Masuk
🚀 Ikuti Tantangan Ramadan kami!
Pelajari lebih lanjut
🚀 Ikuti Tantangan Ramadan kami!
Pelajari lebih lanjut
Masuk
Masuk
3:50
ومصدقا لما بين يدي من التوراة ولاحل لكم بعض الذي حرم عليكم وجيتكم باية من ربكم فاتقوا الله واطيعون ٥٠
وَمُصَدِّقًۭا لِّمَا بَيْنَ يَدَىَّ مِنَ ٱلتَّوْرَىٰةِ وَلِأُحِلَّ لَكُم بَعْضَ ٱلَّذِى حُرِّمَ عَلَيْكُمْ ۚ وَجِئْتُكُم بِـَٔايَةٍۢ مِّن رَّبِّكُمْ فَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ وَأَطِيعُونِ ٥٠
وَمُصَدِّقًا
لِّمَا
بَيۡنَ
يَدَىَّ
مِنَ
التَّوۡرٰٮةِ
وَلِاُحِلَّ
لَـكُمۡ
بَعۡضَ
الَّذِىۡ
حُرِّمَ
عَلَيۡكُمۡ​وَ
جِئۡتُكُمۡ
بِاٰيَةٍ
مِّنۡ
رَّبِّكُمۡ
فَاتَّقُوۡا
اللّٰهَ
وَاَطِيۡعُوۡنِ‏
٥٠
Dan sebagai seorang yang membenarkan Taurat yang datang sebelumku, dan agar aku menghalalkan bagi kamu sebagian dari apa yang telah diharamkan untukmu. Dan aku datang kepadamu membawa suatu tanda (mukjizat) dari Tuhanmu. Karena itu, bertakwalah kepada Allah dan taatlah kepadaku.
Tafsir
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 3:48 hingga 3:51

৪৮-৫১ নং আয়াতের তাফসীর: ফেরেশতারা হযরত মারইয়াম (আঃ)-কে বলেনঃ “আপনার ছেলেকে অর্থাৎ হযরত ঈসা (আঃ)-কে আল্লাহ গ্রন্থ ও বিজ্ঞান শিক্ষা দেবেন। (আরবী) শব্দের তাফসীর সূরা-ই-বাকারায় হয়ে গেছে। আর আল্লাহ পাক তাকে তাওরাত শিক্ষা দেবেন যা হযরত মূসা ইবনে ইমরান (আঃ)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল এবং তাঁকে ইঞ্জীল শিক্ষা দেবেন যা তাঁর নিজের উপর অবতীর্ণ হয়েছে। এ দু'টো কিতাব হযরত ঈসা (আঃ)-এর মুখস্থ ছিল। আল্লাহ তা'আলা তাকে বানী ইসরাঈলের নিকট নবী করে পাঠাবেন, যেন তিনি তাদেরকে স্বীয় অলৌকিক ঘটনা দেখাতে পারেন যে, তিনি মাটি দিয়ে পাখীর আকৃতি গঠন করেন। অতঃপর ওর মধ্যে ফুকার দেন, আর তেমনই ওটা বাস্তব পাখী হয়ে তাদের সামনে উড়তে থাকে। এটা আল্লাহ তা'আলার নির্দেশক্রমেই হয়েছিল। হযরত ঈসা (আঃ)-এর নিজস্ব কোন ক্ষমতা ছিল না। বরং এটা তার জন্যে একটা মু'জিযা ছিল। (আরবী) ঐ অন্ধকে বলা হয় যে দিনে দেখতে পায় কিন্তু রাত্রে দেখতে পায় না। কেউ কেউ বলেন যে, টেরা চক্ষু বিশিষ্ট লোককে বলা হয়। কারো কারো উক্তি এও রয়েছে যে, (আরবী) ঐ অন্ধকে বলা হয় যে মায়ের গর্ভ হতেই অন্ধ হয়ে জন্মগ্রহণ করে। এখানে এ অনুবাদই যথোপযুক্ত হবে। কেননা, এর দ্বারাই অলৌকিকতার পূর্ণতা প্রকাশ পায় এবং বিরুদ্ধবাদীকে অসমর্থ করার জন্যে এটাই উত্তম পন্থা। (আরবী) শ্বেত কুষ্ঠকে বলা হয়। মহান আল্লাহর নির্দেশক্রমে হযরত ঈসা (আঃ) এ রোগগ্রস্থ ব্যক্তিকেও নিরাময় করে দিতেন। আল্লাহ পাকের হুকুমে তিনি মৃতকেও জীবিত করতেন। অধিকাংশ আলেমের উক্তি এই যে, আল্লাহ তা'আলা প্রত্যেক যুগের নবীকে যুগোপযোগী বিশেষ বিশেষ মু'জিযা দিয়ে প্রেরণ করেছেন। হযরত মূসা (আঃ)-এর যুগে যাদুর খুব প্রচলন ছিল এবং যাদুকরদেরকে অত্যন্ত সম্মান করা হতো। তাই আল্লাহ তা'আলা হযরত মূসা (আঃ)-কে এমন মু'জিযা দান করেন যে, যাদুকরগণ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ে এবং তাদের পূর্ণ বিশ্বাস জন্মে যে, এটা কখনও যাদু হতে পারে না, বরং এটা মহাপ্রতাপশালী আল্লাহর একটা বড় দান। অতএব তারা অবনত মস্তকে মহান আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং অবশেষে তারা আল্লাহ পাকের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত হয়। হযরত ঈসা (আঃ)-এর যুগটা ছিল চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিকদের যুগ। তথায় তখন বড় বড় বৈজ্ঞানিক এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিদ্যমান ছিল। সুতরাং মহান আল্লাহ হযরত ঈসা (আঃ)-কে এমন মু'জিযা দান করেন যার সামনে ঐ বড় বড় চিকিৎসকগণ হতবুদ্ধি হয়ে পড়েন। জন্মান্ধকে চক্ষু দান করা, শ্বেতকুষ্ঠ রোগীকে নিরাময় করা ও নির্জীব পদার্থের মধ্যে প্রাণ দেয়া এবং সমাধিস্থ ব্যক্তিকে জীবিত করার ক্ষমতা কোন ব্যক্তির রয়েছে? একমাত্র আল্লাহ তাআলার নির্দেশক্রমে মু'জিযা রূপে তার দ্বারা এ সমুদয় কার্য সাধিত হয়। অনুরূপভাবে যে যুগে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সঃ)-এর আবির্ভাব ঘটে সেটা ছিল সাহিত্য, কবিতা ও বাকপটতার যুগ। এসব বিষয়ে খ্যাতনামা কবিগণ এমন পূর্ণতা অর্জন করেছিল যে, সারা দুনিয়া তাদের সামনে মাথা হেঁট করেছিল। সুতরাং আল্লাহ তা'আলা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে এমন এক গ্রন্থ দান করলেন যার ঔজ্জ্বল্যের সামনে তাদের সমস্ত দীপ্তি ম্লান হয়ে যায় এবং তাদের বিশ্বাস জন্মে যে, এটা মানুষের কথা নয়। সারা বিশ্বের সামনে জোরে শশারে বারবার ঘোষণা করা হয়-এরূপ কথা বলতে পারে এমন কেউ আছে কি? একা একা নয় বরং তোমরা সবাই মিলিত হয়ে যাও, শুধু মানব নয় বরং দানবদেরকেও তোমাদের অন্তর্ভুক্ত করে নাও, অতঃপর পুরো কুরআনের সমান নয়, শুধুমাত্র ওর মত দশটি সূরা আনয়ন কর। আচ্ছা এও যদি সম্ভব না হয় তবে ওর মত একটি সূরাই নিয়ে এসো। কিন্তু তাদের কোমর ভেঙ্গে পড়ে, সাহস হারিয়ে যায়, কণ্ঠরোধ হয়ে যায়, বাকশক্তি লোপ পায় এবং আজ পর্যন্ত সারা বিশ্ব এ কাজে অসমর্থই রয়েছে, আর কিয়ামত পর্যন্ত অসমর্থ থেকেও যাবে। কোথায় আল্লাহ পাকের কালাম এবং কোথায় মানব ও দানবের কথা? সুতরাং এ যুগ হিসেবে এ মু'জিযা ক্রিয়াশীল হয় এবং বিরুদ্ধবাদীদেরকে অস্ত্র সংবরণ করতেই হয়। তারা দলে দলে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয় ।অতঃপর হযরত ঈসা (আঃ)-এর আরও মু'জিয়ার বর্ণনা দেয়া হচ্ছে যা তিনি বলেছিলেন এবং করেও দেখিয়েছিলেন। তিনি তাদেরকে বলেছিলেন, “তোমাদের মধ্যে যে কেউ বাড়ীতে যা কিছু খেয়ে এসেছে এবং আগামীকালের জন্যে সে যা কিছু জমা করে রেখেছে, আল্লাহর হুকুমে আমি তা বলে দিতে পারবো। এতে আমার সত্যবাদীতার দলীল রয়েছে, আমি তোমাদেরকে যে উপদেশ দিচ্ছি তা চরম সত্য। তবে তোমাদের মধ্যে যদি ঈমানই না থাকে তবে আর কি হবে? আমি আমার পূর্ববর্তী কিতাব তাওরাতকে স্বীকার করছি এবং দুনিয়ায় ওর সত্যতার কথা ঘোষণা করছি। আমি তোমাদের জন্য এমন কতগুলো জিনিস বৈধ করতে এসেছি যেগুলো আমার পর্বে তোমাদের জন্য অবৈধ ছিল। এর দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, হযরত ঈসা (আঃ) তাওরাতের কতগুলো বিধান রহিত করেছেন। কয়েকজন তাফসীরকারের ধারণা এর বিপরীত হলেও এটাই সঠিক কথা। কোন কোন মনীষী বলেন যে, হযরত ঈসা (আঃ) তাওরাতের কোন বিধান রহিত করেননি। তবে এটা অবশ্যই সত্য যে, কতগুলো বৈধ জিনিসে যে মতভেদ ছিল এবং তা বৃদ্ধি পেতে পেতে অবৈধতার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল, হযরত ঈসা (আঃ) ঐগুলোর যথার্থতা বর্ণনা করতঃ ঐগুলোর বৈধতার উপর শীল (মোহর) মেরে দেন। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছে (আরবী) অর্থাৎ “তোমরা যে ব্যাপারে পরস্পর মতভেদ করছো আমি তোমাদের জন্যে তার মীমাংসা করে দেবো।'(৪৩:৬৩)অতঃপর তিনি বলেনঃ “আমার নিকট আমার সত্যবাদিতার উপর আল্লাহ প্রদত্ত প্রমাণ বিদ্যমান রয়েছে। তোমরা আল্লাহ তা'আলাকে ভয় কর, আমার কথা মান্য কর এবং জেনে রেখো যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার প্রভু ও তোমাদের প্রভু, সুতরাং তোমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত কর। আর এটাই হচ্ছে সরল সঠিক পথ।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengarkan, Cari, dan Renungkan Al Quran

Quran.com adalah platform tepercaya yang digunakan jutaan orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengarkan, dan merefleksikan Al-Qur'an dalam berbagai bahasa. Platform ini menyediakan terjemahan, tafsir, tilawah, terjemahan kata demi kata, dan berbagai alat untuk pembelajaran yang lebih mendalam, sehingga Al-Qur'an dapat diakses oleh semua orang.

Sebagai sebuah Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang-orang terhubung secara mendalam dengan Al-Qur'an. Didukung oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi nirlaba 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai referensi yang sangat bernilai dan gratis untuk semua orang, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Qur'an
Qari
Tentang Kami
Pengembang
Pengkinian Produk
Beri Masukan
Bantuan
Proyek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyek nirlaba yang dimiliki, dikelola, atau disponsori oleh Quran.Foundation
Link populer

Ayat Kursi

Surah Yasin

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahfi

Surah Al Muzzammil

Peta situsKerahasiaanSyarat dan Ketentuan
© 2026 Quran.com. Hak Cipta Terlindungi