Войти
🚀 Присоединяйтесь к нашему Рамаданскому челленджу!
Учить больше
🚀 Присоединяйтесь к нашему Рамаданскому челленджу!
Учить больше
Войти
Войти
22:39
اذن للذين يقاتلون بانهم ظلموا وان الله على نصرهم لقدير ٣٩
أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَـٰتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا۟ ۚ وَإِنَّ ٱللَّهَ عَلَىٰ نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ ٣٩
أُذِنَ
لِلَّذِينَ
يُقَٰتَلُونَ
بِأَنَّهُمۡ
ظُلِمُواْۚ
وَإِنَّ
ٱللَّهَ
عَلَىٰ
نَصۡرِهِمۡ
لَقَدِيرٌ
٣٩
Дозволено тем, против кого сражаются, сражаться, потому что с ними поступили несправедливо. Воистину, Аллах способен помочь им.
Тафсиры
Уроки
Размышления
Ответы
Кираат
Вы читаете тафсир для группы стихов 22:39 до 22:40

৩৯-৪০ নং আয়াতের তাফসীর: হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এবং তাঁর সা হাবীবর্গকে মদীনা হতেও বের করে দেয়ার উপক্রম হয় এবং মক্কাবাসী কাফিররা মদীনা আক্রমণ করতে উদ্যত হয় তখন জিহাদের অনুমতির এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। বহু পূর্ব যুগীয় গুরুজন হতে বর্ণিত আছে যে, জিহাদের প্রথম আয়াত এটাই যা কুরআন কারীমে অবতীর্ণ হয়। এর দ্বারা কোন কোন গুরুজন এই দলীল গ্রহণ করেছেন যে, এটা মাদানী সূরা। যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) মক্কা হতে মদীনায় হিজরত করেন তখন হযরত আবূ বকর (রাঃ) বলে ফেলেনঃ “বড়ই পরিতাপের বিষয় যে, এই কাফিররা আল্লাহর রাসূলকে (সঃ) তাঁর জন্মভূমি হতে বের করে দিলো! নিঃসন্দেহে এরা ধ্বংস হয়ে যাবে।" অতঃপর এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। তখন হযরত আবু বকর (রাঃ) জেনে নেন যে, এদের সাথে যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ তাআলা স্বীয় মুমিন বান্দাদেরকে সাহায্য করতে সক্ষম। ইচ্ছা করলে বিনা যুদ্ধেই তিনি তাদেরকে জয়যুক্ত করতে পারেন। কিন্তু তিনি পরীক্ষা করতে চান। যেমন মহামহিমান্বিত ও প্রবল পরাক্রান্ত আল্লাহ বলেনঃ “যখন তোমরা কাফিরদের সাথে যুদ্ধে মুকাবিলা কর তখন তাদের গর্দানে আঘাত কর, পরিশেষে যখন তোমরা তাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পারাভূত করবে তখন তাদেরকে কষে বাধবে, অতঃপর হয় অনুকম্পা, নয় মুক্তিপণ। তোমরা জিহাদ চালাবে যতক্ষণ না যুদ্ধ ওর অস্ত্র নামিয়ে ফেলে। এটাই বিধান। এটা এই জন্যে যে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদেরকে শাস্তি দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি চান তোমাদের একজনকে অপরের দ্বারা পরীক্ষা করতে। যারা আল্লাহর পথে নিহত হয় তিনি কখনো তাদের কর্ম বিনষ্ট হতে দেন না। তিনি তাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন এবং তাদের অবস্থা ভাল করে দেন।তিনি তাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার কথা তিনি তাদেরকে জানিয়ে ছিলেন। আল্লাহ তাআলা আর এক জায়গায় বলেনঃ “তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ কর, আল্লাহ তোমাদের হাতে তাদেরকে শাস্তি দান করবেন এবং তাদেরকে অপদস্থ করবেন, আর তোমাদেরকে তাদের উপর বিজয়ী করবেন, তিনি মুমিনদের বক্ষ খুলে দিবেন এবং তাদের সাথে যাকে ইচ্ছা তিনি তাওবা করার তাওফীক দান করবেন, আল্লাহ মহাজ্ঞানী, বিজ্ঞানময়।" অন্য অন্য আয়াতে রয়েছেঃ “তোমরা কি মনে করেছে যে, তোমাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে? অথচ আল্লাহ জানেন নাই তোমাদের মধ্যে যারা মুজাহিদ তাদেরকে এবং যারা আল্লাহ, তদীয় রাসূল (সঃ) এবং মুমিনদেরকে ছেড়ে অন্য কাউকেও বন্ধুরূপে গ্রহণ করে নাই? তোমরা জেনে রেখো যে, তোমরা যা কিছু করছো আল্লাহ তা সবই খবর রাখেন।" মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তোমরা কি মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, যখন আল্লাহ তোমাদের মধ্যে কে জিহাদ করেছে এবং কে ধৈর্যশীল তা এখনো জানেন না?” (৩:১৪২) আর এক জায়গায় তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো, যতক্ষণ না আমি জেনে নিই তোমাদের মধ্যে জিহাদকারী ও ধৈর্যশীলদেরকে এবং আমি তোমাদের ব্যাপারে পরীক্ষা করি।” (৪৭:৩১) এই ব্যাপারে আরো বহু আয়াত রয়েছে।এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করতে সম্যক সক্ষম। আর এটাই হয়েছিল। আল্লাহ তাআলা স্বীয় সেনাবাহিনীকে দুনিয়ার উপর বিজয় দান করেন।জিহাদ যে সময় শরীয়ত সম্মত হয় ঐ সময়টাও ছিল ওর জন্যে সম্পূর্ণরূপে উপযোগী ও সঠিক। যতদিন পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ (সঃ) মক্কায় ছিলেন ততদিন পর্যন্ত মুসলমানরা ছিলেন খুবই দুর্বল। সংখ্যায়ও ছিলেন তারা খুবই কম। মুশরিকদের দশজনের স্থলে মুসলমানরা মাত্র একজন। আকাবার রাত্রে যখন আনসারগণ রাসূলুল্লাহর (সঃ) হাতে বায়আত গ্রহণ করেন তখন তারা বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনি হুকুম করলে এখন মিনাতে যত মুশরিক একত্রিত হয়ে রয়েছে তাদের উপর আক্রমণ চালিয়ে আমরা তাদেরকে হত্যা করে ফেলবো।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদেরকে বলেনঃ “না, আমাকে এখনো এই হুকুম দেয়া হয় নাই।” এটা স্মরণ রাখার বিষয় যে, ঐ সময় মহান ব্যক্তিদের সংখ্যা ছিল মাত্র আশির কিছু বেশী। শেষ পর্যন্ত মুশরিকদের উপদ্রব চরম সীমায় পৌঁছে গেল। রাসূলুল্লাহকে (সঃ) তারা নানা ভাবে কষ্ট দিতে লাগলো। এমনকি তাঁকে হত্যা করারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়লো। অনুরূপভাবে সাহাবায়ে কিরামের উপরও বিপদের পাহাড় চেপে বসলো এবং তাঁরা মাল-ধন, আত্মীয়-স্বজন সবকিছু ছেড়ে যে যেখানে পারলেন পালিয়ে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করলেন। কেউ গেলেন আবিসিনিয়ায় এবং কেউ গেলেন মদীনায়। এমন কি স্বয়ং রিসালাতের সূর্যের (সঃ) উদয়ও মদীনাতেই হলো। মদীনাবাসী মুহাম্মদী পতাকাতলে (সঃ) সমবেত হয়ে গেলেন। ফলে, ওটা একটা সেনাবাহিনীর রূপ নিয়ে ফেললো। কিছু মুসলমানকে এক ঝাণ্ডার নীচে দেখা যেতে লাগলো। তাঁদের পা রাখার জায়গা হয়ে গেল। এখন ইসলামের দুশমনদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ার হুকুম নাযিল হয়ে গেল। যুদ্ধের এটাই হলো প্রথম আয়াত। এতে বলা হলো যে, এই মুসলমানরা অত্যাচারিত। তাদের ঘরবাড়ী তাদের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। বিনা কারণে তাদেরকে তাদের ঘর থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। মক্কা থেকে তাদেরকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। নিঃস্ব ও অসহায় অবস্থায় তারা মদীনায় পৌঁছেছে। তাদের কোনই অপরাধ ছিল না। একমাত্র অপরাধ এই যে, তারা এক আল্লাহর উপাসনা করেছে। তাঁকে এক বলে স্বীকার করে নিয়েছে। তারা তাদের প্রতিপালক হিসেবে একমাত্র আল্লাহকেই মেনেছে। এটা হলো ইসৃতিসনা মুনকাতা। আসলে এটা ছিল মুশরিকদের কাছে অমার্জনীয় অপরাধ। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা রাসূলুল্লাহকে (সঃ) এবং তোমাদেরকে এ কারণেই বের করে দিয়েছে যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর উপর ঈমান এনেছো।” (৬০:১) যেমন আসহাবুল উখদুদের ঘটনায় বলা হয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “তারা তাদেরকে নির্যাতন করেছিল শুধু এই কারণে যে, তারা বিশ্বাস করতো পরাক্রমশালী ও প্রশংসনীয় আল্লাহে।” (৮৫:৮)।মুসলমান সাহাবীগণ খন্দক খননের সময় নিম্নলিখিত ছন্দ পাঠ করতেনঃ (আরবী) অর্থাৎ আপনি না থাকলে (আপনার দয়া না হলে) আমরা সুপথ প্রাপ্ত হতাম না এবং আমরা দান-খয়রাতও করতাম না, নামাযও পড়তাম না। সুতরাং আমাদের উপর প্রশান্তি অবতীর্ণ করুন এবং আমরা যুদ্ধের সম্মুখীন হলে আমাদের পা গুলি অটুট ও স্থির রাখুন! নিশ্চয় প্রথমে তারা আমাদের উপর চালিয়েছে, যদি তারা বিশৃংখলা সৃষ্টির ইচ্ছা করে তবে আমরা তা প্রত্যাখ্যান করবো। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাদের আনুকূল্য করেছিলেন এবং ছন্দের শেষ অংশটি তিনিও তাদের সাথে পাঠ করছিলেন। (আরবী) বলার সময় স্বর খুব উঁচু করেছিলেন।মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহ যদি মানব জাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন তবে বিধ্বস্ত হয়ে যেতো খৃস্টান সংসার বিরাগীদের উপাসনা স্থান। অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠে, বিশৃংখলা ও অশান্তি সৃষ্টি হয়ে যেতো। শক্তিশালীরা দুর্বলদেরকে খেয়ে ফেলতো। খৃস্টান পাদরীদের ছোট উপাসনালয়কে (আরবী) বলা হয়। একটা উক্তি এটাও আছে যে, সাবী মাযহাবের লোকদের উপাসনালয়কে (আরবী) বলা হয়। কেউ কেউ আবার বলেন যে, অগ্নি উপাসকদের উপাসনালয়কে (আরবী) বলে। মুকাতিল (রঃ) বলেন যে, (আরবী) হলো ঐ ঘর যা পথের উপর থাকে (আরবী) হলো (আরবী) অপেক্ষা বড় ঘর। এটাও খৃস্টান পাদরীদের ইবাদতের ঘর। কেউ কেউ বলেন যে, এটা হলো ইয়াহূদীদের উপাসনালয়। (আরবী) এরও একটি অর্থ এটাই করা হয়েছে। কেউ কেউ আবার বলেন যে, এর দ্বারা গীর্জাকে বুঝানো হয়েছে। কারো কারো উক্তি এই যে, এটা হলো সা’ৰী লোকদের ইবাদতখানা। রাস্তার উপর আহলে কিতাবের যে ইবাদতখানা থাকে তাকে (আরবী) বলে। আর মুসলমানদের ইবাদতখানা হলো মাসজিদ। (আরবী) এর সর্বনামটি (আরবী) এর দিকে ফিরেছে। কেননা এটাই এর সবচেয়ে বেশী নিকটবর্তী। এটাও বলা হয়েছে যে, এর দ্বারা এইসব জায়গাকেই বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ সংসারত্যাগীদের উপাসনালয় (আরবী) খৃস্টানদের (আরবী) ইয়াহুদীদের (আরবী) এবং মুসলমানদের (আরবী) যে গুলিতে অধিক স্মরণ করা হয় আল্লাহর নাম। কোন কোন আলেমের উক্তি এই যে, এখানে কম হতে ক্রমান্বয়ে বেশীর দিকে যাওয়া হয়েছে। তুলনামূলকভাবে দুনিয়ায় মসজিদের সংখ্যা বেশী এবং এতে ইবাদতকারীদের সংখ্যাও অধিকতম।আল্লাহ তাআলার উক্তিঃ আল্লাহ নিশ্চয়ই তাকে সাহায্য করেন যে তাঁকে সাহায্য করে। যেমন অন্য জায়গায় তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর তবে তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পাগুলি স্থির রাখবেন। আর যারা কুফরী করেছে তাদের জন্যে রয়েছে দুর্ভোগ এবং তিনি তাদের কর্ম ব্যর্থ করে দিবেন।” (৪৭:৭-৮) এরপর আল্লাহ তাআলা নিজের দুটি বিশেষণের বর্ণনা দিচ্ছেন। তার একটি হলো তার শক্তিশালী হওয়া এই কারণে যে, তিনি সমস্ত সৃষ্ট জীব ও সৃষ্ট বস্তুর সৃষ্টিকর্তা। তাঁর দ্বিতীয় বিশেষণ এই যে, তিনি হলেন মহা মর্যাদাবান ও মহাপরাক্রমশালী। কেননা, সমস্ত কিছুই তার অধীন। সবই তাঁর সামনে হেয় ও তুচ্ছ। সবাই তার সাহায্যের মুখাপেক্ষী। তিনি সব কিছু হতে, অমুখাপেক্ষী ও অভাবমুক্ত। যাকে তিনি সাহায্য করেন সে জয়যুক্ত হয়। আর যার উপর থেকে তিনি সাহায্যের হাত টেনে নেন সে হয় পরাজিত। যেমন তিনি বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমার প্রেরিত বান্দাদের সম্পর্কে আমার এই বাক্য পূর্বেই স্থির হয়েছে যে, অবশ্যই তারা সাহায্য প্রাপ্ত হবে এবং আমার বাহিনীই হবে বিজয়ী।” (৩৭:১৭১-১৭৩) তিনি আর এক জায়গায় বলেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “আল্লাহ লিপিবদ্ধ করেই রেখেছেনঃ আমি ও আমার রাসূলরা জয়যুক্ত থাকবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ শক্তিমান, পরাক্রমশালী।” (৫৮:২১)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Читайте, слушайте, ищите и размышляйте над Кораном

Quran.com — это надёжная платформа, используемая миллионами людей по всему миру для чтения, поиска, прослушивания и размышления над Кораном на разных языках. Она предоставляет переводы, тафсир, декламацию, пословный перевод и инструменты для более глубокого изучения, делая Коран доступным каждому.

Quran.com, как садака джария, стремится помочь людям глубже проникнуть в Коран. При поддержке Quran.Foundation , некоммерческой организации, имеющей статус 501(c)(3), Quran.com продолжает развиваться как бесплатный и ценный ресурс для всех. Альхамдулиллях.

Навигация
Дом
Коран Радио
Чтецы
О нас
Разработчики
Обновления продуктов
Обратная связь
Помощь
Наши проекты
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Некоммерческие проекты, принадлежащие, управляемые или спонсируемые Quran.Foundation
Популярные ссылки

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Карта сайтаКонфиденциальностьУсловия и положения
© 2026 Quran.com. Все права защищены