Masuk
🚀 Ikuti Tantangan Ramadan kami!
Pelajari lebih lanjut
🚀 Ikuti Tantangan Ramadan kami!
Pelajari lebih lanjut
Masuk
Masuk
41:5
وقالوا قلوبنا في اكنة مما تدعونا اليه وفي اذاننا وقر ومن بيننا وبينك حجاب فاعمل اننا عاملون ٥
وَقَالُوا۟ قُلُوبُنَا فِىٓ أَكِنَّةٍۢ مِّمَّا تَدْعُونَآ إِلَيْهِ وَفِىٓ ءَاذَانِنَا وَقْرٌۭ وَمِنۢ بَيْنِنَا وَبَيْنِكَ حِجَابٌۭ فَٱعْمَلْ إِنَّنَا عَـٰمِلُونَ ٥
وَقَالُوۡا
قُلُوۡبُنَا
فِىۡۤ
اَكِنَّةٍ
مِّمَّا
تَدۡعُوۡنَاۤ
اِلَيۡهِ
وَفِىۡۤ
اٰذَانِنَا
وَقۡرٌ
وَّمِنۡۢ
بَيۡنِنَا
وَبَيۡنِكَ
حِجَابٌ
فَاعۡمَلۡ
اِنَّنَا
عٰمِلُوۡنَ‏ 
٥
Dan mereka berkata, "Hati kami sudah tertutup dari apa yang engkau seru kami kepadanya dan telinga kami sudah tersumbat, dan di antara kami dan engkau ada dinding, karena itu lakukanlah (sesuai kehendakmu), sesungguhnya kami akan melakukan (sesuai kehendak kami)."
Tafsir
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 41:1 hingga 41:5

১-৫ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, আরবী ভাষার এই কুরআন পরম দয়ালু আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে নবী (সঃ)! তুমি বল- এটা (আল-কুরআন) তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে পবিত্র আত্মা (হযরত জিবরাঈল আঃ) সত্যের সাথে অবতীর্ণ করেছেন।”(১৬:১০২) আর এ জায়গায় আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “নিশ্চয়ই এটা জগতসমূহের প্রতিপালকের নিকট হতে অবতীর্ণ। এটা বিশ্বস্ত আত্মা (হযরত জিবরাঈল আঃ) তোমার অন্তরে অবতীর্ণ করেছে যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।”(২৬:১৯২-১৯৪) মহান আল্লাহ বলেনঃ এর আয়াতগুলো বিশদভাবে বিবৃত। এর অর্থ প্রকাশমান এবং আহকাম মযবূত। এর শব্দগুলোও স্পষ্ট এবং পাঠ করতে সহজ। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) (১০:১) অর্থাৎ “এটা এমন কিতাব যার আয়াতসমূহ দৃঢ় ও সুরক্ষিত, অতঃপর ওগুলো বিশদভাবে বিবৃত, এটা হচ্ছে ঐ আল্লাহর কালাম যিনি বিজ্ঞানময় এবং যিনি সবকিছুরই খবর রাখেন। অর্থাৎ এটা শব্দ ও অর্থের দিক দিয়ে অলৌকিক। মহান আল্লাহ বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “ওর কাছে ওর সামনে এবং ওর পিছন হতে বাতিল আসতে পারে না। এটা বিজ্ঞানময় প্রশংসিত আল্লাহর নিকট হতে অবতারিত।” (৪১:৪২) আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ “জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্যে।” অর্থাৎ এই বর্ণনা ও বিশদ ব্যাখ্যা জ্ঞানী সম্প্রদায়ই অনুধাবন করে থাকে। এই কুরআন একদিকে মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় এবং অপরদিকে কাফিরদেরকে ভয় প্রদর্শন করে।মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ তাদের অধিকাংশই বিমুখ হয়েছে। সুতরাং তারা শুনবে না। অর্থাৎ কুরআন কারীমের এমন গুণাবলী থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ কুরায়েশ এর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তারা বলেঃ তুমি যার প্রতি আমাদেরকে আহ্বান করছে সে বিষয়ে আমাদের অন্তর আবরণ-আচ্ছাদিত এবং আমাদের কর্ণে আছে বধিরতা, আর তোমার ও আমাদের মধ্যে আছে অন্তরাল। সুতরাং তুমি যা বলছে তার কিছুই আমাদের বোধগম্য হয় না। সুতরাং তুমি তোমার কাজ কর এবং আমরা আমাদের কাজ করি। অর্থাৎ তোমার পন্থায় তুমি কাজ করে যাও এবং আমরা আমাদের পন্থায় কাজ করে যাই। আমরা কখনো আমাদের নীতি পরিত্যাগ করে তোমার নীতি গ্রহণ করতে পারি না।হযরত জাবির ইবনে আবদিল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একদা কুরায়েশরা সমবেত হয়ে পরস্পর পরামর্শ করলোঃ “যে ব্যক্তি যাদু ও কাব্য কবিতায় সবচেয়ে বেশি পারদর্শী, চল আমরা তাকে নিয়ে ঐ লোকটির নিকট অর্থাৎ হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-এর নিকট গমন করি, যে আমাদের দলের মধ্যে ভাঙ্গন ধরিয়ে দিয়েছে এবং আমাদের সমস্ত কাজের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করেছে। ও আমাদের দ্বীনের উপর দোষারোপ করতে শুরু করেছে। একে যেন ঐ ব্যক্তি বিভিন্ন প্রশ্ন করে নিরুত্তর করে দিতে পারে। তারা সবাই বললোঃ “আমাদের মধ্যে উবা ইবনে রাবীআ' ছাড়া এরূপ লোক আর কেউ নেই। সুতরাং তারা উবার নিকট গেল এবং তার সামনে তাদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করলো। সে তার কওমের কথা মেনে নিলো এবং প্রস্তুতি নিয়ে হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-এর নিকট গমন করলো। অতঃপর সে তাকে বললোঃ “হে মুহাম্মাদ (সঃ)! আচ্ছা, বলতোঃ তুমি ভাল, না আবদুল্লাহ (তার পিতা) ভাল?” তিনি কোন উত্তর দিলেন না। সে আবার প্রশ্ন করলোঃ “তুমি ভাল, না (তোমার দাদা) আবদুল মুত্তালিব ভাল?” রাসূলুল্লাহ (সঃ) এবারও নীরব থাকলেন। তখন সে বললোঃ “দেখো, তুমি যদি তোমার বাপ-দাদাকে ভাল মনে করে থাকো তবে জেনে নাও যে, তারা ঐ সব মা'বুদেরই পূজা করতেন যেগুলোর পূজা আমরা করে থাকি, আর তুমি সেগুলোর উপর দোষারোপ করে থাকো। আর যদি তুমি নিজেকে তাঁদের চেয়ে ভাল মনে করে থাকো তবে তুমি তোমার কথা বলঃ আমরা শুনি। আল্লাহর শপথ! দুনিয়ায় কোন কওমের জন্যে তোমার চেয়ে বেশী ক্ষতিকারক মানুষ সৃষ্ট হয়নি। তুমি আমাদের জামাআতের মধ্যে ভাঙ্গন সৃষ্টি করেছে এবং আমাদের ঐক্যের মধ্যে ফাটল ধরিয়েছো। তুমি আমাদের দ্বীন সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেছো। সারা আরবের মধ্যে তুমি আমাদের বদনাম করেছে এবং আমাদেরকে অপদস্থ করেছে। এখন তো সব জায়গাতেই এই আলোচনা চলছে যে, কুরায়েশদের মধ্যে একজন যাদুকর রয়েছে, একজন গণক রয়েছে। এখন শুধু এটুকুই বাকী রয়েছে যে, আমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি এবং একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করি। এই ভাবে আমাদেরকে পরস্পরে লড়িয়ে দিয়ে তুমি আমাদেরকে ধ্বংস করে দিতে চাও। শুন, তোমার ধন-মালের প্রতি যদি লোভ থাকে তবে বল, আমরা সবাই মিলে তোমাকে এমন ধন-দৌলতের মালিক করে দিবো যে, সারা আরবে তোমার চেয়ে বড় ধনী আর কেউ থাকবে না। আর যদি তুমি স্ত্রী লোকদের সাথে কাম-বাসনা চরিতার্থ করতে চাও তবে বল, আমাদের মধ্যে যার মেয়ে তোমার পছন্দ হয়, আমরা একটা কেন, তোমার দশটা বিয়ে দিয়ে দিচ্ছি।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বললেনঃ “তোমার কথা বলা শেষ হয়েছে কি?” উত্তরে সে বললোঃ “হ্যা।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন বললেনঃ (আরবী) অবশেষে তিনি নিম্নের আয়াত পর্যন্ত পৌঁছলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তবুও তারা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয় তবে বল- আমি তো তোমাদেরকে সতর্ক করছি এক ধ্বংসকর শাস্তির, আ’দ ও সামূদের শাস্তির অনুরূপ।” এটুকু শুনেই উৎবা বলে উঠলোঃ “আচ্ছা, থামো। তোমার কাছে তাহলে এ ছাড়া আর কিছুই নেই?” রাসূলুল্লাহ (সঃ) উত্তর দিলেনঃ “না।” তখন সে সেখান হতে চলে গেল। কুরায়েশরা তো তার জন্যে অধীরভাবে অপেক্ষা করছিল। তাদের কাছে সে পৌঁছা মাত্রই তারা তাকে জিজ্ঞেস করলোঃ “ব্যাপার কি, তাড়াতাড়ি বল।” সে উত্তর দিলোঃ “দেখো, তোমরা সবাই মিলে তাকে যত কিছু বলতে পারতে আমি একাই তার সবই বলেছি। তারা জিজ্ঞেস করলোঃ “সে তোমার কথার উত্তরে কিছু বলেছে কি?” উবা জবাবে বললোঃ “হ্যা, সে জবাব দিয়েছে বটে, কিন্তু আল্লাহর শপথ! আমি তার কথার একটি অক্ষরও বুঝতে পারিনি। শুধু এটুকু বুঝেছি যে, সে আমাদেরকে আসমানী আযাব হতে সতর্ক করছে যে আযাব আ’দ ও সামূদ জাতির উপর আপতিত হয়েছিল। তারা তখন তাকে বললোঃ তোমার অকল্যাণ হোক! একটি লোক তোমার সাথে তোমার নিজেরই ভাষা আরবীতে কথা বলছে অথচ তুমি বলছো যে, তুমি তার কথার একটি অক্ষরও বুঝতে পারনি?” উৎবা উত্তরে বললোঃ “আমি সত্যিই বলছি যে, শাস্তির বর্ণনা ছাড়া আমি আর কিছুই বুঝিনি।” (এটা ইমাম আব ইবনে হুমায়েদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)ইমাম বাগাভীও (রঃ) এ রিওয়াইয়াতটি আনয়ন করেছেন, তাতে এও রয়েছে যে, যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) আয়াতগুলো পাঠ করতে করতে ... (আরবী)-এ আয়াত পর্যন্ত পৌঁছলেন তখন উবা তাঁর পবিত্র মুখের উপর হাত রেখে দিলো এবং তাঁকে আল্লাহর কসম দিতে ও আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা স্মরণ করাতে লাগলো। অতঃপর সে সেখান হতে সরাসরি বাড়ীতে ফিরে গেল এবং বাড়ীতেই থাকতে লাগলো ও কুরায়েশদের সমাবেশে উঠাবসা ও যাতায়াত পরিত্যাগ করলো। এ দেখে আবু জেহেল কুরায়েশদেরকে সম্বোধন করে বললোঃ “হে কুরায়েশদের দল! আমার ধারণা যে, উত্বও মুহাম্মাদ (সঃ)-এর দিকে ঝুঁকে পড়েছে এবং তথাকার পানাহারে মজে গেছে। সে তো অভাবীও ছিল। চলো, আমরা তার কাছে যাই।” অতঃপর তারা তার কাছে গমন করলো। আবু জেহেল তাকে বললোঃ “তুমি যে আমাদের কাছে যাতায়াত ছেড়ে দিয়েছো এর কারণ কি? আমার মনে হয় এর কারণ শুধু একটিই। তা এই যে, মুহাম্মাদ (সঃ)-এর দস্তরখানা তোমার পছন্দ হয়ে গেছে এবং তুমিও তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে। অভাব খুবই খারাপ জিনিস। আমি মনে করছি যে, আমরা পরস্পরের মধ্যে চাঁদা উঠিয়ে তোমার আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল করে দিবো, যাতে তুমি এই বিপদ ও লাঞ্ছনা হতে মুক্তি পেতে পারো এবং মুহাম্মাদ (সঃ)-এর ও তার নতুন মাযহাবের তোমার কোন প্রয়োজন না হয়। তার একথা শুনে উবা ভীষণ রাগান্বিত হয় এবং বলে ওঠেঃ “মুহাম্মাদ (সঃ)-এর আমার কি প্রয়োজন? আল্লাহর শপথ! আমি তার সাথে আর কখনো কথা বলতে যাবো না। তুমি আমার সম্পর্কে এমন অপমানকর মন্তব্য করলে? অথচ তুমি তো জান যে, কুরায়েশদের মধ্যে আমার চেয়ে বড় ধনী আর কেউ নেই! ব্যাপার এই যে, তোমাদের সবারই কথায় আমি তার কাছে গিয়েছিলাম এবং সব ঘটনা খুলে বলেছিলাম। আমার কথার জবাবে সে যে কালাম পাঠ করেছে, আল্লাহর কসম! তা কবিতা নয়, গণকের কথা নয় এবং যাদু ইত্যাদিও নয়। যখন সে পড়তে পড়তে ... (আরবী) পর্যন্ত পৌঁছে তখন আমি তার মুখে হাত রেখে দিই এবং তাকে আত্মীয়তার সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে থেমে যেতে বলি। আমার ভয় হয় যে, না জানি হয়তো তখনই আমার উপর ঐ শাস্তি আপতিত হয় যে শাস্তি আ’দ ও সামূদ সম্প্রদায়ের উপর আপতিত হয়েছিল। আর এটা সর্বজন বিদিত যে, মুহাম্মাদ (সঃ) মিথ্যাবাদী নয়।” সীরাতে আবি ইসহাক গ্রন্থে এ ঘটনাটি অন্য ধারায় রয়েছে। তাতে রয়েছে যে, একদা কুরয়েশরা এক জায়গায় একত্রিত ছিল। রাসূলুল্লাহ (সঃ) খানায়ে কা’বার এক প্রান্তে বসেছিলেন। উত্বা কুরায়েশদেরকে বললোঃ “তোমাদের পরামর্শ হলে আমি মুহাম্মাদ (সঃ)-এর নিকট গমন করবো। তাকে বুঝাবো এবং কিছু লোভ দেখাবো। যদি সে লোভের বশবর্তী হয়ে কিছু চেয়ে বসে তবে আমরা তাকে তা দিয়ে দিবো এবং তার এ কাজ হতে তাকে বিরত রাখবো।” এটা হলো ঐ সময়ের ঘটনা, যখন হযরত হামযা (রাঃ) মুসলমান হয়ে গিয়েছিলেন এবং মুসলমানদের সংখ্যা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছিল ও দিন দিন বাড়তেই ছিল। উবার কথায় কুরায়েশরা সম্মত হয়ে যায়। সুতরাং সে রাসূলুল্লাহ্ (সঃ)-এর নিকট এসে বলতে শুরু করেঃ “হে আমার ভ্রাতুস্পুত্র! তুমি সম্ভ্রান্ত বংশের লোক। তুমি আমাদেরই একজন। তুমি হলে আমাদের চোখের তারা এবং আমাদের কলিজার টুকরা। বড়ই দুঃখের বিষয় যে, তুমি তোমার কওমের কাছে একটি নতুন বিস্ময়কর জিনিস আনয়ন করেছে এবং তাদের দলে ভাঙ্গন সৃষ্টি করে দিয়েছে। তাদের জ্ঞানীদেরকে নির্বোধ বলছে, তাদের মা’বৃদদের প্রতি দোষারোপ করছে এবং তাদের দ্বীনকে খারাপ বলতে শুরু করেছে। আর তাদের বুড়োদেরকে কাফির বলছো। এখন জেনে রেখো যে, আজ আমি তোমার কাছে একটা শেষ ফায়সালার জন্যে এসেছি। তোমার কাছে আমি কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করছি। এগুলোর মধ্যে যেটা ইচ্ছা তুমি গ্রহণ কর এবং আল্লাহর ওয়াস্তে এই হাঙ্গামার পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে দাও।” তার একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বললেন:“তুমি যা বলতে চাও বল, আমি শুনছি।” সে বলতে শুরু করলোঃ “দেখো, তোমার এই চাল দ্বারা যদি মাল জমা করার ইচ্ছা থাকে তবে আমরা সবাই মিলে তোমার জন্যে এতো বেশী মাল জমা করে দিচ্ছি যে, সমস্ত কুরায়েশের মধ্যে তোমার চেয়ে বড় মালদার আর কেউ হবে না। আর যদি নেতৃত্বের ইচ্ছা করে থাকো তবে আমরা সবাই মিলে তোমার নেতৃত্ব মেনে নিচ্ছি। যদি তোমার বাদশাহ্ হওয়ার ইচ্ছা থাকে তবে সারা রাজ্য আমরা তোমাকে সমর্পণ করছি এবং আমরা সবাই তোমার প্রজা হয়ে যাচ্ছি। আর যদি তোমাকে জ্বিনে ধরে থাকে তবে আমরা আমাদের মাল খরচ করে বড় বড় ডাক্তার ও ঝাড়-ফুককারীদের ডেকে তোমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। অনেক সময় এমন ঘটে থাকে যে, অনুগত জ্বিন তার আমলকারীর উপর বিজয়ী হয়ে যায়। তখন এই ভাবে তার থেকে মুক্তি লাভ করতে হয়।”অতঃপর উত্বা নীরব হলো। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বললেনঃ “তোমার কথা বলা শেষ হয়েছে কি?” সে জবাব দিলোঃ “হ্যা।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন বললেনঃ “তাহলে এখন আমার কথা শুন।” সে তাঁর কথায় কান লাগিয়ে দিলো। তিনি (আরবী) বলে এই সূরাটি তিলাওয়াত শুরু করলেন এবং উত্বা আদবের সাথে শুনতে থাকলো। শেষ পর্যন্ত তিনি সিজদার আয়াত পাঠ করলেন এবং সিজদা করলেন। অতঃপর বললেনঃ “হে আবুল ওয়ালীদ।আমার যা বলার ছিল তা আমি বললাম। এখন তোমার মনে যা হয় তাই তুমি কর।” উবা সেখান হতে উঠে তার সাথীদের কাছে চলে গেল। তারা তার চেহারা দেখেই বলতে লাগলো যে, উহ্বার অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করলোঃ “ব্যাপার কি?” উত্তরে সে বললোঃ “আল্লাহর শপথ! আমি এমন কথা শুনেছি যা ইতিপূর্বে কখনো শুনিনি। কসম আল্লাহর! ওটা যাদুও নয়, কবিতাও নয় এবং গণকদের কথাও নয়। হে কুরায়েশদের দল! শুনো, তোমরা আমার কথা মেনে নাও। তাকে তার ধারণার উপর ছেড়ে দাও। তার আনুকূল্যও করো না এবং বিরোধিতাও করো না। সে যা কিছু বলছে ও দাবী করছে সে ব্যাপারে সারা আরব তার বিরোধী হয়ে গেছে। তারা তার বিরুদ্ধে তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করছে। তারা যদি তার উপর বিজয় লাভ করে তবে তো। সহজেই তোমরা তার থেকে পরিত্রাণ পেয়ে যাবে। আর যদি সে-ই তাদের উপর। বিজয়ী হয়ে যায় তবে তার রাজ্যকে তোমাদেরই রাজ্য বলা হবে এবং তার মর্যাদা হবে তোমাদেরই মর্যাদা। আর তোমরাই হবে তার নিকট সবেচেয়ে বেশী গৃহীত।” তার এই কথা শুনে কুরায়েশরা বললোঃ “হে আবুল ওয়ালীদ! আল্লাহর কসম! মুহাম্মাদ (সঃ) তোমার উপর যাদু করে ফেলেছে।” সে জবাব দিলোঃ “দেখো, আমার অভিমত আমি তোমাদের নিকট পেশ করে দিলাম। এখন তোমাদের যা ইচ্ছা হয় তা-ই কর।”

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengarkan, Cari, dan Renungkan Al Quran

Quran.com adalah platform tepercaya yang digunakan jutaan orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengarkan, dan merefleksikan Al-Qur'an dalam berbagai bahasa. Platform ini menyediakan terjemahan, tafsir, tilawah, terjemahan kata demi kata, dan berbagai alat untuk pembelajaran yang lebih mendalam, sehingga Al-Qur'an dapat diakses oleh semua orang.

Sebagai sebuah Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang-orang terhubung secara mendalam dengan Al-Qur'an. Didukung oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi nirlaba 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai referensi yang sangat bernilai dan gratis untuk semua orang, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Qur'an
Qari
Tentang Kami
Pengembang
Pengkinian Produk
Beri Masukan
Bantuan
Proyek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyek nirlaba yang dimiliki, dikelola, atau disponsori oleh Quran.Foundation
Link populer

Ayat Kursi

Surah Yasin

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahfi

Surah Al Muzzammil

Peta situsKerahasiaanSyarat dan Ketentuan
© 2026 Quran.com. Hak Cipta Terlindungi