Log masuk
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
Log masuk
Log masuk
2:183
يا ايها الذين امنوا كتب عليكم الصيام كما كتب على الذين من قبلكم لعلكم تتقون ١٨٣
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ ١٨٣
يَٰٓأَيُّهَا
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
كُتِبَ
عَلَيۡكُمُ
ٱلصِّيَامُ
كَمَا
كُتِبَ
عَلَى
ٱلَّذِينَ
مِن
قَبۡلِكُمۡ
لَعَلَّكُمۡ
تَتَّقُونَ
١٨٣
Wahai orang-orang yang beriman! Kamu diwajibkan berpuasa sebagaimana diwajibkan atas orang-orang yang dahulu daripada kamu, supaya kamu bertaqwa.
Tafsir
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat
Anda sedang membaca tafsir untuk kumpulan ayat dari 2:183 hingga 2:184

১৮৩-১৮৪ নং আয়াতের তাফসীরআল্লাহ তা'আলা এই উম্মতের ঈমানদারগণকে সম্বোধন করে বলেছেন যে, তারা যেন রোযাব্রত পালন করে। রোযার অর্থ হচ্ছে আল্লাহ্ পাকের নির্দেশ পালনের খাটি নিয়তে পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হতে বিরত থাকা। এর উপকারিতা এই যে, এর ফলে মানবাত্মা পাপ ও কালিমা থেকে সম্পূর্ণ রূপে পরিষ্কার ও পবিত্র হয়ে যায়। এর সাথে সাথেই আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, এই রোযার হুকুম শুধুমাত্র তাদের উপরেই হচ্ছে না বরং তাদের পূর্ববর্তী উম্মতের প্রতিও রোযার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এই বর্ণনার উদ্দেশ্য এটাও যে, উম্মতে মুহাম্মদী (সঃ) যেন এই কর্তব্য পালনে পূর্বের উম্মতদের পিছনে না পড়ে। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছে প্রত্যেকের জন্যে একটা পন্থা ও রাস্তা রয়েছে, আল্লাহ চাইলে তোমাদের সকলকেই একই উম্মত করে দিতেন; কিন্তু তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করছেন, তোমাদের উচিত যে তোমরা পুণ্যের কাজে অগ্রগামী থাকবে। এই বর্ণনাই এখানেও হচ্ছে যে এই রোযা তোমাদের উপর ঐ রকমই ফরয, যেমন ফরয ছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপরে। রোযার দ্বারা শরীরের পবিত্রতা লাভ হয় এবং শয়তানের পথে বাধার সৃষ্টি হয়।সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “হে যুবকবৃন্দ! তোমাদের মধ্যে যার বিয়ে করার সামর্থ রয়েছে সে বিয়ে করবে, আর যার ক্ষমতা নেই সে রোযা রাখবে, এটাই তার জন্যে অণ্ডকোষ কর্তিত হওয়া। অতঃপর রোযার জন্যে দিনের সংখ্যা বর্ণনা করা হচ্ছে যে, এটা কয়েকটি দিন মাত্র যাতে কারও উপর ভারী না হয় এবং কেউ আদায়ে অসমর্থ না হয়ে পড়ে; বরং আগ্রহের সাথে তা পালন করে। প্রথমে প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখার নির্দেশ ছিল। অতঃপর রমযানের রোযার নির্দেশ হয় এবং পূর্বের নির্দেশ উঠে যায়। এর বিস্তারিত বিবরণ ইনশাআল্লাহ আসছে। হযরত মু'আয (রাঃ), হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ), হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ), হযরত আতা’ (রাঃ), হযরত কাতাদাহ (রাঃ)-এবং হযরত যহ্হাক (রাঃ)-এর উক্তি এই যে, হযরত নূহ (আঃ)-এর যুগে প্রতি মাসে তিনটি রোযার নির্দেশ ছিল, যা হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর উম্মতের জন্যে পরিবর্তিত হয় এবং তাদের উপর এই বরকতময় মাসে রোযা ফরয করা হয়।হযরত হাসান বসরী (রঃ) বলেন যে, পূর্ববর্তী উম্মতদের উপরও পূর্ণ একমাস রোযা ফরয ছিল। একটি মারফু হাদীসে রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ রমযানের রোযা তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের উপর ফরয ছিল। হযরত ইবনে উমার (রাঃ) বলেনঃ “পূর্ববর্তী উম্মতের প্রতি এই নির্দেশ ছিল যে, এশার নামায আদায় করার পর যখন তারা শুয়ে যেত তখন তাদের উপর পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হারাম হয়ে যেতো। পূর্ববর্তী’ হতে ভাবার্থ হচ্ছে আহলে কিতাব। এর পরে বলা হচ্ছে-‘রামযান মাসে যে ব্যক্তি রুগ্ন হয়ে পড়ে ঐ অবস্থায় তাকে কষ্ট করে রোযা করতে হবে না। পরে যখন সে সুস্থ হবে তখন তা আদায় করে নেবে। তবে ইসলামের প্রাথমিক যুগে যে ব্যক্তি সুস্থ থাকতে এবং মুসাফিরও হতো না তার জন্যেও এই অনুমতি ছিল যে, হয় সে রোযা রাখবে বা রোযার পরিবর্তে একজন মিসকীনকে ভোজ্য দান করবে এবং একজনের বেশী মিসকীনকে খাওয়ানো উত্তম ছিল। কিন্তু মিসকীনকে ভোজ্য দান অপেক্ষা রোযা রাখাই বেশী মঙ্গলজনক কাজ ছিল। হযরত ইবনে মাসউদ (রঃ), হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ), হযরত মুজাহিদ (রঃ), হযরত তাউস (রঃ), হযরত মুকাতিল (রঃ) প্রমুখ মনীষীগণ এটাই বলে থাকেন। মুসনাদ-ই-আহমাদের মধ্যে রয়েছে, হযরত মুআয বিন জাবাল (রাঃ) বলেনঃ নামায ও রোযা তিনটি অবস্থায় পরিবর্তিত হয়। নামাযের তিনটি অবস্থা হচ্ছেঃ (১) মদীনায় এসে মোল সতেরো মাস ধরে বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামায আদায় করা; অতঃপর আল্লাহর নির্দেশক্রমে মক্কা শরীফের দিকে মুখ করা হয়। (২) পূর্বে নামাযের জন্যে একে অপরকে ডাকতেন এবং একত্রিত হতেন; অবশেষে এতে তারা অসমর্থ হয়ে পড়েন। অতঃপর হযরত আবদুল্লাহ বিন যায়েদ বিন আবদ-ই-রব্বিহী (রাঃ) নামক একজন আনসারী রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে আরয করেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! নিদ্রিত ব্যক্তির স্বপ্ন দেখার মতই আমি স্বপ্ন দেখেছি; কিন্তু যদি বলি যে, আমি নিদ্রিত ছিলাম না তবে আমার সত্য কথাই বলা হবে। (স্বপ্ন) এই যে, সবুজ রঙ্গের হুল্লা (লুঙ্গি ও চাদর) পরিহিত এক ব্যক্তি কিবলার দিকে মুখ করে বলছেন (আরবি) দু’বার। এভাবে তিনি আযান শেষ করেন। ক্ষণেক বিরতির পর তিনি পূর্বের কথাগুলো আবার উচ্চারণ করেন কিন্তু এবারে (আরবি) কথাটি দু’বার অতিরিক্ত বলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন-‘বেলালকে (রাঃ) এটা শিখিয়ে দাও। সে আযান দেবে। সুতরাং সর্বপ্রথম হযরত বেলাল (রাঃ) আযান দেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে যে, হযরত উমার (রাঃ) এসে এই স্বপ্ন বর্ণনা করেছিলেন। কিন্তু তার পূর্বেই হযরত যায়েদ (রাঃ) এসে গিয়েছিলেন। (৩) পূর্বে প্রচলন এই ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) নামায পড়াচ্ছেন, তার কয়েক রাকআত পড়া হয়ে গেছে এমন সময় কেউ আসছেন। কয় রাক'আত পড়া হয়েছে এটা তিনি ইঙ্গিতে কাউকে জিজ্ঞেস করছেন। তিনি বলছেন-“এক রাক'আত বা দু'রাকআত ।তিনি তখন ঐ রাকআতগুলো পড়ে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে মিলিত হচ্ছেন। একদা হযরত মুআয (রাঃ) আসছেন এবং বলছেন-“আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে যে অবস্থাতেই পাবো সেই অবস্থাতেই তার সাথে মিলিত হয়ে যাবে এবং যে নামায ছুটে গেছে তা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সালাম ফেরাবার পর পড়ে নেবো। সুতরাং তিনি তাই করেন এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) সালাম ফেরানোর পর তাঁর ছুটে যাওয়া রাকআতগুলো আদায় করার জন্য দাঁড়িয়ে যান। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, মুআয (রাঃ) তোমাদের জন্যে উত্তম পন্থা বের করেছেন। তোমরাও এখন হতে এরূপই করবে। এই তো হলো নামাযের তিনটি পরিবর্তন।রোযার তিনটি পরিবর্তন এইঃ (১) যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) মদীনায় আগমন করেন তখন তিনি প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখতেন এবং আশূরার রোযা রাখতেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা (আরবি)অবতীর্ণ করে রমযানের রোযা ফরয করেন। (২) প্রথমতঃ এই নির্দেশ ছিল যে, যে চাইবে রোযা রাখবে এবং যে চাইবে রোযার পরিবর্তে মিসকীনকে ভোজ্য দান করবে। অতঃপর (আরবি) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। অর্থাৎ ‘তোমাদের মধ্যকার যে ব্যক্তি ঐ মাসে (নিজ আবাসে) উপস্থিত থাকে সে যেন তাতে রোযা পালন করে। সুতরাং যে ব্যক্তি বাড়ীতে অবস্থানকারী হয় এবং মুসাফির না হয়, সুস্থ হয় রুগ্ন না হয়, তার উপর রোযা বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। তবে রুগ্ন ও মুসাফিরের জন্যে অবকাশ থাকে। আর এমন বৃদ্ধ, যে রোযা রাখার ক্ষমতাই রাখে না সে ‘ফিদইয়াহ' দেয়ার অনুমতি লাভ করে। (৩) পূর্বে রাত্রে দ্রিা যাওয়ার আগে আগে পানাহার ও স্ত্রী সহবাস বৈধ ছিল বটে; কিন্তু ঘুমিয়ে যাবার পর রাত্রির মধ্যেই জেগে উঠলেও পানাহার ও সহবাস তার জন্যে নিষিদ্ধ ছিল। অতঃপর একদা সরমা’ নামক একজন আনসারী (রাঃ) সারাদিন কাজ কর্ম করে ক্লান্ত অবস্থায় রাত্রে বাড়ী ফিরে আসেন এবং এশার নামায আদায় করেই তার ঘুম চলে আসে। পরদিন কিছু পানাহার ছাড়া তিনি রোযা রাখেন। কিন্তু তাঁর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্গীন হয়ে পড়ে। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ ব্যাপার কি:' তখন তিনি সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করেন। এদিকে তার ব্যাপারে তো এই ঘটনা ঘটে আর ওদিকে হযরত উমার (রাঃ) ঘুমিয়ে যাওয়ার পর জেগে উঠে স্ত্রী সহবাস করে বসেন এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট আগমন করতঃ অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের সাথে এই দোষ স্বীকার করেন। ফলে (আরবি) (২:১৮৭) পর্যন্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং মাগরিব থেকে নিয়ে সুবহে সাদেক পর্যন্ত রমযানের রাত্রে পানাহার ও স্ত্রী সহবাসের অনুমতি দেয়া হয়।সহীহ বুখারী ও মুসলিমের মধ্যে হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, পূর্বে আশূরার রোযা রাখা হতো। যখন রমযানের রোযা ফরয করে দেয়া হয় তখন আর আশূরার রোযা বাধ্যতামূলক থাকে না; বরং যিনি ইচ্ছা করতেন, রাখতেন এবং যিনি চাইতেন না, রাখতেন না।(আরবি) (২:১৭৪)-এর ভাবার্থ হযরত মু'আয (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে ইচ্ছে করলে কেউ রোযা রাখতেন আবার কেউ রাখতেন না। বরং মিসকীনকে ভোজ্য দান করতেন। হযরত সালমা বিন আকওয়া (রাঃ) হতে সহীহ বুখারী শরীফে একটি বর্ণনা এসেছে" যে, এই আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার সময় যে ব্যক্তি ইচ্ছে করতো রোযা ছেড়ে দিয়ে ‘ফিদইয়া দিয়ে দিতে। অতঃপর তার পরবর্তী আয়াতটি অবতীর্ণ হয় এবং এটা ‘মানসূখ’ (রহিত) হয়ে যায়। হযরত উমার (রাঃ) ও এটাকে মানসূখ বলেছেন। হযরত ইবনে আববাস (রাঃ) বলেন যে, এটা মানসূখ নয় বরং এর ভাবার্থ হচ্ছে বৃদ্ধ পুরুষ বা বৃদ্ধা নারী, যারা রোযা রাখার ক্ষমতা রাখে না। ইবনে আবি লাইলা (রঃ) বলেনঃ “আমি আতা (রঃ)-এর নিকট রমযান মাসে আগমন করি। দেখি যে, তিনি খানা খাচ্ছেন। আমাকে দেখে তিনি বলেনঃ হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর উক্তি আছে যে, এই আয়াতটি পর্বের আয়াতটিকে মানসূখ করে দিয়েছে। এখন এই হুকুম শুধুমাত্র শক্তিহীন, অচল বৃদ্ধদের জন্যে রয়েছে। মোট কথা এই যে, যে ব্যক্তি নিজ আবাসে আছে এবং সুস্থ ও সবল অবস্থায় রয়েছে তার জন্যে এই নির্দেশ নয়। বরং তাকে রোযাই রাখতে হবে। হাঁ, তবে খুবই বয়স্ক, বৃদ্ধ এবং দুর্বল লোক যাদের রোযা রাখার ক্ষমতা নেই, তারা রোযাও রাখবে না এবং তাদের উপর রোযা কাযাও জরুরী নয়। কিন্তু যদি সে ধনী হয় তবে তাকে কাফফারাও আদায় করতে হবে কি হবে না, এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।ইমাম শাফিঈ (রঃ)-এর একটি উক্তি তো এই যে, যেহেতু তার রোযা করার শক্তি নেই, সুতরাং সে নাবালক ছেলের মতই। তার উপর যেমন কাফফারা নেই তেমনই এর উপরও নেই। কেননা, আল্লাহ তা'আলা কাউকেও ক্ষমতার অতিরিক্ত কষ্ট দেন না। ইমাম শাফিঈ (রঃ)-এর দ্বিতীয় উক্তি এই যে, তার দায়িত্বে কাফফারা রয়েছে। অধিকাংশ আলেমেরও সিদ্ধান্ত এটাই। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) প্রমুখ মনীষীগণের তাফসীর হতেও এটাই সাব্যস্ত হচ্ছে। হযরত ইমাম বুখারী (রঃ)-এর এটাই পছন্দনীয় মত। তিনি বলেন যে, খুব বেশী বয়স্ক বৃদ্ধ যার রোযা রাখার শক্তি নেই সে ‘ফিদইয়াই দিয়ে দেবে। যেমন হযরত আনাস বিন মালিক (রাঃ) শেষ বয়সে অত্যন্ত বার্ধক্য অবস্থায় দু'বছর ধরে রোযা রাখেননি এবং প্রত্যেক রোযার বিনিময়ে একটি মিসকীনকে গোশত-রুটি আহার করাতেন।মুসনাদ-ই-আবূ ইয়ালা' গ্রন্থে রয়েছে যে, যখন হযরত আনাস (রাঃ) রোযা রাখতে অসমর্থ হয়ে পড়েন তখন রুটি ও গোশত তৈরি করে ত্রিশ জন মিসকীনকে আহার করিয়ে দেন। অনুরূপভাবে গর্ভবতী ও দুগ্ধবতী স্ত্রীলোকেরা যখন তাদের নিজেদের ও সন্তানদের জীবনের ভয় করবে এদের ব্যাপারেও ভীষণ মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে, তারা রোযা রাখবে না, বরং ফিদইয়া’ দেবে এবং যখন ভয় দূর হয়ে যাবে তখন রোযাও কাযা করে নেবে। আবার কেউ কেউ বলেন যে, শুধু ফিদইয়া যথেষ্ট, কাযা করার প্রয়োজন নেই। কেউ কেউ আবার বলেন যে, রোযাই রাখবে, ফিদইয়া’ বা কাযা নয়। আমি (ইবনে কাসীর) এই মাসআলাটি স্বীয় পুস্তক কিতাবুস সিয়াম এর মধ্যে বিস্তারিতভাবে লিখেছি।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengar, Cari, dan Renungkan Al-Quran

Quran.com ialah platform dipercayai yang digunakan oleh berjuta-juta orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengar dan merenung Al-Quran dalam pelbagai bahasa. Ia menyediakan terjemahan, tafsir, bacaan, terjemahan perkataan demi perkataan, dan alat untuk kajian yang lebih mendalam, menjadikan al-Quran boleh diakses oleh semua orang.

Sebagai Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang ramai berhubung secara mendalam dengan al-Quran. Disokong oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi bukan untung 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai sumber percuma dan berharga untuk semua, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Al-Quran
Qari
Tentang Kami
Pemaju (Developers)
Kemas kini produk
Maklum balas
Bantuan
Projek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projek tanpa untung yang dimiliki, diurus atau ditaja oleh Quran.Foundation
Pautan yang di gemari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Peta lamanPrivasiTerma dan Syarat
© 2026 Quran.com. Hak cipta terpelihara