Entrar
🚀 Participe do nosso Desafio do Ramadã!
Saber mais
🚀 Participe do nosso Desafio do Ramadã!
Saber mais
Entrar
Entrar
4:70
ذالك الفضل من الله وكفى بالله عليما ٧٠
ذَٰلِكَ ٱلْفَضْلُ مِنَ ٱللَّهِ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ عَلِيمًۭا ٧٠
ذَٰلِكَ
ٱلۡفَضۡلُ
مِنَ
ٱللَّهِۚ
وَكَفَىٰ
بِٱللَّهِ
عَلِيمٗا
٧٠
Tal é a benignidade de Deus. E basta Deus, Que é Sapientíssimo.
Tafsirs
Lições
Reflexões
Respostas
Qiraat
Você está lendo um tafsir para o grupo de versos 4:66 a 4:70

৬৬-৭০ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা সংবাদ দিচ্ছেন- অধিকাংশ লোক এরূপ যে, তাদেরকে যদি ঐ নিষিদ্ধ কাজগুলো করারও নির্দেশ দেয়া হতো যা তারা এ সময়ে করতে রয়েছে তবে তারা ঐ কাজগুলোও করতো না। কেননা, তাদের হীন প্রকৃতিকে আল্লাহ তাআলার বিরুদ্ধাচরণের উপরই গঠন করা হয়েছে। সুতরাং আল্লাহ তাআলা এখানে তাঁর ঐ জ্ঞানের সংবাদ দিচ্ছেন যা হয়নি। কিন্তু যদি হতো তবে কিরূপ হতো? হযরত আবু ইসহাক সাবীঈ (রঃ) বলেন যে, যখন (আরবী)-এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন একজন মনীষী বলেছিলেনঃ যদি আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে এ নির্দেশ দিতেন তবে অবশ্যই আমরা তা পালন করতাম। কিন্তু তিনি আমাদেরকে এটা হতে বাঁচিয়ে নিয়েছেন বলে আমরা তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।' যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) এ কথা শুনেন তখন তিনি বলেনঃ “নিশ্চয়ই আমার উম্মতের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে যাদের অন্তরে ঈমান মজবুত পর্বত অপেক্ষাও বেশী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।' (মুসনাদ-ইইবনে আবি হাতিম)অন্য সনদে রয়েছে যে, কয়েকজন সাহাবী (রাঃ) এ কথা বলেছিলেন। সুদ্দী (রঃ) বলেন যে, একজন ইয়াহূদী হযরত কায়েস ইবনে শাম্মাস (রাঃ)-কে গর্ব করে বলেছিলেন, আল্লাহ তাআলা আমাদের উপর স্বয়ং আমাদের হত্যা ফরয। করেছিলেন এবং আমরা তা পালন করেছিলাম। তখন হযরত সাবিত (রাঃ) বলেনঃ যদি আমাদের উপর ওটা ফরয করা হতো তবে আমরাও তা পালন করতাম।' তখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, যখন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয় তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ ‘যদি এ নির্দেশ দেয়া হতো হবে তা পালনকারীদের মধ্যে একজন ইবনে উম্মে আবদও (রাঃ) হতো'। (মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিম)অন্য একটি বর্ণনায় রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এ আয়াতটি পড়ে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রাঃ)-এর দিকে হাত বাড়িয়ে ইঙ্গিত করত বলেনঃ ‘এর উপর আমলকারীদের মধ্যে এও একজন।এরপর আল্লাহ তাআলা বলেনঃ যদি এ লোকগুলো আমার আদেশ পালন করতো এবং আমার নিষিদ্ধ জিনিস ও কাজ হতে বিরত থাকতো তবে আমার আদেশের বিরুদ্ধাচরণ অপেক্ষা ওটাই তাদের জন্যে উত্তম হতো। এটাই হতো তাদের জন্য কল্যাণকর ও অধিকতর সুপ্রতিষ্ঠিত। সে সময় আমি তাদেরকে জান্নাত দান করতাম এবং দুনিয়া ও আখিরাতের উত্তম পথ প্রদর্শন করতাম।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নির্দেশের উপর আমল করে এবং নিষিদ্ধ কাজ হতে বিরত থাকে তাকে আল্লাহ তা'আলা সম্মানের ঘরে নিয়ে যাবেন এবং নবীদের বন্ধুরূপে পরিগণিত করবেন। তারপর সত্য সাধকদের বন্ধু করবেন, যাদের মর্যাদা নবীদের পরে। তারপর তাদেরকে তিনি শহীদের সঙ্গী করবেন। অতঃপর সমস্ত মুমিনের সঙ্গী করবেন যাদের ভেতর ও বাহির সুসজ্জিত। একটু চিন্তা করলেই বুঝা যাবে যে, এরা কতই না পবিত্র ও উত্তম বন্ধু! সহীহ বুখারী শরীফে রয়েছে, হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি নবী (সঃ)-কে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক নবী (আঃ)-কে তার রোগাক্রান্ত অবস্থায় দুনিয়ায় অবস্থানের এবং আখিরাতের দিকে গমনের মধ্যে অধিকার দেয়া হয়। যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) রোগাক্রান্ত হন, যে রোগ হতে তিনি আর উঠতে পারেননি তখন তাঁর কণ্ঠস্বর বসে যায়। সে সময় আমি তাকে বলতে শুনি, ‘ওদের সঙ্গে যাঁদের উপর আল্লাহ তাআলা অনুগ্রহ করেছেন, যারা নবী, সত্য সাধক, শহীদ ও সকর্মশীল। আমি তখন জানতে পারি যে, তাকে অধিকার দেয়া হয়েছে'।অন্য হাদীসে রয়েছে যে, তাঁর নিম্নের শব্দগুলো এসেছে, হে আল্লাহ! আমি সবচেয়ে উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন বন্ধুর সাথে মিলন যাজ্ঞা করছি। অতঃপর তিনি এ নশ্বর জগত হতে চির বিদায় গ্রহণ করেন। এ কথা তিনি তিনবার পবিত্র মুখে উচ্চারণ করেন। পূর্বোক্ত হাদীসে বর্ণিত তার উক্তির ভাবার্থ এটাই ।এ পবিত্র আয়াতের শানে নুযূলঃতাফসীর-ই-ইবনে জারীরে রয়েছে, হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একজন আনসারী রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট আগমন করেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁকে অত্যন্ত চিন্তিত দেখে চিন্তার কারণ জিজ্ঞেস করায় তিনি। বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! এখানে তো সকাল সন্ধ্যায় আমরা আপনার ' খেদমতে এসে উঠা বসা করছি এবং আপনার মুখমণ্ডলও দর্শন করছি। কিন্তু কাল কিয়ামতের দিন তো আপনি নবীগণের সমাবেশে সর্বোচ্চ আসনে উপবিষ্ট থাকবেন। তখন তো আমরা আপনার নিকট পৌছাতে পারবো না! রাসূলুল্লাহ (সঃ) কোন উত্তর দিলেন না। সে সময় হযরত জিবরাঈল (আঃ) এ আয়াতটি আনয়ন করেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন লোক পাঠিয়ে উক্ত আনসারীকে সুসংবাদ প্রদান করেন। এ হাদীসটি মুরসাল সনদেও বর্ণিত আছে, যে সনদটি খুবই উত্তম।হযরত রাবী (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সাহাবীগণ বলেন, এটা তো স্পষ্ট কথা যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর মর্যাদা তার উপর বিশ্বাস স্থাপন কারীদের বহু উর্ধে। সুতরাং জান্নাতে যখন এঁরা সব একত্রিত হবেন তখন তাঁদের পরস্পরের মধ্যে কিরূপে দেখা সাক্ষাৎ হবে? তখন উপরোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয় এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিগণ নিম্নমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিকট নেমে আসবে এবং তারা সব ফুল বাগানে একত্রিত হবে। তারা আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহ সম্বন্ধে আলাপ আলোচনা করবে ও তার প্রশংসা করবে। তারা যা চাইবে তাই পাবে এবং তন্মধ্যে সদা তারা আমোদ-আহলাদ করতে থাকবে।' তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই-এর মধ্যে হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন যে, একটি লোক রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট এসে বলে, ‘হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমি আপনাকে আমার প্রাণ হতে, পরিবার পরিজন হতে এবং সন্তান অপেক্ষাও বেশী ভালবাসি। আমি বাড়ীতে থাকি বটে, কিন্তু আপনাকে স্মরণ করা মাত্র আপনার নিকট আগমন ছাড়া আমি আর ধৈর্য ধারণ করতে পারি না। অতঃপর এসে আপনাকে দর্শন করি। কিন্তু যখন আমি আমার ও আপনার মৃত্যুর কথা স্মরণ করি এবং নিশ্চিতরূপে জানতে পারি যে, আপনি নবীদের সঙ্গে সুউচ্চ প্রকোষ্ঠে অবস্থান করবেন, তখন আমার ভয় হয় যে, আমি জান্নাতে প্রবেশ লাভ করলেও আপনাকে হয়তো দেখতে পাবো না। সে সময় উপরোক্ত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এ বর্ণনাটির আরও ধারা রয়েছে।সহীহ মুসলিমে রয়েছে, হযরত রাবিআ’ ইবনে কা'ব আসলামী (রাঃ) বলেন, ‘আমি রাত্রে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর খিদমতে অবস্থান করতাম এবং তাঁকে পানি ইত্যাদি এনে দিতাম। একদা তিনি আমাকে বলেনঃ “কিছু যাঞা কর'। আমি বলি, জান্নাতে আপনার বন্ধুত্ব যাজ্ঞা করছি। তিনি বলেনঃ “এটা ছাড়া অন্য কিছু?' আমি বলি, এটাও এটাই বটে। তখন তিনি বলেনঃ তা হলে অধিক সিজদার মাধ্যমে তুমি তোমার জীবনের উপর আমাকে সাহায্য কর।'মুসনাদ-ই-আহমাদে হযরত আমর ইবনে মুররাতুল জাহনী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একটি লোক রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট এসে বলেন, “আমি সাক্ষ্য দিয়েছি যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ মা'বুদ নেই এবং আরও সাক্ষ্য দিয়েছি যে, আপনি আল্লাহর রাসূল। আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ি, স্বীয় মালের যাকাত প্রদান করি এবং রমযানের রোযা রাখি। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় অঙ্গুলি উঠিয়ে ইঙ্গিত করতঃ বলেনঃ “যে ব্যক্তি এর উপরই মৃত্যুবরণ করবে সে কিয়ামতের দিন এভাবে নবীদের সঙ্গে, সত্য সাধকদের সঙ্গে এবং শহীদদের সঙ্গে অবস্থান করবে। কিন্তু শর্ত এই যে, সে যেন পিতা-মাতার অবাধ্য না হয়।মুসনাদ-ই-আহমাদেই রয়েছে, হযরত আনাস (রাঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার পথে এক হাজার আয়াত পাঠ করে সে কিয়ামতের দিন ইনশাআল্লাহ নবীদের, সত্য সাধকদের, শহীদদের এবং সৎ কর্মশীলদের সঙ্গে মিলিত হবে। আর এরাই সর্বোত্তম সঙ্গী। জামেউত তিরমিযীর মধ্যে হযতর আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ‘সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত বণিক- নবী, সিদ্দীক ও শহীদের সঙ্গে থাকবে।সহীহ ও মুসনাদ হাদীস গ্রন্থসমূহে সাহাবা-ই-কিরামের একটি বিরাট দল হতে ক্রম পরম্পরায় বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হন যে একটি গোত্রের সাথে ভালবাসা রাখে কিন্তু তাদের সাথে মিলিত হয়নি। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ ‘মানুষ তাদের সঙ্গেই থাকবে যাদেরকে সে ভালবাসতো।'হযরত আনাস (রাঃ) বলেন, মুসলমানেরা এ হাদীস শুনে যত খুশী হয়েছিল এত খুশী অন্য কোন জিনিসে হয়নি। আল্লাহর শপথ! আমার ভালবাসা তো রাসূলুল্লাহ (সঃ), হযরত আবু বকর (রাঃ) এবং হযতর উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে রয়েছে। তাই, আমি আশা রাখি যে, আল্লাহ তা'আলা আমাকে তাঁদের সঙ্গেই উঠাবেন, যদিও আমার আমল তাঁদের মত নয়।'হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ জান্নতবাসীরা তাদের অপেক্ষা উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন জন্নাতবাসীদেরকে তাদের প্রাসাদ এরূপ দেখবে যেরূপ তোমরা পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত কোন উজ্জ্বল তারকা দেখে থাক। তাদের মধ্যে বহু দূরের ব্যবধান থাকবে। তখন সাহাবীগণ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! এসব প্রাসাদ তো নবীদের জন্যে নির্দিষ্ট থাকবে। সুতরাং তথায় তো তারা ছাড়া অন্য কেউ পৌছতে পারবে না। তখন নবী (সঃ) বলেনঃ হ্যা, যার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তার শপথ! যেসব লোক আল্লাহ তা'আলা উপর ঈমান এনেছে এবং রাসূলগণকে সত্য বলে স্বীকার করেছে তারাও তথায় পৌছে যাবে।' (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)।হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, একজন হাবশী রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর দরবারে কিছু প্রশ্ন করার জন্যে উপস্থিত হয়। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁকে বলেনঃ ‘জিজ্ঞেস কর ও অনুধাবন কর।' সে বলে, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আল্লাহ তা'আলা আপনাদেরকে আকারে, রঙ্গে এবং নবুওয়াতে আমাদের উপর মর্যাদা দান করেছেন। আপনি যার উপর ঈমান এনেছেন আমিও যদি তার উপর ঈমান আনি এবং যেসব নির্দেশ আপনি পালন করেন আমিও যদি তা পালন করি তবে কি আমি জান্নাতে আপনার সঙ্গ লাভ করবো?' রাসূলুল্লাহ (সঃ) উত্তরে বলেনঃ হ্যা। যে আল্লাহ তা'আলার হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! কৃষ্ণ বর্ণের হাবশী এমন সাদা উজ্জ্বল হয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে যে, তার ঔজ্জ্বল্য এক হাজার বছরের পথের দূরত্ব হতেও দৃষ্টিগোচর হবে। অতঃপর তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে তার জন্যে আল্লাহ তা'আলার নিকট অঙ্গীকার রয়েছে এবং যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহ ওয়া বিহামদিহী’ বলে তার জন্যে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার পুণ্য লিখা হয়। তখন আর এক ব্যক্তি বলে, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! যখন এত পুণ্য লাভ হবে তখন আমরা ধ্বংস কিরূপে হতে পারি। এর উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ ‘একজন লোক কিয়ামতের দিন এত পুণ্য নিয়ে হাযির হবে যে, যদি তা কোন পর্বতের উপর রাখা হয় তবে তার উপর ভারী বোঝা হয়ে যাবে। কিন্তু আল্লাহ তা'আলার নিয়ামতসমূহের মধ্যে একটি নি'আমত দাড়িয়ে যাবে এবং ওরই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে এ সমুদয় আমল খুবই অল্প রূপ পরিলক্ষিত হবে। হ্যাঁ, তবে আল্লাহ তাআলা যদি তাকে স্বীয় পূর্ণ করুণা দ্বারা ঢেকে দিয়ে জান্নাত দান করেন সেটা অন্য কথা। সে সময় (আরবী) (৭৬:১-২০) পর্যন্ত আয়াতগুলো অবতীর্ণ হয়। তখন হাবশী বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)। জান্নাতে আপনার চক্ষু যা দেখবে আমার চক্ষুও কি তা দেখতে পাবে’? রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ হ্যাঁ'। একথা শুনে সে কেঁদে পড়ে এবং এত বেশী ক্রন্দন করে যে, তাতেই তার জীবনলীলা শেষ হয়ে যায়। হযরত ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, 'আমি ঐ লোকটির মৃত দেহ স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে কবরে নামাতে দেখেছি।' এ বর্ণনাটি গারীব এবং মুনকারও বটে। এর সনদও দুর্বল।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “এটা আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতেই অনুগ্রহ ও দান এবং তাঁর বিশেষ করুণা, যার কারণে তাঁর বান্দা এত মর্যাদা লাভ করেছে, এটা সে তার কার্যবলে লাভ করেনি। আল্লাহ তাআলা খুব ভাল জানেন।' অর্থাৎ হিদায়াত ও তাওফীক লাভের হকদার যে কে তাঁর খুব ভালরূপেই জানা আছে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Leia, ouça, pesquise e reflita sobre o Quran

Quran.com é uma plataforma confiável usada por milhões de pessoas em todo o mundo para ler, pesquisar, ouvir e refletir sobre o Alcorão em vários idiomas. Ela oferece traduções, tafsir, recitações, tradução palavra por palavra e ferramentas para um estudo mais aprofundado, tornando o Alcorão acessível a todos.

Como uma Sadaqah Jariyah, o Quran.com se dedica a ajudar as pessoas a se conectarem profundamente com o Alcorão. Apoiado pela Quran.Foundation , uma organização sem fins lucrativos 501(c)(3), o Quran.com continua a crescer como um recurso gratuito e valioso para todos, Alhamdulillah.

Navegar
Casa
Rádio Quran
Recitadores
Sobre nós
Desenvolvedores
Atualizações de produtos
Comentários
Ajuda
Nossos Projetos
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projetos sem fins lucrativos de propriedade, administrados ou patrocinados pela Quran.Foundation
Links populares

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Mapa do sitePrivacidadeTermos e Condições
© 2026 Quran.com. Todos os direitos reservados