Registrazione
🚀 Partecipa alla nostra sfida del Ramadan!
Scopri di più
🚀 Partecipa alla nostra sfida del Ramadan!
Scopri di più
Registrazione
Registrazione
4:35
وان خفتم شقاق بينهما فابعثوا حكما من اهله وحكما من اهلها ان يريدا اصلاحا يوفق الله بينهما ان الله كان عليما خبيرا ٣٥
وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَٱبْعَثُوا۟ حَكَمًۭا مِّنْ أَهْلِهِۦ وَحَكَمًۭا مِّنْ أَهْلِهَآ إِن يُرِيدَآ إِصْلَـٰحًۭا يُوَفِّقِ ٱللَّهُ بَيْنَهُمَآ ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرًۭا ٣٥
وَإِنۡ
خِفۡتُمۡ
شِقَاقَ
بَيۡنِهِمَا
فَٱبۡعَثُواْ
حَكَمٗا
مِّنۡ
أَهۡلِهِۦ
وَحَكَمٗا
مِّنۡ
أَهۡلِهَآ
إِن
يُرِيدَآ
إِصۡلَٰحٗا
يُوَفِّقِ
ٱللَّهُ
بَيۡنَهُمَآۗ
إِنَّ
ٱللَّهَ
كَانَ
عَلِيمًا
خَبِيرٗا
٣٥
Se temete la separazione di una coppia, convocate un arbitro della famiglia di lui e uno della famiglia di lei. Se [i coniugi] vogliono riconciliarsi, Allah ristabilirà l’intesa tra loro. Allah è saggio e ben informato 1 .
Tafsir
Lezioni
Riflessi
Risposte
Qiraat

উপরে ঐ অবস্থার কথা বর্ণনা করা হয়েছে যে, অবাধ্যতা ও বক্রতা যদি স্ত্রীর পক্ষ হতে হয়। আর এখানে ঐ অবস্থার বর্ণনা দেয় হচ্ছে যে, যদি স্বামী-স্ত্রী উভয়েই একে অপরের প্রতি বিরূপ মত পোষণ করে তবে কি করতে হবে? এ ব্যাপারে উলামা-ই-কিরাম বলেন যে, এরূপ অবস্থায় শাসনকর্তা একজন নির্ভরযোগ্য ও বুদ্ধিমান বিচারক নিযুক্ত করবেন। যিনি দেখবেন যে, অত্যাচার ও বাড়াবাড়ি কার পক্ষ হতে হচ্ছে। অতঃপর তিনি অত্যাচারীকে অত্যাচার হতে বাধা দান করবেন। যদি এর দ্বারা কোন সন্তোষজনক ফল পাওয়া না যায় তবে শাসনকর্তা স্ত্রীর পক্ষ হতে একজন ও পুরুষের পক্ষ হতে একজন বিচারক নির্ধারণ করবেন এবং তাঁরা দুজন মিলিতভাবে বিষয়টি যাচাই করে দেখবেন। অতঃপর যাতে তারা মঙ্গল বিবেচনা করবেন সে মীমাংসাই করবেন। অর্থাৎ হয় তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ আনয়ন করবেন, না হয় মিলন ঘটিয়ে দেবেন। কিন্তু শরীয়তের প্রচারক (সঃ) তো ঐ কাজের দিকেই আগ্রহ উৎপাদন করেছেন যে, তাঁরা যেন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলন ঘটাবারই যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। বিচারকদ্বয়ের যাচাইয়ে যদি স্বামীর দিক হতে অন্যায় প্রমাণিত হয় তবে তারা এ স্ত্রীকে তার স্বামী হতে পৃথক করে রাখবেন এবং স্বামীকে বাধ্য করবেন যে, সে। যেন তার চরিত্র ভাল না করা পর্যন্ত স্বীয় স্ত্রী হতে পৃথক থাকে এবং তার খরচ বহন করে। আর যদি দুষ্টামি স্ত্রীর দিক হতে প্রমাণিত হয় তবে তারা তার স্বামীকে খরচ বহন করতে বাধ্য করবেন না, বরং স্ত্রীকেই করবেন। অনুরূপভাবে যদি বিচারকদ্বয় তালাকের ফায়সালা করেন তবে স্বামী তালাক দিতে বাধ্য হবে। আর যদি তারা তাদের পরস্পরেই বসবাসের ফায়সালা করেন। তবে সেটাও তাদেরকে মানতে হবে। এমনকি হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) তো বলেন যে, সালিসদ্বয় যদি তাদেরকে একত্রীকরণের ফায়সালা করেন এবং সে ফায়সালা একজন মেনে নেয় ও অপরজন না মানে আর ঐ অবস্থাতেই একজনের মৃত্যু হয়ে যায় তবে যে সম্মত ছিল সে অসম্মত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হবে। কিন্তু যে অসম্মত ছিল সে সম্মত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হবে না। (তাফসীর-ই-ইবনে জারীর)এ রকমই একটি বিবাদে হযরত উসমান (রাঃ) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) এবং হযরত মু'আবিয়া (রাঃ)-কে সালিস নিযুক্ত করেন এবং তাদেরকে বলেন, তোমরা যদি তাদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে চাও তবে সংযোগ স্থাপিত হয়ে যাবে। আর যদি বিচ্ছেদ আনয়নের ইচ্ছে কর তবে বিচ্ছেদই হয়ে যাবে। একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, হযরত আকীল ইবনে আবু তালিব (রাঃ) হযরত ফাতিমা বিনতে উত্মা ইবনে রাবিআ’ (রাঃ)-কে বিয়ে করেন। হযরত ফাতিমা (রাঃ) হযরত আকীল (রাঃ)-কে বলেন, তুমি আমার নিকট আসবেও এবং আমি তোমার খরচও বহন করবো। তখন এই ঘটতে থাকে যে, হযরত আকীল (রাঃ) যখন হযরত ফাতিমা (রাঃ)-এর নিকট আসার ইচ্ছে করতেন তখন তিনি (ফাতিমা রাঃ) জিজ্ঞেস করতেন, উৎকী ইবনে রাধিকা এবং “শাইবা ইবনে রাবীআ' কোথায় রয়েছে? হযরত আকীল (রাঃ) বলতেন, “তোমার বাম পার্শ্বে জাহান্নামে রয়েছে। এতে হযরত ফাতিমা (রাঃ) কুপিতা হয়ে স্বীয় কাপড় ঠিক করে নিতেন (অর্থাৎ অনাবৃত দেহ বস্ত্রে আবৃত করতেন)। একদিন হযরত আকীল (রাঃ) হযরত উসমান (রাঃ)-এর নিকট এসে ঘটনাটি বর্ণনা করেন। হযরত উসমান (রাঃ) এতে হৈসে উঠেন এবং হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও হযরত মুআবিয়া (রাঃ)-কে তাদের সালিস নিযুক্ত করেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) তো বলছিলেন যে, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ আনয়ন করা হোক। কিন্তু হযরত মু'আবিয়া (রাঃ) বলেছিলেন, “আমি বান্ ‘আবদ-ই-মানাফের মধ্যে এ বিচ্ছেদ অপছন্দ করি। তখন তারা হযরত আকীল (রাঃ)-এর গৃহে আগমন করেন। এসে দেখেন যে, দরজা কন্ধ রয়েছে এবং স্বামী-স্ত্রী দু'জনই ভেতরে রয়েছেন। তখন তারা ফিরে আসেন।মুসনাদ-ই-আবদুর রাযযাকে রয়েছে যে, আলী (রাঃ)-এর খিলাফতকালে এক দম্পত্তি মনোমালিন্যের ঝগড়া নিয়ে হযরত আলী (রাঃ)-এর নিকট আগমন করেন। উভয়ের সাথে নিজ উভয় দল হতে একজন করে লোক বেছে নিয়ে তাদেরকে সালিস নিযুক্ত করেন। অতঃপর তিনি সালিসদ্বয়কে বলেন, “তোমাদের কাজ কি তা তোমরা জান কি? তোমাদের কাজ হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীকে একত্রিত করণ বা তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটান। একথা শুনে স্ত্রী বলে, আমি আল্লাহ তা'আলার সিদ্ধান্তের উপর সম্মত রয়েছি, সেটা হয় সংযোগ হোক, না হয় বিচ্ছেদই হোক। কিন্তু স্বামী বলে, বিচ্ছেদে আমি সম্মত নই। তাতে হযরত আলী (রাঃ) বলেন, না, না। আল্লাহর শপথ! তোমাকে দু'টোতেই সম্মত হতে হবে। অতএব, আলেমদের ইজমা হয়েছে যে, এরূপ অবস্থায় ঐ সালীসদ্বয়ের দু’টোরই স্বাধীনতা রয়েছে। এমনকি হযরত ইবরাহীম নাখঈ (রঃ) ৱলেন যে, তাঁরা ইচ্ছে করলে দু'টি বা তিনটি তালাকও দিতে পারেন। হযরত ইমাম মালিক (রঃ) হতেও এটাই বর্ণিত আছে। হ্যাঁ, তবে হযরত হাসান বসরী (রঃ) বলেন যে, তাদের একত্রিকরণের অধিকার রয়েছে বটে, কিন্তু বিচ্ছেদ করণের অধিকার নেই। হযরত কাতাদা (রঃ) এবং হযরত যায়েদ ইবনে আসলাম (রঃ)-এরও এটাই উক্তি। ইমাম আহমাদ (রঃ), আবু সাউর এবং (রঃ) দাউদেরও মাযহাব এটাই। তাদের দলীল হচ্ছে- (আরবী) যুক্ত আয়াতটি। কেননা, এতে বিচ্ছেদের উল্লেখ নেই। হ্যা, তবে যদি তাঁরা দু’জন দু’পক্ষ হতে ওয়াকীলু (উকিল) নির্বাচিত হন তবে অবশ্যই তাদের সংযোগ ও বিচ্ছেদ দু'টোরই অধিকার রয়েছে। আর এতে কারও বিরোধ নকল করা হয়নি। এটাও মনে রাখতে হবে যে, এ দু’জন সালীস শাসনকর্তার পক্ষ হতে নিযুক্ত হবেন এবং তার পক্ষ হতেই ফায়সালা করবেন, যদিও তাতে উভয়পক্ষ অসম্মত থাকে। অথরা সালীসদ্বয়, স্বামী ও স্ত্রীর পক্ষ হতে ওয়াকীল (উকিল) নির্বাচিত হবেন। জমহূরের মাযহাব হচ্ছে প্রথমটি। তাদের দলীল হচ্ছে এই যে, কুরআন হাকিম তাঁদের নাম ‘হাকাম রেখেছে এবং ‘হাকামে’র ফায়সালায় কেউ সন্তুষ্ট হোক আর অসন্তুষ্টই হোক সর্বাবস্থাতেই তাদের ফায়সালা শিরোধার্য।আয়াতের বাহ্যিক শব্দগুলো জমহুরের পক্ষেই রয়েছে। ইমাম শাফিঈ (রঃ)-এর নতুন উক্তি এটাই এবং ইমাম আবু হানিফা (রঃ) ও তাঁর সহচরদের এটাই উক্তি। দ্বিতীয় উক্তি যাদের তারা বলেন যে, যদি তারা ‘হাকামের অবস্থায় হতেন তবে. হযরত আলী (রাঃ) ঐ স্বামীকে কেন বললেন- তোমার স্ত্রী যখন দু' • অবস্থাকেই মেনে নিয়েছে তখন তুমি না মানলে তুমি মিথ্যবাদীরূপে সাব্যস্ত হবে। এ বিষয়ে আল্লাহ তা'আলারই জ্ঞান সবচেয়ে বেশী রয়েছে।ইমাম ইবনে বারুর (রঃ) বলেন, এ কথার উপর আলেমদের ইজমা হয়েছে যে, দু’জন সালীসের উক্তির মধ্যে যখন মতবিরোধ দেখা দেবে তখন অপরের উক্তির উপর কোন গুরুত্ব দেয়া হবে না। একথার উপরও ইজমা হয়েছে যে, যদি সালীসদ্বয় সংযোগ স্থাপন করতে চান তবে তাঁদের ফায়সালা কার্যকরী হবে। কিন্তু যদি তারা তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ, আনয়ন করতে চান তাহলেও তাদের সিদ্ধান্ত কার্যকরী হবে কি-না সে বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে। কিন্তু জমহুরের মাযহাব এটাই যে, সে সময়েও তাদের সিদ্ধান্ত কার্যকরী হবে যদিও তাদেরকে ওয়াকীল (উকিল) বানানো না হয়।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Leggi, ascolta, cerca e rifletti sul Corano

Quran.com è una piattaforma affidabile utilizzata da milioni di persone in tutto il mondo per leggere, cercare, ascoltare e riflettere sul Corano in diverse lingue. Offre traduzioni, tafsir, recitazioni, traduzioni parola per parola e strumenti per uno studio più approfondito, rendendo il Corano accessibile a tutti.

In qualità di Sadaqah Jariyah, Quran.com si impegna ad aiutare le persone a entrare in contatto profondo con il Corano. Supportato da Quran.Foundation , un'organizzazione no-profit 501(c)(3), Quran.com continua a crescere come risorsa gratuita e preziosa per tutti, Alhamdulillah.

Navigare
Casa
Radio del Corano
Recitatori
Chi siamo
Sviluppatori
Aggiornamenti del prodotto
Feedback
Aiuto
I nostri progetti
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Progetti senza scopo di lucro posseduti, gestiti o sponsorizzati da Quran.Foundation
Link popolari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Mappa del sitoPrivacyTermini e Condizioni
© 2026 Quran.com. Tutti i diritti riservati