Iniciar sesión
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
Iniciar sesión
Iniciar sesión
5:63
لولا ينهاهم الربانيون والاحبار عن قولهم الاثم واكلهم السحت لبيس ما كانوا يصنعون ٦٣
لَوْلَا يَنْهَىٰهُمُ ٱلرَّبَّـٰنِيُّونَ وَٱلْأَحْبَارُ عَن قَوْلِهِمُ ٱلْإِثْمَ وَأَكْلِهِمُ ٱلسُّحْتَ ۚ لَبِئْسَ مَا كَانُوا۟ يَصْنَعُونَ ٦٣
لَوۡلَا
يَنۡهَىٰهُمُ
ٱلرَّبَّٰنِيُّونَ
وَٱلۡأَحۡبَارُ
عَن
قَوۡلِهِمُ
ٱلۡإِثۡمَ
وَأَكۡلِهِمُ
ٱلسُّحۡتَۚ
لَبِئۡسَ
مَا
كَانُواْ
يَصۡنَعُونَ
٦٣
¿Por qué sus maestros y rabinos no les prohíben mentir y usurpar los bienes ajenos? ¡Qué mal está lo que hacen!
Tafsires
Lecciones
Reflexiones.
Respuestas
Qiraat
Estás leyendo un tafsir para el grupo de versículos 5:59 hasta 5:63

৫৯-৬৩ নং আয়াতের তাফসীর: নির্দেশ হচ্ছে-হে মুমিনগণ! যেসব আহূলে কিতাব তোমাদের দ্বীনকে বিদ্রুপ ও উপহাস করছে তাদেরকে বল-তোমরা আমাদের প্রতি যে বৈরীভাব পোষণ করছে তার কারণ তো এটা ছাড়া আর কিছু নয় যে, আমরা আল্লাহর উপর এবং তার সমুদয় কিতাবের উপর ঈমান এনেছি। সুতরাং এটা কোন ঈর্ষার কারণ নয় এবং কোন নিন্দারও কারণ নয়। এটা (আরবী) হয়েছে। অন্য আয়াতের আছে (আরবী) অর্থাৎ তারা শুধু এ কারণে প্রতিশোধ নিয়েছে যে, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (সঃ) স্বীয় অনুগ্রহে তাদেরকে মাল দিয়ে ধনী করে দিয়েছেন।” (৯:৭৪)সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে আছে-“ইবনে জামীল ওরই বদলা নিচ্ছে যে, সে দরিদ্র ছিল, অতঃপর আল্লাহ তাকে ধনী করে দিয়েছেন।'তোমাদের অধিকাংশই ফাসিক, অর্থাৎ, সোজা-সরল পথ থেকে তোমরা সরে পড়েছে। (লুবাব গ্রন্থে রয়েছে যে, একদল ইয়াহুদী নবী (সঃ)-এর কাছে এসে তাকে জিজ্ঞেস করে-আপনি কোন কোন রাসূলের উপর ঈমান এনেছেন? তিনি উত্তরে বলেনঃ “আমি ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা অবতীর্ণ করা হয়েছিল ইবরাহীম (আঃ)-এর উপর, ইসমাঈল (আঃ)-এর উপর, ইয়াকূব (আঃ)-এর উপর, তাঁর সন্তানদের উপর এবং যা দেয়া হয়েছিল, মূসা (আঃ)-কে ও ঈসা (আঃ)-কে এবং যা দেয়া হয়েছিল অন্যান্য নবীদেরকে তাদের প্রভুর পক্ষ থেকে।” যখন তিনি ঈসা (আঃ)-এর উল্লেখ করলেন তখন তারা নবুওয়াতকে অস্বীকার করলো এবং বললো :“আমরা ঈসা (আঃ)-এর উপর ঈমান আনি না এবং যে তাঁর উপর ঈমান এনেছে তার উপরও না।' তখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়) তোমরা আমাদের সম্পর্কে যে ধারণা করছো, তাহলে এসো, তোমাদেরকে বলি যে, আল্লাহর নিকট প্রতিফল প্রাপক হিসেবে কে অধিক নিকৃষ্ট! আর এরূপ তোমরাই বটে। কেননা, এরূপ অভ্যাস তোমাদের মধ্যেই পাওয়া যায়। অর্থাৎ যাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন, যাদেরকে স্বীয় রহমত থেকে দূরে নিক্ষেপ করেছেন, যাদের উপর তিনি এতো রাগান্বিত হয়েছেন যে, এরপর আর সন্তুষ্ট হওয়ার নয় এবং যাদের কোন কোন দলের আকার বিকৃত করতঃ তাদেরকে তিনি বানর ও শূকরে পরিণত করেছেন। তারা তো তোমরাই। সূরায়ে বাকারায় এর পূর্ণ বর্ণনা দেয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল- এখন যেসব বানর ও শূকর রয়েছে এগুলো কি ওরাই? তিনি উত্তরে বলেছিলেনঃ “যে কওমের উপর আল্লাহর শাস্তি অবতীর্ণ হয় তাদের বংশুধর কেউ থাকে না। (অর্থাৎ তাদেরকে সমূলে ধ্বংস করে দেন)। তাদের পূর্বেও শূকর ও বানর ছিল।” এ রিওয়ায়াতটি বিভিন্ন শব্দে সহীহ মুসলিম ও সুনানে নাসাঈতেও রয়েছে। মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে, জিনদের একটি কওমকে সর্প বানিয়ে দেয়া হয়েছিল, যেমন (ইয়াহূদীদের একটি কওমকে) বানর ও শূকর বানিয়ে দেয়া হয়েছিল। এ হাদীসটি অত্যন্ত গারীব। তাদের মধ্য হতেই কোন কোন দলকে গায়রুল্লাহর পূজারী বানিয়ে দেয়া হয়। এক কিরআতে -এর সাথে তাগুতে যেরও রয়েছে। অর্থাৎ তাদেরকে প্রতিমার গোলাম বানিয়ে দেয়া হয়েছিল। হযরত বুরাইদাহ আসলামী (রাঃ) এটাকে আবেদুত্ তাগুতে পড়তেন। আবূ জাফর কারী হতে আবেদাত্ ত্বাগুতু -এ পঠনও বর্ণিত আছে। এতে অর্থের দূরত্ব এসে যায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দূরত্বও নয়। ভাবার্থ এই যে, তোমরা ওরাই যাদের মধ্যে তাগুতের পূজা করা হয়েছে। মোটকথা, আহলে কিতাবকে দোষারোপ করে বলা হচ্ছে- তোমরা তো আমাদেরকে দোষারূপ করছো, অথচ আমরা একতুবাদী। আমরা শুধু এক আল্লাহকে মেনে থাকি। আর তোমরা তো হচ্ছ ওরাই যে, তোমাদের মধ্যে সব কিছুই পাওয়া যায়। এ কারণেই শেষে বলা হয়েছে-এ লোকেরাই সম্মান ও মর্যাদার দিক দিয়ে খুবই নিকৃষ্ট পর্যায়ের। তারা সীরাতে মুসতাকীম থেকে বহুদূরে। তারা ভুল ও বিভ্রান্তির পথে রয়েছে। এখানে (আরবী) ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এতো অধিক পথভ্রষ্ট আর কেউই হতে পারে না। যেমনঃ (আরবী) (২৫:২৪)-এ আয়াতে রয়েছে। অতঃপর মুনাফিকদের একটি বদ অভ্যাসের কথা আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-কে জানিয়ে দিয়ে বলেছেনঃ বাহ্যিকভাবে তো মুমিনদের সামনে তারা ঈমান প্রকাশ করে থাকে, কিন্তু তাদের ভেতর কুফরীতে পরিপূর্ণ। তারা তোমার কাছে কুফরীর অবস্থাতেই আগমন করে এবং যখন ফিরে যায় তখন কুফরীর অবস্থাতেই ফিরে যায়। তোমার কথা ও উপদেশ তাদের উপর মোটেই ক্রিয়াশীল হয় না। ভেতরের এ কলুষতা দ্বারা কি উপকার তারা লাভ করবে? যার কাছে তাদের কাজ, তিনি আলেমুল গায়েব। অদৃশ্যের সমস্ত খবরই তো তিনি জানেন। তাদের অন্তরের গোপন কথা তার কাছে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে তাদেরকে এর পূর্ণ ফল ভোগ করতে হবে। হে নবী (সঃ)! তুমি তো স্বচক্ষে দেখছো যে, তারা দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে কিভাবে পাপ, যুলুম ও হারাম ভক্ষণে নিপতিত হচ্ছে! তাদের কৃতকর্মগুলো অত্যন্ত খারাপ হয়ে গেছে। তাদের অলী উল্লাহরা অর্থাৎ আবেদ ও আলেমরা তাদেরকে এসব কাজ থেকে বিরত রাখছে না কেন? প্রকৃতপক্ষে ঐসব আলেম ও পীরের কাজগুলোও খারাপ হয়ে গেছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, আলেম ও ফকীর দরবেশদের ধমকের জন্যে এর চেয়ে বেশী কঠিন আয়াত কুরআন কারীমে আর একটিও নেই। হযরত যহহাক (রঃ) হতেও এরকমই বর্ণিত আছে। একদা হযরত আলী (রাঃ) এক খুৎবায় আল্লাহ পাকের হামদ ও সানা বর্ণনা করার পর বলেনঃ “হে লোক সকল! তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা এ কারণেই ধ্বংস হয়ে গেছে যে, তারা অসৎ কাজে লিপ্ত থাকতো এবং তাদের আলেমরা ও আল্লাহওয়ালারা সম্পূর্ণরূপে নীরব থাকতো। যখন এটা তাদের অভ্যাসে পরিণত হলো তখন আল্লাহ তাদের উপর বিভিন্ন প্রকারের শাস্তি অবতীর্ণ করলেন। সুতরাং তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যে শাস্তি অবতীর্ণ হয়েছিল সেই শাস্তিই তোমাদের উপর অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে তোমাদের উচিত মানুষকে ভাল কাজের আদেশ করা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখা। বিশ্বাস রেখো যে, ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে বাধা প্রদান না তোমাদের রিস্ক বা খাদ্য কমাবে, না তোমাদের মৃত্যু নিকটবর্তী করবে। সুনানে আবি দাউদে হযরত জাবীর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলতে শুনেছি-“যে কওমের মধ্যে কোন লোক অবাধ্যতার কাজ করে এবং ঐ কওমের লোকগুলো বাধা দেয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তাকে ঐ কাজ থেকে বিরত রাখে না, তাহলে আল্লাহ সবারই উপর তাদের মৃত্যুর পূর্বেই স্বীয় শাস্তি নাযিল করবেন।” সুনানে ইবনে মাজাতেও এ বর্ণনাটি রয়েছে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lea, escuche, busque y reflexione sobre el Corán

Quran.com es una plataforma confiable utilizada por millones de personas en todo el mundo para leer, buscar, escuchar y reflexionar sobre el Corán en varios idiomas. Ofrece traducciones, tafsir, recitaciones, traducción palabra por palabra y herramientas para un estudio más profundo, haciendo que el Corán sea accesible para todos.

Como Sadaqah Jariyah, Quran.com se dedica a ayudar a las personas a conectar profundamente con el Corán. Con el apoyo de Quran.Foundation , una organización sin fines de lucro 501(c)(3), Quran.com continúa creciendo como un recurso gratuito y valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Inicio
Radio Coránica
Recitadores
Sobre nosotros
Desarrolladores
Actualizaciones de productos
Retroalimentación
Ayuda
Nuestros Proyectos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyectos sin fines de lucro adquiridos, administrados o patrocinados por Quran.Foundation
Enlaces populares

Ayatul Kursi

Yasin

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqiah

Al-Kahf

Al Muzzammil

Mapa del sitio webPrivacidadTérminos y condiciones
© 2026 Quran.com. Reservados todos los derechos