وارد شوید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
وارد شوید
وارد شوید
۷:۷۹
تتبعها الرادفة ٧
تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ ٧
تَتۡبَعُهَا
ٱلرَّادِفَةُ
٧
در پی آن (دمیدن دوم حشر) بیاید.
تفاسیر
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 79:1 تا 79:14

১-১৪ নং আয়াতের তাফসীরএখানে ফেরেশতাদের কথা বলা হয়েছে যারা কোন কোন মানুষের রূহ কঠিনভাবে টেনে বের করেন এবং কারো কারো রূহ এমন সহজভাবে ক্য করেন যে, যেন একটা বাঁধন খুলে দেয়া হয়েছে। কাফিরদের রূহ টেনে হিচড়ে বের করে নেয়া হয়, তারপর জাহান্নামে ডুবিয়ে দেয়া হয়। এটা মৃত্যুর সময়ের আলোচনা। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, দ্বারা মৃত্যু উদ্দেশ্য। হযরত হাসান (রঃ) ও হযরত কাতাদাহ (রঃ) বলেন যে, (আরবি) দ্বারা নক্ষত্ররাজিকে বুঝানো হয়েছে। হযরত আতা ইবনে আবি রাবাহ (রঃ) বলেন যে, এর দ্বারা কঠিনভাবে সংগ্রামকারীকে বুঝানো হয়েছে। কিন্তু প্রথমটিই সঠিক উক্তি। অর্থাৎ এর দ্বারা রূহ বেরকারী ফেরেশতাগণ উদ্দেশ্য। অনুরূপভাবে তৃতীয় আয়াত সম্পর্কেও এই তিনটি তাফসীর বর্ণিত আছে। অর্থাৎ ফেরেশতা, মৃত্যু ও নক্ষত্র। হযরত আতা (রঃ) বলেন যে, এখানে নৌকা উদ্দেশ্য।(আরবি) শব্দের তাফসীরেও এই তিনটি উক্তি রয়েছে। অর্থ হচ্ছে ঈমান ও তাসদীকের দিকে অগ্রগামী। আতা (রঃ) বলেন যে, মুজাহিদদের ঘোড়াকে বুঝানো হয়েছে।(আরবি) (অতঃপর যারা সকল কর্ম নির্বাহ করে)। এর দ্বারা ও ফেরেশতামলী উদ্দেশ্য। এটা হযরত মুজাহিদ (রঃ), হযরত আতা (রঃ), হযরত আবু সালেহ (রঃ), হযরত হাসান (রঃ), হযরত কাতাদাহ (রঃ), হযরত রাবী ইবনে আনাস (রঃ) এবং হযরত সুদীর (রঃ) উক্তি। হযরত হাসান (রঃ) বলেন যে, যে ফেরেশতাগণ আল্লাহর নির্দেশক্রমে আকাশ হতে পৃথিবী পর্যন্ত সর্বত্র কর্ম নির্বাহকারী। ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) এই উক্তিগুলোর মধ্যে কোন ফায়সালা করেননি।“সেই দিন প্রথম শিংঙ্গাধ্বনি প্রকম্পিত করবে ও ওকে অনুসরণ করবে পরবর্তী শিঙ্গাধ্বনি' এটা দ্বারা দুটো শিঙ্গাধ্বনি উদ্দেশ্য। প্রথম শিঙ্গার বর্ণনা (আরবি) (যেই দিন যমীন ও পাহাড় প্রকম্পিত হবে) এই আয়াতে রয়েছে আর দ্বিতীয় শিংগার বর্ণনা রয়েছে নিম্নের আয়াতেঃ (আরবি) অর্থাৎ “পবর্তমালাসহ পৃথিবী উৎক্ষিপ্ত হবে এবং একই ধাক্কায় ওগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে।” (৬৯:১৪) হযরত কা'ব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “প্রথম প্রকম্পিতকারী আসবে এবং ওকে অনুসরণ করবে পরবর্তী প্রকম্পিতকারী। অর্থাৎ মৃত্যু স্বসঙ্গীয় সমস্ত বিপদ আপদ নিয়ে আসবে।” একটি লোক জিজ্ঞেস করলোঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমি যদি আমার অযীফা পাঠের সারাক্ষণ আপনার উপর দুরূদ পাঠ করতে থাকি (তবে কি হবে)?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “তাহলে ততা আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত চিন্তা-ভাবনা ও দুঃখ-দুর্দশা হতে রক্ষা করবেন।” (এ হাদীসটি মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে)জামে তিরমিযী ও মুসনাদে ইবনে আবি হাতিমে রয়েছে যে, যখন রাত্রির দুই তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হতে তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) উঠে পড়তেন ও বলতেনঃ “হে জনমণ্ডলী! তোমরা আল্লাহকে স্মরণ কর। প্রথম প্রকম্পিতকারী এসে পড়েছে। এবং পরবর্তী প্রকম্পিতকারী ওর অনুসরণ করছে এবং মৃত্যু তার সঙ্গীয় বিপদ-আপদ নিয়ে চলে আসছে।”কত হৃদয় সেদিন সন্ত্রস্ত হবে, তাদের দৃষ্টি ভীতি-বিহ্বলতায় নত হবে। কেননা তারা নিজেদের পাপ এবং আল্লাহর আযাব আজ প্রত্যক্ষ করেছে।যে সব মুশরিক পরস্পর বলাবলি করতোঃ কবরে যাওয়ার পরেও কি পুনরায় আমাদেরকে জীবিত করা হবে? আজ তারা নিজেদের জীবনের গ্লানি ও অবমাননা স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করবে।(আরবি) কবরকে বলা হয়। অর্থাৎ কবরে যাওয়ার পর দেহ সড়ে-পড়ে যাবে এবং অস্থি পচে-গলে মাটির সাথে মিশে যাবে। এরপরেও কি পুনরুজ্জীবিত করা হবে? তাহলে তো দ্বিতীয়বারের এ জীবন অপমানজনক ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হবে। কুরায়েশ কাফিররা এ সব কথা বলাবলি করতো। (আরবি) শব্দের অর্থ মৃত্যুর পরবর্তী জীবন বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এটা জাহান্নামের নাম বলে উল্লেখ আছে। এই জাহান্নামের বহু নাম রয়েছে। যেমন জাহীম, সাকার, হাবিয়াহ, অধিনাহ, লাযা, হুতামাহ্ ইত্যাদি।এখন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তারা যে বিষয়টিকে বিরাট ও অসম্ভব বলে মনে করছে সেটা আমার ব্যাপক ক্ষমতার আওতাধীনে খুবই সহজ ও সাধারণ ব্যাপার। এটা তো শুধুমাত্র এক বিকট শব্দ। এর ফলে তখনই ময়দানে তাদের আবির্ভাব হবে। অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলা হযরত ইসরাফীল (আঃ)-কে নির্দেশ দিলে তিনি শিঙ্গায় ফুঙ্কার দিবেন। তাঁর ফুৎকারের সাথে সাথেই আগের ও পরের সবাই জীবিত হয়ে যাবে এবং আল্লাহর সামনে এক ময়দানে সমবেত হবে। যেমন আল্লাহ তা'আলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “যে দিন তিনি তোমাদেরকে আহ্বান করবেন তখন তোমরা তার প্রশংসা করতে করতে জবাব দিবে এবং জানতে পারবে যে, খুব অল্প সময়ই তোমরা অবস্থান করেছো।" (১৭:৫২) আর এক জায়গায় মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “আমার আদেশ এতো কম সময়ের মধ্যে পালিত হবে যে, ঠিক যেন চোখের পলক ফেলার সময়।” (৫৪:৫০) অন্য এক জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “কিয়ামতের আদেশ চোখের পলক ফেলার মত সময়ে কার্যকরী হবে, বরং এর চেয়েও কম সময়ে।” (১৬:৭৭) এখানেও বলা হয়েছেঃ “এটা তো এক বিকট শব্দের বিলম্ব মাত্র, তখনই ময়দানে তাদের আবির্ভাব হবে।' ঐদিন প্রবল প্রতাপান্বিত আল্লাহ ভীষণ ক্রুদ্ধ হবেন। এই শব্দও ক্রোধের সাথেই হবে। এটা হলো, শেষ ফুকার, যেই ফুঙ্কারের পরেই সমস্ত মানুষ জমীনের উপরে এসে পড়বে। অথচ এর পূর্বে তারা ছিল মাটির নীচে।(আরবি) শব্দের অর্থ হলো ভূ-পৃষ্ঠ ও সমতল ময়দান। সাওরী (রঃ) বলেন যে, এর দ্বারা সিরিয়ার যমীনকে বুঝানো হয়েছে। উসমান ইবনে আবিল আনিকার (রঃ) উক্তি এই যে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো বায়তুল মুকাদ্দাসের যমীন। অহাব ইবনে মুনাব্বাহ (রঃ) বলেন যে, (আরবি) হলো বায়তুল মুকাদ্দাসের এক দিকের একটি পাহাড়। কিন্তু এটা হলো সবচেয়ে গারীব বা দুর্বল উক্তি। প্রথমটিই সঠিকতম উক্তি অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ। সমস্ত মানুষ ভূ-পৃষ্ঠে সমবেত হবে। ঐ সময় ভূ-পৃষ্ঠ হবে সাদা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং শূন্য। যেমন ময়দার রুটি হয়ে থাকে। যেমন আল্লাহ তাআলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “যেদিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে অন্য পৃথিবী হবে এবং আকাশমণ্ডলীও, আর মানুষ উপস্থিত হবে আল্লাহর সামনে, যিনি এক, পরাক্রমশালী।" (১৪:৪৮) আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ তারা তোমাকে পর্বতসমূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলঃ আমার প্রতিপালক ওগুলোকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন। অতঃপর তিনি ওকে পরিণত করবেন মসৃণ সমতল ময়দানে। যাতে তুমি বক্রতা ও উচ্চতা দেখবে না।” (২০:১০৫-১০৭) আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ ‘আর যেদিন আমি পাহাড়কে চালিত করবো এবং ভূ-পৃষ্ঠ পরিষ্কার রূপে প্রকাশ হয়ে পড়বে।" (১৮:৪৭) মোটকথা, সম্পূর্ণ নতুন একটি যমীন হবে, যেই যমীনে কখনো কোন অন্যায়, খুনাখুনি এবং পাপাচার সংঘটিত হয়নি।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن بخوانید، گوش دهید، جستجو کنید و در قرآن فکر کنید

Quran.com یک پلتفرم قابل اعتماد است که میلیون‌ها نفر در سراسر جهان برای خواندن، جستجو، گوش دادن و تأمل در مورد قرآن به زبان‌های مختلف از آن استفاده می‌کنند. این پلتفرم ترجمه، تفسیر، تلاوت، ترجمه کلمه به کلمه و ابزارهایی برای مطالعه عمیق‌تر ارائه می‌دهد و قرآن را برای همه قابل دسترسی می‌کند.

به عنوان یک صدقه جاریه، Quran.com به کمک به مردم برای ارتباط عمیق با قرآن اختصاص دارد. Quran.com با حمایت Quran.Foundation ، یک سازمان غیرانتفاعی 501(c)(3)، به عنوان یک منبع رایگان و ارزشمند برای همه، به لطف خدا، به رشد خود ادامه می‌دهد.

پیمایش کنید
صفحه اصلی
رادیو قرآن
قاریان
درباره ما
توسعه دهندگان
به روز رسانی محصول
بازخورد
کمک
پروژه های ما
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
پروژه های غیرانتفاعی تحت مالکیت، مدیریت یا حمایت شده توسط Quran.Foundation
لینک های محبوب

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

نقشه سایتحریم خصوصیشرایط و ضوابط
© ۲۰۲۶ Quran.com. تمامی حقوق محفوظ است