وارد شوید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
وارد شوید
وارد شوید
۲۱:۷۸
ان جهنم كانت مرصادا ٢١
إِنَّ جَهَنَّمَ كَانَتْ مِرْصَادًۭا ٢١
إِنَّ
جَهَنَّمَ
كَانَتۡ
مِرۡصَادٗا
٢١
و بی‌گمان جهنم کمین‌گاهی است.
تفاسیر
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
آیات مرتبط
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 78:17 تا 78:30

১৭-৩০ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তাআলা (আরবি) অর্থাৎ কিয়ামতের দিন সম্পর্কে বলেন যে, ওটা একটা নির্ধারিত দিন। এটা পূর্বেও আসবে না এবং পরেও আসবে না, বরং ঠিক নির্ধারিত সময়েই আসবে। কিন্তু কখন আসবে তার সঠিক জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তা'আলারই রয়েছে। তিনি ছাড়া আর কারো এর জ্ঞান নেই। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমি ওটাকে শুধু নির্ধারিত সময়ের জন্যেই বিলম্বিত করছি।” (১১:১০৪)ইরশাদ হচ্ছে সেই দিন শিংগায় ফুত্তার দেয়া হবে এবং তোমরা দলে দলে সমাগত হবে। প্রত্যেক উম্মত নিজ নিজ নবীর সাথে পৃথক পৃথক থাকবে। যেমন আহ অলি বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “যেই দিন আমি সমস্ত মানুষকে তাদের ইমামদের সাথে আহ্বান করব।" (১৭:৭১)।(আরবি) এই আয়াতের তাফসীরে সহীহ বুখারীতে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “উভয় শিংগার মধ্যবর্তী সময় হবে চল্লিশ।” সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ “চল্লিশ দিন?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “আমি বলতে পারি না। তারা আবার প্রশ্ন করলেনঃ “চল্লিশ মাস কি?” তিনি জবাব দিলেনঃ “তা আমি বলতে পারবো। তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ “চল্লিশ বছর?" তিনি উত্তরে বললেনঃ “আমি এটাও বলতে অস্বীকার করছি। তিনি বলেনঃ অতঃপর আল্লাহ তা'আলা আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। ফলে যেভাবে উদ্ভিদ মাটি হতে অঙ্কুরিত হয়। দ্রুপ মানুষ ভূ-পৃষ্ঠ হতে উথিত হতে থাকবে। মানুষের সারা দেহ পচে গলে যায়। শুধুমাত্র একটি জিনিস বাকী থাকে। তা হলো কোমরের মেরুদণ্ডের অস্থি। ঐ অস্থি থেকেই কিয়ামতের দিন মাখলুককে পুনর্গঠন করা হবে। “আকাশ উন্মুক্ত করা হবে, ফলে ওটা হবে বহু দ্বার বিশিষ্ট।” অর্থাৎ আকাশকে খুলে দেয়া হবে এবং তাতে ফেরেশতামণ্ডলীর অবতরণের পথ ও দরজা হয়ে যাবে।“আর চলমান করা হবে পর্বতসমূহকে, ফলে সেগুলো হয়ে যাবে মরীচিকা।” যেমন আল্লাহ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তুমি পর্বতসমূহ দেখছো ও ওগুলোকে জমাট বলে ধারণা করছো, অথচ ওগুলো কিয়ামতের দিন মেঘের ন্যায় চলতে থাকবে।” (২৭:৮৮) অন্য এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রংগিন পশমের মত।" (১০১:৫)এখানে আল্লাহ পাক বলেন যে, পর্বতগুলো হয়ে যাবে মরীচিকা। দর্শকরা মনে করবে যে, ওটা নিশ্চয়ই একটা কিছু, আসলে কিন্তু কিছুই নয়। শেষে ওটা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত ও ধ্বংস হয়ে যাবে। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “তারা তোমাকে পর্বতসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তুমি বলঃ আমার প্রতিপালক ওগুলোকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন। অতঃপর তিনি ওকে পরিণত করবেন মসৃণ সমতল ময়দানে। যাতে তুমি বক্রতা ও উচ্চতা দেবেন।” (২০:১০৫-১০৭) আর এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “স্মরণ কর, যেদিন আমি পৰ্বতকে করবো সঞ্চালিত এবং তুমি পৃথিবীকে দেখবে উন্মুক্ত প্রান্তর।” (১৮:৭)আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ “নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁৎ পেতে রয়েছে; (ওটা হবে) সীমালংঘনকারীদের প্রত্যাবর্তন স্থল।” যারা হলো উদ্ধত, নাফরমান ও রাসূল (সঃ)-এর বিরুদ্ধাচরণকারী। জাহান্নামই তাদের প্রত্যাবর্তন ও অবস্থান স্থল। হযরত হাসান (রঃ) ও হযরত কাতাদাহ (রঃ)-এর অর্থ এও করেছেন যে, কোন ব্যক্তিই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যে পর্যন্ত না জাহান্নামের উপর দিয়ে গমন করবে। যদি আমল ভাল হয় তবে মুক্তি পেয়ে যাবে, আর যদি আমল খারাপ হয় তবে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে। হযরত সুফইয়ান সাওরী (রঃ) বলেন যে, ওর উপর তিনটি পুল বা সেতু রয়েছে।এপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ ‘সেথায় তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে।(আরবি) শব্দটি (আরবি) শব্দের বহুবচন। দীর্ঘ যুগকে (আরবি) বলা হয়। কেউ কেউ বলেন যে (আরবি) আশি বহরে এক হয়। বারো মাসে হয় এক বছর। ত্রিশ দিনে এক মাস হয় এবং প্রতিটি দিন হাজার বছরের হবে। বহু সাহাবী এবং তাবেয়ী হতে এটা বর্ণিত আছে। কারো কারো মতে সত্তর বছরে এক (আরবি) হয়। আবার কেউ কেউ বলেন যে, এক (আরবি) এ হয় চল্লিশ বছর। বছরগুলোর প্রতিটি দিন হাজার বছরের। বাশীর ইবনে কাব (রঃ) তো বলেন যে, এক একটি দিন এরূপ বড় এবং এরূপ তিনশ বছরে এক হকব। একটি মারফু হাদীসে আছে যে, (আরবি)-এর মাসগুলো ত্রিশ দিনের, বছরগুলো বারো মাসের, বছরগুলোর দিনের সংখ্যা তিনশ ষাট এবং প্রতিটি দিন দুনিয়ার গণনা হিসেবে এক হাজার বছরের হবে। (এ হাদীসটি মুসনাদে ইবনে আবি হাতিমে হযরত আবু উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। কিন্তু এ হাদীসটি অত্যন্ত মুনকার। এর একজন বর্ণনাকারী রয়েছে জাবির ইবনে যুরায়েরের পুত্র কাসেম এবং তার থেকে বর্ণনা করেছে জাফর ইবনে যুবায়ের। দুই জনই পরিত্যাজ্য)অন্য একটি বিওয়াইয়াতে আছে যে, আবু মুসলিম ইবনে আ’লা (রঃ) সুলাইমান ভাইমী (রঃ) কে জিজ্ঞেস করেনঃ “জাহান্নাম হতে কেউ বের হবে।কি?” সুলাইমান তাইমী (রঃ) উত্তরে বলেনঃ “আমি নাফে' (রঃ) হতে শুনেছি এবং তিনি শুনেছেন হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহর কসম! জাহান্নামে সুদীর্ঘকাল অবস্থান ব্যতীত কেউই জাহান্নাম হতে বের হবে না। তারপর বলেনঃ “আশির উপর কিছু বেশী বছরে এক (আরবি) হয়। প্রতি বছরে তিনশ ষাট দিন রয়েছে তোমরা গণনা করে থাকো।”সুদ্দী (রঃ) বলেন যে, জাহান্নামীরা জাহান্নামে সাতশ’ ‘হকব’ পর্যন্ত থাকবে। প্রতিটি হকবে’ সত্তর বছর রয়েছে, প্রতিটি বছরের দিনের সংখ্যা হলো তিনশ ষাট এবং প্রতিটি দিন দুনিয়ার হাজার বছরের সমান। হযরত মুকাতিল ইবনে হিব্বান (রঃ) বলেন যে, এই আয়াতটি (আরবি)-এই আয়াত দ্বারা মানসূখ বা রহিত হয়ে গেছে। হযরত খালিদ ইবনে মা’দান (রঃ) বলেন যে, এই আয়াতটি এবং (আরবি) (অর্থাৎ জাহান্নামীরা জাহান্নামে থাকবে আল্লাহ যতদিন ইচ্ছা করবেন) এই আয়াতটি একত্ববাদীদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে।ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) বলেনঃ ‘এও হতে পারে যে, (আরবি) সম্পর্কযুক্ত হবে। (আরবি) এর সাথে অর্থাৎ ফুটন্ত পানি ও পুঁজ’ এই। একই শাস্তি যুগ যুগ ধরে হতে থাকবে। তারপর অন্য প্রকারের শাস্তি শুরু হবে। কিন্তু সঠিক কথা এই যে, জাহান্নামে অবস্থানকালের পরিসমাপ্তিই নেই।হযরত হাসান (রঃ)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ ‘আহকাব’ এর অর্থ হলো জাহান্নামে চিরকাল অবস্থান করা। কিন্তু (আরবি) বলা হয় সত্তর বছরকে যার প্রতিটি দিন দুনিয়ার এক হাজার বছরের সমান। হযরত কাতাদাহ (রঃ) বলেন যে, আহকাব কখনো শেষ হবার নয়। এক হাকব শেষ হলে অন্য হাকব শুরু হয়ে যাবে। এই আহকাবের সঠিক সময়ের জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তা'আলারই রয়েছে। তবে মানুষকে শুধু এতোটুকু জানানো হয়েছে যে, আশি বছরে এক (আরবি) হয়। এক বছরের মধ্যে রয়েছে তিনশ ষাট দিন এবং প্রতিটি দিন দুনিয়ার এক হাজার বছরের সমান।এরপর মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহ বলেনঃ সেথায় তারা আস্বাদন করবে না শৈত্য, না কোন পানীয়। অর্থাৎ জাহান্নামীদেরকে এমন ঠাণ্ডা জিনিস দেয়া হবে না যার ফলে তাদের কলিজা ঠাণ্ডা হতে পারে এবং ঠাণ্ডা পানীয় পান করতে দেয়া হবে না। বরং এর পরিবর্তে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি ও রক্ত পুঁজ। (আরবি) এমন কঠিন পমকে বলা হয় যার পরে গরম বা উষ্ণতার আর কোন স্তর নেই। আর (আরবি) বলে জাহান্নামীদের ক্ষতস্থান হতে নির্গত রক্ত পুঁজ ইত্যাদিকে। ই গরমের মুকাবিলায় এমন শৈত্য দেয়া হবে যে, তা স্বয়ং যেন একটা আবাৰ এবং তাতে থাকবে অসহনীয় দুর্গন্ধ। সূরায়ে সাদ’ -এর মধ্যে (আরবি)- তাফসীর গত হয়েছে। সুতরাং এখানে পুনরাবৃত্তির কোন প্রয়োজন নেই। আল্লাহ তা'আলা তার অশেষ রহমতের বদৌলতে আমাদেরকে তার সর্বপ্রকারের শাস্তি হতে রক্ষা করুন! আমীন!কেউ কেউ (আরবি) শব্দের অর্থ ঘুমও বলেছেন। আরব কবিদের কবিতায়ও শব্দটি ঘুমের অর্থে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। এরপর আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা বলেনঃ ‘এটাই উপযুক্ত প্রতিফল। এখানে তাদের দুষ্কৃতি লক্ষ্যণীয়। তাদের বিশ্বাস ছিল যে, হিসাব-নিকাশের কোন ক্ষণ আসবেই না। আল্লাহ যেসব দলীল প্রমাণ তাঁর নবীদের উপর অবতীর্ণ করেছেন, তারা এ সব কিছুকেই একেবারে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিতো। (আরবি) শব্দটি মাসদার’ বা ক্রিয়ামূল। এই ওজনে আরো মাসদার রয়েছে। আল্লাহ তাআলার উক্তিঃ সব কিছুই আমি সংরক্ষণ করেছি লিখিতভাবে। অs আমি আমার বান্দাদের সমস্ত আমল অবগত রয়েছি এবং ওগুলোকে লিখে রেখেছি। সবগুলোরই আমি প্রতিফল প্রদান করবো। ভাল কাজ হলে ভাল প্রতিফল এবং মন্দ কাজ হলে মন্দ প্রতিফল। জাহান্নামীদেরকে বলা হবেঃ এখন তোমরা শান্তির স্বাদ গ্রহণ কর। এরকমই এবং এর চেয়েও নিকৃষ্ট শাস্তি বৃদ্ধি করা হবে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) বলেন যে, জাহান্নামীদের জন্যে এর চেয়ে কঠিন ও নৈরাশ্যজনক কোন আয়াত আর নেই। তাদের শাস্তি সদা বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। হযরত হাসান (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “আমি হযরত অ হ আসলামী (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলামঃ জাহান্নামীদের জন্যে কঠিনতম আয়াত কোনটি? তিনি উত্তরে বললেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে (আরবি) এ আয়াতটি পাঠ করার পর নিম্নের বাক্যটি বলতে শুনেছিঃ “কওমকে তাদের মহামহিমান্বিত আল্লাহর অবাধ্যাচরণ ধ্বংস করে দিয়েছে। (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (কঃ) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এর একজন বর্ণনাকারী জাসর ইবনে ফারকাদ অত্যন্ত দুর্বল)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن بخوانید، گوش دهید، جستجو کنید و در قرآن فکر کنید

Quran.com یک پلتفرم قابل اعتماد است که میلیون‌ها نفر در سراسر جهان برای خواندن، جستجو، گوش دادن و تأمل در مورد قرآن به زبان‌های مختلف از آن استفاده می‌کنند. این پلتفرم ترجمه، تفسیر، تلاوت، ترجمه کلمه به کلمه و ابزارهایی برای مطالعه عمیق‌تر ارائه می‌دهد و قرآن را برای همه قابل دسترسی می‌کند.

به عنوان یک صدقه جاریه، Quran.com به کمک به مردم برای ارتباط عمیق با قرآن اختصاص دارد. Quran.com با حمایت Quran.Foundation ، یک سازمان غیرانتفاعی 501(c)(3)، به عنوان یک منبع رایگان و ارزشمند برای همه، به لطف خدا، به رشد خود ادامه می‌دهد.

پیمایش کنید
صفحه اصلی
رادیو قرآن
قاریان
درباره ما
توسعه دهندگان
به روز رسانی محصول
بازخورد
کمک
پروژه های ما
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
پروژه های غیرانتفاعی تحت مالکیت، مدیریت یا حمایت شده توسط Quran.Foundation
لینک های محبوب

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

نقشه سایتحریم خصوصیشرایط و ضوابط
© ۲۰۲۶ Quran.com. تمامی حقوق محفوظ است