Iniciar sesión
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
¡Únete a nuestro desafío de Ramadán!
Más información
Iniciar sesión
Iniciar sesión
9:3
واذان من الله ورسوله الى الناس يوم الحج الاكبر ان الله بريء من المشركين ورسوله فان تبتم فهو خير لكم وان توليتم فاعلموا انكم غير معجزي الله وبشر الذين كفروا بعذاب اليم ٣
وَأَذَٰنٌۭ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦٓ إِلَى ٱلنَّاسِ يَوْمَ ٱلْحَجِّ ٱلْأَكْبَرِ أَنَّ ٱللَّهَ بَرِىٓءٌۭ مِّنَ ٱلْمُشْرِكِينَ ۙ وَرَسُولُهُۥ ۚ فَإِن تُبْتُمْ فَهُوَ خَيْرٌۭ لَّكُمْ ۖ وَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِى ٱللَّهِ ۗ وَبَشِّرِ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ ٣
وَأَذَٰنٞ
مِّنَ
ٱللَّهِ
وَرَسُولِهِۦٓ
إِلَى
ٱلنَّاسِ
يَوۡمَ
ٱلۡحَجِّ
ٱلۡأَكۡبَرِ
أَنَّ
ٱللَّهَ
بَرِيٓءٞ
مِّنَ
ٱلۡمُشۡرِكِينَ
وَرَسُولُهُۥۚ
فَإِن
تُبۡتُمۡ
فَهُوَ
خَيۡرٞ
لَّكُمۡۖ
وَإِن
تَوَلَّيۡتُمۡ
فَٱعۡلَمُوٓاْ
أَنَّكُمۡ
غَيۡرُ
مُعۡجِزِي
ٱللَّهِۗ
وَبَشِّرِ
ٱلَّذِينَ
كَفَرُواْ
بِعَذَابٍ
أَلِيمٍ
٣
Dios y Su Mensajero anuncian a toda la gente en el día más importante de la peregrinación[1], que Dios ya no tiene ningún pacto con los idólatras, ni tampoco Su Mensajero. [¡Oh, idólatras!] Si se arrepienten [y abandonan la incredulidad] será mejor para ustedes, pero si se rehúsan no podrán escapar de Dios. A los que se negaron a creer anúnciales que recibirán un castigo doloroso[2], 1
Tafsires
Lecciones
Reflexiones.
Respuestas
Qiraat

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে এবং এটা হয়েছে আবার বড় হজ্বের দিনে অর্থাৎ কুরবানীর ঈদের দিনে, যা হজ্বের সমস্ত দিন অপেক্ষা বড় ও উত্তম। ঐ ঘোষণা এই যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ) মুশরিকদের থেকে দায়িত্বমুক্ত, অসন্তুষ্ট ও পৃথক। তবে হে মুশরিকদের দল! এখনও যদি তোমরা পথভ্রষ্টতা, শিক এবং দুষ্কার্য পরিত্যাগ কর তবে তা তোমাদের পক্ষে উত্তম হবে। আর যদি পরিত্যাগ না কর এবং পথভ্রষ্টতার উপরই প্রতিষ্ঠিত থাকো তবে তোমরা আল্লাহর আয়ত্তের বাইরে এখনও নও এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না। আর তোমরা আল্লাহকে অক্ষম করতে পারবে না। তিনি তোমাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান। তিনি কাফিরদেরকে দুনিয়াতেও শাস্তি প্রদান করবেন এবং পরকালেও আযাবে নিপতিত করবেন। আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেনঃ “কুরবানীর দিন (১০ই যিলহজ্ব) আবু বকর (রাঃ) আমাকে লোকদের মধ্যে ঐ কথা প্রচার করতে পাঠালেন যার জন্যে তিনি প্রেরিত হয়েছিলেন। আমি ঘোষণা করে দিলাম- এই বছরের পর কোন মুশরিক যেন হজ্ব করতে না আসে এবং কেউ যেন উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ না করে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) আলী (রাঃ)-কে পাঠান যে, তিনি যেন জনগণের মধ্যে সূরায়ে তাওবাহ প্রচার করে দেন। সুতরাং তিনি মিনায় আমাদের সাথে ঈদের দিন ঐ আহকামই প্রচার করেন। হজ্বে আকবার হচ্ছে বকরা ঈদের দিন। কেননা, জনগণ এটাকে হজ্বে আসগার বলে থাকতো। আবু বকর (রাঃ)-এর এই ঘঘাষণার পর হাজ্বাতুল বিদা বা বিদায় হজ্বে একজনও মুশরিক হজ্ব করতে আসেনি। (এ হাদীসটিকে ইমাম বুখারী (রঃ) কিতাবুল জিহাদের মধ্যে তাখরীজ করেছেন)হুনাইনের যুদ্ধের সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) জিরানা থেকে উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। অতঃপর ঐ বছর তিনি আবু বকর (রাঃ)-কে হজ্বের আমীর নিযুক্ত করে প্রেরণ করেন। আবু বকর (রাঃ) আবূ হুরাইরা (রাঃ)-কে ঘোষণা দেয়ার জন্যে পাঠান। তারপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) আলী (রাঃ)-কে সূরায়ে বারাআতের প্রচারের জন্যে পাঠিয়ে দেন। আলী (রাঃ)-এর আগমনের পরেও হজ্বের আমীর আবু বকর (রাঃ)-ই থাকেন। কিন্তু এই বর্ণনায় গুরবাত বা দুর্বলতা রয়েছে। কেননা, জিরানা থেকে উমরার ইহরাম বাঁধার বছরে হজের আমীর ছিলেন ইতা ইবনে উসাইদ (রাঃ)। আবূ বকর (রাঃ) তো নবম হিজরীতে হজ্বের আমীর ছিলেন। মুসনাদের রিওয়ায়াতে রয়েছে যে, আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, ঐ বছর আলী (রাঃ)-এর সাথে আমি ছিলাম। আমরা সশব্দে ঘোষণা করতে থাকিঃ “জান্নাতে শুধুমাত্র মুমিনরাই যাবে। আগামী বছর থেকে কোন ব্যক্তি উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে পারবে না। যাদের সাথে আমাদের চুক্তি ও সন্ধি রয়েছে তাদের মেয়াদ হচ্ছে আজ থেকে নিয়ে চার মাস পর্যন্ত। এই মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার পর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ) মুশরিকদের থেকে দায়িত্বমুক্ত ও সম্পর্কহীন হয়ে যাবেন। এই বছরের পর থেকে কোন কাফিরের বায়তুল্লাহর হজু করার অনুমতি নেই।” এই ঘোষণা দিতে দিতে আমার কণ্ঠস্বর বসে যায়। আলী (রাঃ)-এর গলা বসে যাওয়ার পর আমি ঘোষণা দিতে শুরু করেছিলাম। আর একটি বর্ণনায় আছে যে, যাদের সাথে চুক্তি রয়েছে তাদের মেয়াদ ওটাই। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) বলেনঃ “আমার তো ভয় হচ্ছে যে, না জানি এ বাক্যটি কোন বর্ণনাকারীর সন্দেহের কারণে হয় তো এসেছে। কেননা, মেয়াদের ব্যাপারে এর বিপরীত বহু রিওয়ায়াত রয়েছে।মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে, সূরায়ে বারাআতের ঘোষণার জন্যে রাসূলুল্লাহ (সঃ) আবু বকর (রাঃ)-কে প্রেরণ করেন। যখন তিনি যুলহুলাইফা নামক স্থানে। পৌছেন তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “এটা প্রচার তো আমি নিজেই করবো অথবা আমার আহলে বায়তের কেউ করবে ।” অতঃপর তিনি আলী (রাঃ)-কে প্রেরণ করেন। (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী (রঃ) এটাকে হাসান গারীব বলেছেন)আলী (রাঃ) বলেন, সূরায়ে বারাআতের দশটি আয়াত যখন অবতীর্ণ হয় তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে ডেকে বলেনঃ “তুমি এগুলো নিয়ে গিয়ে মক্কাবাসীকে শুনিয়ে দাও।” তারপর আমাকে ডেকে তিনি বলেনঃ “তুমি যাও এবং আবু বকর (রাঃ)-এর সাথে মিলিত হও। যেখানে তাকে পাবে সেখানে তার নিকট থেকে কিতাব গ্রহণ করতঃ মক্কা চলে যাবে এবং লোকদেরকে তা পড়ে শুনাবে।” আমি রওয়ানা হলাম এবং ‘জুহফা নামক স্থানে আবু বকর (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ লাভ করলাম। তাঁর নিকট থেকে আমি কিতাব নিয়ে নিলাম আর তিনি ফিরে গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ “আমার ব্যাপারে কোন আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে কি?” তিনি উত্তরে বললেনঃ না, জিবরাঈল (আঃ) আমার কাছে এসে বলেছেন- “এ পয়গাম হয় আপনি নিজেই প্রচার করুন, না হয় আপনার আহলে বায়তের কোন লোককে তা প্রচার করতে বলুন।” এই সনদে দুর্বলতা রয়েছে। আর এর দ্বারা এটাও উদ্দেশ্য নয় যে, আবু বকর (রাঃ) তখনই ফিরে এসেছিলেন। বরং তাঁর নেতৃত্বেই ঐ হজ্ব পালিত হয়। হজ্ব পর্ব সমাপ্ত করে তিনি ফিরে আসেন। যেমন অন্যান্য রিওয়ায়াতে পরিষ্কারভাবে এটা বর্ণিত আছে। এক হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন আলী (রাঃ)-কে এটা প্রচারের দায়িত্ব অর্পণ করেন তখন তিনি ওযর পেশ করে বলেনঃ “আমি বয়সের দিক থেকে এবং ভাষণ দেয়ার দিক দিয়ে নিজের মধ্যে ঘাটতি অনুভব করছি।” তাঁর এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “কিন্তু প্রয়োজন এটাই যে, হয় আমি নিজেই এটা প্রচার করবো, না হয় তুমি করবে।” তখন আলী (রাঃ) বলেনঃ “তা হলে ঠিক আছে, আমিই যাচ্ছি।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁকে বললেনঃ “যাও, আল্লাহ তোমার ভাষা ঠিক রাখুন এবং অন্তরে হিদায়াত দান করুন!” তারপর তিনি স্বীয় হস্ত মুবারক তাঁর মুখের উপর রাখলেন। জনগণ আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) আপনাকে আবু বকর (রাঃ)-এর কি কথা প্রচারের উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছিলেন?” তিনি তখন উপরের চারটি বিষয়ের কথা বললেন। মুসনাদে আহমাদ ও অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে কয়েকটি পন্থায় এটা এসেছে। তাতে রয়েছে- “যাদের সাথে চুক্তি রয়েছে, তাদের চুক্তি মেয়াদ পর্যন্তই বলবৎ থাকবে।” অন্য হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জনগণ বলেছিলেনঃ “আপনি এই হজ্বে আবু বকর (রাঃ)-কে আমীর করে পাঠিয়েছেন, তাঁকেই এই প্রচারের দায়িত্ব দিলেও তো চলতো!” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “এটা হয় আমাকেই প্রচার করতে হবে, না হয় আমার আহলে বায়তের কাউকে করতে হবে।” আলী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর ‘আযবা' নামী উস্ত্রীর উপর সওয়ার হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁকে পথে দেখে আবু বকর (রাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “আপনি কি সরদার নিযুক্ত হয়ে এসেছেন, না অধীনস্থ হিসেবে?” আলী (রাঃ) উত্তরে বলেনঃ “না, বরং আমি অধীনস্থ হিসেবেই এসেছি। সেখানে পৌছে আবু বকর (রাঃ) হজ্বের ব্যবস্থাপনায় লেগে পড়েন এবং ঈদের দিন (১০ই যিলহজ্ব) আলী (রাঃ) জনগণকে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর এই আহকাম জানিয়ে দেন। অতঃপর তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট ফিরে আসেন। মুশরিকদের মধ্যে যাদের সাথে যতদিনের চুক্তি ছিল তা ঠিকই থাকলো। অন্য রিওয়ায়াতে আছে যে, আলী (রাঃ) বলেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) আবু বকর (রাঃ)-কে হজ্বের আমীর নিযুক্ত করে পাঠান এবং পরে আমাকে সূরায়ে বারাআতের চল্লিশটি আয়াতসহ তাঁর কাছে প্রেরণ করেন। আবু বকর (রাঃ) আরাফার দিন (৯ই যিলহজ্ব) আরাফার মাঠে জনগণের সামনে ভাষণ দেন। অতঃপর আমাকে বলেন, উঠুন এবং জনগণকে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর পয়গাম শুনিয়ে দিন! আমি তখন দাঁড়িয়ে ঐ চল্লিশটি আয়াত পাঠ করি। তারপর মিনায় গিয়ে জামরার উপর কংকর নিক্ষেপ করি এবং কুরবানী করে মাথা মুণ্ডন করি। তারপর আমি অবগত হই যে, ভাষণের সময় সবাই উপস্থিত ছিলেন না। তাই আমি ডেরায় ডেরায় এবং তাঁবুতে তাঁবুতে গিয়ে ঘোষণা করতে থাকি। আমার ধারণা এই যে, সম্ভবতঃ এ কারণেই সাধারণ মানুষ এটাকে ১০ই যিলহজ্বের ঘটনা মনে করেছে অথচ আসল পয়গাম আরাফার দিন অর্থাৎ ৯ই যিলহজ্ব তারিখেই পৌঁছিয়ে দেয়া হয়েছিল।”আবু ইসহাক (রঃ) বলেনঃ “আমি আবু হুজাইফা (রঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হজ্বে আকবার কোন দিন? তিনি উত্তরে বলেনঃ ‘আরাফার দিন। আমি পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এটা নিজের পক্ষ থেকে বলেছেন, না সাহাবীদের কাছ থেকে শুনেছেন? তিনি জবাব দিলেনঃ সব কিছু এটাই বটে। আতাও (রঃ) এটাই বলেন। উমার (রাঃ) একথাই বলার পর বলেনঃ “সুতরাং এই দিনে কেউ যেন রোযা না রাখে ।” বর্ণনাকারী বলেন, আমি আমার পিতার পরে হজ্ব করেছি। মদীনায় পৌঁছে আমি জনগণকে জিজ্ঞেস করলাম, এখানে আজকাল সর্বাপেক্ষা উত্তম কে? তারা উত্তরে সাঈদ ইবনে মুসাইয়াব (রাঃ)-এর নাম বললেন। আমি তখন তাঁর খিদমতে হাযির হয়ে তাকে বললাম, আমি মদীনাবাসীকে এখানকার সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা আপনারই নাম বললেন। তাই আমি আপনার নিকট এসেছি। আচ্ছা বলুন তো, আরাফার দিনে রোযা রাখা সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তিনি উত্তরে বললেনঃ “আপনাকে আমি আমার চেয়ে একশগুণ বেশী উত্তম ব্যক্তির নাম বলছি এবং তিনি হচ্ছেন উমার (রাঃ)। তিনি এই দিনে রোযা রাখতে নিষেধ করতেন এবং এই দিনকেই তিনি হজ্বে আকবার' বলতেন।” (এটা ইবনে জারীর (রঃ) ও ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে ইবনে আব্বাস (রাঃ), আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ), মুজাহিদ (রঃ), ইকরামা (রঃ) এবং তাউস (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তারা আরাফার দিনকে হজ্বে আকবারের দিন বলেছেন) একটি মুরসাল হাদীসেও রয়েছে যে, আরাফার দিন রাসূলুল্লাহ (সঃ) ভাষণ দেন এবং বলেনঃ “এটা হজ্বে আকবারের দিন।”দ্বিতীয় উক্তি এই যে, এর দ্বারা করা ঈদের দিনকে বুঝানো হয়েছে। আলী (রাঃ) এ কথাই বলেছেন। একবার ঈদুল আযহার দিন তিনি তাঁর সাদা খচ্চরের উপর সওয়ার হয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় একটি লোক এসে তাঁর খচ্চরের লাগাম ধরে নেন এবং হজ্বে আকবার কোন দিন তা জিজ্ঞেস করেন। তিনি উত্তরে বলেনঃ “আজকের দিনটিই হচ্ছে হজ্বে আকবারের দিন। সুতরাং লাগাম ছেড়ে দাও। আবদুল্লাহ ইবনে আওফার (রাঃ) এটাই উক্তি। মুগীরা ইবনে শু’বা (রাঃ) তাঁর ঈদের ভাষণে বলেনঃ “আজকের দিনটি হচ্ছে আযহার দিন, আজই হচ্ছে কুরবানীর এবং আজকের দিনটিই হচ্ছে হজ্বে আকবারের দিন।” ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতেও এটাই বর্ণিত আছে। আরো বহু গুরুজন এটাই সাব্যস্ত করেছেন যে, হজ্বে আকবার হচ্ছে ঈদুল আযহার দিন। ইমাম ইবনে জারীরেরও (রঃ) পছন্দনীয় উক্তি এটাই। সহীহ বুখারীর উদ্ধৃতি দিয়ে পূর্বেই হাদীস বর্ণিত হয়েছে যে, আবু বকর (রাঃ) ঈদের দিন মিনায় ঘোষণাকারীকে ঘোষণার জন্যে পাঠিয়েছিলেন। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বিদায় হজ্বে ১০ই যিলহজ্ব তারিখে জামরাতের নিকটে দাঁড়িয়ে বলেনঃ “আজকের দিনই হচ্ছে হজ্বে আকবারের দিন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে যে, তার উম্ভীটি ছিল লাল রং এর । তিনি জনগণকে জিজ্ঞেস করেনঃ “আজকে কোন দিন তা জান কি?” জনগণ উত্তরে বলেনঃ “আজকে কুরবানীর দিন।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন বলেনঃ “তোমরা সত্য কথাই বলেছো। আজকের দিনটিই হচ্ছে হজ্বে আকবারের দিন।” অন্য একটি রিওয়ায়াতে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) উষ্ট্রীর উপর সওয়ার ছিলেন। জনগণ ওর লাগাম ধরেছিল। তিনি সাহাবীদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “আজকে কোন্ দিন তা জান কি?" (বর্ণনাকারী বলেনঃ) আমরা এই ধারণায় নীরব থাকলাম যে, সম্ভবতঃ তিনি এই দিনের অন্য কোন নাম বলবেনঃ “এটা হজ্বে আকবারের দিন নয় কি?” অন্য একটি বর্ণনায় আছে যে, জনগণ তাঁর প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেনঃ “এটা হচ্ছে হজ্বে আকবারের দিন।” সাঈদ ইবন মুসাইয়াব (রাঃ) বলেন যে, হজ্বে আকবারের দিন হচ্ছে ঈদের দিনের পরের দিন। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, হজ্বের সমস্ত দিনেরই নাম এটাই । সুফিয়ানও (রঃ) এ কথাই বলেন। যেমন ইয়াওমে জামাল' (উষ্ট্রের যুদ্ধের দিন) এবং 'ইয়াওমে সিফফীন’ (সিফফীনের যুদ্ধের দিন) ঐ যুদ্ধগুলোর সমস্ত দিনেরই নাম। অনুরূপভাবে এটাও তাই। হাসান বসরী (রঃ)-কে এই সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তরে বলেনঃ “তোমাদের এটা জেনে লাভ কি? এটা তো ছিল ঐ বছর যে বছর আবু বকর (রাঃ) হজ্বে আমীর নিযুক্ত হয়েছিলেন।” ইবনে সীরীন (রঃ) এই প্রশ্নের উত্তরে বলেনঃ “এটা ছিল ঐ দিন যেই দিন রাসূলুল্লাহ (সঃ) ও সাধারণ লোকদের হজ্ব পালিত হয়েছিল।"

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lea, escuche, busque y reflexione sobre el Corán

Quran.com es una plataforma confiable utilizada por millones de personas en todo el mundo para leer, buscar, escuchar y reflexionar sobre el Corán en varios idiomas. Ofrece traducciones, tafsir, recitaciones, traducción palabra por palabra y herramientas para un estudio más profundo, haciendo que el Corán sea accesible para todos.

Como Sadaqah Jariyah, Quran.com se dedica a ayudar a las personas a conectar profundamente con el Corán. Con el apoyo de Quran.Foundation , una organización sin fines de lucro 501(c)(3), Quran.com continúa creciendo como un recurso gratuito y valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Inicio
Radio Coránica
Recitadores
Sobre nosotros
Desarrolladores
Actualizaciones de productos
Retroalimentación
Ayuda
Nuestros Proyectos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyectos sin fines de lucro adquiridos, administrados o patrocinados por Quran.Foundation
Enlaces populares

Ayatul Kursi

Yasin

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqiah

Al-Kahf

Al Muzzammil

Mapa del sitio webPrivacidadTérminos y condiciones
© 2026 Quran.com. Reservados todos los derechos