Se connecter
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
Se connecter
Se connecter
2:192
فان انتهوا فان الله غفور رحيم ١٩٢
فَإِنِ ٱنتَهَوْا۟ فَإِنَّ ٱللَّهَ غَفُورٌۭ رَّحِيمٌۭ ١٩٢
فَإِنِ
ٱنتَهَوۡاْ
فَإِنَّ
ٱللَّهَ
غَفُورٞ
رَّحِيمٞ
١٩٢
S’ils cessent, Allah est, certes, Pardonneur et Miséricordieux.
Tafsirs
Leçons
Réflexions
Réponses
Qiraat
Vous lisez un tafsir pour le groupe d'Ayahs 2:190 à 2:193

১৯০-১৯৩ নং আয়াতের তাফসীরহযরত আবুল আলিয়া (রঃ) বলেন যে, মদীনা শরীফে জিহাদের হুকুম এটাই প্রথম অবতীর্ণ হয়। এই আয়াতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রাসূলুল্লাহ (সঃ) শুধুমাত্র ঐ লোকদের সাথে যুদ্ধ করতেন যারা তার সাথে যুদ্ধ করতো। যারা তার সাথে যুদ্ধ করতে না তিনিও তাদের সাথে যুদ্ধ করতেন না। অবশেষে সূরা-ই-বারাআত অবতীর্ণ হয়। আবদুর রহমান বিন যায়েদ আসলাম (রঃ) একথা পর্যন্ত বলেন যে, এই আয়াতটি রহিত। এটাকে রহিত করার আয়াত হচ্ছে।(আরবি) (৯:৫) এই আয়াতটি। অর্থাৎ ‘মুশরিকদেরকে যেখানেই পাও হত্যা কর।' কিন্তু এটা বিবেচ্য বিষয়। কেননা এটা তো শুধু মুসলমানদেরকে উৎসাহিত করা এবং তাদেরকে উত্তেজিত করা যে, তারা তাদের শত্রুদের সাথে জিহাদ করছে না কেন যারা তাদের ও তাদের ধর্মের প্রকাশ্য শত্রু: ঐ মুশরিকরা যেমন মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করছে তেমনই মুসলমানদেরও উচিত তাদের সাথে যুদ্ধ করা। যেমন অন্য স্থানে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ(আরবি) অর্থাৎ “তোমরা সমবেতভাবে মুশরিকদের সাথে সংগ্রাম কর যেমন তোমাদের সাথে তারা সমবেত ভাবে যুদ্ধ করে।' (৯:৩৬) এখানেও বলা হয়েছে তাদেরকে যেখানেই পাও হত্যা কর এবং তাদেরকে সেখান হতে বের করে দাও যেখান হতে তারা তোমাদেরকে বের করে দিয়েছে। ভাবার্থ এই যে, হে মুসলমানগণ! তাদের উদ্দেশ্য যেমন তোমাদেরকে হত্যা করা ও নির্বাসন দেয়া তেমনই এর প্রতিশোধ হিসেবে তোমাদেরও এরূপ উদ্দেশ্য থাকা উচিত। অতঃপর বলা হচ্ছে যে, সীমা অতিক্রমকারীদেরকে আল্লাহ তাআলা ভালবাসেন না। অর্থাৎ হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তা'আলার বিরুদ্ধাচরণ করো না। নাক, কান ইত্যাদি কেটো না, বিশ্বাসঘাতকতা ও চুরি করো না এবং শিশুদেরকে হত্যা করো না। ঐ বুড়োদেরকেও হত্যা করো না যাদের যুদ্ধ করার যোগ্যতা নেই এবং যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে না। সংসার ত্যাগীদেরকেও হত্যা করো না। বিনা কারণে তাদের বৃক্ষাদি কেটে ফেলোনা এবং তাদের জীব-জন্তুগুলো ধ্বংস করো না। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ), হযরত উমার বিন আবদুল আযীয (রঃ), হযরত মুকাতিল বিন হিব্বান (রাঃ) প্রভৃতি মনীষীগণ এই আয়াতের তাফসীরে একথাই বলেছেন। সহীহ মুসলিম শরীফের মধ্যে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) মুসলিম সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেনঃ ‘আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে, বিশ্বাসঘাতকতা করবে না, চুক্তি ভঙ্গ হতে বিরত থাকবে, নাক কান ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে নেবে না, শিশুদেরকে ও সংসার বিরাগীদেরকে হত্যা করবে না যারা উপাসনা গৃহে পড়ে থাকে।মুসনাদ-ই-আহমাদে একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলতেনঃ আল্লাহ তা'আলার নামে বেরিয়ে যাও, বাড়াবাড়ি করো না, প্রতারণা করো না শত্রুদের দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো কেটো না, দরবেশদেরকে হত্যা করো না।' সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের মধ্যে রয়েছে যে,একবার এক যুদ্ধে একটি স্ত্রী লোককে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এটাকে অত্যন্ত খারাপ মনে করেন এবং স্ত্রী লোক ও শিশুদেরকে হত্যা করতে নিষেধ করে দেন। মুসনাদ-ই আহমাদের মধ্যে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এক, দুই, তিন, পাঁচ, সাত, নয় এবং এগারোটি দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেন। একটি প্রকাশ করেন এবং অন্যগুলো ছেড়ে দেন। তিনি বলেনঃ কতকগুলো লোক দুর্বল ও দরিদ্র ছিল। শক্তিশালী ও ধনবান শক্ররা তাদের উপর আক্রমণ চালায়। আল্লাহ তা'আলা ঐ দুর্বলদেরকে সাহায্য করেন এবং তাদেরকে ঐ শক্তিশালীদের উপর জয়যুক্ত করেন। এখন এই লোকগুলো তাদের উপর অত্যাচারও বাড়াবাড়ি শুরু করে দেয়। ফলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা তাদের উপর রাগান্বিত হবেন। এই হাদীসটির ইসনাদ বিশুদ্ধ। ভাবার্থ এই যে, এই দুর্বল সম্প্রদায় যখন বিজয়ী হয়ে যায় তখন তারা আল্লাহ তাআলার নির্দেশকে গ্রাহ্য না করে অত্যাচার ও বাড়াবাড়ি আরম্ভ করে দেয়। তাই আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে যান। এই সম্বন্ধে বহু হাদীস রয়েছে। এর দ্বারা পরিষ্কার ভাবে প্রকাশ পেলো যে, আল্লাহ তা'আলা অত্যাচার ও সীমা অতিক্রমকে ভালবাসেন না এবং এই প্রকার লোকের প্রতি তিনি অসন্তুষ্ট হন। যেহেতু জিহাদের নির্দেশাবলীর মধ্যে বাহ্যত হত্যা ও রক্তারক্তি রয়েছে, এজন্যেই তিনি বলেন যে, এদিকে যদি খুনাখুনি ও কাটাকাটি থাকে তবে ঐদিকে রয়েছে শিরক ও কুফর এবং সেই মালিকের পথ থেকে তাঁর সৃষ্ঠজীবকে বিরত রাখা এবং এটা হচ্ছে সরাসরি অশান্তি সৃষ্টি করা, আর হত্যা অপেক্ষা অশান্তি সৃষ্টিই হচ্ছে বেশী গুরুতর। আৰূ মালিক (রঃ) বলেন-“তোমাদের এইসব পাপ কর্ম হত্যা অপেক্ষাও বেশী বিশ্রী।'অতঃপর বলা হচ্ছেঃ “আল্লাহ তাআলার ঘরের মধ্যে তাদের সাথে যুদ্ধ করো যেমন সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ‘এটা মর্যাদা সম্পন্ন শহর। আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত এটা সম্মানিত শহর হিসেবেই গণ্য হয়ে থাকবে। শুধু সামান্য সময়ের জন্যে ওটাকে আল্লাহ তা'আলা আমার জন্যে হালাল করেছিলেন। কিন্তু এটা আজ এসময়েও মহা সম্মানিতই রয়েছে। আর কিয়ামত পর্যন্ত এর এই সম্মান অবশিষ্ট থাকবে। এর বৃক্ষরাজি কাটা হবে না, এর কাঁটাসমূহ উপড়িয়ে ফেলা হবে না। যদি কোন ব্যক্তি এর মধ্যে যুদ্ধকে বৈধ বলে এবং আমার যুদ্ধকে প্রমাণ রূপে গ্রহণ করে তবে তাকে বলে দেবে যে, আল্লাহ তা'আলা শুধুমাত্র তাঁর রাসূলের (সঃ) জন্যে অনুমতি দিয়েছিলেন, কিন্তু তোমাদের জন্যে কোন অনুমতি নেই। তাঁর এই নির্দেশের ভাবার্থ হচ্ছে মক্কা বিজয়ের দিন। কতকগুলো আলেম কিন্তু একথাও বলেন যে, মক্কা বিজয় সন্ধির মাধ্যমে হয়েছিল।রাসূলুল্লাহ (সঃ) পরিষ্কারভাবে ঘোষণা করেছিলেন যে, যে ব্যক্তি তার দরজা বন্ধ করে দেবে সে নিরাপদ, যে মসজিদে চলে যাবে সেও নিরাপদ, যে আবু সুফইয়ানের গৃহে চলে যাবে সেও নিরাপদ। এর পরে আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, তারা যদি এখানে (বায়তুল্লাহ শরীফে) তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, তবে তোমাদেরকেও অনুমতি দেয়া হচ্ছে যে, তোমরাও তাদের সাথে যুদ্ধ কর, যাতে এ অত্যাচার দূর হতে পারে। সুতরাং রাসূলুল্লাহ (সঃ), হুদায়বিয়ায় স্বীয় সাহাবীগণের (রাঃ) নিকট যুদ্ধের বায়'আত গ্রহণ করেন, যখন কুরাইশরা এবং তাদের সঙ্গীরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের উপর আক্রমণের ষড়যন্ত্র করেছিল এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) একটি বৃক্ষের নীচে সাহাবীগণের (রাঃ) নিকট বায়'আত নিয়েছিলেন। অতঃপর মহান আল্লাহ এই যুদ্ধ প্রতিহত করেন। এই নিয়ামতের বর্ণনা আল্লাহ তা'আলা নিম্নের এই আয়াতে দিয়েছেন।(আরবি)অর্থাৎ তিনিই আল্লাহ যিনি মক্কার অভ্যন্তরে তোমাদেরকে তাদের উপর জয়যুক্ত করার পরে তাদের হাতগুলোকে তোমাদের হতে এবং তোমাদের হাতগুলোকে তাদের হতে বিরত রাখেন।' (৪৮:২৪)অতঃপর বলা হচ্ছে যে, যদি এই কাফেররা বায়তুল্লাহ শরীফে যুদ্ধ করা হতে বিরত থাকে এবং ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় তবে আল্লাহ তা'আলা তাদের পাপ ক্ষমা করে দেবেন। যদিও তারা মুসলমানদেরকে হারাম শরীফে হত্যা করেছে তবুও আল্লাহ তা'আলা এত বড় পাপকেও ক্ষমা করে দেবেন। যেহেতু তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তার পরে নির্দেশ হচ্ছে-ঐ মুশরিকদের সাথে জিহাদ চালু রাখতে। যাতে এই শিরকের অশান্তি দূরীভূত হয় এবং আল্লাহ তা'আলার দ্বীন জয়যুক্ত হয়ে উচ্চ মর্যাদায় সমাসীন হয় ও সমস্ত ধর্মের উপর প্রভুত্ব লাভ করে। যেমন সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে রয়েছ, হযরত আবু মূসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) জিজ্ঞাসিত হন যে, এক ব্যক্তি বীরত্ব দেখাবার জন্যে যুদ্ধ করে, এক ব্যক্তি গোত্রীয় মর্যাদা রক্ষার জন্যে ও জেদের বশবর্তী হয়ে যুদ্ধ করে এবং এক ব্যক্তি শুধু মানুষকে দেখাবার জন্যে জিহাদ করে, তবে এদের মধ্যে আল্লাহর পথে জিহাদকারী কে: তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “আল্লাহ তা'আলার পথে জিহাদকারী শুধু ঐ ব্যক্তি যে এই জন্যেই যুদ্ধ করে যে,যেন তার কথা সুউচ্চ হয়।সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে অন্য একটি হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, আমি যেন মানুষের সাথে যুদ্ধ করতে থাকি যে পর্যন্ত না তারা (আরবি) বলে। যখন তারা এটা বলবে তখন তারা ইসলামের হক ছাড়া তাদের রক্ত ও সম্পদ আমা হতে বাঁচিয়ে নেবে এবং তাদের (ভিতরের) হিসাব আল্লাহর দায়িত্বে রয়েছে। এর পরে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ যদি এই কাফিরেরা শিরক ও কুফর হতে এবং তোমাদেরকে হত্যা করা হতে বিরত থাকে তবে তোমরা তাদের থেকে বিরত থাক। এর পর যে যুদ্ধ করবে সে অত্যাচারী হবে এবং অত্যাচারীদেরকে অত্যাচারের প্রতিদান দেয়া অবশ্য কর্তব্য। হযরত মুজাহিদের (রঃ) যে যুদ্ধ করে শুধু তার সাথেই যুদ্ধ করতে হবে’-এই উক্তির ভাবার্থ এটাই। কিংবা ভাবার্থ এও হতে পারে যে,যদি তারা এসব কাজ হতে বিরত থাকে তবে তো তারা যুলুম ও শিরুক থেকে বিরত থাকলো। সুতরাং তাদের সাথে যুদ্ধ করার আর কোন কারণ নেই। এখানে (আরবি) শব্দটি শক্তি প্রয়োগের অর্থে এসেছে। তবে এটা শক্তি প্রয়োগের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শক্তি প্রয়োগ। প্রকৃতপক্ষে এটা শক্তি প্রয়োগ নয়। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ (আরবি)অর্থাৎ যারা তোমাদের সঙ্গে বাড়াবাড়ি করে তবে তোমরাও তাদের সঙ্গে সেই পরিমাণ বাড়াবাড়ি কর যেই পরিমাণ বাড়াবাড়ি তারা তোমাদের উপর করেছে।' (২:১৯৪) অন্য জায়গায় আছে (আরবি) অর্থাৎ অন্যায়ের বিনিময় হচ্ছে ঐ পরিমাণই অন্যায়।' (৪২:৪০) অন্য স্থানে আল্লাহ বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ যদি তোমরা শাস্তি প্রদান কর তবে সেই পরিমাণই শাস্তি প্রদান কর, যে পরিমাণ শাস্তি তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে।' (১৬:১২৬) সুতরাং এই তিন জায়গায় বাড়াবাড়ি, অন্যায় এবং শাস্তির কথা বিনিময় হিসেবে বলা হয়েছে, নচেৎ প্রকৃতপক্ষে ওটা বাড়াবাড়ি, অন্যায় এবং শাস্তি নয়। হযরত ইকরামা (রাঃ) এবং হযরত কাতাদার (রঃ) উক্তি এই যে, প্রকৃত অত্যাচারী ঐ ব্যক্তি যে (আরবি) এই কালেমাকে অস্বীকার করে। সহীহ বুখারী শরীফের মধ্যে রয়েছে যে, যখন হযরত আবদুল্লাহ বিন যুবাইর (রাঃ)-এর উপর জনগণ আক্রমণ চালিয়েছিল সেই সময় দুই ব্যক্তি হযরত আবদুল্লাহ বিন উমারের (রাঃ) নিকট আগমন করে বলেনঃ ‘মানুষতো কাটাকাটি মারামরি করতে রয়েছে। আপনি। হযরত উমারের (রাঃ) পুত্র এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাহাবী। আপনি এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছেন না কেন:' তিনি বলেনঃ “জেনে রেখো যে, আল্লাহ তা'আলা মুসলমান ভাইয়ের রক্ত হারাম করে দিয়েছেন। তারা বলেনঃ “এই নির্দেশ কি আল্লাহ তা'আলার নয় যে, তোমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করতে থাকো যে পর্যন্ত অশান্তি অবশিষ্ট থাকে: তিনি উত্তরে বলেনঃ “আমরা তো যুদ্ধ করতে থেকেছি, শেষ পর্যন্ত অশান্তি দূর হয়ে গেছে এবং আল্লাহ তা'আলার পছন্দনীয় ধর্ম জয়যুক্ত হয়েছে। এখন তোমরা চাচ্ছ যে, তোমরা যুদ্ধ করতে থাকবে যেন আবার অশান্তি সৃষ্টি হয় এবং অন্যান্য ধর্মগুলো প্রকাশিত হয়ে পড়ে।অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, কোন একজন লোক তাকে বলেনঃ হে আবু আব্দির রহমান! আপনি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা ছেড়ে দিয়েছেন কেন: আপনি এই পন্থা গ্রহণ করেছেন যে,হজ্বের পর হজ্ব করে চলেছেন, প্রতি দ্বিতীয় বছরে হজ্ব করে থাকেন, অথচ হজ্বের ফযীলত আপনার নিকট গোপনীয় নয়। তখন তিনি বলেনঃ “ হে ভ্রাতুস্পুত্র! জেনে রেখো যে, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি (১) আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের (সঃ) উপর ঈমান আনয়ন করা (২) পাঁচ ওয়াক্ত নামায প্রতিষ্ঠিত করা (৩) রমযানের রোযা রাখা (৪) যাকাত প্রদান করা (৫) বায়তুল্লাহ শরীফের হজ্ব করা।তখন লোকটি বলেনঃ আপনি কি কুরআন পাকের এই নির্দেশ শুনেননি মুসলমানদের দুটি দল যদি পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে তবে তোমরা তাদের মধ্যে সন্ধি করিয়ে দাও। অতঃপর এর পরেও যদি একদল অপর দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তবে তোমরা বিদ্রোহী দলটির সাথে যুদ্ধ কর যে পর্যন্ত না তারা পুনরায় আল্লাহর বাধ্য হয়ে যায়। অন্য জায়গায় রয়েছে তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ কর যে পর্যন্ত না অশান্তি দূরীভূত হয়।' হযরত আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর যুগে আমরা এর উপর আমল করেছি। তখন ইসলাম দুর্বল ছিল এবং মুসলমানদের সংখ্যা অল্প ছিল। যে ইসলাম গ্রহণ করতো তার উপর অশান্তি এসে পড়তো। তাকে হয় হত্যা করা হতো না হয় কঠিন শাস্তি দেয়া হতো। অবশেষে এই পবিত্র ধর্ম বিস্তার লাভ করেছে এবং অনুসারীদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে ও অশান্তি সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হয়েছে।' লোকটি তখন বলেন, “আচ্ছা তাহলে বলুন যে, হযরত আলী (রাঃ) ও হযরত উসমান (রাঃ) সম্বন্ধে আপনার ধারণা কি: তিনি বলেনঃ হযরত উসমানকে (রাঃ) তো আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করেছেন, যদিও তোমরা এটা পছন্দ কর না। আর হযরত আলী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ) -এর আপন চাচাতো ভাই ও তার জামাতা ছিলেন, অতঃপর অঙ্গুলির ইশারায় বলেন এই হচ্ছে তার বাড়ী যা তোমাদের সামনে রয়েছে।'

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lire, Écouter, Rechercher et Méditer sur le Coran

Quran.com est une plateforme fiable utilisée par des millions de personnes dans le monde pour lire, rechercher, écouter et méditer sur le Coran en plusieurs langues. Elle propose des traductions, des tafsirs, des récitations, des traductions mot à mot et des outils pour une étude plus approfondie, rendant le Coran accessible à tous.

En tant que Sadaqah Jariyah, Quran.com se consacre à aider les gens à se connecter profondément au Coran. Soutenu par Quran.Foundation , une organisation à but non lucratif 501(c)(3), Quran.com continue de se développer en tant que ressource gratuite et précieuse pour tous, Alhamdulillah.

Naviguer
Accueil
Quran Radio
Récitateurs
À propos de nous
Développeurs
Mises à jour du produit
Avis
Aider
Nos projets
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projets à but non lucratif détenus, gérés ou sponsorisés par Quran.Foundation
Liens populaires

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Plan du site (sitemap)ConfidentialitéTermes et conditions
© 2026 Quran.com. Tous droits réservés