) খরচকারীকে উত্তম বিনিময় প্রদান করুন।” একদা রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত বিলাল (রাঃ)-কে বলেনঃ “হে বিলাল (রাঃ)! খরচ করে যাও এবং আরশের মালিকের পক্ষ হতে সংকীর্ণতার ধারণা করো না।”হযরত হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমাদের এই যুগের পরে এমন এক যুগ আসছে যে মানুষকে কেটে খেয়ে ফেলবে। মালদার স্বচ্ছল ব্যক্তি তার হাতে যা থাকবে তা খরচ হয়ে যাবার ভয়ে ওর উপর কামড়াতে থাকবে।" আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তোমরা যা কিছু ব্যয় করবে তিনি তার প্রতিদান দিবেন। তিনিই শ্রেষ্ঠ রিযকদাতা।আর একটি হাদীসে আছেঃ “লোকদের মধ্যে সেই হলো নিকৃষ্টতম লোক যে নিরুপায় ও অসহায় লোকের জিনিস কম দামে কিনে নেয়। মনে রেখো যে, এই ধরনের ক্রয়-বিক্রয় হারাম।” একথা তিনি দুই বার বললেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ “এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই। সে তার উপর যুলুম করবে না এবং তাকে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করবে না। তুমি পারলে অন্যের সাথে উত্তম ব্যবহার কর ও তার কল্যাণ সাধন কর। আর তা না হলে অন্ততঃ তার কষ্ট ও বিপদ-আপদ আরো বাড়িয়ে দিয়ো না।” এই ধারায় এ হাদীসটি দুর্বল। এর সনদে দুর্বলতা রয়েছে) হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেছেনঃ “এই আয়াতের ভুল মতলব গ্রহণ করো না। নিজ মাল খরচ করার ব্যাপারে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করবে। কেননা, রুযী ভাগ করে দেয়া হয়েছে বা রিযক বন্টিত হয়ে আছে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lea, escuche, busque y reflexione sobre el Corán

Quran.com es una plataforma confiable utilizada por millones de personas en todo el mundo para leer, buscar, escuchar y reflexionar sobre el Corán en varios idiomas. Ofrece traducciones, tafsir, recitaciones, traducción palabra por palabra y herramientas para un estudio más profundo, haciendo que el Corán sea accesible para todos.

Como Sadaqah Jariyah, Quran.com se dedica a ayudar a las personas a conectar profundamente con el Corán. Con el apoyo de Quran.Foundation , una organización sin fines de lucro 501(c)(3), Quran.com continúa creciendo como un recurso gratuito y valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Inicio
Radio Coránica
Recitadores
Sobre nosotros
Desarrolladores
Actualizaciones de productos
Retroalimentación
Ayuda
Nuestros Proyectos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyectos sin fines de lucro adquiridos, administrados o patrocinados por Quran.Foundation
Enlaces populares

Ayatul Kursi

Yasin

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqiah

Al-Kahf

Al Muzzammil

Mapa del sitio webPrivacidadTérminos y condiciones
© 2026 Quran.com. Reservados todos los derechos