Se connecter
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
Se connecter
Se connecter
1:5
اياك نعبد واياك نستعين ٥
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ٥
إِيَّاكَ
نَعۡبُدُ
وَإِيَّاكَ
نَسۡتَعِينُ
٥
C’est Toi [Seul] que nous adorons, et c’est Toi [Seul] dont nous implorons secours.
Tafsirs
Leçons
Réflexions
Réponses
Qiraat
Ayaat apparentées

আলোচ্য শব্দটি জমহুর (আরবি) পড়েছেন। কেউ কেউ (আরবি). পড়েছেন এবং (আরবি) দ্বারাও একটা পঠনের কথা বর্ণিত আছে। যারা বলেন যে, বনী উজরাহ্ ও বনী কালবের পঠন এটাই। যেহেতু বান্দা প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করেছে এবং তার গুণাবলী বর্ণনা করেছে, সেহেতু এখন তার কর্তব্য হবে স্বীয় প্রয়োজন পূরণের জন্যে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা। যেমন পূর্বেই হাদীস বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ পাক বলেনঃ ‘অর্ধেক অংশ আমার ও অর্ধেক অংশ আমার বান্দর এবং আমার বান্দার জন্যে তাই রয়েছে যা সে চাইবে। একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে, (আরবি)-এর মধ্যে কি পরিমাণ সূক্ষ্মতা ও প্রকৃষ্টতা রয়েছে। প্রথমে বিশ্ব প্রভুর যথোপযুক্ত প্রশংসা ও গুণকীর্তন, অতঃপর নিজের ও মুসলিম ভাইদের প্রয়োজন পূরণের জন্য আকুল প্রার্থনা। প্রার্থিত বস্তু লাভের এটাই উৎকৃষ্ট পন্থা। এ উত্তম পন্থা নিজে পছন্দ করেই মহান আল্লাহ এ পন্থা স্বীয় বান্দাদের বাতলিয়ে দিলেন। কখনও কখনও প্রার্থনার সময় প্রার্থী স্বীয় অবস্থা ও প্রয়োজন প্রকাশ করে থাকে। যেমন হযরত মূসা (আঃ) বলেছিলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ হে আমার প্রভু! যে কোন মঙ্গলই আপনি আমার নিকট পাঠান, আমি তার প্রত্যাশী ও মুখাপেক্ষী।' (২৮:২৪) হযরত ইউনুস (আঃ) দু'আর সময় বলেছিলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ আপনি ছাড়া আর কেউ উপাস্য নেই, আমি সর্বান্তঃকরণে আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি এবং নিশ্চয় আমি অত্যাচারীগণের অন্তর্ভুক্ত হয়েছি।' (২১:৮৭) কোন কোন প্রার্থনায় প্রার্থী শুধুমাত্র প্রশংসা ও শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেই নীরব থাকে। যেমন কবির কথাঃ (আরবি)অর্থাৎ আমার প্রয়োজনের বর্ণনা দেয়ার তেমন কোন দরকার নেই, তোমার দয়াপূর্ণ দানই আমার জন্যে যথেষ্ট। আমি জানি যে, দান ও সুবিচার তোমার পবিত্র ও চিরাচরিত অভ্যাসের অন্তর্ভুক্ত। শুধু তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করে দেয়া, তোমার প্রশংসা ও গুণকীর্তন করাই আমার প্রয়োজন পূরণের জন্যে যথেষ্ট।এখানে হিদায়াতের অর্থ ইরশাদ ও তাওফীক অর্থাৎ সুপথ প্রদর্শন ও সক্ষমতা প্রদান। কখনও এই ‘হিদায়াত' শব্দটি নিজেই (আরবি) বা সকর্মক ক্রিয়া হয়ে থাকে, যেমন এখানে হয়েছে। তাহলে (আরবি) এ সবেরই অর্থ হবে আমাদেরকে প্রদান করুন। অন্যত্র রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ আমি তাদেরকে ভাল ও মন্দ এ দুটি পথ দেখিয়েছি।' (৯০:১০) কখনও ‘হিদায়াত’ শব্দটি (আরবি) এর সঙ্গে (আরবি)বা সকর্মক ক্রিয়া হয়ে থাকে। যেমন বলেছেনঃ (আরবি) (১৬:১২১) এবং অন্য জায়গায় বলেছেন (আরবি) (৩৭:২৩) এখানে হিদায়াতের অর্থ পথ প্রদর্শন ও রাস্তা বাতলান। এইরূপ ঘোষণা রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “তুমি অবশ্যই সরল পথ প্রদর্শন করেছে।' (৪২:৫২) আবার কখনও (আরবি) শব্দটি (আরবি) এর সঙ্গে (আরবি) হয়ে থাকে। যেমন জ্বিন বা দানবের কথা কুরআন মাজীদের মধ্যে রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ সেই আল্লাহর সমুদয় প্রশংসা যিনি আমাদেরকে এর জন্যে পথ দেখিয়েছেন।' (৭:৪৩) (অর্থাৎ অনুগ্রহ পূর্বক সৎপথে পরিচালিত হওয়ার তাওফীক দান করেছেন) (আরবি) এর কয়েকটি অর্থ আছে। ইমাম আবু জাফর ইবনে জারীর বলেন যে, এর অর্থ হচ্ছে সুস্পষ্ট, সরল ও পরিষ্কার রাস্তা যার কোন জায়গা বা কোন অংশই বাঁকা নয়। এ প্রসঙ্গে কবি জারীর বিন ' আতিয়া আল-খাতফী বলেনঃ (আরবি)রূপক অর্থে (আরবি) এর ব্যবহার আরবীয়দের কাছে কথা এবং কাজের উপরও হয়ে থাকে। আবার (আরবি) এর বিশেষণ কখনও সোজা হয় এবং কখনও বাকা হয়। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মুফাসসিরগণ হতে এর বহু তাফসীর নকল করা হয়েছে এবং ওগুলোর সারাংশ প্রায় একই, আর তা হচ্ছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য। একটি মারফু হাদীসে আছে যে, (আরবি) হচ্ছে আল্লাহর কিতাব। (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম) ইবনে জারীরও (রঃ) এরূপই বর্ণনা করেছেন। কুরআন কারীমের ফযীলত সম্পর্কীয় হাদীসে ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহর কিতাব এই কুরআন পাক হচ্ছে শক্ত রশি বা রঞ্জু, জ্ঞানপূর্ণ উপদেশ এবং সরল পথ বা সিরাতুম মুসতাকীম। (মুসনাদ-ই-আহমাদ ও জামে তিরমিযী) হযরত আলীরও (রাঃ) এটাই অভিমত। আল্লাহই এ ব্যাপারে সবচেয়ে ভাল জানেন। হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে এটাই বর্ণিত আছে। হযরত ইবনে আব্বাসের (রাঃ) উক্তি রয়েছে যে, হযরত জিবরাঈল (আঃ) বলেছিলেনঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ)! (আরবি) বলুন। অর্থাৎ আমাদেরকে হিদায়াত বিশিষ্ট পথের ইলহাম করুন এবং তা হলো আল্লাহর দ্বীন, যার মধ্যে কোন বক্রতা নেই। তার নিকট থেকে এ কথাও বর্ণিত আছে যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে ইসলাম। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ), হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) এবং আরও বহু সাহাবী (রাঃ) হতেও এ তাফসীরই নকল করা হয়েছে। হযরত জাবির (রাঃ) বলেন (আরবি) এর ভাবার্থ হচ্ছে ইসলাম যা আকাশ, পৃথিবী ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সমুদয় বস্তু হতে প্রশস্ততম। ইবনে হানাফিয়্যাহ (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে আল্লাহর সেই দ্বীন যা ছাড়া অন্য দ্বীন গ্রহণীয় নয়। আবদুর রহমান বিন যায়েদ বিন আসলামের (রঃ) উক্তি এই যে, (আরবি) হচ্ছে ইসলাম। মুসনাদ-ই-আহমদের একটি হাদীসে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা (আরবি) এর একটা দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন। (তা এই যে,) সীরাতে মুসতাকীমের দুই দিকে দুইটি প্রাচীর রয়েছে। তাতে কয়েকটি খোলা দরজা আছে। দরজাগুলির উপর পর্দা লটকানো রয়েছে। সীরাতে মুসতাকীমের প্রবেশ দ্বারে সব সময়ের জন্যে একজন আহবানকারী নিযুক্ত রয়েছে। সে বলছে- হে জনমণ্ডলী! তোমরা সবাই এই সোজা পথ ধরে চলে যাও, আঁকা বাঁকা পথে যেওনা। ঐ রাস্তার উপরে একজন আহ্বানকারী রয়েছে। যে কেউ এ দরজাগুলির কোন একটি খুলতে চাচ্ছে সে বলছে-সাবধান, তা খোল , যদি খোল, তবে সোজা পথ থেকে সরে পড়বে। সীরাতে মুসতাকীম হচ্ছে ইসলাম, প্রাচীরগুলো আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ, প্রবেশ দ্বারে আহ্বানকারী হচ্ছে কুরআন কারীম এবং রাস্তার উপরের আহ্বানকারী হচ্ছে আল্লাহর ভয় যা প্রত্যেক ঈমানদারের অন্তরে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে উপদেষ্টা রূপে অবস্থান করে থাকে। এ হাদীসটি মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম, তাফসীর-ইইবনে জারীর, জামে তিরমিযী এবং সুনান-ই-নাসাঈর মধ্যেও রয়েছে এবং এর ইসনাদ হাসান সহীহ। আল্লাহই এ ব্যাপারে সবচাইতে ভাল জানেন। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে ‘হক বা সত্য'। তাঁর এ কথাটিই সবচাইতে ব্যাপক এবং এসব কথার মধ্যে পারস্পরিক কোন বিরোধ নেই।হযরত আবুল আলিয়া (রঃ) বলেন যে, এর অর্থ হচ্ছে নবী (সঃ) ও তাঁর পরবর্তী দু’জন খলীফা (রাঃ)। আবুল আলিয়া (রঃ) এ কথাটির সত্যতা ও উৎকৃষ্টতা অপকটে স্বীকার করেন। প্রকৃতপক্ষে এ সব মত সঠিক এবং একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ। নবী করীম (সঃ) এবং তাঁর দু'জন খলীফা হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) ও হযরত উমার ফারূকের (রাঃ) অনুসারীগণ ন্যায় ও সত্যের অনুসারী, যারা ইসলামের অনুসারী তারা পবিত্র কুরআনকে মান্যকারী এবং কুরআন আল্লাহর কিতাব, তাঁর সুদৃঢ় রঞ্জু এবং তার সোজা পথ। অতঃপর সীরাতে মুসতাকীমের তাফসীরের ব্যাপারে এ সমুদয় উক্তিই সঠিক এবং একে অপরের সত্যতা সমর্থনকারী। অতএব সমুদয় প্রশংসা একমাত্র আল্লাহরই জন্যে। হযরত আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ সীরাতে মুসতাকীম সেই পুণ্য সনাতন পথ যার উপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাদেরকে ছেড়ে গিয়েছেন। ইমাম আবু জাফর ইবনে জারীরের (রঃ) ফায়সালা হচ্ছে এইঃ ‘আমার নিকট এ আয়াতের সর্বোত্তম তাফসীর এই যে, আমাদেরকে যেন এমন কাজের তাওফীক দেয়া হয় যা আল্লাহ তা'আলার ইঙ্গিত কাজ এবং যার উপর চললে আল্লাহ তাঁর বান্দার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান এবং তাকে পুরস্কৃত করেন। এটাই সীরাতে মুসতাকীম। কেননা, তাকে এমন দানে ভূষিত করা হবে যে দান দ্বারা আল্লাহর মনোনীত বান্দাদেরকে ভূষিত করা হয়েছিল। যাঁরা নবী, সিদ্দীক, শহীদ এবং সৎ প্রকৃতির লোক ছিলেন। যারা ইসলাম ও রাসূলগণের (আঃ) সত্যতা সর্বোতভাবে স্বীকার করেছিলেন এবং কুরআনকে হাতে দাঁতে দৃঢ়ভাবে ধারণ করেছিলেন, যারা আল্লাহর নির্দেশাবলী নতশিরে মেনে চলে ছিলেন ও আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়াবলী হতে বিরত রয়েছিলেন। আর নবী করীম (সঃ), তাঁর চার খলীফা (রাঃ) ও সমস্ত সৎ বান্দার পথে চলবার তাওফীক দেয়া, এটাই হচ্ছে সীরাতে মুসতাকীম।”যদি প্রশ্ন করা হয় যে, মুমিনের তো পূর্বেই আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়াত লাভ হয়ে গেছে, সুতরাং নামাযে বা বাইরে হিদায়াত চাওয়ার আর প্রয়োজন কি? তবে সেই প্রশ্নের উত্তর এই যে, এতে উদ্দেশ্য হচ্ছে হিদায়াতের উপর সদা প্রতিষ্ঠিত থাকার তাওফীক চাওয়া। কেননা, বান্দা প্রতিটি মুহূর্তে ও সর্বাবস্থায় প্রতিনিয়তই আল্লাহ তা'আলার আশাধারী ও মুখাপেক্ষী। সে নিজে স্বীয় জীবনের লাভ ক্ষতির মালিক নয়। বরং নিশিদিন সে আল্লাহরই প্রত্যাশী ও মুখাপেক্ষী। এ জন্যেই আল্লাহ পাক তাকে শিখিয়েছেন যে, সে যেন সর্বদা হিদায়াত প্রার্থনা করে এবং তার উপর সদা প্রতিষ্ঠিত থাকার তাওফীক চাইতে থাকে। ভাগ্যবান সেই ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তাঁর দরজায় ভিক্ষুক করে নিয়েছেন। সে আল্লাহকে ডাকলে আল্লাহ তার ডাকে সাড়া দিয়ে তার আকুল প্রার্থনা মঞ্জুর করার গুরু দায়িত্ব স্কন্ধে নিয়েছেন। বিশেষ করে দরিদ্র, অসহায় ও মুহতাজ ব্যক্তি যখন দিনরাত আল্লাহকে ডাকতে থাকে এবং প্রয়োজন পূরণের প্রার্থনা জানায়, আল্লাহ তখন তার সেই আকুল প্রার্থনা কবুলের জিম্মাদার হয়ে যান। আল্লাহ পাক কুরআন মাজীদে বলেছেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর উপর, তাঁর রাসূলের উপর, সেই কিতাবের উপর যা তিনি তাঁর রাসূলের উপর অবতীর্ণ করেছেন এবং ঐ সমুদয় কিতাবের উপর যা ইতিপূর্বে অবতীর্ণ করেছেন, এ সব কিছুর উপর তোমরা বিশ্বাস স্থাপন কর।' (৪:১৩৬) এ আয়াতে ঈমানদারগণকে ঈমান আনয়নের নির্দেশ দেয়া এমনই, যেমন হিদায়াত প্রাপ্তগণকে হিদায়াত চাওয়ার নির্দেশ দেয়া। এই দুই স্থানেই উদ্দেশ্য হচ্ছে তার উপরে অটল, অনড় ও দ্বিধাহীনচিত্তে স্থির থাকা। আর এমন কার্যাবলী সদা সম্পাদন করা যা উদ্দেশ্য লাভে সহায়তা করে। এর উপর এ প্রতিবাদ উঠতে পারে না যে, এ তো হলো ‘তাহসীলে হাসিল অর্থাৎ প্রাপ্ত জিনিসের পুনঃ প্রাপ্তি। আল্লাহ এ সম্পর্কে সবচেয়ে ভাল জানেন। দেখুন মহান আল্লাহ তাঁর ঈমানদার বান্দাগণকে নিম্নের এ প্রার্থনা করারও নির্দেশ দিচ্ছেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে সুপথ প্রদর্শনের পর। আমাদের অন্তরসমূহ বাঁকা করবেন না এবং আমাদেরকে আপনার নিকট হতে করুণা প্রদান করুন, নিশ্চয় আপনি মহান দাতা।' (৩:৮)এটাও বর্ণিত আছে যে, হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) মাগরিবের তৃতীয় রাকআতে সূরা-ই ফাতিহার পরে এ আয়াতটি নিম্ন স্বরে পড়তেন। সুতরাং (আরবি) এর অর্থ দাঁড়ালোঃ “হে আল্লাহ! আমাদেরকে সরল ও সোজা পথের উপর অটল ও স্থির রাখুন। এবং তা হতে আমাদেরকে দূরে অপসারিত করে ফেলবেন না।”

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lire, Écouter, Rechercher et Méditer sur le Coran

Quran.com est une plateforme fiable utilisée par des millions de personnes dans le monde pour lire, rechercher, écouter et méditer sur le Coran en plusieurs langues. Elle propose des traductions, des tafsirs, des récitations, des traductions mot à mot et des outils pour une étude plus approfondie, rendant le Coran accessible à tous.

En tant que Sadaqah Jariyah, Quran.com se consacre à aider les gens à se connecter profondément au Coran. Soutenu par Quran.Foundation , une organisation à but non lucratif 501(c)(3), Quran.com continue de se développer en tant que ressource gratuite et précieuse pour tous, Alhamdulillah.

Naviguer
Accueil
Quran Radio
Récitateurs
À propos de nous
Développeurs
Mises à jour du produit
Avis
Aider
Nos projets
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projets à but non lucratif détenus, gérés ou sponsorisés par Quran.Foundation
Liens populaires

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Plan du site (sitemap)ConfidentialitéTermes et conditions
© 2026 Quran.com. Tous droits réservés