Entrar
🚀 Participe do nosso Desafio do Ramadã!
Saber mais
🚀 Participe do nosso Desafio do Ramadã!
Saber mais
Entrar
Entrar
13:13
ويسبح الرعد بحمده والملايكة من خيفته ويرسل الصواعق فيصيب بها من يشاء وهم يجادلون في الله وهو شديد المحال ١٣
وَيُسَبِّحُ ٱلرَّعْدُ بِحَمْدِهِۦ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِۦ وَيُرْسِلُ ٱلصَّوَٰعِقَ فَيُصِيبُ بِهَا مَن يَشَآءُ وَهُمْ يُجَـٰدِلُونَ فِى ٱللَّهِ وَهُوَ شَدِيدُ ٱلْمِحَالِ ١٣
وَيُسَبِّحُ
ٱلرَّعۡدُ
بِحَمۡدِهِۦ
وَٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ
مِنۡ
خِيفَتِهِۦ
وَيُرۡسِلُ
ٱلصَّوَٰعِقَ
فَيُصِيبُ
بِهَا
مَن
يَشَآءُ
وَهُمۡ
يُجَٰدِلُونَ
فِي
ٱللَّهِ
وَهُوَ
شَدِيدُ
ٱلۡمِحَالِ
١٣
O trovão celebra os Seus louvores e o mesmo fazem os anjos, por temor a Ele, o Qual lança as centelhas, fulminando, assim, quem Lhe apraz enquanto disputam sobe Deus, apesar de Ele ser poderosamente Inexorável.
Tafsirs
Lições
Reflexões
Respostas
Qiraat
Você está lendo um tafsir para o grupo de versos 13:12 a 13:13

১২-১৩ নং আয়াতের তাফসীর আল্লাহ তাআ’লা খবর দিচ্ছেন যে, বিদ্যুৎও তারই নির্দেশাধীন। একটি লোক হযরত ইবনু আব্বাসকে (রাঃ) বিদ্যুৎ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তরে তাকে বলেনঃ “বিদ্যুৎ হচ্ছে পানি।” পথিক ওটা দেখে কষ্ট ও বিপদের ভয়ে বিচলিত হয়ে পড়ে। আর বাড়ীতে অবস্থানকারী ব্যক্তি বরকত ও উপকার লাভের আশায় জীবিকার আধিক্যের লোভ করে। ওটাই ঘন মেঘ সৃষ্টি করে থাকে যা পানির ভারে যমীনের নিকটবর্তী হয়ে যায়। ওটা পানিতে বোঝা স্বরূপ হয়ে যায়। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ বজ্রও তাঁর প্রশংসা মহিমা ও পবিত্রতা বর্ণনা করে। অন্য জায়গায় রয়েছেঃ “প্রত্যেক জিনিসই আল্লাহর প্রশংসা ও পবিত্রতা বর্ণনা করে থাকে।” বানু গিফার গোত্রের একজন শায়েখ নবীকে (সঃ) বলতে শুনেছেনঃ “আল্লাহ তাআ’লা মেঘ সৃষ্টি করেন যা উত্তমরূপে কথা বলে ও হাস্য করে। (এটা ইমাম আহমদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদ' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম তিরমিযী (রঃ) ও ইমাম বুখারী (রঃ) এটাকে কিতাবুল আদাবে রিওয়াইয়াত করেছেন এবং ইমাম হাকিম (রঃ) স্বীয় মুসতাদরাক’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)সম্ভবতঃ কথা বলা দ্বারা গর্জন করা এবং হাস্য করা দ্বারা বিদ্যুৎ চমকানো উদ্দেশ্য। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআ’লাই সর্বাধিক সঠিক জ্ঞানের অধিকারী। সা'দ ইবনু ইবরাহীম (রঃ) বলেন যে, আল্লাহ তাআ’লা মেঘ প্রেরণ করেন এবং ওটা অপেক্ষা উত্তম কথক ও উত্তম হাস্যকারী আর কিছুই নেই। ওর হাসি হচ্ছে বিদ্যুৎ এবং কথা হচ্ছে বজ্র। মুহাম্মদ ইবনু মুসলিম (রঃ) বলেন “আমরা খবর পেয়েছি যে, বিদ্যুৎ হচ্ছে একজন ফেরেশতা যার চারটি মুখ রয়েছে। একটি মানুষের মত, একটি বলদের মত, একটি গাধার মত এবং একটি সিংহের মত। সে যখন লেজ নাড়ে তখন বিদ্যুৎ চমকে ওঠে।”সা’লিম (রঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যখন বজ্র ধ্বনি শুনতেন তখন তিনি নিম্নের দু'আটি পাঠ করতেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার গযব দ্বারা নিপাত করবেন না এবং আপনার আযাব দ্বারা আমাদেরকে ধ্বংস করবেন না। এবং এর পূর্বেই আমাদেরকে নিরাপত্তা দান করুন।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন)অন্য রিওয়াইয়াতে নিম্নের দু'আটি রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমি ঐ সত্ত্বার পবিত্রতা বর্ণনা করছি যাঁর প্রশংসা পবিত্রতা বর্ণনা করে থাকে বজ্ৰ।” হযরত আলী (রাঃ) বজ্ৰ ধ্বণি শুনে পাঠ করতেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আমি তারই পবিত্রতা বর্ণনা করছি যার তুমি পবিত্রতা বর্ণনা করলে।” ইবনু আবি যাকারিয়া (রাঃ) বলেন যে, বজ্র ধ্বনি শুনে যে ব্যক্তি (আরবি) পাঠ করে তার উপর বিদ্যুৎ পতিত হয় না। হযরত আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বজ্র ধ্বনি শুনে কথাবার্তা বন্ধ করে দিতেন এবং পাঠ করতেনঃ (আরবি)অর্থাৎ “আমি ঐ আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি; বজ্রনির্ঘোষ ও ফেরেশতাগণ সভয়ে যাঁর প্রশংসা মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে থাকে।” আর তিনি বলতেন যে, এই শব্দে দুনিয়াবাসীর জন্যে বড় সন্ত্রাসের ব্যাপার রয়েছে। (এটা ইমাম মা’লিক (রঃ) তার মুআত্তা এবং ইমাম বুখারী (রঃ) কিতাবুল আদাবে বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমাদের মহা মহিমান্বিত প্রতিপালক বলেনঃ ‘যদি আমার বান্দারা পূর্ণমাত্রায় আমার আনুগত্য করতো তবে আমি অবশ্যই তাদের উপর রাত্রিকালে বৃষ্টি বর্ষণ করতাম এবং দিনের বেলায় তাদের উপর সূর্য প্রকাশমান রাখতাম, আর বজ্রের ধ্বনি পর্যন্ত তাদেরকে শুনাতাম না। (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) স্বীয় ‘মুসনাদ’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ বজ্র ধ্বনি শুনে তোমরা আল্লাহর যিকর করবে। কেননা, আল্লাহর কসম! আল্লাহর যিকরকারীর উপর বস্ত্র পতিত হয় না। (এ হাদীসটি ইমাম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)“তিনি বজ্রপাত করেন এবং যাকে ইচ্ছা ওটা দ্বারা আঘাত করেন।” এ জন্যেই শেষ যুগে খুব বেশি বিজলী পতিত হবে। যেমন হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সময় খুব বেশি বিজলী পড়বে। এমনকি কোন লোক তাদের কওমের কাছে এসে জিজ্ঞেস করবেঃ “সকালে কার উপর বিজলী পড়েছে?” তারা উত্তরে বলবেঃ “অমুকের উপর অমুকের উপর, এবং অমুকের উপর।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)এই আয়াতের শানে নুযূলে হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) একটি লোককে একবার আরবের এক অহংকারী সরদারকে ডেকে আনার জন্যে প্রেরণ করেন। লোকটি তখন তার নিকট গমন করে এবং তাকে বলেঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) তোমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। সে একথা শুনে লোকটিকে বলেঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) কে? এবং আল্লাহ কে? তিনি কি সোনার, না রূপার, না তামার (তৈরী)?” দূতটি তখন রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে ফিরে আসলো এবং বললো: “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমি তো আপনাকে পূর্বেই বলেছিলাম যে, সে একজন অহংকারী লোক! সে আমাকে এরূপ, এরূপ বলেছে।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) লোকটিকে বললেনঃ “তুমি তার কাছে দ্বিতীয়বার যাও।” সে গেল এবং সে তাকে ঐ কথাই বললো। সুতরাং সে এবারও রাসূলুল্লাহর (সঃ) নিকট ফিরে আসলো এবং বললো: “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমি তো আপনাকে খবর দিয়েছিলাম যে, সে এর থেকে বেপরোয়া”। রাসূলুল্লাহ (সঃ) লোকটিকে বললেনঃ “তুমি তার কাছে আবার ফিরে যাও এবং ডেকে আন।” সুতরাং সে তৃতীয়বার তার কাছে ফিরে গেল। এবারও লোকটি পয়গাম শুনে ঐ উত্তরই দিতে শুরু করলো। এমন সময় এক খন্ড মেঘ তার মাথার উপর এসে গেল। বজ্ৰ ধ্বনি হলো এবং তার উপর বিজলী পড়ে গেল। ফলে তার মাথার খুলী (মাথার উপরিভাগ উড়ে) গেল। ঐ সময় এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। (এ হাদীসটি হাফিয আবু ইয়ালা আল মুসিলী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত মুজাহিদ (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, একজন ইয়াহূদী রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে এসে বলেঃ “হে মুহাম্মদ (সঃ) ! আমাকে আপনার প্রতিপালক সম্পর্কে খবর দিন! তিনি কিসের তৈরী? তিনি কি তামার তৈরী, না মুক্তার তৈরী, না ইয়াকূতের তৈরী?” তার প্রশ্ন তখনও পূর্ণ হয়নি অকস্মাৎ আকাশ থেকে বিদ্যুৎ পতিত হলো এবং সে ধ্বংস হয়ে গেল। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হলো।কাতাদা’ (রঃ) বলেনঃ বর্ণিত আছে যে, একটি লোক কুরআন কারীমকে। মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং রাসূলুল্লাহর (সঃ) নুবওয়াতকে অস্বীকার করে। ঐ সময়ই আকাশ থেকে বিদ্যুৎ পতিত হয় এবং সে ধ্বংস হয়ে যায়। তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়।এই আয়াতের শানে নুযূলে আ’মির ইবনু তুফাইল ও আরবাদ ইবনু রাবী’আ’র কাহিনীও বর্ণিত হয়েছে। এ লোক দু’টি আরবের নেতৃস্থানীয় লোকদের অন্তর্ভূক্ত ছিল। তারা মদীনায় এসে রাসূলুল্লাহর (সঃ) নিকট হাযির হয় এবং বলেঃ “আমরা এই শর্তে আপনাকে নবী হিসেবে মেনে নিতে পারি যে, আপনি আমাদেরকে আপনার কাজের (নুবওয়াতের) অর্ধেক শরীক করবেন।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। সুতরাং তারা নিরাশ হয়ে যায়। তখন অভিশপ্ত আমির বলেঃ “আল্লাহর কসম! আমি সারা আরবকে সৈন্য দ্বারা ভর্তি করে দেবো।” তার একথার উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বলেনঃ “তুমি মিথ্যাবাদী। আল্লাহ তাআ’লা তোমাকে এ সময় দিবেন না।” অতঃপর তারা দু’জন মদীনায় অবস্থান করতে থাকলো, উদ্দেশ্য এই যে, সুযোগ পেলেই রাসূলুল্লাহকে (সঃ) হত্যা করে ফেলবে। ঘটনাক্রমে একদিন তারা সুযোগ পেয়ে গেল। একজন সামনে থেকে তার সাথে কথাবার্তা বলতে লাগলো। অন্য জন তরবারী নিয়ে পেছনে এসে গেল। কিন্তু সেই প্রকৃত রক্ষক তাঁকে তাদের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করলেন। তখন তারা এখান থেকে ব্যর্থ মনোরথ হয়ে চলে গেল। তারা হিংসার আগুনে জ্বলে পুড়ে মরতে লাগলো। আরববাসীকে তারা তার বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতে শুরু করলো। ঐ অবস্থাতেই আরবদের উপর আকাশ থেকে বিদ্যুৎ পড়ে তাকে দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় করে দিলো। আর আমির প্লেগরোগে আক্রান্ত হলো এবং তাতেই সে মারা গেল। এই ধরনের লোকদের ব্যাপারেই আল্লাহ তাআ’লা (আরবি) (অর্থাৎ তিনি বজ্রপাত করেন এবং যাকে ইচ্ছা ওটা দ্বারা আঘাত করেন; তথাপি তারা আল্লাহর সম্বন্ধে বিতন্ডা করে) এই আয়াত অবতীর্ণ করেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরবাদের ভাই লাবীদ ইবনু রাবী’আ' নিম্নের পংক্তিতে শোকগাথা গেয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “আরবাদের ব্যাপারে আমি মৃত্যুকে ভয় করছি, তবে আমি তার ব্যাপারে সিমাক ও আসাদ তারকা দ্বয়ের কুলক্ষণকে ভয় করি না। যুদ্ধের দিনের বাহাদুর ঘোড় সওয়ারের ব্যাপারে বজ্র ও বিদ্যুই আমাকে ব্যথিত করেছে।”অন্য রিওয়াইয়াতে আছে যে, আ’মির বলেছিলঃ “যদি আমি মুসলমান হই তবে কি পাবো?” উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তুমি মুসলমান হলে অন্যান্য মুসলমানদের যে অবস্থা হয়েছে তোমারও সেই অবস্থাই হবে।" সে তখন বলেঃ “তা হলে আমি মুসলমান হবে না। যদি আমি আপনার পরে এই আমরের (নুবওয়াতের) অধিকারী হই তবেই আমি এই দ্বীন (ইসলাম) কবুল করবো।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) উত্তরে বলেনঃ “এটা তোমার জন্যেও হতে পারে না এবং তোমার কওমের জন্যেও হতে পারে না। হ্যাঁ, তবে তুমি ইসলাম কবুল করলে আমার অশ্বারোহী বাহিনী তোমাকে সাহায্য করবে।” একথা শুনে সে বলেঃ “আমার এর প্রয়োজন নেই। এখনও নজদের অশ্বারোহী বাহিনী আমার আশ্রয় স্থল হিসেবে রয়েছে। আমাকে আপনি যদি কাঁচা পাকার মালিক করে দেন তবে আমি ইসলাম কবুল করবো।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “না (তা হবে না)।” সুতরাং তারা দু’জন তাঁর নিকট হতে চলে গেল। আ’মির বলতে লাগলো: “আল্লাহর কসম! আমি মদীনার চতুর্দিক সেনাবাহিনী দ্বারা অবরোধ করবো।” রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বললেনঃ “আল্লাহ তাআ’লা তোমার এইচ্ছা পূর্ণ হতে দেবেন না।” এখন তারা দুজনে পরামর্শ করলো যে, তাদের একজন রাসূলুল্লাহর (সঃ) সাথে কথাবার্তা বলতে থাকবে এবং অপরজন এই সুযোগে তাঁকে তরবারী দ্বারা হত্যা করে ফেলবে। তারপর তাদের সাথে যুদ্ধ করবে আর কে খুব বেশী হলে এটাই হবে যে, তাদেরকে রক্তপণ দিতে হবে। এই পরামর্শের পর আবার তারা রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে আগমন করে। আমি তাঁকে বলেঃ আপনি এখানে একটু আসুন। আপনার সাথে আমি কিছু আলাপ করতে চাই।” তার একথা শুনে তিনি তার কাছে উঠে আসলেন এবং তার সাথে চললেন। এক প্রাচীরের পাদদেশে সে রাসূলুল্লাহর (সঃ) সাথে কথা বলতে শুরু করে। তিনি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার কথা শুনতে থাকেন। সুযোগ পেয়ে আরবাদ তরবারীর উপর হাত রাখে। ওটাকে কোষ হতে বের করার ইচ্ছা করে। কিন্তু আল্লাহ তাআ’লা তার হাত অবশ করে দেন। কোন ক্রমেই সে কোষ হতে তরবারী বের করতে পারলো না। যখন বেশ দেরী হয়ে গেল এবং পিছন দিকে ফিরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঐ অবস্থা দেখতে পেলেন তখন তিনি সেখান থেকে সরে আসলেন। অতঃপর তারা দু'জন মদীনা হতে প্রস্থান করে এবং ‘হাররা রা’কিম’ স্থানে পৌঁছে থেমে যায়। কিন্তু হযরত সা’দ ইবনু মুআ’য (রাঃ) এবং হযরত উসাইদ ইবনু হুযাইর (রাঃ) সেখানে পৌঁছেন এবং তাদেরকে সেখান থেকে বের করে দেন। তারা সেখান হতে বের হয়ে ‘রকম’ নামক স্থানে পৌছা মাত্রই আরবাদের উপর আকাশ থেকে বিজলী পড়ে যায় এবং সেখানেই তার জীবন লীলা শেষ হয়ে যায়। আ’মির সেখান থেকে পলায়ণ করে। ‘খুৱায়েম' নামক স্থানে পৌছা মাত্রই সে প্লেগের ফেঁড়ায় আক্রান্ত হয়। বানু সালুল গোত্রের এক মহিলার ঘরে সে রাত্রি যাপন করে। কখনো কখনো সে তার ঘাড়ের ফোঁড়া স্পর্শ করতো এবং সবিস্ময়ে বলতো: “এটা তো সেই ফোড়া যা উটের হয়ে থাকে! হায় আফসোস! আমি সালুল গোত্রের এক মহিলার ঘরে মারা যাবো! যদি আমি নিজ বাড়ীতে থাকতাম তবে কতই না ভাল হতো।” শেষ পর্যন্ত সে সেখানে থাকতে পারলো না। তার ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে সে সেখান থেকে বিদায় নিলো। কিন্তু পথেই সে ধ্বংস হয়ে গেলো। তাদের ব্যাপারেই আল্লাহ তাআ’লা(আরবি) (১৩: ৮-১১) পর্যন্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন। এতে হযরত মুহাম্মদকে (সঃ) হিফাযত করার বর্ণনাও রয়েছে এবং আরবাদের উপর বিজলী পতিত হওয়ার বর্ণনাও রয়েছে।এরপর আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ তারা আল্লাহর ব্যাপারে বাক বিতন্ডা করে। তারা তার মর্যাদা ও একত্ববাদকে স্বীকার করে না। অথচ আল্লাহ তাআ’লা তার বিরোধী ও অস্বীকারকারীদের কঠিন ও অসহনীয় শাস্তি প্রদানকারী। সুতরাং এই আয়াতটি নিম্নের আয়াতটির মতই। (আরবি) অর্থাৎ “তারা চরমভাবে চক্রান্ত করলো এবং আমিও উত্তম কৌশল করলাম, অথচ তারা উপলব্ধি করতে পারলো না। সুতরাং তুমি লক্ষ্য কর, তাদের চক্রান্তের ফল কি দাঁড়ালো! আমি তাদেরকে এবং তাদের সমস্ত কওমকে ধ্বংস করে দিলাম।” (২৭: ৫০) (আরবি) এর ভাবার্থ হযরত আলীর (রাঃ) মতেঃ “তিনি কঠিনভাবে পাকড়াওকারী।” আর হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ “তিনি ভীষণ শক্তিশালী।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Leia, ouça, pesquise e reflita sobre o Quran

Quran.com é uma plataforma confiável usada por milhões de pessoas em todo o mundo para ler, pesquisar, ouvir e refletir sobre o Alcorão em vários idiomas. Ela oferece traduções, tafsir, recitações, tradução palavra por palavra e ferramentas para um estudo mais aprofundado, tornando o Alcorão acessível a todos.

Como uma Sadaqah Jariyah, o Quran.com se dedica a ajudar as pessoas a se conectarem profundamente com o Alcorão. Apoiado pela Quran.Foundation , uma organização sem fins lucrativos 501(c)(3), o Quran.com continua a crescer como um recurso gratuito e valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Casa
Rádio Quran
Recitadores
Sobre nós
Desenvolvedores
Atualizações de produtos
Comentários
Ajuda
Nossos Projetos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projetos sem fins lucrativos de propriedade, administrados ou patrocinados pela Quran.Foundation
Links populares

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Mapa do sitePrivacidadeTermos e Condições
© 2026 Quran.com. Todos os direitos reservados