Masuk
🚀 Ikuti Tantangan Ramadan kami!
Pelajari lebih lanjut
🚀 Ikuti Tantangan Ramadan kami!
Pelajari lebih lanjut
Masuk
Masuk
4:40
ان الله لا يظلم مثقال ذرة وان تك حسنة يضاعفها ويوت من لدنه اجرا عظيما ٤٠
إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَظْلِمُ مِثْقَالَ ذَرَّةٍۢ ۖ وَإِن تَكُ حَسَنَةًۭ يُضَـٰعِفْهَا وَيُؤْتِ مِن لَّدُنْهُ أَجْرًا عَظِيمًۭا ٤٠
اِنَّ
اللّٰهَ
لَا
يَظۡلِمُ
مِثۡقَالَ
ذَرَّةٍ​ ۚ
وَاِنۡ
تَكُ
حَسَنَةً
يُّضٰعِفۡهَا
وَيُؤۡتِ
مِنۡ
لَّدُنۡهُ
اَجۡرًا
عَظِيۡمًا‏
٤٠
Sungguh, Allah tidak akan menzalimi seseorang walaupun sebesar zarah,1 dan jika ada kebajikan (sekecil zarah), niscaya Allah akan melipatgandakannya dan memberikan pahala yang besar dari sisi-Nya.
Tafsir
Pelajaran
Refleksi
Jawaban
Qiraat
Anda sedang membaca tafsir untuk kelompok ayat dari 4:40 hingga 4:42

৪০-৪২ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা বলেন-“তিনি কারও উপর অত্যচার করেন না, কারও পুণ্য নষ্ট করেন না, আরও বৃদ্ধি করে তার পুণ্য ও প্রতিদান কিয়ামতের দিন দান করবেন। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছে (আরবী) অর্থাৎ আমি ন্যায় বিচারের দাঁড়িপাল্লা রাখবো।' (২১:৪৭) আল্লাহ তা'আলা আরও বলেন যে, হযরত লোকমান (আঃ) স্বীয় পুত্রকে বলেন (আরবী) অর্থাৎ বাছা! যদি কোন জিনিস সরিষার দানার সমানও হয় এবং তা কোন পাথরে বা আকাশসমূহ অথবা পৃথিবীর মধ্যে থাকে, আল্লাহ তা আনয়ন করবেন, নিশ্চয়ই তিনি সুক্ষ্মদর্শী ও অভিজ্ঞ।' (৩১:১৬) আর এক জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেন (আরবী) অর্থাৎ সে দিন মানুষ বিভিন্ন অবস্থায় ফিরে আসবে যেন তাদেরকে তাদের কার্যাবলী দেখানো হয়, অতএব সে অণুপরিমাণও যা সকাজ করেছে তা দেখতে পাবে এবং অণুপরিমাণও যা মন্দ কাজ করেছে তাও দেখতে পাবে।' (৯৯:৬-৮)সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের শাফ‘আতযুক্ত সুদীর্ঘ হাদীসে রয়েছেঃ অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলবেন, ফিরে এসো এবং যার অন্তরে সরিষার দানার সমানও ঈমান দেখ তাকে জাহান্নাম হতে বের করে আন। সুতরাং বহু মাখলুক জাহান্নাম হতে মুক্তি পাবে। হযরত আবূ সাঈদ (রাঃ) এ হাদীসটি বর্ণনা করে বলতেন, “তোমরা ইচ্ছা করলে কুরআন কারীমের (আরবী)-এ আয়াতটি পাঠ করে নাও।মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার কোন দাস বা দাসীকে আনয়ন করা হবে এবং একজন আহ্বানকারী হাশরের ময়দানের সমস্ত লোককে শুনিয়ে উচ্চৈঃস্বরে বলবেন, এ হচ্ছে অমুকের পুত্র অমুক। যে কারও প্রাপ্য তার জিম্মায় রয়েছে সে যেন এসে নিয়ে যায়। সেদিন অবস্থা এই হবে যে, স্ত্রীলোক চাইবে তার কোন প্রাপ্য পিতার উপর, মাতার উপর, ভ্রাতার উপর বা স্বামীর উপর থাকলে সে দৌড়িয়ে এসে নিয়ে যাবে। অতঃপর তিনি (আরবী) (২৩:১০১)-এ আয়াতটি পাঠ করেন। অর্থাৎ সেদিন বংশ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকবে না এবং তারা পরস্পর জিজ্ঞাসাবাদও করবে না। আল্লাহ তাআলা স্বীয় হক ইচ্ছেমত ক্ষমা করবেন। কিন্তু মানুষের প্রাপ্য ক্ষমা করবেন না। যখন দাবীদারগণ এসে যাবে তখন তাকে বলা হবে, তাদের প্রাপ্য আদায় কর। সে তখন বলবে, দুনিয়াতে শেষ হয়ে গেছে, আজ আমার হাতে কি রয়েছে যে, তা আমি দেবো? অতএব তার সৎ কার্যাবলী নেয়া হবে এবং দাবীদারদেরকে দেয়া হবে ।এভাবেই প্রত্যেকের প্রাপ্য আদায় করা হবে। এখন লোকটি যদি আল্লাহভক্ত হয় তবে তার কাছে এক সরিষার দানা পরিমাণ পুণ্য অবশিষ্ট থাকলেও আল্লাহ তা'আলা ওকে বৃদ্ধি করতঃ শুধুমাত্র ওরই উপর ভিত্তি করে তাকে জান্নাতে নিয়ে যাবেন। অতঃপর তিনি (আরবী)-এ আয়াতটি পাঠ করেন। আর যদি লোকটি আল্লাহভক্ত না হয়, বরং পাপী ও দুরাচার হয় তবে তার অবস্থা এই হবে যে, ফেরেশতাগণ বলবেন-‘হে। আল্লাহ! তার পুণ্যগুলো শেষ হয়ে গেছে কিন্তু এখনও দাবীদারগণ বাকী রয়েছে।তখন নির্দেশ দেয়া হবে-দাবীদারদের পাপগুলো তার উপর চাপিয়ে দাও। অতঃপর তাকে জাহান্নামে প্রবিষ্ট কর।' এ মাওকুফ হাদীসটির কিছু কিছু ‘শাওয়াহিদ' মারফু হাদীসেও বিদ্যমান রয়েছে। মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমে হযরত উমার (রাঃ)-এর উক্তি রয়েছে (আরবী)-এ আয়াতটি মরুচারী আরবদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়। এর উপর তাঁকে প্রশ্ন করা হয় তাহলে মুহাজিরদের ব্যাপারে কোন আয়াতটি অবতীর্ণ হয়? তিনি উত্তরে বলেনঃ এর চেয়ে উত্তম (আরবী)-এ আয়াতটি। হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর (রঃ) বলেন যে, আল্লাহ তা'আলার (আরবী)-এ উক্তি হিসেবে এর কারণে মুশরিকেরও শাস্তি কম করা হবে। হ্যা, তবে জাহান্নাম হতে তো বের হবেই না। যেমন সহীহ হাদীসে রয়েছে যে, হযরত আব্বাস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনার চাচা আবু তালিব আপনার আশ্রয়দাতা ছিলেন। তিনি আপনাকে লোকদের কষ্ট দেয়া হতে রক্ষা করতেন এবং আপনার পক্ষ হতে তাদের সাথে যুদ্ধ করতেন, তাহলে তার কোন লাভ হবে কি? রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ হ্যা, তিনি খুব অল্প আগুনের মধ্যে রয়েছেন। যদি আমার এ সম্পর্ক না থাকতো তবে তিনি জাহান্নামের একেবারে নিম্ন তলায় থাকতেন।কিন্তু খুব সম্ভব এ উপকার শুধুমাত্র আবু তালিবের জন্যেই নির্দিষ্ট। অন্যান্য কাফির এ হুকুমের অন্তর্ভুক্ত নয়। কেননা, মুসনাদ-ই-তায়ালেসীর হাদীসে রয়েছে যে, আল্লাহ মুমিনের কোন পুণ্যের উপর অত্যাচার করেন না। দুনিয়ায় খাওয়া-পরা ইত্যাদির আকারে ওর প্রতিদান পেয়ে থাকে এবং আখিরাতে সওয়াবের আকারে ওর প্রতিদান পাবে। হ্যাঁ, তবে কাফির তো তার পুণ্য দুনিয়াতেই খেয়ে নেয়। সুতরাং কিয়ামতের দিন তার নিকটে কোন পুণ্যই থাকবে না।এ আয়াতে (আরবী)-এর ভাবার্থ হচ্ছে জান্নাত। আমরা আল্লাহ পাকের নিকট জান্নাত যাজ্ঞা করছি। মুসনাদ-ই-আহমাদের একটি গারীব হাদীসে রয়েছে, হযরত আবু উসমান (রঃ) বলেন, আমি সংবাদ পাই যে, আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা স্বীয় মুমিন বান্দাকে একটি পুণ্যের বিনিময়ে এক লক্ষ পুণ্য দান করে থাকেন। আমার বড়ই বিস্ময় বোধ হয় এবং আমি বলি- আমি তো তোমাদের সবার চাইতে অধিক হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর খিদমতে থেকেছি। আমি তো কখনও তাঁর নিকট এ হাদীসটি শুনিনি। তখন আমি দৃঢ় সংকল্প করে ফেলি যে, আমি নিজেই গিয়ে হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতঃ এটা জিজ্ঞেস করে আসবো।অতএব আমি সফরের আসবাবপত্র ঠিক করে নিয়ে এ বর্ণনাটির সত্যতা নিরূপণের জন্যে যাত্রা শুরু করি। আমি জানতে পারি যে, তিনি হজ্বে গিয়েছেন। আমিও হজ্বের নিয়ত করে তথায় পৌছি। তার সাথে সাক্ষাৎ হলে তাকে জিজ্ঞেস করি, হে আবু হুরাইরা (রাঃ)! আমি শুনেছি যে, আপনি এরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। এটা কি সত্য? তিনি তখন বলেন, “তুমি কি এতে বিস্ময় বোধ করছো? তুমি কি কুরআন কারীম পাঠ করনি যে, আল্লাহ তা'আলা বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেয়, আল্লাহ তাকে তা বহুগুণে বৃদ্ধি করে দিয়ে থাকেন।অন্য আয়াতে রয়েছে, (আরবী) অর্থাৎ “পরকালের তুলনায় ইহকালের জগতের আসবাবপত্র খুবই অল্প।” (৯:৩৮) আল্লাহর শপথ! আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ) হতে শুনেছিঃ ‘একটি পুণ্যকে বৃদ্ধি করে ওর বিনিময়ে দু’ লক্ষ পুণ্য প্রদান করবেন।' এ হাদীসটি অন্যান্য পন্থায়ও বর্ণিত আছে।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের ভয়াবহতার বর্ণনা দিচ্ছেন যে, সেদিন নবীগণকে সাক্ষী রূপে পেশ করা হবে। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছে (আরবী) অর্থাৎ “পৃথিবী স্বীয় প্রভুর আলোকে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, আমলনামা দেয়া হবে এবং নবীদেরকে ও সাক্ষীদেরকে আনয়ন করা হবে।” (৩৯:৬৯) অন্য এক জায়গায় ঘোষণা করা হয়েছে (আরবী) অর্থাৎ সেই দিন প্রত্যেক উম্মতের উপর আমি তাদেরই মধ্য হতে সাক্ষী প্রেরণ করবো। (১৬:৮৯) সহীহ বুখারী শরীফে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)-কে বলেন, “আমাকে কিছু কুরআন কারীম পাঠ করে শুনাও।” হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) তখন বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমি আপনাকে কুরআন কারীম পাঠ করে কি শুনাবো? কুরআন কারীম তো আপনার উপরই অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেনঃ হ্যা, কিন্তু আমি অন্যের নিকট হতে শুনতে চাই।' হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, “আমি তখন সূরা নিসা পাঠ করতে আরম্ভ করি। পড়তে পড়তে যখন আমি। (৪:৪১) (আরবী)-এ আয়াতটি পাঠ করি তখন তিনি বলেনঃ যথেষ্ট হয়েছে। আমি দেখি যে, তার চক্ষু অশ্রুসিক্ত ছিল।”হযরত মুহাম্মাদ ইবনে ফুযালা আনসারী (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বানী যুক্র গোত্রের নিকট আগমন করেন এবং সে পাথরের উপর বসে পড়েন যা এখন পর্যন্ত সে মহল্লায় বিদ্যমান রয়েছে। তার সাথে হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ), হযরত মুয়াম্ ইবনে জাবাল (রঃ) এবং অন্যান্য সাহাবীও ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) একজন কারীকে বলেনঃ “কুরআন কারীম পাঠ কর।” তিনি পড়তে পড়তে যখন উক্ত আয়াত পর্যন্ত পৌঁছেন তখন তিনি এত ক্রন্দন করেন। যে, তাঁর গণ্ডদেশ এবং শত্রু সিক্ত হয়ে যায় এবং তিনি আরয করেনঃ “হে আমার প্রভু! আমি যাদের সামনে রয়েছি তাদের উপর আমার সাক্ষ্য দান সম্ভব, কিন্তু যাদেরকে আমি দেখিনি তাদের ব্যাপারে কিরূপে এটা সম্ভব? (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম)।তাফসীর-ই-ইবনে জারীরে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “আমি তাদের উপর সাক্ষী আছি যতদিন পর্যন্ত আমি তাদের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছি। অতঃপর যখন আপনি আমাকে মৃত্যু দান করবেন তখন আপনিই তাদের উপর রক্ষক।” হযরত আবু আবদুল্লাহ কুরতুবী স্বীয় পুস্তক তাজকেরা’য় একটি পরিচ্ছেদ করেছেনঃ 'নবী (সঃ)-এর স্বীয় উম্মতের উপর সাক্ষ্য দেয়ার ব্যাপারে যা এসেছে। তাতে তিনি হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়াবের এ উক্তি এনেছেন যে, সকাল সন্ধ্যায় নবী (সঃ)-এর উপর তাঁর উম্মতের কার্যাবলী তাদের নামসহ পেশ করা হয়। সুতরাং তিনি কিয়ামতের দিন তাদের উপর সাক্ষ্য দান করবেন। অতঃপর তিনি এ আয়াতটি পাঠ করেন। কিন্তু প্রথমতঃ এটা হযরত সাঈদ (রঃ)-এর নিজের উক্তি। দ্বিতীয়তঃ এর সনদে ইনকিতা (বর্ণনাকারীদের যোগসূত্র ছিন্ন হওয়াকে ‘ইনকিতা’ বলে) রয়েছে। এতে একজন বর্ণনাকারী সন্দেহযুক্ত যার নামই নেই। তৃতীয়তঃ এ হাদীসটি মারফু’রূপে বর্ণনাই করেন না। হ্যাঁ, তবে ইমাম কুরতুবী (রঃ) এটাকে গ্রহণ করে থাকেন। হাদীসটি আনার পর তিনি বলেন, পূর্বে বর্ণিত হয়েছে যে, প্রত্যেক সোমবার ও বৃস্পতিবার আল্লাহ তা'আলার সামনে কার্যাবলী পেশ করা হয় এবং নবীদের উপর ও পিতা-মাতার উপর প্রতি শুক্রবার হাযির করা হয়, আর এতে কোন তা'আরু বা পরস্পর বিরোধ নেই। কাজেই সম্ভবতঃ আমাদের নবী (সঃ)-এর কাছে প্রত্যেকদিন এবং অন্যান্য নবীদের কাছে প্রতি শুক্রবার উম্মতের কার্যাবলী পেশ করা হয়।আল্লাহ তা'আলা বলেন-সেদিন কাফিরেরা এবং রাসূল (সঃ)-এর অবাধ্যাচরণকারীরা আকাঙ্খা করবে যে, যদি যমীন ফেটে যেতো এবং তারা ওর ভেতরে প্রবেশ করতে পারতো এবং পরে মাটি সমতল হয়ে যেতো তবে কতইনা ভাল হতো! কেননা, তারা সেই দিন অসহ্য সন্ত্রাস, অপমান এবং শাসন-গর্জনে হতবুদ্ধি হয়ে পড়বে। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছে- (আরবী) অর্থাৎ যেদিন মানুষ সম্মুখে প্রেরিত কার্যাবলী স্বচক্ষে দেখে নেবে এবং কাফির বলবে- যদি আমি মাটি হয়ে যেতাম।' (৭৮:৪০)অতঃপর বলা হচ্ছে-‘তারা সেদিন এ সমস্ত কাজের কথা স্বীকার করে নেবে যা তারা দুনিয়ায় করেছিল এবং একটি কথাও তারা গোপন করতে পারবে না।' তাফসীর-ই-ইবনে জারীরে রয়েছে, হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একটি লোক হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, কুরআন কারীমের এক জায়গায় তো রয়েছে- (আরবী) অর্থাৎ আমাদের প্রভু আল্লাহর শপথ! আমার মুশরিক ছিলাম না। (৬৪২৩) অন্য স্থানে রয়েছে- (আরবী) অর্থাৎ তারা আল্লাহর নিকট কোন কথাই গোপন করবে না। এ দু'টি আয়াতের ভাবার্থ কি?হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, মুশরিকরা যখন দেখবে যে, মুসলমান ছাড়া কেউই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না তখন তারা পরস্পর বলাবলি করবে- এস আমরা অস্বীকার করে বসি। তখন তারা বলবে- (আরবী) অতঃপর আল্লাহ তা'আলা তাদের মুখমণ্ডলের উপর মোহর লাগিয়ে দেবেন এবং তাদের হাতগুলো ও পাগুলো কথা বলতে থাকবে। তাই আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবী) মুসনদি-ই-আবদুর রাযযাকে রয়েছে যে, ঐ লোকটি এসে বলেন, কুরআন পাকের মধ্যে বহু জিনিস আমার নিকট বৈসাদৃশ ঠেকছে।' তখন হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ “তোমার উদ্দেশ্য কি? কুরআন কারীমের ব্যাপারে তোমার কি সন্দেহ রয়েছে? লোকটি বলেন, সন্দেহ তো নেই। কিন্তু আমার জ্ঞানে কুরআন পাকের মধ্যে বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে।' হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, যেখানে যেখানে তুমি বৈসাদৃশ্য মনে করছে এগুলো উল্লেখ কর তো। তখন লোকটি উপরোক্ত আয়াতদ্বয় পেশ করে বলেন, একটি দ্বারা গোপন করা প্রমাণিত হচ্ছে এবং অপরটি দ্বারা গোপন না করা প্রমাণিত হচ্ছে। তখন হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) এ উত্তর প্রদান করতঃ দু'টি আয়াতের আনুকূল্য বুঝিয়ে দেন।অন্য একটি বর্ণনায় প্রশ্নকারীর নামও এসেছে যে, তিনি ছিলেন হযরত নাফে' ইবনে আযাক (রঃ)। ঐ বর্ণনায় এও এসেছে যে, হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) লোকটিকে বলেন, আমার ধারণা এই যে, তুমি তোমার সঙ্গীদের নিকট হতে আসছে। সেখানেও হয় তো এ আলোচনা চলছিল। তুমি হয়তো বলেছে‘আমি হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করে আসছি। আমার ধারণা যদি সত্য হয় তবে যখন তুমি তাদের নিকট ফিরে যাবে তখন তাদেরকে সংবাদ দেবে যে, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন সমস্ত লোককে একই স্থানে একত্রিত করবেন। সে সময় মুশরিকরা বলবে, আল্লাহ তা'আলা একমাত্র একত্ববাদীদের ছাড়া কারও নিকট হতে কিছুই গ্রহণ করবেন না, কাজেই এসো আমরা অস্বীকার করি। অতঃপর আল্লাহ পাক তাদেরকে জিজ্ঞেস করবেন, তখন তারা বলবে- (আরবী) অর্থাৎ আল্লাহর শপথ। আমরা মুশরিক ছিলাম না। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা তাদের মুখের উপর মোহর লাগিয়ে দেবেন এবং তাদের হাতপা কথা বলবে ও তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, তারা মুশরিক ছিল। সে সময় তারা কামনা করবে যে, যেন ভূমণ্ডল তাদের সাথে সমতল হয় এবং আল্লাহ তা'আলার নিকট কোন কথাই তারা গোপন করতে পারবে না। এটা ইবনে জারীর (রঃ) বর্ণনা করেছেন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengarkan, Cari, dan Renungkan Al Quran

Quran.com adalah platform tepercaya yang digunakan jutaan orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengarkan, dan merefleksikan Al-Qur'an dalam berbagai bahasa. Platform ini menyediakan terjemahan, tafsir, tilawah, terjemahan kata demi kata, dan berbagai alat untuk pembelajaran yang lebih mendalam, sehingga Al-Qur'an dapat diakses oleh semua orang.

Sebagai sebuah Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang-orang terhubung secara mendalam dengan Al-Qur'an. Didukung oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi nirlaba 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai referensi yang sangat bernilai dan gratis untuk semua orang, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Qur'an
Qari
Tentang Kami
Pengembang
Pengkinian Produk
Beri Masukan
Bantuan
Proyek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Proyek nirlaba yang dimiliki, dikelola, atau disponsori oleh Quran.Foundation
Link populer

Ayat Kursi

Surah Yasin

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahfi

Surah Al Muzzammil

Peta situsKerahasiaanSyarat dan Ketentuan
© 2026 Quran.com. Hak Cipta Terlindungi