Log masuk
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
Log masuk
Log masuk
9:122
۞ وما كان المومنون لينفروا كافة فلولا نفر من كل فرقة منهم طايفة ليتفقهوا في الدين ولينذروا قومهم اذا رجعوا اليهم لعلهم يحذرون ١٢٢
۞ وَمَا كَانَ ٱلْمُؤْمِنُونَ لِيَنفِرُوا۟ كَآفَّةًۭ ۚ فَلَوْلَا نَفَرَ مِن كُلِّ فِرْقَةٍۢ مِّنْهُمْ طَآئِفَةٌۭ لِّيَتَفَقَّهُوا۟ فِى ٱلدِّينِ وَلِيُنذِرُوا۟ قَوْمَهُمْ إِذَا رَجَعُوٓا۟ إِلَيْهِمْ لَعَلَّهُمْ يَحْذَرُونَ ١٢٢
۞ وَمَا
كَانَ
ٱلۡمُؤۡمِنُونَ
لِيَنفِرُواْ
كَآفَّةٗۚ
فَلَوۡلَا
نَفَرَ
مِن
كُلِّ
فِرۡقَةٖ
مِّنۡهُمۡ
طَآئِفَةٞ
لِّيَتَفَقَّهُواْ
فِي
ٱلدِّينِ
وَلِيُنذِرُواْ
قَوۡمَهُمۡ
إِذَا
رَجَعُوٓاْ
إِلَيۡهِمۡ
لَعَلَّهُمۡ
يَحۡذَرُونَ
١٢٢
Dan tidaklah (betul dan elok) orang-orang yang beriman keluar semuanya (pergi berperang); oleh itu, hendaklah keluar sebahagian sahaja dari tiap-tiap puak di antara mereka, supaya orang-orang (yang tinggal) itu mempelajari secara mendalam ilmu yang dituntut di dalam ugama, dan supaya mereka dapat mengajar kaumnya (yang keluar berjuang) apabila orang-orang itu kembali kepada mereka; mudah-mudahan mereka dapat berjaga-jaga (dari melakukan larangan Allah).
Tafsir
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat

এই আয়াতে আল্লাহ তা'আলা এই বর্ণমা দিয়েছেন যে, তাবূকের যুদ্ধে জনগণ যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে গমনের ইচ্ছা করলেন তখন পূর্ববর্তীদের একটি দলের এই ধারণা হলো যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন যুদ্ধের জন্যে বের হবেন তখন প্রত্যেক মুমিনের উপর সেই যুদ্ধে গমন করা ওয়াজিব হয়ে যাবে। এ জন্যেই আল্লাহ তাআলা (আরবী) (৯:৪১) বলেছেন এবং (আরবী) -এই উক্তি করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন যে, এই আয়াত দ্বারা উপরের আয়াতগুলো মনসূখ বা রহিত হয়ে গেছে। এ কথা বলা হয়েছে যে, সমস্ত গোত্রের সফর করা বা কোন গোত্রের সবাই বের না হয়ে কতক না গিয়ে নবী (সঃ) -এর সাথে অবস্থান করবে তারা যেন নতুন অবতারিত অহী লিখে নেয় এবং মুখস্থ করে রাখে এবং সফর হতে প্রত্যাবর্তনকারীদেরকে আল্লাহ পাকের আহকাম জানিয়ে দেয়। আর সফর হতে প্রত্যাবর্তনকারীদের কর্তব্য হবে নবী (সঃ)-এর সাথে অবস্থানকারীদেরকে এটা জানিয়ে দেয়া যে, তারা শত্রুদের সাথে কিভাবে সময় কাটিয়েছে এবং কাফিরদের অবস্থা কিরূপ। এখন এই স্থিরীকত সফরে দু'টি বিষয় একত্রিত হলো। এক স্থিরীকত সফর ঐ লোকদের, যারা জিহাদে যাচ্ছে। আর দ্বিতীয় ঐ লোকদের অবস্থান যারা ধর্মীয় জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে নবী (সঃ)-এর সাথে রয়ে গেছে। কেননা, এটা হচ্ছে ফরযে কিফায়া। কিছু লোক না করলে বাকী লোকদের উপর তা জরুরী ও ফরয। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেন (আরবী)-এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন- মুমিনদের জন্যে এটা উচিত নয় যে, নবী (সঃ)-এর নিকট থেকে সবাই চলে যাবে এবং নবী (সঃ)-কে একাকী ছেড়ে দেবে। আর এরূপ কেন হবে না যে, প্রত্যেক দলের মধ্য থেকে লোক যাবে যাতে অবশিষ্ট লোক রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কাছে থেকে দ্বীনের জ্ঞান লাভ করতে পারে এবং যখন তারা ফিরে আসবে তখন এরা নিজেদের কওমের কাছে গিয়ে তাদেরকে দ্বীন সম্পর্কে অবহিত করবে ও আল্লাহ থেকে ভয় প্রদর্শন করবে। আর রাসূলুল্লাহ (সঃ) যতক্ষণ না সফরে গমনের অনুমতি দেন ততক্ষণ সফরে গমন করবে না। এই লোকদের অনুপস্থিতির সময়কালে কুরআনের যেসব আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। ঐগুলোকে নবী (সঃ)-এর কাছে অবস্থানকারী লোকেরা তা জানিয়ে দেবে এবং বলে দেবেঃ “আল্লাহ তা'আলা স্বীয় রাসূল (সঃ)-এর উপর এগুলো অবতীর্ণ করেছেন, আমরা এগুলো শিখেছি। এখন তোমরা সফর হতে ফিরে এসেছে, সুতরাং তোমরাও এগুলো শিখে নাও।" এখন আবার দ্বিতীয় দলকে পাঠানো হবে যেন তারা পরহেয় করে চলে। (আরবী)-এর অর্থ এটাই। মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এই আয়াত রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাহাবীদের মধ্যে ঐ লোকদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয় যারা শিক্ষা লাভ করে নিজেদের পল্লীতে চলে যায়। সেখানে জনগণের নিকট থেকে উপকার লাভ করে, শান্তি ও আরাম প্রাপ্ত হয়, ধন-সম্পদও উপার্জন করে এবং দ্বীনের তবলীগও করে। কিন্তু জনগণ তাদেরকে বলেঃ “তোমরা নবী (সঃ) ও তাঁর সাহাবীদের সাহচর্য পরিত্যাগ করে আমাদের কাছে চলে এসেছে এবং তাঁর সঙ্গ লাভ হতে সরে পড়েছো!” এ কথায় তারা মনে খুব ব্যথা ও দুঃখ অনুভব করলো। তারা সবাই পল্লী হতে নবী (সঃ)-এর কাছে এসে গেল। এ ব্যাপারেই আল্লাহ তা'আলা আয়াত নাযিল করলেনঃ “এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেকটি বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বহির্গত হয় যাতে অবশিষ্টরা ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে থাকে, আর যাতে তারা নিজ কওম অর্থাৎ জিহাদে অংশগ্রহণকারীদেরকে নাফরমানী হতে ভয় প্রদর্শন করে যখন তারা ওদের নিকট প্রত্যাবর্তন করে, যেন তারা পরহেয় করে চলে।” কাতাদা (রঃ) বলেন যে, এই আয়াত ঐ সময় অবতীর্ণ হয় যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) সেনাবাহিনী প্রেরণ করেন। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে নির্দেশ দেন যে, তারা যেন নবী (সঃ)-এর সাথে থেকে যুদ্ধ করে। কিন্তু অন্য একটি দল যেন তাঁর সাথে অবস্থান করে, যাতে তারা ধর্মীয় জ্ঞান লাভ করতে পারে। আর অন্য আরেকটি দল যেন নিজের গোত্রের কাছে পল্লীতে চলে যায় এবং আল্লাহর ঐ আযাব থেকে তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করে যে আযাব তাদের পূর্ববর্তী কওমদের উপর অবতীর্ণ হয়েছিল। যহহাক (রঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন স্বয়ং যুদ্ধে গমন করেন তখন ওযর বিশিষ্ট লোকদের ছাড়া আর কারো এই অনুমতি নেই যে, সে পিছনে রয়ে যায়। আর যদি তিনি স্বয়ং না যান বরং সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দেন তবে তার অনুমতি ছাড়া কেউ সেনাবাহিনীর মধ্যে শরীক হতে পারে না। যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) কর্তৃক প্রেরিত সেনাবাহিনী যুদ্ধে গমন করে এবং তাদের অনুপস্থিতিকালে যে অহী অবতীর্ণ হয়, আর নবী (সঃ) তাঁর পাশে অবস্থানকারীদেরকে তা শুনিয়ে দেন, তখন ঐ সেনাবাহিনী ফিরে আসলে এই অবস্থানরত লোকেরা তাদেরকে তা শুনিয়ে দিয়ে বলবেঃ “তোমাদের যুদ্ধে গমনের পর এই অহী অবতীর্ণ হয়েছে।” এভাবে তাদের মধ্যেও ধর্মীয় জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। সবারই যুদ্ধে গমন না করার নির্দেশ ঐ অবস্থায় প্রযোজ্য হবে যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দিয়ে নিজে বাড়ীতে অবস্থান করেন। ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, (আরবী) -এই আয়াতটি জিহাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়নি। বরং রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন মুযার গোত্রের উপর দুর্ভিক্ষের বদ দুআ করেন এবং সবাই দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হয়, তখন সবাই মদীনায় এসে বাস করতে শুরু করে এবং নিজেদেরকে ঝুট মুট মুসলিম বলে পরিচয় দেয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাহাবীদের উপর তাদের মেহমানদারী বোঝা স্বরূপ হয়। তখন আল্লাহ তা'আলা অহীর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জানিয়ে দেন যে, প্রকৃতপক্ষে তারা মুসলিম নয়। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে নিজ নিজ গোত্রের নিকট ফিরিয়ে দেন। আর দ্বিতীয়বার যেন এরূপ না করা হয় এ ব্যাপারে তাদেরকে সতর্ক করে দেন।(আরবী) -এই আয়াতের ব্যাপারে ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, আরবের প্রত্যেকটি গোত্রের মধ্য হতে দলে দলে লোক রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট আগমন করতো। তারা তাঁকে ধর্মীয় বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতো। তাদের ধর্মীয় জ্ঞান লাভের ইচ্ছা থাকতো। তারা নবী (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করতোঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমাদেরকে কি কাজের নির্দেশ দিচ্ছেন?” তারা আরো বলতোঃ “আমাদের গোত্রের কাছে গিয়ে আমরা কি করবো?” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে উপদেশ দিতেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সঃ)-এর আনুগত্য করার এবং বলতেনঃ “তোমরা তোমাদের কওমের কাছে গিয়ে তাদের মধ্যে সালাত ও যাকাতের প্রসার ঘটাবে।” তারা তখন তাদের গোত্রের কাছে গিয়ে তাদেরকে পরিষ্কারভাবে বলে দিতোঃ “তোমরা যদি ইসলাম গ্রহণ কর তবে আমরা তোমাদের সাথে রয়েছি, নচেৎ নই।” আর তারা তাদেরকে আল্লাহ হতে ভয় প্রদর্শন করতো। এমন কি এরূপ হিদায়াতপ্রাপ্ত লোক নিজের কাফির পিতা-মাতা থেকেও সম্পর্ক ছিন্ন করতো। নবী (সঃ) তাদেরকে সতর্ক করতেন এবং আল্লাহ হতে ভয় প্রদর্শন করতেন। ঐ লোকগুলো যখন নিজেদের লোকদের কাছে ফিরে যেতো তখন তাদেরকে দ্বীন ইসলামের দিকে আহ্বান করতো, জাহান্নাম হতে ভয় দেখাতে এবং জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করতো। ইকরামা (রঃ) বলেন যে, যখন (আরবী) (৯:৩৯) এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন কাফিররা বলতে শুরু করেঃ “এখন তো তাহলে ঐ গ্রাম্য মুসলিমরা ধ্বংস হয়ে গেল যারা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে যুদ্ধে গমন না করে পিছনে রয়েছিল।” অথচ তারা তো রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাহাবীদের মধ্যকার ঐ সব লোক ছিলেন যারা নিজেদের কওমের লোকদেরকে দ্বীন শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে গমন করেছিলেন এবং তাদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করার কারণ তো ছিল এটাই। তাই আল্লাহ তা'আলা বর্ণনা করে দিলেন-এই লোর্কগুলো যুদ্ধের জন্যে কেন গমন করবে? কিছু লোক অন্যদেরকে দ্বীন শিখাবার জন্যে কেন রয়ে যাবে না? ঐ সময় .. (আরবী) (৪২:১৬) এই আয়াত অবতীর্ণ হয়।হাসান বসরী (রঃ) বলেন, এই আয়াতের উদ্দেশ্য ছিল এই যে, যারা যুদ্ধে গমন করেছে তারা যখন নিজেদের লোকদের কাছে ফিরে আসবে তখন যুদ্ধের ফলাফলে তারা যে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রভাব দেখেছে এবং ইসলামের শান-শওকতপূর্ণ বিজয় অবলোকন করেছে, তা যেন জনগণকে অবহিত করে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengar, Cari, dan Renungkan Al-Quran

Quran.com ialah platform dipercayai yang digunakan oleh berjuta-juta orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengar dan merenung Al-Quran dalam pelbagai bahasa. Ia menyediakan terjemahan, tafsir, bacaan, terjemahan perkataan demi perkataan, dan alat untuk kajian yang lebih mendalam, menjadikan al-Quran boleh diakses oleh semua orang.

Sebagai Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang ramai berhubung secara mendalam dengan al-Quran. Disokong oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi bukan untung 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai sumber percuma dan berharga untuk semua, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Al-Quran
Qari
Tentang Kami
Pemaju (Developers)
Kemas kini produk
Maklum balas
Bantuan
Projek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projek tanpa untung yang dimiliki, diurus atau ditaja oleh Quran.Foundation
Pautan yang di gemari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Peta lamanPrivasiTerma dan Syarat
© 2026 Quran.com. Hak cipta terpelihara