Se connecter
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
Se connecter
Se connecter
18:28
واصبر نفسك مع الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه ولا تعد عيناك عنهم تريد زينة الحياة الدنيا ولا تطع من اغفلنا قلبه عن ذكرنا واتبع هواه وكان امره فرطا ٢٨
وَٱصْبِرْ نَفْسَكَ مَعَ ٱلَّذِينَ يَدْعُونَ رَبَّهُم بِٱلْغَدَوٰةِ وَٱلْعَشِىِّ يُرِيدُونَ وَجْهَهُۥ ۖ وَلَا تَعْدُ عَيْنَاكَ عَنْهُمْ تُرِيدُ زِينَةَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ۖ وَلَا تُطِعْ مَنْ أَغْفَلْنَا قَلْبَهُۥ عَن ذِكْرِنَا وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ وَكَانَ أَمْرُهُۥ فُرُطًۭا ٢٨
وَٱصۡبِرۡ
نَفۡسَكَ
مَعَ
ٱلَّذِينَ
يَدۡعُونَ
رَبَّهُم
بِٱلۡغَدَوٰةِ
وَٱلۡعَشِيِّ
يُرِيدُونَ
وَجۡهَهُۥۖ
وَلَا
تَعۡدُ
عَيۡنَاكَ
عَنۡهُمۡ
تُرِيدُ
زِينَةَ
ٱلۡحَيَوٰةِ
ٱلدُّنۡيَاۖ
وَلَا
تُطِعۡ
مَنۡ
أَغۡفَلۡنَا
قَلۡبَهُۥ
عَن
ذِكۡرِنَا
وَٱتَّبَعَ
هَوَىٰهُ
وَكَانَ
أَمۡرُهُۥ
فُرُطٗا
٢٨
Fais preuve de patience [en restant] avec ceux qui invoquent leur Seigneur matin et soir, désirant Sa Face. Et que tes yeux ne se détachent point d’eux, en cherchant (le faux) brillant de la vie d'ici-bas. Et n’obéis pas à celui dont Nous avons rendu le cœur inattentif à Notre Rappel et qui poursuit sa passion et dont le comportement est outrancier.
Tafsirs
Leçons
Réflexions
Réponses
Qiraat
Vous lisez un tafsir pour le groupe d'Ayahs 18:27 à 18:28

২৭-২৮ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআলা স্বীয় রাসূলকে (সঃ) নিজের কালাম পাঠ ও ওর তাবলীগের কাজে নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দিচ্ছেন। তার কথাগুলি কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না, মুলতুবী রাখতে সক্ষম হবে না এবং এদিক ওদিক করার ক্ষমতা রাখবে না। তুমি জেনে নাও যে, তিনি ব্যতীত অন্য কারো কাছে তুমি আশ্রয় পাবে না। সুতরাং যদি তুমি তিলাওয়াত ও তাবলীগের কাজ ছেড়ে দাও, তবে তোমার রক্ষার কোন পথ নেই। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ “হে রাসূল (সঃ)! তোমার কাছে তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে যা কিছু অবতীর্ণ করা হয়েছে তুমি তা প্রচার করতে থাকো; যদি তুমি তা ন্য কর, তবে তাঁর রিসালাতের হক আদায় করলে না। আল্লাহ তোমাকে লোকদের অন্যায় থেকে রক্ষা করবেন। আর এক আয়াতে আছেঃঅর্থাৎ “যিনি তোমার জন্য কোরআনকে বিধান করেছেন। তিনি তোমাকে অবশ্যই স্বদেশে ফিরিয়ে আনবেন।” (২৮:৮৫) সুতরাং তুমি আল্লাহর যিকর, তাসবীহ, প্রশংস্য, শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা বর্ণনাকারীদের পার্শ্বে উঠা বসা করতে থাকো, যারা সকাল সন্ধ্যায় আল্লাহর যিকরে লেগে থাকে। তারা ফকীর হোক বা আমীরই হোক, ইতর হোক বা ভদ্রই হোক এবং সবল হোক বা, দুর্বলই হোক না কেন। কুরায়েশরা রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে আবেদন করেছিলঃ “আপনি ছোট লোকদের মজলিসে উঠা-বসা করবেন না, যেমন হযরত বিলাল (রাঃ), হযরত আম্মার (রাঃ), হযরত সুহাইব (রাঃ), হযরত খাব্বাব (রাঃ), হযরত ইবনু মাসউদ (রাঃ) প্রভৃতি ব্যক্তিবর্গ। বরং আপনি আমাদের মজলিসে উঠাবসা করবেন।” তখন আল্লাহ তাআলা স্বীয় রাসূলকে (সঃ) এই আবেদন প্রত্যাখ্যান করার নিদের্শ দেন। অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তুমি ঐ লোকদেরকে তোমার মজলিস হতে সরিয়ে দিয়ো না যারা সকাল সন্ধ্যায় আল্লাহর স্মরণে নিমগ্ন থাকে।” (৬:৫২)।সাহাবীগণ বলেনঃ “আমরা ছয়জন গরীব শ্রেণীর লোক রাসূলুল্লাহর (সঃ) মজলিসে বসে ছিলাম। যেমন হযরত সা'দ ইবনু আবি আক্কাস (রাঃ),হযরত ইবনু মাসউদ (রাঃ) এবং আর দু’টি লোক। এমন সময় সেখানে সম্রান্ত মুশরিকরা আগমন করে এবং বলেঃ “এসব লোককে এরূপ সাহসিকতার সাথে আপনার মজলিসে বসতে দিবেন না। এতে রাসূলুল্লাহর (সঃ) মনোভাব কি হয়েছিল তা আল্লাহ তাআলাই ভাল জানেন। তবে তৎক্ষণাৎ (আরবী) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।” (এ হাদীসটি সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে, একজন বক্তা বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) তথায় আগমন করেন, তখন তিনি নীরব হয়ে যান। এ দেখে রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বলেনঃ “তুমি বক্তৃতা চালিয়ে যাও। আমি ফজরের নামায পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত এই মজলিসেই বসে থাকলে তো আমার জন্যে এটাকে চারটি গোলাম আযাদ করার চাইতেও উত্তম মনে করি।”একটি রিওয়াইয়াতে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহর যিরে নিমগ্ন ব্যক্তিদের সাথে ফজরের নামায থেকে নিয়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে যাওয়া আমার কাছে সারা দুনিয়া হতেও বেশী প্রিয়। আর আসরের নামাযের পর থেকে নিয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আল্লাহর যিকর করা আমার নিকট অটিটি গোলাম আযাদ করা অপেক্ষাও বেশী প্রিয়। যদিও ঐ গোলাম গুলি হযরত ইসমাঈলের (আঃ) সন্তানদের চাইতেও বেশী মূল্যবান হয় এবং যদিও তাদের এক একজনের মুক্তিপণ বার হাজার হয়।” (এই রিওয়াইয়াতটি আবু দাউদ তায়ালেসী (রঃ) বর্ণনা করেছেন) তাহলে মোট মূল্য ছিয়ানব্বই হাজারে দাঁড়ায়। কেউ কেউ চারজন গোলামের কথা বলে থাকেন। কিন্তু হযরত আনাস (রাঃ) বলেন যে, আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ (সঃ) আট জন গোলামের কথাই বলেছেন।বর্ণিত আছে যে, একটি লোক সূরায়ে কাহফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় রাসূলুল্লাহ (সঃ) সেখানে এসে পড়েন। তাঁকে দেখে লোকটি পড়া বন্ধ করে দেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “এটাই ঐলোকদের মজলিস যেখানে অবস্থান করার নির্দেশ আমার প্রতিপালক আমাকে প্রদান করেছেন। (এটা মুসনাদে বাযারে বর্ণিত আছে)অন্য রিওয়াইয়াতে আছে যে, লোকটি সূরায়ে হজ্জ অথবা সূরায়ে কাহফ পাঠ করছিলেন।মুসনাদে আহমাদে রয়েছে যে, যিরুল্লাহর জন্যে যে মজলিস অনুষ্ঠিত হয় এবং ঐ মজলিসে উপস্থিত লোকদের নিয়ত ভাল হয়, তবে আকাশ থেকে ঘোষণাকারী ঘোষণা করেনঃ “ওঠো, আল্লাহ তাআলা তোমাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং তোমাদের মন্দ কাজ ভাল কাজে পরিবর্তিত হয়েছে।” ইমাম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন যে, যখন (আরবী) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়, তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় ঘরে অবস্থান করছিলেন। তৎক্ষণাৎ তিনি এইরূপ লোকদের সন্ধানে বেরিয়ে পড়েন। এমন কতকগুলি লোককে তিনি যিরুল্লাহতে নিমগ্ন দেখতে পেলেন যাদের চুল ছিল এলোমেলো এবং দেহের চামড়া ছিল শুষ্ক। বহু কষ্টে তারা এক একটি কাপড় সংগ্রহ করেছিল। তখনই তিনি ঐ মজলিসে বসে পড়েন এবং বলতে থাকেনঃ “আমি মহান আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞ যে, তিনি আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোক রেখেছেন যাদের মজলিসে বসার আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।”এরপর আল্লাহ তাআলা স্বীয় নবীকে (সঃ) উপদেশ দিচ্ছেনঃ “তুমি তাদের দিক থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ো না। আল্লাহর যিকরকারীদেরকে ছেড়ে দিয়ে ঐ সম্পদশালীদের খোজে লেগে থেকো না। যারা দ্বীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং যারা আল্লাহ তাআলার ইবাদত হতে দূরে সরে রয়েছে, যাদের পাপকার্য বেড়ে চলেছে এবং যাদের আমলগুলি নির্বুদ্ধিতাপূর্ণ। তুমি তাদের অনুসরণ করো না, তাদের রীতিনীতি পছন্দ করো না এবং তাদের সম্পদের প্রতি হিংসাপূর্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করো না আর তাদের সুখ সম্ভোগের প্রতি লালসাপূর্ণ দেখে না; যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি যে তাদেরকে পার্থিব সুখ শান্তি দিয়ে রেখেছি,এটা শুধু তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্যে; সুতরাং তুমি লালসাপূর্ণ দৃষ্টিতে তাদের দিকে দেখো না, প্রকৃতপক্ষে তোমার প্রতিপালকের কাছে যে জীবনোপকরণ রয়েছে। তা অতি উত্তম ও চিরস্থায়ী।” (২০:১৩১)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lire, Écouter, Rechercher et Méditer sur le Coran

Quran.com est une plateforme fiable utilisée par des millions de personnes dans le monde pour lire, rechercher, écouter et méditer sur le Coran en plusieurs langues. Elle propose des traductions, des tafsirs, des récitations, des traductions mot à mot et des outils pour une étude plus approfondie, rendant le Coran accessible à tous.

En tant que Sadaqah Jariyah, Quran.com se consacre à aider les gens à se connecter profondément au Coran. Soutenu par Quran.Foundation , une organisation à but non lucratif 501(c)(3), Quran.com continue de se développer en tant que ressource gratuite et précieuse pour tous, Alhamdulillah.

Naviguer
Accueil
Quran Radio
Récitateurs
À propos de nous
Développeurs
Mises à jour du produit
Avis
Aider
Nos projets
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projets à but non lucratif détenus, gérés ou sponsorisés par Quran.Foundation
Liens populaires

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Plan du site (sitemap)ConfidentialitéTermes et conditions
© 2026 Quran.com. Tous droits réservés