Aanmelden
🚀 Doe mee aan onze Ramadan-uitdaging!
Leer meer
🚀 Doe mee aan onze Ramadan-uitdaging!
Leer meer
Aanmelden
Aanmelden
5:57
يا ايها الذين امنوا لا تتخذوا الذين اتخذوا دينكم هزوا ولعبا من الذين اوتوا الكتاب من قبلكم والكفار اولياء واتقوا الله ان كنتم مومنين ٥٧
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ لَا تَتَّخِذُوا۟ ٱلَّذِينَ ٱتَّخَذُوا۟ دِينَكُمْ هُزُوًۭا وَلَعِبًۭا مِّنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ مِن قَبْلِكُمْ وَٱلْكُفَّارَ أَوْلِيَآءَ ۚ وَٱتَّقُوا۟ ٱللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ٥٧
يَٰٓأَيُّهَا
ٱلَّذِينَ
ءَامَنُواْ
لَا
تَتَّخِذُواْ
ٱلَّذِينَ
ٱتَّخَذُواْ
دِينَكُمۡ
هُزُوٗا
وَلَعِبٗا
مِّنَ
ٱلَّذِينَ
أُوتُواْ
ٱلۡكِتَٰبَ
مِن
قَبۡلِكُمۡ
وَٱلۡكُفَّارَ
أَوۡلِيَآءَۚ
وَٱتَّقُواْ
ٱللَّهَ
إِن
كُنتُم
مُّؤۡمِنِينَ
٥٧
O jultie die geloven! Neemt niet degenen die jullie godsdienst tot een (onderwerp van) bespotting en scherts maken van degenen die de Schrift vóór jullie gegeven waren en de ongelovigen als beschcrmcrs. En vreest Allah, indien jullie gelovigen zijn.
Tafseers
Lessen
Reflecties
Antwoorden
Qiraat
Je leest een tafsir voor de groep verzen 5:57tot 5:58

৫৭-৫৮ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে আল্লাহ তা'আলা মুসলমানদের মনে অমুসলিমদের বন্ধুত্ব ও ভালবাসার প্রতি ঘৃণা জন্মিয়ে দিয়ে বলছেন- তোমরা কি এমন লোকদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে, যারা তোমাদের পবিত্র ধর্মের সাথে হাসি তামাশা করছে? (আরবী) শব্দটি (আরবী) -এর জন্যে এসেছে, যেমন (আরবী) -এর মধ্যে। কেউ কেউ অল কুফফারে পড়েছেন এবং (আরবী) করেছেন। আবার কেউ কেউ অল কুফফারা পড়েছেন এবং (আরবী) -এর। বানিয়েছেন। তখন (আরবী) হবে অলাল কুফফারা আউলিয়ায়া এরূপ। এখানে দ্বারা মুশরিকদেরকে বুঝানো হয়েছে। ইবনে মাসউদ (রাঃ)-এর কিরআতে ওয়া মিনাল্লাযিনা আশরাকু এরূপ রয়েছে।ঘোষিত হচ্ছে-যদি তোমরা ঈমানদার হও তবে আল্লাহকে ভয় কর। এরা তো তোমাদের দ্বীনের সাথে, আল্লাহর সাথে এবং শরীয়তের সাথে শত্রুতা করছে। যেমন অন্য স্থানে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন (আরবী) অর্থাৎ “মুসলমানদের উচিত কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করা মুসলমানদের (বন্ধুত্ব) অতিক্রম করে, আর যে ব্যক্তি এরূপ করবে, সে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে বন্ধুত্ব রাখার কোন হিসেবে নয়, অবশ্য এমন অবস্থায় (বাহ্যিক বন্ধুত্বের অনুমতি আছে) যখন তোমরা তাদের থেকে কোন প্রকার আংশকা কর, আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর সত্তার ভয় দেখাচ্ছেন, আর আল্লাহরই কাছে ফিরে যেতে হবে।” (৩:২৮) অনুরূপভাবে আহলে কিতাবের এ কাফিররাও এবং মুশরিকরাও এ সময়েও ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে থাকে যখন তোমরা নামাযের জন্যে আযান দাও। অথচ এটাই আল্লাহ তা'আলার সবচেয়ে প্রিয় ইবাদত। কিন্তু এ নির্বোধরা এটুকুও জানে না। তাই তারা শয়তানের অনুসারী। আর শয়তানের অবস্থা এই যে, আযান শোনামাত্রই সে গুহ্যদ্বার দিয়ে বায়ু বের করতঃ লেজ গুটিয়ে পলায়ন করে এবং সেখানে গিয়ে থেমে যায় যেখানে আযানের শব্দ পৌছে না। তারপর আবার আসে এবং তাকবীর শুনে পালিয়ে যায়। তাকবীর দেয়া শেষ হলেই সে পুনরায় এসে পড়ে এবং নামাযীকে বিভ্রান্ত করার কাজে লেগে যায়। তাকে সে এদিক ওদিকের বিস্মরণ হয়ে যাওয়া কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, এমনকি কত রাকআত নামায় হয়েছে তাও তার আর স্মরণ থাকে না। যখন এরূপ অবস্থা ঘটবে দু'টো সহু সিজদা করতে হবে। (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম) ইমাম যুহরী (রঃ) বলেন যে, কুরআন কারীমে আযানের উল্লেখ রয়েছে। অতঃপর তিনি এ আয়াতটিই পাঠ করেন।মদীনায় একজন খ্রীষ্টান ছিল। আযানে যখন “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ” শুনতো তখন সে বলতোঃ “এই মিথ্যাবাদী জ্বলে পুড়ে যাক।” একদা রাত্রে তার চাকরাণী ঘরে আগুন নিয়ে আসে। কোন পতঙ্গ উড়ে আসে, ফলে তার ঘরে আগুন লেগে যায় এবং ঐ ব্যক্তি ও তার ঘরবাড়ী পুড়ে ভস্ম হয়ে যায়। মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত বিলাল (রাঃ)-কে কা'বা ঘরে আযান দেয়ার নির্দেশ দেন। নিকটেই আবু সুফিয়ান ইবনে হারব, আত্তাব ইবনে উসায়েদ এবং হারিস ইবনে হিশাম বসে ছিল। আত্তাব তো আযান শুনে বলেই ফেললোঃ “আমার পিতার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ বর্ষিত হয়েছে যে, তিনি এ ক্রোধ উদ্রেককারী শব্দ শোনার পূর্বেই দুনিয়া হতে বিদায় গ্রহণ করেছেন।” হারিস বললোঃ “আমি যদি একে সত্য জানতাম তবে তো মেনেই নিতাম।” আবু সুফিয়ান বললোঃ “ভয়ে তো আমার মুখ দিয়ে কোন কথাই বের হচ্ছে না, না জানি এ কংকরগুলো তাঁকে এ খবর জানিয়ে দেয়। তাদের কথাগুলো বলা শেষ হওয়া মাত্রই রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদের কাছে এসে পড়েন এবং তাদেরকে বললেনঃ “তোমরা এই সময় এই এই কথা বলেছে। তার এ কথা শোনামাত্রই আত্তাব এবং হারিস তো বলেই ফেলেঃ “আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আল্লাহর সত্য রাসূল! এখানে তো চতুর্থ কেউ ছিল না। তাহলে আমরা ধারণা করতে পারতাম যে, সেই হয়তো গিয়ে আপনকে এসব কথা বলে দিয়েছে।” (সীরাতে মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক)।হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাজরী যখন সিরিয়ার সফরে বের হন তখন যাত্রার প্রাক্কালে হযরত আবু মাহযুরাকে বলেন, যার ক্রোড়ে তিনি পিতৃহীন হিসেবে লালিত পালিত হয়েছিলেন-“তথাকার লোকেরা অবশ্যই আমাকে আপনার আযানের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। সুতরাং আপনি আপনার আযান সম্পর্কীয় ঘটনাগুলো আমার নিকট বর্ণনা করুর।” তখন আবু মাহযুরা (রাঃ) বলেনঃ তাহলে শুন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন হুনায়েনের যুদ্ধক্ষেত্র হতে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। সেই সময় আমরা পথে এক জায়গায় অবস্থান করছিলাম। নামাযের। সময় হলে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর মুআযযিন আযান দেন। আমরা তখন আযানের সাথে সাথে হাসি তামাসা শুরু করি (অর্থাৎ বিদ্রুপ করে আযানের শব্দগুলো উচ্চারণ করতে থাকি)। কেমন করে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কর্ণকুহরে আমাদের শব্দগুলো পৌছে যায়। তখন একজন সৈনিক এসে আমাদেরকে তার কাছে নিয়ে যান। তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করেনঃ “তোমাদের মধ্যে কার শব্দ সবচেয়ে উচ্চ ছিল?” সবাই তখন আমার দিকে ইশারা করে। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) সবকে ছেড়ে দিয়ে শুধুমাত্র আমাকেই ধরে রাখেন এবং বলেনঃ “দাড়িয়ে আযান বল।” আল্লাহর কসম! সেই সময় আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর আদেশ মান্য করা অপেক্ষা অপ্রীতিকর বিষয় আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। কিন্তু কি করি? আমি নিরুপায় ছিলাম। সুতরাং দাড়িয়ে গেলাম। তিনি স্বয়ং আমাকে আযান শিখাতে থাকেন এবং আমি তা বলতে থাকি। (অতঃপর তিনি পূর্ণভাবে আযানের বাক্যগুলো বলেন) আযান দেয়া শেষ হলে তিনি আমাকে একটি থলে দেন, যার মধ্যে কিছু চাদি বা রৌপ্য ছিল। অতঃপর তিনি তাঁর পবিত্র হাতখানা আমার মাথায় রাখেন এবং তা পিঠ পর্যন্ত নিয়ে যান। তারপর তিনি বলেনঃ “আল্লাহ তোমার ভেতরে ও তোমার উপরে বরকত দান করুন। আল্লাহর কসম! তখন তো আমার অন্তর হতে আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর শত্রুতা সম্পূর্ণরূপে বিদূরিত হয় এবং ওর স্থলে অন্তরে ঐরূপই মুহব্বত সৃষ্টি হয়। আমি অনুরোধ জানিয়ে বলিঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)। আমাকে মক্কার মুআযযিন বানিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ “আমি তোমার আবেদন মঞ্জুর করলাম।" আমি মক্কা চলে গেলাম এবং তথাকার শাসনকর্তা হযরত আত্তাব ইবনে উসাইদ (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাত করে তাঁর নির্দেশক্রমে মুআযযিন পদে নিযুক্ত হয়ে গেলাম। হযরত আবু মাহযুরা (রাঃ)-এর নাম ছিল সুমরা ইবনে মুগীরা ইবনে লাওযান। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর চারজন মুআযযিনের মধ্যে তিনি ছিলেন একজন। তিনি বহুদিন পর্যন্ত মক্কাবাসীদের মুআযযিন ছিলেন। (ইমাম আহমাদ (রঃ) এরূপই বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম (রঃ) তাঁর সহীহ গ্রন্থে এবং সুনানে আরবাআর সংকলকগণ এটা তাখরীজ করেছেন)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lees, luister, zoek en reflecteer over de Koran

Quran.com is een vertrouwd platform dat wereldwijd door miljoenen mensen wordt gebruikt om de Koran in meerdere talen te lezen, te doorzoeken, te beluisteren en erover na te denken. Het biedt vertalingen, tafseer, recitaties, woord-voor-woordvertalingen en tools voor een diepere studie, waardoor de Koran voor iedereen toegankelijk is.

Als Sadaqah Jariyah zet Quran.com zich in om mensen te helpen een diepe verbinding met de Koran te maken. Ondersteund door Quran.Foundation , een non-profitorganisatie. Quran.com blijft groeien als een gratis en waardevolle bron voor iedereen, Alhamdulillah.

Navigeren
Home
Koran Radio
reciteurs
Over ons
Ontwikkelaars
Product updates
Feedback
Hulp
Onze projecten
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Non-profitprojecten die eigendom zijn van, beheerd worden door of gesponsord worden door Quran.Foundation.
Populaire links

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

SitemapPrivacyAlgemene voorwaarden
© 2026 Quran.com. Alle rechten voorbehouden