وارد شوید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
🚀 به چالش رمضانی ما بپیوندید!
بیشتر بدانید
وارد شوید
وارد شوید
۲:۸۳
الذين اذا اكتالوا على الناس يستوفون ٢
ٱلَّذِينَ إِذَا ٱكْتَالُوا۟ عَلَى ٱلنَّاسِ يَسْتَوْفُونَ ٢
ٱلَّذِينَ
إِذَا
ٱكۡتَالُواْ
عَلَى
ٱلنَّاسِ
يَسۡتَوۡفُونَ
٢
کسانی‌که چون (برای خود) از مردم پیمانه می‌کنند، حق خود را کامل می‌گیرند.
تفاسیر
درس ها
بازتاب ها
پاسخ‌ها
قیراط
شما در حال خواندن تفسیری برای گروه آیات 83:1 تا 83:6

১-৬ নং আয়াতের তাফসীরসুনানে নাসাঈ ও সুনানে ইবনে মাজাহতে বর্ণিত আছে যে, হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ নবী করীম (সঃ) যে সময় মদীনায় আগমন করেন সে সময় মদীনাবাসীর মাপ জেকের ব্যাপারে খুবই নিকৃষ্ট ধরনের আচরণ করতো। এই আয়াতগুলো অবতীর্ণ হলে তারা মাপ জোক ঠিক করে নেয়।হযরত হিলাল ইবনে তালাক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা আমি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ)-কে বললামঃ মক্কা ও মদীনার অধিবাসীরা খুবই ভাল মাপ জোক করে থাকে। আমার এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ তা করবে না কেন? তুমি কি শুননি যে, আল্লাহ তা'আলা বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ মন্দ পরিণাম তাদের জন্যে যারা মাপে কম দেয়। (এটা ইমাম ইবনে আবী হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)(আরবি)-এর অর্থ হলো মাপে কম দেয়া। অর্থাৎ অন্যদের নিকট হতে নেয়ার সময় বেশী নেয়া, আর অন্যদেরকে দেয়ার সময় কম দেয়া। এ জন্যেই তাদেরকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে যে, তারা ক্ষঘিস্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত। তারা নিজেদের প্রাপ্য নেয়ার সময় পুরোপুরি নেয়, এমনকি বেশীও নেয়। অথচ অন্যদের প্রাপ্য দেয়ার সময় কম করে দেয়।সঠিক কথা এটাই যে, (আরবি) এবং (আরবি) এই ক্ৰিয়াদ্বয়কে (আরবি) মেনে নেয়া হবে, আর (আরবি) সর্বনামকে (আরবি) ধরা হবে, যদিও কেউ কেউ এটাকে (আরবি)মেনেছেন, যা (আরবি)-এর মধ্যে লুক্কায়িত সর্বনামের -এর জন্যে। আর (আরবি) কে উহ্য মেনেছেন, যার উপর (আরবি)-এর বিদ্যমান রয়েছে। দুই ভাবেই ভাবার্থ প্রায় একই হবে।মাপ ও ওজনকে ঠিক করার হুকুম কুরআন কারীমের নিম্নের আয়াতগুলোতেও রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “মেপে দিবার সময় পূর্ণ মাপে দিবে এবং ওজন করবে সঠিক দাঁড়িপাল্লায়, এটাই উত্তম এবং পরিণামে উৎকৃষ্ট।” (১৭:৩৫) আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “ন্যায্য মানের সাথে মাপ ও ওজনকে পূর্ণ করো, কাউকেও তার সাধ্যের অতিরিক্ত কষ্ট দেয়া হয় না।” (৬:১৫২) আরো বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “ওজনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠিত কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।”(৫৫:৯)হযরত শুআইব (আঃ)-এর কওমকে আল্লাহ্ তা'আলা এই মাপের কারণেই নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিলেন। এখানেও আল্লাহ্ তা'আলা ভয় প্রদর্শন করেছেন যে, জনগণের প্রাপ্য যারা নষ্ট করছে তারা কি কিয়ামতের দিনকে ভয় করে না, যেদিন সেই মহান সত্তার সামনে তাদের দাঁড়াতে হবে? যেই সত্তার কাছে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য কিছুই গোপন নেই? সেই দিন খুবই বিভীষিকাময়, আশংকাপূর্ণ, ভয়াবহ এবং উদ্বেগজনক দিন হবে। সেই দিন এসব ক্ষতিসাধনকারী লোক জাহান্নামের দাউ দাউ করে জ্বলা গণগণে আগুনে প্রবেশ করবে। সেই দিন সমস্ত মানুষ নগ্নপায়ে, নগ্নদেহে খান্না-বিহীন অবস্থায় আল্লাহর সামনে দাঁড়াবে। তারা যেখানে দাঁড়াবে সে জায়গা হবে সংকীর্ণ, অন্ধকারাচ্ছন্ন, নানা বিপদ-বিভীষিকাময় আপদে পরিপূর্ণ। সেখানে এমন সব বালা-মুসীবত নাযিল হবে যে, মন অতিশয় বিচলিত ও ভয়কাতর হয়ে পড়বে। হুশ-জ্ঞান সব লোপ পেয়ে যাবে।হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম (সাঃ) বলেছেনঃ “যেদিন সমস্ত মানুষ জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট দাঁড়াবে সেই দিন তাদের কেউ কেউ তার ঘামে তার কর্ণদ্বয়ের অর্ধেক পর্যন্ত ডুবে যাবে।” (এ হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ), ইমাম বুখারী (রঃ) এবং ইমাম মুসলিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত মিকদাদ ইবনে আসওয়াদ কিন্দী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ “কিয়ামতের দিন সূর্য বান্দাদের এতো নিকটে থাকবে যে, ওর দূরত্ব হবে এক মাইল বা দুই মাইল। ঐ সময় সূর্যের প্রচণ্ড তাপ হবে। প্রত্যেক লোক নিজ নিজ আমল অনুপাতে ঘামের মধ্যে ডুবে যাবে। কারো পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত কারো হাঁটু পর্যন্ত, কারো কোমর পর্যন্ত ঘাম পৌছবে, আবার কারো কারো ঘাম তার লাগামের মত হয়ে যাবে (অর্থাৎ ঘাম তার নাক পর্যন্ত পৌছে যাবে)।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন সূর্য এতো নিকটে আসবে যে, ওটা মাত্র এক মাইল উপরে থাকবে। ওর তাপ এতো তীব্র ও প্রচণ্ড হবে যে, ওর তাপে মাথার মগয টগবগ করে ফুটতে থাকবে যেমন চুল্লীর উপর রাখা হাঁড়ির পানি ফুটতে থাকে। মানুষকে তাদের ঘাম তাদের পাপ অনুপাতে ঢেকে ফেলবে। ঘাম কারো পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত পৌছবে, কারো পৌছবে পায়ের গিরা পর্যন্ত, কারো কোমর পর্যন্ত। আবার কারো ঘাম তার লাগাম হয়ে যাবে। (অর্থাৎ তার একেবারে নাক পর্যন্ত পৌছে যাবে। (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, নবী করীম (সঃ) নিজের মুখে আঙ্গুল রেখে বলেনঃ এভাবে ঘাম লাগামের মত ঘিরে থাকবে। তারপর তিনি হাত দ্বারা ঈশারা করে বলেনঃ “কেউ কেউ ঘামের মধ্যে সম্পূর্ণ ডুবে যাবে।” একটি হাদীসে আছে যে, তারা সত্তর বছর ধরে দাঁড়িয়ে থাকবে, তারা এর মধ্যে কোন কথা বলবে না।’ এ কথাও বলা হয়েছে যে, তারা তিন শ বছর দাঁড়িয়ে থাকবে। আবার এও বলা হয়েছে যে, তারা চল্লিশ হাজার বছর দাড়িয়ে থাকবে এবং দশ হাজার বছরে বিচার করা হবে।সহীহ মুসলিমে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে মারফুরূপে বর্ণিত আছে যে, এমন এক দিনে যা পার্থিব পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত বাশীর গিফারী (রাঃ) কে বলেনঃ “ সে দিন তুমি কি করবে যখন জগতসমূহের প্রতিপালকের সামনে তিনশ বছর দাঁড়িয়ে থাকতে হবে? আসমান থেকেও কোন খবর আসবে না এবং কোন হুকুমও করা হবে না?" একথা শুনে হযরত বাশীর (রাঃ) বলেনঃ আমি আল্লাহর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি।" তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “তাহলে শিখে নাও! যখন তুমি তোমার বিছানায় শয়ন করতে যাবে তখন কিয়ামতের দিনের দুঃখ কষ্ট এবং হিসাব নিকাশের ভয়াবহতা হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে।”(এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)সুনানে আবী দাউদে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) কিয়ামত দিবসের দাঁড়ানোর জায়গায় সংকীর্ণতা হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, চল্লিশ বছর পর্যন্ত মানুষ আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবে। কেউ কোন কথা বলবে না। পাপী পূণ্যবান সবাইকে ঘামের লাগাম ঘিরে রাখবে।হযরত ইবনে উমার (রাঃ) বলেন যে, তারা একশ বছর দাঁড়িয়ে থাকবে।সুনানে আবী দাউদে, সুনানে নাসাঈ এবং সুনানে ইবনে মাজায় হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন রাত্রে উঠে তাহাজ্জুদের নামায শুরু করতেন তখন দশবার আল্লাহু আকবার, দশবার আলহামদুলিল্লাহ, দশবার সুবহানাল্লাহ এবং দশবার আসতাগফিরুল্লাহ বলতেন। তারপর বলতেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে হিদায়াত দান করুন, আমাকে রিযিক দিন এবং আমাকে নিরাপদে রাখুন।" অতঃপর তিনি কিয়ামত দিবসের দাঁড়ানোর জায়গার সংকীর্ণতা হতে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن بخوانید، گوش دهید، جستجو کنید و در قرآن فکر کنید

Quran.com یک پلتفرم قابل اعتماد است که میلیون‌ها نفر در سراسر جهان برای خواندن، جستجو، گوش دادن و تأمل در مورد قرآن به زبان‌های مختلف از آن استفاده می‌کنند. این پلتفرم ترجمه، تفسیر، تلاوت، ترجمه کلمه به کلمه و ابزارهایی برای مطالعه عمیق‌تر ارائه می‌دهد و قرآن را برای همه قابل دسترسی می‌کند.

به عنوان یک صدقه جاریه، Quran.com به کمک به مردم برای ارتباط عمیق با قرآن اختصاص دارد. Quran.com با حمایت Quran.Foundation ، یک سازمان غیرانتفاعی 501(c)(3)، به عنوان یک منبع رایگان و ارزشمند برای همه، به لطف خدا، به رشد خود ادامه می‌دهد.

پیمایش کنید
صفحه اصلی
رادیو قرآن
قاریان
درباره ما
توسعه دهندگان
به روز رسانی محصول
بازخورد
کمک
پروژه های ما
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
پروژه های غیرانتفاعی تحت مالکیت، مدیریت یا حمایت شده توسط Quran.Foundation
لینک های محبوب

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

نقشه سایتحریم خصوصیشرایط و ضوابط
© ۲۰۲۶ Quran.com. تمامی حقوق محفوظ است