Se connecter
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
🚀 Participez à notre défi du Ramadan !
En savoir plus
Se connecter
Se connecter
33:39
الذين يبلغون رسالات الله ويخشونه ولا يخشون احدا الا الله وكفى بالله حسيبا ٣٩
ٱلَّذِينَ يُبَلِّغُونَ رِسَـٰلَـٰتِ ٱللَّهِ وَيَخْشَوْنَهُۥ وَلَا يَخْشَوْنَ أَحَدًا إِلَّا ٱللَّهَ ۗ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ حَسِيبًۭا ٣٩
ٱلَّذِينَ
يُبَلِّغُونَ
رِسَٰلَٰتِ
ٱللَّهِ
وَيَخۡشَوۡنَهُۥ
وَلَا
يَخۡشَوۡنَ
أَحَدًا
إِلَّا
ٱللَّهَۗ
وَكَفَىٰ
بِٱللَّهِ
حَسِيبٗا
٣٩
Ceux qui communiquent les messages d’Allah, Le craignaient et ne redoutaient nul autre qu’Allah. Et Allah suffit pour tenir le compte de tout.
Tafsirs
Leçons
Réflexions
Réponses
Qiraat
Vous lisez un tafsir pour le groupe d'Ayahs 33:39 à 33:40

৩৯-৪০ নং আয়াতের তাফসীরএখানে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা ঐ লোকদের (নবীদের) প্রশংসা করছেন যারা আল্লাহর সমগ্র সৃষ্টির কাছে তাঁর পয়গাম পৌঁছিয়ে দেন। তাঁরা আল্লাহকে ভয় করেন এবং তাঁকে ছাড়া আর কাউকেও ভয় করেন না। কোন ভীতি-বিহ্বল কাজে অথবা কারো প্রভাবে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে আল্লাহর দাওয়াত পৌঁছিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠিত হন না। আল্লাহ তা'আলার সাহায্য-সহানুভূতিই যথেষ্ট।এই পদ ও দায়িত্ব পালনে সবারই নেতা, এমন কি প্রত্যেক কাজে-কর্মে ও প্রতিটি বিষয়ে সবারই সর্দার বা নেতা হলেন হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)। একটু চিন্তা করলেই বুঝা যাবে যে, পূর্বে ও পশ্চিমে সমস্ত বানী আদমের কাছে আল্লাহর দ্বীনের প্রচার করেছেন তিনিই। যতদিন আল্লাহর এই দ্বীন চারদিকে ছড়িয়ে না পড়েছে ততদিন তিনি বরাবরই দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে গেছেন। তিনি আল্লাহর দ্বীনের প্রচারের ব্যাপারে সদা ব্যতিব্যস্ত থাকতেন। তাঁর পূর্বে যেসব নবী-রাসূল এসেছিলেন তাঁরা নিজ নিজ জাতির জন্যে এসেছিলেন। কিন্তু শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এসেছিলেন সারা দুনিয়ার জন্যে। মহান আল্লাহ ঘোষণা করেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “(হে নবী সঃ!) তুমি বলে দাও- হে লোক সকল! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সকলের নিকট রাসূলরূপে প্রেরিত হয়েছি।” (৭:১৫৮) তাঁর পরে এ দ্বীনের প্রচারের দায়িত্ব তাঁর উম্মতের স্কন্ধে অর্পিত হয়েছে। তাঁর পরে নেতৃত্বের দায়িত্ব তাঁর সাহাবীদের উপর ন্যস্ত হয়েছে। তাঁরা যা কিছু রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কাছে শিখেছিলেন তা তাদের পরবর্তীদের শিখিয়ে দেন। তারা সমস্ত কাজ ও কথা, পরিস্থিতি, রাত-দিনের সফর, তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সবকিছু তুলে ধরেছেন। সুতরাং তিনি তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তাঁদেরকে সন্তুষ্ট করেছেন। পরবর্তী লোকেরা উত্তরাধিকার সূত্রে এগুলো প্রাপ্ত হয়েছে। এভাবেই পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদের ওয়ারিশ হয়েছে। আল্লাহর দ্বীন এভাবেই ছড়াতে থাকে। কুরআন ও হাদীস জনগণের কাছে পৌঁছতে থাকে। হিদায়াত প্রাপ্তরা তাঁদের অনুসরণ করে জ্যোতির্ময় হয়ে ওঠেন। যাঁরা ভাল কাজ করার তাওফীক লাভ করেছেন তাঁরা তাঁদের মাসলাকের বা চলার পথের উপর চলতে থাকেন। করুণাময় আল্লাহর নিকট আমাদের প্রার্থনা এই যে, তিনি যেন আমাদেকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করেন। হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমাদের কেউ যেন নিজেকে লাঞ্ছিত না করে যে সে কাউকে শরীয়ত বিরোধী কাজ করতে দেখেও নীরব তাকে। (কিয়ামতের দিন) আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেনঃ “এ ব্যাপারে কিছু বলতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছিল”? সে উত্তরে বলবেঃ “হে আমার প্রতিপালক! আমি লোকদেরকে ভয় করতাম।তখন আল্লাহ বলবেনঃ “আমাকে সবচেয়ে বেশী ভয় করা উচিত ছিল।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)মহান আল্লাহ বলেনঃ মুহাম্মাদ (সঃ) তোমাদের কোন পুরুষের পিতা নয়। আল্লাহ তা'আলা নিষেধ করছেন যে, এরপরে যেন যায়েদ ইবনে মুহাম্মাদ (সঃ) বলা না হয়। অর্থাৎ তিনি যায়েদ (রাঃ)-এর পিতা নন। যদিও তিনি তাঁকে পুত্র বানিয়ে নিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কোন পুত্র সন্তান প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া পর্যন্ত জীবিত থাকেননি। কাসেম, তাইয়েব ও তাহের নামক তার তিনটি পুত্র সন্তান হযরত খাদীজা (রাঃ)-এর গর্ভজাত ছিলেন। কিন্তু তিনজনই শৈশবে ইন্তেকাল করেন। হযরত মারিয়াহ কিবতিয়াহ (রাঃ)-এর গর্ভজাত একটি পুত্র সন্তান ছিলেন, তাঁর নাম ছিল ইবরাহীম। তিনি দুগ্ধ পান অবস্থাতেই ইন্তেকাল করেন। হযরত খাদীজা (রাঃ)-এর গর্ভজাত রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর চার কন্যা সন্তান ছিলেন। তাঁরা হলেন হযরত যয়নাব (রাঃ), হযরত রুকাইয়া (রাঃ), হযরত উম্মে কুলসুম (রাঃ) ও হযরত ফাতিমা (রাঃ)। তাঁদের মধ্যে তিনজন তাঁর জীবদ্দশাতেই ইন্তেকাল করেছিলেন। শুধুমাত্র হযরত ফাতিমা (রাঃ) তাঁর ইন্তেকালের ছয় মাস পরে ইন্তেকাল করেছিলেন।এরপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ বরং মুহাম্মাদ (সঃ) আল্লাহর রাসূল ও শেষ নবী। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ। যেমন মহামহিমান্বিত আল্লাহ অন্য জায়গায় বলেছেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আল্লাহ্ তাঁর রিসালাত কোথায় রাখবেন তা তিনি খুব ভাল জানেন।” (৬:১২৫) সুতরাং এ আয়াতটি এটাই প্রমাণ করে যে, তার পরে কোন নবী নেই। আর তার পরে যখন কোন নবী নেই তখন তাঁর পরে কোন রাসূলও যে নেই তা বলাই বাহুল্য। রিসালাত তো নবুওয়াত হতে বিশিষ্ট। প্রত্যেক রাসূলই নবী, কিন্তু প্রত্যেক নবী রাসূল নন। তিনি যে খাতামুন নাবীঈন তা হাদীসে মুতাওয়াতির দ্বারাও প্রমাণিত।হযরত কা'ব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “নবীদের মধ্যে আমার দৃষ্টান্ত হচ্ছে ঐ ব্যক্তির দৃষ্টান্তের মত যে একটি বাড়ী তৈরী করলো এবং ওটা পূর্ণরূপে ও উত্তমভাবে নির্মাণ করলো, কিন্তু তাতে একটা ইট পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিলো। সেখানে কিছুই করলো না। লোকেরা চারদিক থেকে তা দেখতে লাগলো এবং ওর নির্মাণকার্যে সবাই বিস্ময় প্রকাশ করলো। কিন্তু তারা বলতে লাগলো: 'যদি এ স্থানটি খালি না থাকতো তবে আরো কত সুন্দর হতো!' সুতরাং নবীদের মধ্যে আমি ঐ নবী যিনি ঐ স্থানটি পূর্ণ করে দিয়েছেন।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযীও (রঃ) এটা বর্ণনা করেছেন এবং একে হাসান সহীহ বলেছেন) অপর একটি হাদীসঃ হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “রিসালাত ও নবুওয়াত শেষ হয়ে গেছে। আমার পরে আর কোন রাসূল বা নবী আসবে না।” সাহাবীদের কাছে তাঁর “একথাটি খুবই কঠিন বোধ হলো। তখন তিনি বললেনঃ “কিন্তু সুসংবাদ দানকারীরা থাকবে।” সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! সুসংবাদদাতা কি?" তিনি উত্তরে বললেনঃ “মুসলমানদের স্বপ্ন, যা নবুওয়াতের একটি অংশ বিশেষ।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) ও ইমাম তিরমিযী (রঃ) বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী (রঃ) এটাকে সহীহ গারীব বলেছেন) অন্য একটি হাদীসঃ অন্য একটি হাদীসঃ হযরত জাবির ইবনে আবদিল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার দৃষ্টান্ত ও নবীদের দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির দৃষ্টান্তের মত যে একটি ঘর বানালো এবং পূর্ণ ও সুন্দর করে বানালো। কিন্তু একটি ইট পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রেখে দিলো। সুতরাং যেই সেখানে প্রবেশ করে ও ওর দিকে তাকায় সেই বলেঃ ‘এটা কতইনা সুন্দর! যদি এই ইট পরিমাণ জায়গাটি ফাঁকা না থাকতো!' আমি ঐ খালি স্থানের ইট। আমার মাধ্যমে নবীদের ধারাবাহিকতা শেষ করা হয়েছে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ), ইমাম বুখারী (রঃ), ইমাম মুসিলম (রঃ) ও ইমাম তিরমিযী (রঃ) বর্ণনা করেছেন) অন্য একটি হাদীসঃ হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার দৃষ্টান্ত ও নবীদের দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির দৃষ্টান্তের ন্যায় যে একটি ঘর নির্মাণ করলো এবং পূর্ণভাবে করলো, কিন্তু একটি ইট পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রেখে দিলো। অতঃপর আমি আগমন করলাম ও ঐ ইট পরিমাণ খালি জায়গাটি পূর্ণ করে দিলাম।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) ও ইমাম মুসলিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন) আর একটি হাদীসঃ হযরত আবূ তোফায়েল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার পরে কোন নবী নেই। তবে সুসংবাদ বহনকারী বিদ্যমান থাকবে।” জিজ্ঞেস করা হলো: “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! সুসংবাদ বহনকারী আবার কি?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “উত্তম ও ভাল স্বপ্ন।” অন্য একটি হাদীসঃ হযরত আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমার ও নবীদের দৃষ্টান্ত ঐ ব্যক্তির দৃষ্টান্তের ন্যায় যে একটি ঘর নির্মাণ করলো এবং তা পূর্ণরূপে ও উত্তমরূপে নির্মাণ করলো। কিন্তু একটি ইট পরিমাণ জায়গা ফাঁকা রেখে দিলো। তখন চতুর্দিক হতে লোকেরা এ ঘরটি দেখতে আসলো এবং তা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল। অতঃপর লোকটিকে তারা জিজ্ঞেস করলো: ‘এখানে তুমি কেন ইট রাখখানি? এখানে ইট দিলে তো তোমার এ দালানটি পূর্ণ হতো? রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেন: আমিই ঐ ইট। (এ হাদীসটিও ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম বুখারী (রঃ) ও ইমাম মুসলিম (রঃ) এটা আবদুর রাযযাকের হাদীস হতে তাখরীজ করেছেন) আর একটি হাদীসঃ হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমাকে ছয়টি জিনিসের মাধ্যমে সমস্ত নবীর উপর ফযীলত দান করা হয়েছে। প্রথমঃ আমাকে জামে’ কালিমাত বা ব্যাপক ও সার্বজনীন কথা প্রদান করা হয়েছে। দ্বিতীয় প্রভাব বা গাম্ভীর্য দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। তৃতীয়ঃ আমার জন্যে গানীমাত বা যুদ্ধলব্ধ মাল হালাল করা হয়েছে। চতুর্থঃ আমার জন্যে সারা দুনিয়াকে মসজিদ ও অযুর স্থানরূপে নির্ধারণ করা হয়েছে। পঞ্চমঃ সমস্ত সৃষ্টির নিকট আমাকে নবী করে পাঠানো হয়েছে। ষষ্ঠঃ আমার দ্বারা নবী আগমনের ধারাবাহিকতা শেষ করা হয়েছে।” (এ হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (রঃ) ও ইমাম ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম তিরমিযী (রঃ) একে হাসান সহীহ বলেছেন) আর একটি হাদীসঃ হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে। যে, নবী (সঃ) তাকে বলেছেনঃ “আল্লাহর নিকট আমি নবীদেরকে শেষকারীরূপে ছিলাম ঐ সময় যখন হযরত আদম (আঃ) পূর্ণরূপে সৃষ্ট হননি।” আর একটি হাদীসঃ হযরত মুতইম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ “নিশ্চয়ই আমার কয়েকটি নাম রয়েছে। আমি মুহাম্মাদ (সঃ), আমি আহমাদ (সঃ), আমি মাহী। আমার কারণে আল্লাহ তাআলা কুফরীকে মিটিয়ে দিবেন। আমি হাশের। আমার পায়ের উপর দিয়ে জনগণকে উঠানো ও একত্রিত করা হবে। আমি আকেব। আমার পরে আর কোন নবী হবে না।” (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে হাদীসটিকে তাখরীজ করা হয়েছে)হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “একদা রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাদের কাছে এমনভাবে আসলেন যেন তিনি আমাদের থেকে বিদায় গ্রহণকারী। তিনি তিনবার বললেনঃ “আমি মুহাম্মাদ (সঃ) নিরক্ষর নবী। আমার পরে কোন নবী নেই। আমাকে ব্যাপক ও সার্বজনীন কালেমা প্রদান করা হয়েছে। আমি সর্ববিজয়ী ও পরিপূর্ণ জ্ঞানী। জাহান্নামের দারোগা যত আছে, আরশ বহনকারী ফেরেশতা যতজন আছেন তাদেরকে আমার সমস্ত উম্মতের সাথে পরিচিত করা হয়েছে। আমি যতদিন তোমাদের সাথে আছি আমার কথা মেনে চলো। যখন আমি তোমাদের মধ্য থেকে বিদায় গ্রহণ করবো তখন তোমরা আল্লাহর কিতাবকে আঁকড়ে ধরে থাকবে। আল্লাহর কিতাব যা হালাল করেছে তাকে হালাল জানবে এবং যা হারাম করেছে তা হারাম বলে মেনে নেবে।” এ বিষয়ের উপর আরো বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলার এ ব্যাপক রহমতের জন্যে তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। তিনি তাঁর দয়া-দাক্ষিণ্যের কারণে আমাদের জন্যে শ্রেষ্ঠ নবী (সঃ)-কে পাঠিয়েছেন। তিনি তার হাতে সহজ ও সরল জীবন ব্যবস্থাকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন। জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ স্বীয় কিতাবে এবং বিশ্ব শান্তির দূত হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) মুতাওয়াতির হাদীসে এ খবর জানিয়ে দিয়েছেন যে, তার পরে আর কোন নবী নেই। অতএব তাঁর পরে যদি কেউ নবুওয়াত ও রিসালাতের দাবী করে তবে নিঃসন্দেহে সে মিথ্যাবাদী, প্রতারক, দাজ্জাল, পথভ্রষ্ট এবং পথভ্রষ্টকারী। যদিও সে ফন্দী করে, যাদু করে, বড় বড় জ্ঞানীদের জ্ঞানকে বিভ্রান্ত করে, বিস্ময়কর বিষয়গুলো দেখিয়ে দেয়, বিভিন্ন প্রকারের ডিগবাজী প্রদর্শন করে, তবুও জ্ঞানীরা অবশ্যই জানে যে, এ সবই প্রতারণা ও চালাকী ছাড়া আর কিছুই নয়। ইয়ামনের নবুওয়াতের দাবীদার আনসী ও ইয়ামামার নবুওয়াতের দাবীদার মুসাইলামা কাযযাবকে দেখলেই বুঝা যাবে যে, তারা যা করেছিল তা দেখে দুনিয়াবাসী তাদেরকে ধরে ফেলেছিল। তাদের আসল রূপ জনগণের কাছে উদ্ভাসিত হয়ে পড়েছিল। কিয়ামত পর্যন্ত তাদেরও ঐ অবস্থাই হবে যারা এ ধরনের মিথ্যা দাবী নিয়ে আল্লাহর সৃষ্টির কাছে হাযির হবে। এমনকি সর্বশেষে আসবে মাসীহ্ দাজ্জাল। তার চিহ্নসমূহ দেখে প্রত্যেক আলেম এবং প্রত্যেক মুমিন সে যে মিথ্যাবাদী তা জেনে নেবে। এটাও আল্লাহ তা'আলার একটা অশেষ মেহেরবানী। এ ধরনের মিথ্যা দাবীদারদের এ নসীবই হয় না যে, তারা পুণ্যের আহকাম জারী করে এবং মন্দ কাজ থেকে লোকদেরকে ফিরিয়ে দেয়। অবশ্য যে কাজের তার উদ্দেশ্য হবে তাতে সে সিদ্ধিলাভ করবে। তার কথা ও কাজ ধোকা ও প্রতারণামূলকই হয়ে থাকে। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “আমি তোমাদেরকে খবর দেবো কি যাদের কাছে শয়তানরা এসে থাকে? তারা প্রত্যেক ধোকাবাজ, পাপীর কাছে আসে।” (২৬:২২১-২২২)সত্য নবীদের ঘটনা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। তাঁরা পুণ্যময় সঠিক হিদায়াত দানকারী। তাঁরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তাঁদের কথা ও কাজ পুণ্য বিজড়িত। তাঁরা মানুষকে ভাল কাজের আদেশ করেন এবং মন্দ কাজ হতে বিরত রাখেন। তারা আল্লাহ তাআলার নিকট থেকে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন। মুজিযা বা অলৌকিক কাজের দ্বারা তাঁদের সত্যবাদিতা প্রকাশিত হয়। তাঁদের নবুওয়াতের উপর এমন সুস্পষ্ট ও উজ্জ্বল দলীল থাকে যে, সুস্থির মন তাঁদের নবুওয়াতকে মেনে নিতে বাধ্য হয়। আল্লাহ তাআলা তাঁর সমস্ত নবীর উপর কিয়ামত পর্যন্ত দরূদ ও সালাম নাযিল করতে থাকুন!

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lire, Écouter, Rechercher et Méditer sur le Coran

Quran.com est une plateforme fiable utilisée par des millions de personnes dans le monde pour lire, rechercher, écouter et méditer sur le Coran en plusieurs langues. Elle propose des traductions, des tafsirs, des récitations, des traductions mot à mot et des outils pour une étude plus approfondie, rendant le Coran accessible à tous.

En tant que Sadaqah Jariyah, Quran.com se consacre à aider les gens à se connecter profondément au Coran. Soutenu par Quran.Foundation , une organisation à but non lucratif 501(c)(3), Quran.com continue de se développer en tant que ressource gratuite et précieuse pour tous, Alhamdulillah.

Naviguer
Accueil
Quran Radio
Récitateurs
À propos de nous
Développeurs
Mises à jour du produit
Avis
Aider
Nos projets
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projets à but non lucratif détenus, gérés ou sponsorisés par Quran.Foundation
Liens populaires

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Plan du site (sitemap)ConfidentialitéTermes et conditions
© 2026 Quran.com. Tous droits réservés