وارد شوید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
وارد شوید
وارد شوید
۱۸۶:۲
واذا سالك عبادي عني فاني قريب اجيب دعوة الداع اذا دعان فليستجيبوا لي وليومنوا بي لعلهم يرشدون ١٨٦
وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِى عَنِّى فَإِنِّى قَرِيبٌ ۖ أُجِيبُ دَعْوَةَ ٱلدَّاعِ إِذَا دَعَانِ ۖ فَلْيَسْتَجِيبُوا۟ لِى وَلْيُؤْمِنُوا۟ بِى لَعَلَّهُمْ يَرْشُدُونَ ١٨٦
وَإِذَا
سَأَلَكَ
عِبَادِي
عَنِّي
فَإِنِّي
قَرِيبٌۖ
أُجِيبُ
دَعۡوَةَ
ٱلدَّاعِ
إِذَا
دَعَانِۖ
فَلۡيَسۡتَجِيبُواْ
لِي
وَلۡيُؤۡمِنُواْ
بِي
لَعَلَّهُمۡ
يَرۡشُدُونَ
١٨٦
و چون بندگانم، از تو درباره من بپرسند، بگو: به راستی که من نزدیکم، دعای دعاکننده را هنگامی‌که مرا بخواند؛ اجابت می‌کنم. پس (آنان) باید دعوت مرا بپذیرند، و به من ایمان بیاورند، باشد که راه‌یابند.
تفاسیر
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط

একজন পল্লীবাসী রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করেঃ হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমাদের প্রভু কি নিকটে আছেন, না দূরে আছেন: যদি নিকটে থাকেন তবে চুপে চুপে ডাকবো আর যদি দূরে থাকেন তবে উচ্চৈঃস্বরে ডাকবো। এতে রাসূলুল্লাহ (সঃ) নীরব হয়ে যান। তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (মুসনাদ -ই-ইবনে আবি হাতিম)। একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, সাহাবীদের (রাঃ) ‘আমাদের প্রভু কোথায় রয়েছেন এই প্রশ্নের উত্তরে এটা অবতীর্ণ হয় (ইবনে জারীর)। হযরত আতা (রঃ) বলেন যে, যখন (আরবি) (৪০:৬০) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয় অর্থাৎ তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।' তখন জনগণ জিজ্ঞেস করে, “আমরা কোন সময় প্রার্থনা। করবো:' তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয় (ইবনে জুরাইজ)। হযরত আবু মূসা আশআরী (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ “আমরা এক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমরা প্রত্যেকে উঁচু স্থানে উঠার সময় এবং উপত্যকায় অবতরণের সময়ে উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর ধ্বনি করতে করতে যাচ্ছিলাম। নবী (সঃ) আমাদের নিকট এসে বলেনঃ “হে জনমণ্ডলী! নিজেদের প্রতি দয়া প্রদর্শন কর। তোমরুকোন কম শ্রবণকারী ও দূরে অবস্থানকারীকে ডাকছো না। যাকে সব ডাকতে রয়েছে তিনি তোমাদের যানবাহনের স্কন্ধ অপেক্ষাও নিকটে রয়েছেন। হে আবদুল্লাহ বিন কায়েস! তোমাকে কি আমি বেহেশতের কোষাগারসমূহের সংবাদ দেবো না: তা হচ্ছে (আরবি) এই কলেমাটি (মুসনাদই-আহমাদ)।হযরত আনাস (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “আমার বান্দা আমার উপর যেরূপ বিশ্বাস রাখে আমিও তার সাথে ঐরূপ ব্যবহার করে থাকি। যখন সে আমার নিকট প্রার্থনা জানায়, আমি তার সঙ্গেই থাকি' (মুসনাদ-ই-আহমাদ)।' হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ 'আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “আমার বান্দা যখন আমাকে স্মরণ করে এবং আমার যিক্রে তার ওষ্ঠ নড়ে উঠে, তখন আমি তার সাথেই থাকি' (ইমাম আহমাদ (রঃ) এটা বর্ণনা করেছেন)। এই বিষয়ের আয়াত কুরআন পাকের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। ঘোষণা হচ্ছে (আরবি)অর্থাৎ যারা খোদাভীরু ও সৎ কর্মশীল নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে রয়েছেন।' (৩০ ১২৮) হযরত মূসা (আঃ) ও হযরত হারূন (আঃ)-কে আল্লাহ তা'আলা বলেন (আরবি) অর্থাৎ ‘আমি তোমাদের দুজনের সাথে রয়েছি, আমি শুনছি ও দেখছি।' উদ্দেশ্য এই যে, মহান আল্লাহ প্রার্থনাকারীদের প্রার্থনা ব্যর্থ করেন না। এরকমও হয় না যে, তিনি বান্দাদের প্রার্থনা হতে উদাসীন থাকেন বা শুনেন না। এর দ্বারা আল্লাহ তাআলা প্রার্থনা করার জন্যে তাঁর বান্দাদেরকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং তাদের প্রার্থনা ব্যর্থ না করার অঙ্গীকার করেছেন। হযরত সালমান ফারসী (রাঃ) বলেন যে, নবী করীম (সঃ) বলেছেনঃ বান্দা যখন আল্লাহ তা'আলার কাছে হাত উঁচু করে প্রার্থনা জানায় তখন সেই দয়ালু আল্লাহ তার হাত দু'খানা শূন্য ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন (মুসনাদ-ই-আহমাদ)।হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, ‘যে বান্দা আল্লাহ তা'আলার নিকট এমন প্রার্থনা করে যার মধ্যে পাপও নেই এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নতাও নেই, তাহলে আল্লাহ তা'আলা তাকে তিনটি জিনিসের মধ্যে যে কোন একটি দান করে থাকেন। হয়তো বা তার প্রার্থনা তৎক্ষণাৎ কবুল করে নিয়ে তার প্রার্থিত উদ্দেশ্য পুরো করেন, কিংবা তা জমা করে রেখে দেন, এবং পরকালে দান করেন বা ওরই কারণে এমন কোন বিপদ কাটিয়ে দেন, যে বিপদ তার প্রতি আপতিত হতো।' একথা শুনে জনসাধারণ বলেঃ হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমরা যখন প্রার্থনা খুব বেশী করে করবো: তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “আল্লাহ তা'আলার নিকট খুবই বেশী রয়েছে। (মুসনাদ-ই-আহমাদ)। হযরত ওবাদাহ বিন সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ভূ-পৃষ্ঠের যে মুসলমান মহা সম্মানিত ও মর্যাদাবান আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা জানায় তা আল্লাহ তা'আলা গ্রহণ করে থাকেন, হয় সে তার প্রার্থিত উদ্দেশ্য লাভ করে অথবা ঐ রকমই তার কোন বিপদ কেটে যায় যে পর্যন্ত না কোন পাপের কাজে বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নতার কাজে সে প্রর্থনা করে। (মুসনাদ-ই-আহমাদ)।হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ‘যে পর্যন্ত না কোন ব্যক্তি প্রার্থনায় তাড়াতাড়ি করে, তার প্রার্থনা অবশ্যই কবুল হয়। তাড়াতাড়ি করার অর্থ এই যে, সে বলতে আরম্ভ করে-‘আমি সদা প্রার্থনা করতে রয়েছি, কিন্তু আল্লাহ তা'আলা কবুল করছেন না (তাফসীর-ই-মুআত্তা মালিক)। সহীহ বুখারী শরীফের বর্ণনায় এটাও আছে যে,প্রতিদান স্বরূপ তাকে বেহেশত দান করা হয়। সহীহ মুসলিমের মধ্যে এও রয়েছে যে, ককূল না হওয়ার ধারণা করে নৈরাশ্যের সাথে সে প্রার্থনা করা পরিত্যাগ করে, এটাই হচ্ছে তাড়াতাড়ি করা। হযরত আবু জাফর তাবারীর (রঃ) তাফসীরে এই উক্তিটি হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণনা করা হয়েছে। হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ‘অন্তর বরতনসমূহের ন্যায়, একে অপর হতে বেশী পর্যবেক্ষণকারী হয়ে থাকে। হে জনমণ্ডলী! আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করবে তো ককূল হওয়ার বিশ্বাস রেখে কর। জেনে রেখো যে, উদাসীনদের প্রার্থনা আল্লাহ তা'আলা কবুল করেন না (তাফসীরে মুসনাদ-ই-আহমদ)। হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) একবার রাসূলুল্লাহকে (সঃ) এই আয়াত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করেন। তখন তিনি আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা জানিয়ে বলেনঃ “হে আল্লাহ! আয়েশার (রাঃ) এই প্রশ্নের উত্তর কি হবে: তখন জিবরাঈল (আঃ) আগমন করেন এবং বলেনঃ “আল্লাহ আপনাকে সালাম দিয়েছেন এবং বলেছেন-এর উদ্দেশ্য ঐ ব্যক্তি যে সৎ কার্যাবলী সম্পাদনকারী হয় এবং খাঁটি নিয়ত ও আন্তরিকতার সাথে আমাকে ডেকে থাকে, তখন আমি তার ডাকে সাড়া দিয়ে তার প্রয়োজন পুরো করে থাকি। (তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই)। এই হাদীসটি ইসনাদ হিসাবে গরীব দুর্বল বা অসহায়)।অন্য একটি হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এই আয়াতটি পাঠ করেন। অতঃপর বলেনঃ হে আল্লাহ! আপনি প্রার্থনার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ককূলের অঙ্গীকার করেছেন। আমি হাজির হয়েছি, হে আমার মা'বুদ আমি হাজির হয়েছি, আমি হাজির আছি। হে অংশীদার বিহীন আল্লাহ! আমি উপস্থিত রয়েছি। হামদ, নিয়ামত এবং রাজ্য আপনারই জন্যে। আপনার কোন অংশীদার নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি এক ও অদ্বিতীয়। আপনি অতুলনীয়। আপনি এক ও পবিত্র। আপনি স্ত্রী ও সন্তানাদি হতে দূরে রয়েছেন। না আপনার কেউ সঙ্গী রয়েছে। না আপনার কেউ সমকক্ষ রয়েছে, না আপনার মত কেউ রয়েছে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনার ওয়াদা সত্য, আপনার সাক্ষ্য সত্য (তাফসীর -ই-ইবনে মিরদুওয়াই)। হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলার ইরশাদ হচ্ছে- হে ইবনে আদম! একটি জিনিস তো তোমার আর একটি জিনিস আমার এবং একটি জিনিস তোমার ও আমার মধ্যস্থলে রয়েছে। খাটি আমার হক তো এটাই যে, তুমি শুধুমাত্র আমারই ইবাদত করবে এবং আমার সাথে আর কাউকেও অংশীদার করবে না। তোমার জন্যে নির্দিষ্ট এই যে, তোমার প্রতিটি কাজের পূর্ণ প্রতিদান আমি তোমাকে অবশ্যই দেবো। তোমার কোন পুণ্যই আমি নষ্ট করবো না। মধ্যবর্তী জিনিসটি এই যে, তুমি প্রার্থনা করবে আর আমি কবুল করবো। তোমার একটি কাজ হচ্ছে প্রার্থনা করা আর আমার একটি কাজ হচ্ছে তা কবুল করা (তাফসীর-ই-বাযযার)। প্রার্থনার এই আয়াতটিকে রোযার নির্দেশাবলীর আয়াতসমূহের মধ্যস্থলে আনয়নের নিপুণতা এই যে, যেন রোযা শেষ করার প্রার্থনার প্রতি মানুষের আগ্রহ জন্মে এবং তারা যেন প্রত্যহ ইফতারের সময় অত্যধিক দু'আ করতে থাকে।রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ রোযাদার ইফতারের সময় যে দু'আ করে আল্লাহ তা'আলা তা কবুল করে থাকেন। হযরত আবদুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) ইফতারের সময় স্বীয় পরিবারের লোককে এবং শিশুদেরকে ডেকে নিতেন ও তাদের সকলকে নিয়ে প্রার্থনা করতেন (সুনান-ই-আবু দাউদ, তায়ালেসী)। সুনান-ই-ইবনে মাজাহর মধ্যেও এই বর্ণনাটি রয়েছে এবং ওর মধ্যে সাহাবীদের (রাঃ) নিম্নের এই দু'আটি নকল করা হয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ হে আল্লাহ! আপনার যে দয়া প্রত্যেক জিনিসকে ঘিরে রয়েছে তা আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে আপনার নিকট প্রার্থনা জানাচ্ছি যে, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন!' অন্য হাদীসে রয়েছে যে, তিন ব্যক্তির প্রার্থনা অগ্রাহ্য। হয় না। (১) ন্যায় বিচারক বাদশাহ্ (২) রোযাদার ব্যক্তি যে পর্যন্ত না সে ইফতার করে এবং (৩) অত্যাচারিত ব্যক্তির দু’আ। আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তাহার মর্যাদা উচ্চ করিবেন। অত্যাচারিত ব্যক্তির বদ দু'আর কারণে আকাশসমূহের দরজাগুলো খুলে দেয়া হবে এবং আল্লাহ তা'আলা বলবেনঃ ‘আমার সম্মান ও মর্যাদার শপথ! বিলম্বে হলেও আমি তোমাকে অবশ্যই সাহায্য করবো। (মুসনাদ-ই-আহমাদ) জামেউত তিরমিযী, সুনানই-নাসায়ী ও ইবনে মাযাহ)।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن بخوانید، گوش دهید، جستجو کنید و در قرآن فکر کنید

Quran.com یک پلتفرم قابل اعتماد است که میلیون‌ها نفر در سراسر جهان برای خواندن، جستجو، گوش دادن و تأمل در مورد قرآن به زبان‌های مختلف از آن استفاده می‌کنند. این پلتفرم ترجمه، تفسیر، تلاوت، ترجمه کلمه به کلمه و ابزارهایی برای مطالعه عمیق‌تر ارائه می‌دهد و قرآن را برای همه قابل دسترسی می‌کند.

به عنوان یک صدقه جاریه، Quran.com به کمک به مردم برای ارتباط عمیق با قرآن اختصاص دارد. Quran.com با حمایت Quran.Foundation ، یک سازمان غیرانتفاعی 501(c)(3)، به عنوان یک منبع رایگان و ارزشمند برای همه، به لطف خدا، به رشد خود ادامه می‌دهد.

پیمایش کنید
صفحه اصلی
رادیو قرآن
قاریان
درباره ما
توسعه دهندگان
به روز رسانی محصول
بازخورد
کمک
پروژه های ما
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
پروژه های غیرانتفاعی تحت مالکیت، مدیریت یا حمایت شده توسط Quran.Foundation
لینک های محبوب

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

نقشه سایتحریم خصوصیشرایط و ضوابط
© ۲۰۲۶ Quran.com. تمامی حقوق محفوظ است