Log masuk
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
Log masuk
Log masuk
19:26
فكلي واشربي وقري عينا فاما ترين من البشر احدا فقولي اني نذرت للرحمان صوما فلن اكلم اليوم انسيا ٢٦
فَكُلِى وَٱشْرَبِى وَقَرِّى عَيْنًۭا ۖ فَإِمَّا تَرَيِنَّ مِنَ ٱلْبَشَرِ أَحَدًۭا فَقُولِىٓ إِنِّى نَذَرْتُ لِلرَّحْمَـٰنِ صَوْمًۭا فَلَنْ أُكَلِّمَ ٱلْيَوْمَ إِنسِيًّۭا ٢٦
فَكُلِي
وَٱشۡرَبِي
وَقَرِّي
عَيۡنٗاۖ
فَإِمَّا
تَرَيِنَّ
مِنَ
ٱلۡبَشَرِ
أَحَدٗا
فَقُولِيٓ
إِنِّي
نَذَرۡتُ
لِلرَّحۡمَٰنِ
صَوۡمٗا
فَلَنۡ
أُكَلِّمَ
ٱلۡيَوۡمَ
إِنسِيّٗا
٢٦
"Maka makanlah dan minumlah serta bertenanglah hati dari segala yang merunsingkan. Kemudian kalau engkau melihat seseorang manusia, maka katakanlah: Sesungguhnya aku bernazar diam membisu kerana (Allah) Ar-Rahman; (setelah aku menyatakan yang demikian) maka aku tidak akan berkata-kata kepada sesiapapun dari kalangan manusia pada hari ini".
Tafsir
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 19:24 hingga 19:26

২৪-২৬ নং আয়াতের তাফসীর: (আরবী) এর দ্বিতীয় কিরআত (আরবী) ও রয়েছে। এই সম্বোধনকারী ছিলেন হযরত জিবরাঈল (আঃ)। হযরত ঈসার (আঃ) প্রথম কাজ তো ওটাই ছিল, যা তিনি তার মাতাকে দোষমুক্ত করা ও পবিত্রতা প্রকাশের ব্যাপারে জনগণের সামনে করেছিলেন। ঐ উপত্যকার নীচের পার্শ্বদেশ হতে হযরত মারইয়াম (আঃ) ঐ চিন্তা ও উদ্বেগের অবস্থায় হযরত জিবরাঈল (আঃ) তাকে এইভাবে সান্ত্বনা দান করেছিলেন। এই উক্তিও রয়েছে যে, এই সান্ত্বনামূলক কথা হযরত ঈসাই (আঃ) বলেছিলেন। শব্দ আসেঃ দুঃখ করো না ও চিন্তিত হয়ো না। দেখো, তোমার পায়ের নীচে নির্মল, স্বচ্ছ মিষ্টপানির ঝরণা তোমার প্রতিপালক প্রবাহিত করে দিয়েছেন। তুমি এই পানি পান করে নাও। একটি উক্তি এটাও আছে যে, ঐ ঝর্ণনা বা প্রস্রবণ দ্বারা স্বয়ং হযরত ঈসাকেই (আঃ) বুঝানো হয়েছে। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই বেশী প্রকাশমান। যেহেতু এই পানির বর্ণনার পরেই খাবারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছেঃ যাও, খেজুরের এই গাছটিকে নাড়া দাও। এর থেকে টাটকা ও পুষ্ট খেজুর ঝরে পড়বে। কথিত আছে যে, ঐ খেজুরের গাছটি শুকিয়ে গিয়েছিল। আবার এ উক্তিও আছে যে, ওটা ফল দানকারীই ছিল। বাহ্যতঃ জানা যাচ্ছে যে, ঐ সময় ঐ গাছটি খেজুর শূন্য ছিল। কিন্তু হযরত মারইয়াম (আঃ) ওটা নাড়া দেয়া মাত্রই মহান আল্লাহর কুদরতে তার থেকে খেজুর ঝরে পড়তে থাকে। তার কাছে খাদ্য ও পানীয় সবকিছুই মওজুদ হয়ে গেল। আর তাকে পানাহারের অনুমতি দেয়া হলো। বলা হলোঃ ‘খাও, পান কর ও চক্ষু জুড়িয়ে নাও।হযরত আমরা ইবনু মায়মূন (রাঃ) বলেছেন যে, নিফাস বিশিষ্টা (নতুন সন্তান প্রসবকারিণী) মহিলাদের জন্যে টাটকা খেজুর ও শুষ্ক খেজুর অপেক্ষা উত্তম খাদ্য আর কিছুই নেই। হযরত আলী ইবনু আবি তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা খেজুর বৃক্ষের সম্মান করো। কেননা, এটাকে ঐ মাটি দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে যা দ্বারা হযরত আদম (আঃ) সৃষ্টি হয়েছিলেন। এটা ছাড়া অন্য কোন গাছ নর ও মাদী মিলিত হয়ে ফলে না। স্ত্রী লোকদেরকে তাদের সন্তান প্রসবের সময় টাটকা খেজুর খেতে দেবে। না পেলে শুষ্ক খেজুরই যথেষ্ট। আল্লাহ তাআলার নিকট অন্য কোন গাছ এর চেয়ে বেশী মর্যাদা সম্পন্ন নয়। এ কারণেই এর নীচে হযরত মারইয়াম (আঃ) অবতারিতা হন।” (এ হাদীসটি ইবনু আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটা সম্পূর্ণরূপে মুনকার বা অস্বীকার্য) (আরবী) এর অন্য কিরআত (আরবী) ও (আরবী) রয়েছে। সব কিরআতের ভাবার্থ একই।এরপর ইরশাদ হচ্ছেঃ তুমি কারো সাথে কথা বলো না, শুধু ইশারা ইঙ্গিতে তাদেরকে বুঝিয়ে দাও যে, তুমি রোযা রেখেছে। কিংবা উদ্দেশ্য এই যে, তাদের রোযায় কথা বলা নিষিদ্ধ ছিল অথবা ভাবার্থ হচ্ছেঃ আমি কথা বলা থেকেই রোযা রেখেছি। অর্থাৎ আমাকে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে। হারেসা (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “আমি হযরত ইবনু মাসউদের (রাঃ) নিকট অবস্থান করছিলাম। এমন সময় দু’জন লোক তার নিকট আগমন করে। তাদের একজন সালাম করলো কিন্তু অন্যজন সালাম করলো না। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ “তোমার সালাম না করার কারণ কি?” তার সঙ্গীরা উত্তরে বললোঃ “আজ কারো সাথে কথা না বলার সে কসম খেয়েছে। তখন হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) তাকে বললেনঃ “তুমি লোকদের সাথে কথা বলো ও তাদেরকে সালাম দাও। এটা তো ছিল। শুধু হযরত মারইয়ামের (আঃ) জন্য। কেননা, আল্লাহ তাআলা তাঁর সত্যবাদিতা ও মাহাত্ম প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন। এজন্যে তার পক্ষে ওটা ওযর ছিল।” (এটা ইসহাক (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবদুর রহমান ইবনু যায়েদ (রঃ) বলেন যে, যখন হযরত ঈসা (আঃ) তাঁর মাতাকে বলেনঃ “আপনি বিচলিত হবেন না।" তখন তার মাতা হযরত মারইয়াম (আঃ) বলেনঃ কিরূপে আমি বিচলিত না হই? আমার স্বামী নেই এবং আমি কারো অধিকারীভুক্ত বাদী বা দাসীও নই। দুনিয়াবাসী বলবে যে, এ সন্তান কিরূপে হলো? আমি তাদের সামনে কি জবাব দেবো? তাদের সামনে আমি কি ওর পেশ করবো? হায়! যদি আমি ইতিপূর্বেই মরে যেতাম! যদি আমি লোকের স্মৃতি হতে সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যেতাম!" ঐ সময় হযরত ঈসা (আঃ) বলেছিলেনঃ “আম্মাজান! কারো সামনে কিছু বলার আপনার কোন প্রয়োজন নেই। যা কিছু বলার আমিই বলবো। আমিই আপনার জন্যে যথেষ্ট। মানুষের মধ্যে কাউকেও যদি আপনি দেখেন, তবে বলবেনঃ ‘আমি দয়াময়ের উদ্দেশ্যে মৌনতাবলম্বনের মানত করেছি। সুতরাং আজ আমি কিছুতেই কোন মানুষের সাথে বাক্যালাপ করবো না।” তিনি বলেন যে, এগুলি সবই হযরত ঈসার (আঃ) তাঁর মাতার উদ্দেশ্যে উক্তি। অহাবও (রঃ) এরূপই বলেছেন। (এটা ইবনু আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengar, Cari, dan Renungkan Al-Quran

Quran.com ialah platform dipercayai yang digunakan oleh berjuta-juta orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengar dan merenung Al-Quran dalam pelbagai bahasa. Ia menyediakan terjemahan, tafsir, bacaan, terjemahan perkataan demi perkataan, dan alat untuk kajian yang lebih mendalam, menjadikan al-Quran boleh diakses oleh semua orang.

Sebagai Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang ramai berhubung secara mendalam dengan al-Quran. Disokong oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi bukan untung 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai sumber percuma dan berharga untuk semua, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Al-Quran
Qari
Tentang Kami
Pemaju (Developers)
Kemas kini produk
Maklum balas
Bantuan
Projek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projek tanpa untung yang dimiliki, diurus atau ditaja oleh Quran.Foundation
Pautan yang di gemari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Peta lamanPrivasiTerma dan Syarat
© 2026 Quran.com. Hak cipta terpelihara