Log masuk
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
Log masuk
Log masuk
2:62
ان الذين امنوا والذين هادوا والنصارى والصابيين من امن بالله واليوم الاخر وعمل صالحا فلهم اجرهم عند ربهم ولا خوف عليهم ولا هم يحزنون ٦٢
إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَٱلَّذِينَ هَادُوا۟ وَٱلنَّصَـٰرَىٰ وَٱلصَّـٰبِـِٔينَ مَنْ ءَامَنَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ وَعَمِلَ صَـٰلِحًۭا فَلَهُمْ أَجْرُهُمْ عِندَ رَبِّهِمْ وَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ ٦٢
إِنَّ
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
وَٱلَّذِينَ
هَادُواْ
وَٱلنَّصَٰرَىٰ
وَٱلصَّٰبِـِٔينَ
مَنۡ
ءَامَنَ
بِٱللَّهِ
وَٱلۡيَوۡمِ
ٱلۡأٓخِرِ
وَعَمِلَ
صَٰلِحٗا
فَلَهُمۡ
أَجۡرُهُمۡ
عِندَ
رَبِّهِمۡ
وَلَا
خَوۡفٌ
عَلَيۡهِمۡ
وَلَا
هُمۡ
يَحۡزَنُونَ
٦٢
Sesungguhnya orang-orang yang beriman, dan orang-orang Yahudi dan orang-orang Nasora (Nasrani), dan orang-orang Saabien sesiapa di antara mereka itu beriman kepada Allah dan (beriman kepada) hari akhirat serta beramal soleh, maka bagi mereka pahala balasannya di sisi Tuhan mereka, dan tidak ada kebimbangan (dari berlakunya kejadian yang tidak baik) kepada mereka, dan mereka pula tidak akan berdukacita.
Tafsir
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat

সৎ লোকেদের প্রতিদানউপরে অবাধ্যদের শাস্তির বর্ণনা ছিল। এখানে তাদের মধ্যে যারা ভাল লোক ছিল তাদের প্রতিদানের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে। নবীর অনুসারীদের জন্যে এ সু-সংবাদ কিয়ামত পর্যন্ত রয়েছে যে, তারা ভবিষ্যতের ভয় হতে নির্ভয় এবং অতীতের হাত ছাড়া জিনিসের জন্যে আফসোস করা হতে পবিত্র।অন্য জায়গায় আল্লাহ পাক বলেনঃ ‘মনে রেখো, আল্লাহর বন্ধুদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না।" যে ফেরেশতাগণ মুসলমানদের রুহ্ বের হবার সময় আগমন করে থাকেন। তাঁদের কথা উদ্ধৃত করে কুরআন মাজীদে বলা হয়েছেঃ “তোমরা ভয় করো না এবং চিন্তিত হয়ো না, আর তোমরা ঐ বেহেশতের সুসংবাদ গ্রহণ কর, তোমাদেরকে যার ওয়াদা দেয়া হয়েছিল।”হযরত সালমান ফারেসী (রাঃ) বলেনঃ “আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর খিদমতে হাজির হওয়ার পূর্বে যেসব ধর্মপ্রাণ লোকের সাথে সাক্ষাৎ করি, তাদের নামায, রোযা ইত্যাদির বর্ণনা দেই। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় (মুসনাদ-ই- ইবনে আবি হাতিম)।" আর একটি বর্ণনায় আছে যে, হযরত সালমান (রাঃ) তাদের আলোচনা করতে গিয়ে বলেনঃ “তারা নামায, রোযাদার ও ঈমানদার ছিল এবং আপনি যে প্রেরিত পুরুষ এর উপরও তাদের বিশ্বাস ছিল।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তারা জাহান্নামী।” এতে হযরত সালমান (রাঃ) দুঃখিত হলে সেখানেই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। কিন্তু এটা স্পষ্ট কথা যে, ইয়াহূদীদের মধ্যে ঈমানদার ঐ ব্যক্তি যে তাওরাতের উপর ঈমান আনে এবং তা অনুযায়ী কাজ করে, কিন্তু যখন হযরত ঈসা (আঃ) আগমন। করেন তখন তারও অনুসরণ করে এবং তার নবুওয়াতকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। কিন্তু তখনও যদি তাওরাতের উপর অটল থাকে এবং হযরত ঈসা (আঃ) কে অস্বীকার করতঃ তাঁর অনুসরণ না করে, তবে সে বে-দ্বীন হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে, খ্রীষ্টানদের মধ্যে ঈমানদার ঐ ব্যক্তি যে ইঞ্জীলকে আল্লাহর কিতাব বলে বিশ্বাস করে, হযরত ঈসা (আঃ)-এর শরীয়ত অনুযায়ী আমল করে এবং তার যুগে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে পেলে তাঁর আনুগত্য স্বীকার করে ও তার নবুওয়াতকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। কিন্তু তখনও যদি ইঞ্জীল ও হযরত ঈসা (আঃ)-এর আনুগত্যের উপর স্থির থাকে এবং হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সুন্নাতের অনুসরণ না করে তবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম)। সুদ্দীও (রঃ) এটাই বর্ণনা করেছেন। সাঈদ বিন যুবাইর (রঃ) এটাই বলেছেন। ভাবার্থ এই যে, প্রত্যেক নবীর অনুসারী, তাঁকে মান্যকারী হচ্ছে ঈমানদার ও সৎলোক। সুতরাং সে আল্লাহ তা'আলার নিকট মুক্তি পেয়ে যাবে। কিন্তু তার যুগেই যদি অন্য নবী এসে যান এবং নবীকে সে অস্বীকার করে তবে সে কাফির হয়ে যাবে। কুরআন মাজীদের অন্য জায়গায় রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম অনুসন্ধান করে, তা কবুল করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। এই দু'টি আয়াতের মধ্যে আনুকূল্য এটাই। কোন ব্যক্তির কোন কাজও কোন পন্থা গ্রহণীয় নয় যে পর্যন্ত না শরীয়তে মুহাম্মদীর (সঃ) অনুরূপ হয়। কিন্তু এটা সে সময় যে সময় তিনি প্রেরিতরূপে দুনিয়ায় এসে গেছেন। তার পূর্বে যে নবীর যুগ ছিল এবং যেসব লোক সে যুগে ছিল তাদের জন্যে সে নবীর অনুসরণ ও তার শরীয়তের অনুসরণ করা শর্ত।‘ইয়াহুদ' এর ইতিহাস(আরবি) শব্দ (আরবি) হতে নেয়া হয়েছে, যার অর্থ হচ্ছে বন্ধুত্ব'। কিংবা এটা (আরবি)শব্দ হতে নেয়া হয়েছে, এর অর্থ হচ্ছে ‘তাওবা। যেমন কুরআন মাজীদে আছে (আরবি) “অর্থাৎ (হযরত মূসা আঃ) বলেন হে আল্লাহ!) নিশ্চয় আমরা আপনার নিকট তাওবা করেছি (৭:১৫৬)।” সুতরাং তাদেরকে শব্দটি এ কারণেই ইয়াহুদী বলা হয়েছে অর্থাৎ তাওবার কারণে এবং পরস্পর বন্ধুত্বের কারণে। আবার কেউ কেউ বলেন যে, তারা ইয়াহুদের সন্তান ছিল বলে তাদেরকে ইয়াহুদী বলা হয়েছে। হযরত ইয়াকূব (আঃ)-এর বড় ছেলে নাম ছিল ইয়াহূদ। একটি মত এও আছে যে তারা তাওরাত পড়ার সময় নড়াচড়া করতো বলে তাদেরকে ইয়াহূদ অর্থাৎ হরকতকারী বলা হয়েছে। ‘নাসারা’ এর ইতিহাস হযরত ঈসার (আঃ) নবুওয়াতের যুগ আসলে বানী ইসরাঈলের উপর তার নবুওয়াতকে বিশ্বাস করা এবং তাঁর অনুসারী হওয়া ওয়াজিব হয়ে যায় এবং তাদের নাম হয় নাসারা' অর্থাৎ সাহায্যকারী। কেননা, তারা একে অপররের সাহায্য করেছিল। তাদেরকে আনসারও বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে হযরত ঈসার (আঃ) কথা উদ্ধৃত করে বলা হয়েছেঃ “আল্লাহর দ্বীনে আমার সাহায্যকারী কে আছে? হাওয়ারীগণ বলে-আমরা আল্লাহর (দ্বীনের) সাহায্যকারী। কেউ কেউ বলেন যে, এসব লোক যেখানে অবতরণ করে ঐ জায়গার নাম ছিল নাসেরাহ', এ জন্যে তাদেরকে নাসারা' বলা হয়েছে। কাতাদাহ (রঃ) এবং ইবনে জুরাইজের এটাই মত (আরবি) শব্দটি (আরবি) শব্দের বহুবচন। যেমন (আরবি) শব্দের বহুবচন (আরবি) শব্দের বহুবচন , (আরবি) এর স্ত্রীলিঙ্গ (আরবি) এসে থাকে। অতঃপর যখন শেষ নবীর (সঃ) যুগ এসে গেল এবং তিনি সারা দুনিয়ার জন্যে রাসূলরূপে প্রেরিত হলেন তখন তাদের সবারই উপর তার সত্যতা স্বীকার ও তার অনুসরণ ওয়াজিব হয়ে গেল। আর তাঁর উম্মতের ঈমান বা বিশ্বাসের পরিপক্কতার কারণে তাদের নাম রাখা হয় মুমিন এবং এ জন্যেও যে, পূর্বের নবীগণের প্রতি ও ভবিষ্যতের সমস্ত কথার প্রতিও তাদের ঈমান রয়েছে। সাবেঈ দল(আরবি)-এর একটি অর্থ তো হচ্ছে বে-দ্বীন ও ধর্মহীন। এটা আলে কিতাবের একটি দলেরও নাম ছিল যারা যাকূর' পড়তো। এর উপর ভিত্তি করেই ইমাম আবু হানিফা (রঃ) এবং ইসহাক (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, তাদের হাতে যবাহকৃত প্রাণী আমাদের জন্যে হালাল এবং তাদের নারীদেরকে বিয়ে করাও বৈধ। হযরত হাসান বসরী (রঃ) এবং হযরত হাকাম (রঃ) বলেন যে, এ দলটি মাজুসদের মত। এটাও বর্ণিত আছে যে, তারা ফেরেশতাদের পূজা করতো। জিয়াদ যখন শুনেন যে, তারা কেবলামুখী হয়ে পাচ ওয়াক্ত নামায পড়ে থাকে, তখন তিনি তাদের জিযিয়া কর মাফ করতে চাইলেন, কিন্তু সাথে সাথেই জানতে পারেন যে,তারা মুশরিক। তখন তিনি তার ঐ ইচ্ছা হতে বিরত হন। আবৃজ্জিনাদ (রঃ) বলেন যে, সাবেঈরা ইরাকের কাওসা’র অধিবাসী। তারা সব নবীকেই মানে। প্রতি বছর ত্রিশটি রোযা রাখে। এবং ইয়ামনের দিকে মুখ করে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে। অহাব বিন মামবাহ্ (রঃ) বলেন যে, তারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে। কিন্তু তারা কোন শরীয়তের অনুসারী নয় এবং কাফিরও নয়। আবদুর রহমান বিন যায়েদের কথা এই যে, এটাও একটি মাযহাব। তারা মুসিলদ্বীপে ছিল। তারা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ পড়তো। কিন্তু কোন কিতাব বা কোন নবীকে মানতো না। এবং নির্দিষ্ট কোন শরীয়তেরও তারা অনুসারী ছিল না। এর উপর ভিত্তি করেই মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ (সঃ) কেও তার সাহাবীবর্গকে (রাঃ) ‘সাবী’ বলতো, অর্থাৎ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার কারণে। তাদের ধর্ম খৃষ্টানদের ধর্মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তাদের কিবলাহ ছিল দক্ষিণ দিক। তারা নিজেদেরকে হযরত নূহের (আঃ) ধর্মাবলম্বী বলতো। একটি মত এও আছে যে, ইয়াহূদ ও মাজুস ধর্মের মিশ্রণই ছিল এ মাযহাবটি। তাদের যবাহকৃত প্রাণী খাওয়া এবং তাদের নারীদেরকে বিয়ে করা অবৈধ। মুজাহিদ (রঃ), হাসান বসরী (রঃ) এবং ইবনে আবি নাজীহের এটাই ফওয়া। কুরতুবী (রঃ) বলেনঃ “আমি যেটুকু জেনেছি তাতে বুঝেছি যে, সাবেঈরা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী ছিল, কিন্তু তারকার ফলাফলের প্রতি এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী ছিল। আবূ সাঈদ ইসতাখরী (রঃ) তাদের উপর কুফরীর ফওয়া দিয়েছেন। ইমাম রাযী বলেন যে, তারা ছিল তারকা পূজক। তারা কাসরানীদের অন্তর্ভুক্ত ছিল যাদের নিকট হযরত ইব্রাহীম (আঃ) প্রেরিত হয়েছিলেন। প্রকৃত অবস্থা তো আল্লাহ তা'য়ালাই জানেন, তবে বাহ্যতঃ এ মতটিই সঠিক বলে মনে হচ্ছে যে, এসব লোকে ইয়াহুদী, খৃষ্টান, মাজুসী বা মুশরিক ছিল না। বরং তারা স্বভাব ধর্মের উপর ছিল। তারা কোন বিশেষ মাযহাবের অনুসারী ছিল না। এই অর্থেই মুশরিকরা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাহাবীবর্গকে (রাঃ) সাবী’ বলতো, অর্থাৎ তারা সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করেছেন। কোন কোন আলেমের মত এই যে, সাবী’ তারাই যাদের কাছে কোন নবীর দাওয়াত পৌছেনি। আল্লাহই সবচেয়ে বেশী জানেন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengar, Cari, dan Renungkan Al-Quran

Quran.com ialah platform dipercayai yang digunakan oleh berjuta-juta orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengar dan merenung Al-Quran dalam pelbagai bahasa. Ia menyediakan terjemahan, tafsir, bacaan, terjemahan perkataan demi perkataan, dan alat untuk kajian yang lebih mendalam, menjadikan al-Quran boleh diakses oleh semua orang.

Sebagai Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang ramai berhubung secara mendalam dengan al-Quran. Disokong oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi bukan untung 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai sumber percuma dan berharga untuk semua, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Al-Quran
Qari
Tentang Kami
Pemaju (Developers)
Kemas kini produk
Maklum balas
Bantuan
Projek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projek tanpa untung yang dimiliki, diurus atau ditaja oleh Quran.Foundation
Pautan yang di gemari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Peta lamanPrivasiTerma dan Syarat
© 2026 Quran.com. Hak cipta terpelihara