Log masuk
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
🚀 Sertai Cabaran Ramadan kami!
Ketahui lebih lanjut
Log masuk
Log masuk
9:123
يا ايها الذين امنوا قاتلوا الذين يلونكم من الكفار وليجدوا فيكم غلظة واعلموا ان الله مع المتقين ١٢٣
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ قَـٰتِلُوا۟ ٱلَّذِينَ يَلُونَكُم مِّنَ ٱلْكُفَّارِ وَلْيَجِدُوا۟ فِيكُمْ غِلْظَةًۭ ۚ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلْمُتَّقِينَ ١٢٣
يَٰٓأَيُّهَا
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
قَٰتِلُواْ
ٱلَّذِينَ
يَلُونَكُم
مِّنَ
ٱلۡكُفَّارِ
وَلۡيَجِدُواْ
فِيكُمۡ
غِلۡظَةٗۚ
وَٱعۡلَمُوٓاْ
أَنَّ
ٱللَّهَ
مَعَ
ٱلۡمُتَّقِينَ
١٢٣
Wahai orang-orang yang beriman! Perangilah orang-orang kafir musyrik yang berdekatan dengan kamu; dan biarlah mereka merasai sikap kekerasan (serta ketabahan hati) yang ada pada kamu; dan ketahuilah sesungguhnya Allah beserta orang-orang yang bertaqwa (dengan memberikan pertolonganNya).
Tafsir
Pelajaran
Renungan
Jawapan
Qiraat

আল্লাহ তা'আলা মুমিনদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারা যেন প্রথমে ঐ জায়গার কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করে যা ইসলামের কেন্দ্রস্থলের অতি নিকটবর্তী। এ জন্যেই রাসূলুল্লাহ (সঃ) সর্বপ্রথম আরব উপদ্বীপের মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। তারপর তিনি মক্কা, মদীনা, তায়েফ, ইয়ামন, ইয়ামামা, হিজর, খায়বার, হাযারা মাউত প্রভৃতি জায়গার অমুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন। মোটকথা, প্রথমে তিনি আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চল জয় করেন এবং ওগুলোর অধিবাসীদেরকে মুসলিম বানিয়ে নেন। আরব গোত্রগুলো দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। এরপর আহলে কিতাবদের সাথে যুদ্ধ হয় এবং রোমকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এই লোকগুলো আরব উপদ্বীপের নিকটেই বসবাস করতো। ইসলামের দাওয়াত সর্বপ্রথম তাদেরকে দেয়ারই প্রয়োজন ছিল। তাছাড়া তারা ছিল আহলে কিতাব। কিন্তু তাবুক পর্যন্ত পৌছে মুসলিমরা আর আগে না বেড়ে ফিরে আসেন। কেননা, তাঁদের অবস্থা ছিল ঐ সময় খুবই সংকীর্ণ এবং তাঁরা দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হয়েছিলেন। এটা ছিল নবম হিজরীর ঘটনা। দশম হিজরীতে নবী (সঃ) বিদায় হজ্বের ব্যাপারে মশগুল ছিলেন। বিদায় হজ্বের একাশি দিন পরে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার ইন্তেকালের পর তাঁর নির্দেশ পূরণকারীরূপে দাড়িয়ে গেলেন তাঁর উযীর ও বন্ধু আবু বকর (রাঃ)। এই বাধ্যতামূলক ইনকিলাবের সময়ে দ্বীনের মধ্যে একটা চাঞ্চল্যকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা আবু বকর (রাঃ)-এর মাধ্যমে দ্বীনের মধ্যে দৃঢ়তা আনয়ন। করেন। আবূ বকর (রাঃ) দ্বীনকে মজবুত করে দেন এবং এর স্তম্ভকে দৃঢ় করেন। আর ধর্মত্যাগী লোকদেরকে পুনরায় ধর্মের দিকে ফিরিয়ে আনেন। যারা যাকাত দিতে অস্বীকার করেছিল তাদেরকে যাকাত প্রদানে বাধ্য করেন। যারা ধর্মের মাসআলা থেকে বিস্মরণ হয়ে গিয়েছিল তাদেরকে তা স্মরণ করিয়ে দেন।রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাথে সম্পর্কযুক্ত যেসব কর্তব্য ছিল সেগুলো তিনি পূর্ণ করেন। তারপর তিনি মুসলিম সেনাবাহিনীকে রোম সাম্রাজ্যের দিকে প্রেরণ করেন। তারা ছিল শূলের পূজারী। ইসলামী বাহিনীকে তিনি অগ্নিপূজক পারস্যবাসীদের দিকেও প্রেরণ করেন। আল্লাহ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-এর বরকতে এই অঞ্চলগুলোর উপর মুসলিমদেরকে বিজয় দান করেন। আর (পারস্য সম্রাট) কিসরা ও (রোম সম্রাট) কায়সার এবং তাদের অনুসারীরা হয় লাঞ্ছিত ও অপমানিত। এই দুই সম্রাটের ধনভাণ্ডার আল্লাহর পথে খরচ করা হয়, যেমন রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইতিপূর্বে এর সংবাদ দিয়েছিলেন। সুতরাং তাঁর উপদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তি আবু বকর (রাঃ) তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ করেন। তারপর পূর্ণ করেন আবু বকর (রাঃ)-এর স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি উমার (রাঃ)। উমার (রাঃ)-এর মাধ্যমে এই বিপথগামী কাফিরদেরকে খুবই লাঞ্ছিত করা হয়। বিদ্রোহী ও মুনাফিকদেরকে পূর্ণরূপে দমন করেন এবং পূর্ব ও পশ্চিমের সমস্ত সাম্রাজ্যের উপর বিজয় লাভ করেন। নিকটের ও দূরের সমস্ত রাজ্যের ধন-সম্পদ ইসলামের কেন্দ্রস্থলে নিয়ে আসা হয়। এসব সম্পদ শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হকদার লোকদের মধ্যে ও জরুরী কাজে ব্যয় করা হয়। উমার (রাঃ) জীবিত থাকলেন প্রশংসার পাত্র হয়ে এবং মারা গেলেন শহীদরূপে। তারপর মুহাজির ও আনসারগণ সর্বসম্মতভাবে আমীরুল মুমিনীন উসমান (রাঃ)-কে খলীফা নির্বাচন করলেন। উসমান (রাঃ)-এর যুগে ইসলামের শান-শওকত বৃদ্ধি পায় এবং সুনাম অর্জিত হয়। আর সারা ইসলাম জগতে মানুষের উপর হুজ্জতে ইসলাম জয়যুক্ত হয়। তাঁর যুগেই পূর্ব ও পশ্চিমের সব জায়গাতেই ইসলাম উন্নতির উচ্চ শিখরে আরোহণ করে । আল্লাহর কালেমার প্রভাব প্রতিটি জায়গায় মানুষদের উপর ছড়িয়ে পড়ে এবং মিল্লাতে হানীফিয়্যা আল্লাহর শত্রুদের উপর পূর্ণ বিজয় লাভ করে। কোন সময় এক কওমের উপর এবং কোন সময় অন্য কওমের উপর ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়। আবার কখনো এমন কওমের উপর বিজয় লাভ করে যাদের ঐ কাফির ও মুশরিকদের সাথে মিত্রতা রয়েছে। এটা ছিল আল্লাহ তা'আলার নিম্নের নির্দেশ অনুযায়ী (আরবী)। আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে মুমিনগণ! তোমরা কাফিরদের সাথে যুদ্ধ কর যারা তোমাদের নিকটবর্তী এবং তারা যেন তোমাদের মধ্যে কঠোরতা পায়।” কেননা, পূর্ণ মুমিন হচ্ছে ঐ ব্যক্তি, যার আচরণ নিজেদের মধ্যে খুবই কোমল এবং কাফিরদের উপর অত্যন্ত কঠোর। যেমন আল্লাহ পাক বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “অচিরেই আল্লাহ এমন কওমকে আনয়ন করবেন যাদেরকে তিনি ভালবাসেন এবং তারাও তাঁকে ভালবাসে। তারা মু'মিনদের প্রতি কোমল ও কাফিরদের প্রতি কঠোর হবে।” (৫:৫৪) আর এক জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ (সঃ) এবং তাঁর সঙ্গীরা কাফিরদের উপর অত্যন্ত কঠোর এবং তাদের পরস্পরের প্রতি খুবই দয়ালু।” (৪৮:২৯) অন্য এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে নবী (সঃ)! কাফির ও মুনাফিকদের সাথে যুদ্ধ কর এবং তাদের উপর কঠোর হও।” (৬৬:৯)হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমি খুব হাস্যকারী, আবার খুব যুদ্ধকারীও বটে।” অর্থাৎ আমি বন্ধুদের জন্যে খোশ মেযাজী, আবার শত্রুদের সাথে ভীষণ যুদ্ধকারীও বটে। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ “তোমরা কাফিরদের সাথে যুদ্ধ কর এবং আল্লাহর উপর ভরসা কর। আর বিশ্বাস রেখো যে, যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং তাঁর আনুগত্য কর তবে তিনি সদা তোমাদের সাথে রয়েছেন। এ বিষয়টি এই উম্মতের সর্বোত্তম যুগ কুরূণে সালাসার মধ্যে খুবই দৃঢ়তার সাথে ছিল। আর এ যুগটা ছিল আল্লাহর আনুগত্য প্রতিষ্ঠার যুগ। মুসলিমরা সদা কাফিরদের উপর বিজয়ী থাকে এবং কাফিররা সর্বদা ক্ষতিগ্রস্ত ও লাঞ্ছিত হয়। যখন বাদশাহদের মধ্যে গণ্ডগোল ও মতানৈক্য সৃষ্টি হয় তখন শত্রুরা দেশসমূহের চারদিকে দৃষ্টিপাত করতে শুরু করে। তারা ইসলামী সাম্রাজ্যগুলোর দিকে ধাবিত হয় এবং শক্র দেশগুলো একে অপরের সাথে এক জোট হয়ে যায়। তারপর একে অপরের সাহায্যে ইসলামী সাম্রাজ্যগুলোর সীমান্তের উপর চড়াও হয়। এভাবে তারা মুসলিমদের বহু দেশ দখল করে নেয়। কিন্তু যে ইসলামী বাদশাহ্ আল্লাহর আহকাম মেনে নেয়, আল্লাহর উপর ভরসা করে, তখন আল্লাহ অবশ্যই তাকে বিজয় দান করেন এবং সে হারানো দেশ পুনরুদ্ধার করে। আমরা আশা রাখি যে, আল্লাহ তাআলা পুনরায় মুসলিমদের বিজয় দান করবেন এবং সারা দুনিয়ায় তাওহীদের কালেমা সমুন্নত হবে। তিনি হচ্ছেন পরম দাতা ও দয়ালু।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Baca, Dengar, Cari, dan Renungkan Al-Quran

Quran.com ialah platform dipercayai yang digunakan oleh berjuta-juta orang di seluruh dunia untuk membaca, mencari, mendengar dan merenung Al-Quran dalam pelbagai bahasa. Ia menyediakan terjemahan, tafsir, bacaan, terjemahan perkataan demi perkataan, dan alat untuk kajian yang lebih mendalam, menjadikan al-Quran boleh diakses oleh semua orang.

Sebagai Sadaqah Jariyah, Quran.com berdedikasi untuk membantu orang ramai berhubung secara mendalam dengan al-Quran. Disokong oleh Quran.Foundation , sebuah organisasi bukan untung 501(c)(3), Quran.com terus berkembang sebagai sumber percuma dan berharga untuk semua, Alhamdulillah.

Navigasi
Halaman Utama
Radio Al-Quran
Qari
Tentang Kami
Pemaju (Developers)
Kemas kini produk
Maklum balas
Bantuan
Projek Kami
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projek tanpa untung yang dimiliki, diurus atau ditaja oleh Quran.Foundation
Pautan yang di gemari

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Peta lamanPrivasiTerma dan Syarat
© 2026 Quran.com. Hak cipta terpelihara