Registrazione
🚀 Partecipa alla nostra sfida del Ramadan!
Scopri di più
🚀 Partecipa alla nostra sfida del Ramadan!
Scopri di più
Registrazione
Registrazione
11:44
وقيل يا ارض ابلعي ماءك ويا سماء اقلعي وغيض الماء وقضي الامر واستوت على الجودي وقيل بعدا للقوم الظالمين ٤٤
وَقِيلَ يَـٰٓأَرْضُ ٱبْلَعِى مَآءَكِ وَيَـٰسَمَآءُ أَقْلِعِى وَغِيضَ ٱلْمَآءُ وَقُضِىَ ٱلْأَمْرُ وَٱسْتَوَتْ عَلَى ٱلْجُودِىِّ ۖ وَقِيلَ بُعْدًۭا لِّلْقَوْمِ ٱلظَّـٰلِمِينَ ٤٤
وَقِيلَ
يَٰٓأَرۡضُ
ٱبۡلَعِي
مَآءَكِ
وَيَٰسَمَآءُ
أَقۡلِعِي
وَغِيضَ
ٱلۡمَآءُ
وَقُضِيَ
ٱلۡأَمۡرُ
وَٱسۡتَوَتۡ
عَلَى
ٱلۡجُودِيِّۖ
وَقِيلَ
بُعۡدٗا
لِّلۡقَوۡمِ
ٱلظَّٰلِمِينَ
٤٤
E fu detto: «O terra, inghiotti le tue acque; o cielo, cessa!». Fu risucchiata l’acqua, il decreto fu compiuto e quando [l’Arca] si posò sul [monte] al-Jûdî 1fu detto: «Scompaiano gli empi!» 2.
Tafsir
Lezioni
Riflessi
Risposte
Qiraat

আল্লাহ তাআ’লা সংবাদ দিচ্ছেন যে, নৌকার আরোহীরা ছাড়া যখন সমস্ত যমীনবাসীকে ডুবিয়ে দেন তখন তিনি যমীনকে পানি শোষণ করে নেয়ার নির্দেশ দেন যা ওর মধ্য হতে উথলিয়ে উঠেছিল এবং আসমানকেও তিনি বর্ষণ বন্ধ করার হুকুম করেন। ফলে পানি কমতে শুরু করে এবং কাজও সমাপ্ত হয়ে যায়। অর্থাৎ সমস্ত কাফির ধ্বংস হয়ে যায় রক্ষা পায় শুধু নৌকার মুমিনমু’মিন আরোহীরা। আল্লাহ তাআ’লার নির্দেশক্রমে নৌকাটি জূদীর উপর গিয়ে থেমে যায়। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, জূদী হচ্ছে জয়ীরায় অবস্থিত একটি পাহাড়। সমস্ত পাহাড়কে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল। শুধু এই পাহাড়টি নিজের বিনয় ও মিনতি প্রকাশের কারণে ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছিল। এখানেই নৌকাটি নোঙ্গর করে। হযরত কাতাদা’ (এটা ইবনু আবি হা’তিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন) (রঃ) বলেন যে, একমাস পর্যন্ত নৌকাটি এখানেই থাকে এবং সমস্ত লোক ওর উপর হতে অবতরণ করে। জনগণের উপদেশ গ্রহণের উপকরণ হিসেবে নৌকাটি এখানেই সম্পূর্ণ অক্ষয় ও নিরাপদ অবস্থায় থাকে এমনকি এই উম্মতের পূর্বযুগীয় লোকেরাও এটাকে দেখেছিল। অথচ এরপরে কোটি কোটি ভাল ও শক্ত নৌকা তৈরি হয় এবং নষ্ট হয়ে যায় বরং ভষ্ম ও মৃত্তিকায় পরিণত হয়। যহ্‌হাক (রঃ) বলেন যে, জূদী নামক পাহাড়টি মুসিলে রয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে, তুর পাহাড়কেই জূদীও বলে।নাওবা ইবনু সা'লিম (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি যার ইবনু হাবীশকে (রঃ) দেখি যে, যখন কুন্দার দরজা দিয়ে তিনি প্রবেশ করেন তখন ডান দিকের কোণে নামাজ পড়ে থাকেন। তাই আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করিঃ জুমআ’র দিন আপনি অধিকাংশ সময় এখানেই নামাজ পড়ে থাকেন, এর কারণ কি? উত্তরে তিনি বলেনঃ “নূহের (আঃ) নৌকাটি এখানেই লেগেছিল (তাই, আমি এখানে নামায পড়ে থাকি)। হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নৌকায় হযরত নূহের (আঃ) সাথে পরিবারবর্গ সহ মোট আশি জন লোক ছিলেন। একশ’ পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত তাঁরা সবাই নৌকাতেই ছিলেন আল্লাহ তাআ’লা নৌকার মুখ মক্কা শরীফের দিকে ফিরিয়ে দেন। এখানে তাঁরা চল্লিশ দিন পর্যন্ত বায়তুল্লাহ শরীফের তাওয়াফ করতে থাকেন। অতঃপর আল্লাহ তাআ’লা ওটাকে জূদীর দিকে চালিয়ে দেন। সেখানে ওটা থেমে যায়। স্থলের খবর নেয়ার জন্যে হযরত নূহ (আঃ) কাককে প্রেরণ করেন। কিন্তু ঐ কাকটি একটি মৃতদেহ খেতে শুরু করে। ফলে তার ফিরে আসতে খুবই বিলম্ব হয়। তখন তিনি একটি কবুতরকে প্রেরণ করেন। কবুতরটি তার ঠোঁটে যায়তুন গাছের পাতা এবং পায়ে মাটি নিয়ে ফিরে আসে। এ দেখে হযরত নূহ (আঃ) বুঝতে পারেন যে, পানি শুকিয়ে গেছে এবং যমীন প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং তিনি জূদীর নিচে অবতরণ করে সেখানে একটি বস্তির ভিত্তি স্থাপন করেন যাকে সামানীন বলা হয়। একদিন সকালে যখন সব ঘুম থেকে জাগরিত হন তখন দেখা যায় যে, প্রত্যেকের ভাষা পরিবর্তন হয়ে গেছে। ওগুলির মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ভাষা ছিল আরবী। একে অপরের ভাষা বুঝা অসম্ভব হয়ে পড়ে। হযরত নূহ (আঃ) তাঁদের সবার মধ্যে অনুবাদকের কাজ করছিলেন। তিনি একজনের ভাষা অপরজনকে বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। কারণ আল্লাহ তাআ’লা তাঁকে সমস্ত ভাষার জ্ঞান দান করেছিলেন।হযরত কা'ব ইবনু আহ্‌বার (রঃ) বলেন যে, হযরত নূহের (আ) নৌকাটি পূর্ব ও পশ্চিমের মাঝে চলাফেরা করছিল। তারপর জূদীর উপর গিয়ে থেমে যায়। হযরত কাতাদা’ (রঃ) প্রভৃতি গুরুজন বলেন যে, ১০ই রজব মুমিনমু’মিনরা ঐ নৌকায় আরোহণ করেছিলেন এবং পাঁচ মাস পর্যন্ত ওর উপরই অবস্থান করেন। তাদেরকে নিয়ে নৌকাটি জূদীর উপর একমাস ধরে থেমে থাকে। অবশেষে মুহাররম মাসের আশূরার দিন (১০ই মুহাররম) তাঁরা সবাই ওর উপর অবতরণ করেন। ইমাম ইবনু জারীর (রঃ) এই প্রকারেরই একটি মারফূ’ হাদীসও বর্ণনা করেছেন। সেই দিন তারা রোযাও রেখেছিলেন। এই সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআ’লাই সবচেয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন।হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, (একদা) নবী (সঃ) ইয়াহুদীদের কতকগুলি লোকের নিকট দিয়ে গমন করেন। ঐ দিন ছিল আশূরার দিন এবং ঐদিন তারা রোযা রেখেছিল। তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “এটা কেমন রোযা?” তারা উত্তরে বললো:“এটা এমন একদিন যেই দিনে আল্লাহ তাআ’লা হযরত মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে (নদীতে) ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছিলেন এবং ফিরআউন ও তার কওমকে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। আর এই দিনই হযরত নূহের (আঃ) নৌকা জূদীর উপর লেগেছিল। সুতরাং ঐ দিন এই দু’জন নবী আল্লাহ তাআ’লার কৃতজ্ঞতা প্রকাশার্থে রোযা রেখেছিলেন।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “আমিই তো হযরত মূসার (আঃ) বেশি হকদার এবং এই দিন রোযা রাখারও বেশি হকদার।” অতএব, তিনি ঐ দিন রোযা রাখেন এবং সাহাবীদেরকে বলেনঃ “তোমাদের মধ্যে যারা আজ রোযা রেখেছে তারা যেন এই রোযা পূর্ণ করে। আর যারা কিছু খেয়েছে তারা যেন এই দিনের বাকি অংশে আর কিছু না খায়।” (এই হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। এই রিওয়াইয়াতটি এই সনদে গরীব বা দুর্বল বটে, কিন্তু এর কতক অংশের সাক্ষী সহী-হাদীসেও বিদ্যমান রয়েছে)ইরশাদ হচ্ছেঃ ‘অন্যায়কারীরা আল্লাহর রহমত হতে দূরে। তারা সবাই ধ্বংস হয়ে যায়। কেউই রক্ষা পায় নাই। নবীর (সঃ) সহধর্মিনী হযরত আয়েশা (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “যদি আল্লাহ তাআ’লা হযরত নূহের (আঃ) কওমের কোন একজনের উপরও দয়া করতেন তবে শিশুর মাতার উপরই দয়া করতেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “নূহ (আঃ) তাঁর কওমের মধ্যে সাড়ে নয়শ' বছর অবস্থান করেন। তিনি একটি গাছ রোপণ করেছিলেন। একশ’ বছর ধরে গাছটি বড় হতে থাকে। তারপর তিনি গাছটি কেটে তক্তা বানিয়ে নৌকা নির্মাণ করতে শুরু করেন। লোকেরা উপহাস করে যে, স্থলে তিনি কেমন করে নৌকা চালাবেন? উত্তরে তিনি তাদেরকে বলেনঃ “সত্বরই তোমরা স্বচক্ষে দেখে নেবে।” যখন তিনি নৌকাটির নির্মাণকার্য শেষ করেন এবং পানি যমীন হতে উথলিয়ে উঠতে এবং আকাশ হতে বর্ষিতে শুরু করে, আর অলি-গলি ও রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হতে থাকে, তখন ঐ শিশুর মাতা, যার শিশুর প্রতি অসীম মমতা ও ভালবাসা ছিল, শিশুকে নিয়ে পর্বতের দিকে চলে গেল এবং তাড়াতাড়ি পর্বতের উপর চড়তে শুরু করলো। এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত উঠে দেখলো যে, পানি সেখানেও পৌঁছে গেছে তখন সে চূড়ায় উঠে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো। কিন্তু পানি সেখানে পৌঁছে গেল। যখন স্কন্ধ পর্যন্ত পানি হয়ে গেল তখন সে শিশুটিকে দু'হাতে নিয়ে উপর দিকে উঁচু করে ধরলো। কিন্তু পানি সেখানেও পৌঁছে গেল এবং মা ও শিশু উভয়েই পানিতে ডুবে গেল। সুতরাং সেই দিন যদি কোন কাফিরই রক্ষা পেতো তবে আল্লাহ তাআ’লা ঐ শিশুর মাতার উপর রহমত করতেন।” (এই হাদীসটি তাফসীরে ইবনে জারীর ও তাফসীরে ইবনে আবি হাতিমে বর্ণিত হয়েছে। এই সনদে এটা গরীব বা দুর্বল। কাবুল আহবার (রঃ) ও মুজাহিদ ইবনু জুবাইর (রঃ) হতেও শিশু ও তার মাতার ঘটনাটি এভাবেই বর্ণিত হয়েছে)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Leggi, ascolta, cerca e rifletti sul Corano

Quran.com è una piattaforma affidabile utilizzata da milioni di persone in tutto il mondo per leggere, cercare, ascoltare e riflettere sul Corano in diverse lingue. Offre traduzioni, tafsir, recitazioni, traduzioni parola per parola e strumenti per uno studio più approfondito, rendendo il Corano accessibile a tutti.

In qualità di Sadaqah Jariyah, Quran.com si impegna ad aiutare le persone a entrare in contatto profondo con il Corano. Supportato da Quran.Foundation , un'organizzazione no-profit 501(c)(3), Quran.com continua a crescere come risorsa gratuita e preziosa per tutti, Alhamdulillah.

Navigare
Casa
Radio del Corano
Recitatori
Chi siamo
Sviluppatori
Aggiornamenti del prodotto
Feedback
Aiuto
I nostri progetti
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Progetti senza scopo di lucro posseduti, gestiti o sponsorizzati da Quran.Foundation
Link popolari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Mappa del sitoPrivacyTermini e Condizioni
© 2026 Quran.com. Tutti i diritti riservati