Войти
🚀 Присоединяйтесь к нашему Рамаданскому челленджу!
Учить больше
🚀 Присоединяйтесь к нашему Рамаданскому челленджу!
Учить больше
Войти
Войти
4:5
ولا توتوا السفهاء اموالكم التي جعل الله لكم قياما وارزقوهم فيها واكسوهم وقولوا لهم قولا معروفا ٥
وَلَا تُؤْتُوا۟ ٱلسُّفَهَآءَ أَمْوَٰلَكُمُ ٱلَّتِى جَعَلَ ٱللَّهُ لَكُمْ قِيَـٰمًۭا وَٱرْزُقُوهُمْ فِيهَا وَٱكْسُوهُمْ وَقُولُوا۟ لَهُمْ قَوْلًۭا مَّعْرُوفًۭا ٥
وَلَا
تُؤۡتُواْ
ٱلسُّفَهَآءَ
أَمۡوَٰلَكُمُ
ٱلَّتِي
جَعَلَ
ٱللَّهُ
لَكُمۡ
قِيَٰمٗا
وَٱرۡزُقُوهُمۡ
فِيهَا
وَٱكۡسُوهُمۡ
وَقُولُواْ
لَهُمۡ
قَوۡلٗا
مَّعۡرُوفٗا
٥
Не отдавайте неразумным людям вашего имущества, которое Аллах сделал средством вашего существования. Кормите и одевайте их из него и говорите им слово доброе.
Тафсиры
Уроки
Размышления
Ответы
Кираат
Вы читаете тафсир для группы стихов 4:5 до 4:6

৫-৬ নং আয়াতের তাফসীর: মহান আল্লাহ মানুষকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তারা যেন নির্বোধদেরকে তাদের মাল প্রদান না করে। মাল-ধন ব্যবসা ইত্যাদিতে খাটিয়ে আল্লাহ তা'আলা ওর দ্বারা মানুষের জীবন যাপনের উপায় করে দিয়েছেন, এর দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, অবোধদেরকে তাদের মাল খরচ করা হতে বিরত রাখা উচিত। যেমন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে, পাগল, নির্বোধ এবং বেদ্বীন অন্যায়ভাবে স্বীয় মাল-ধন নিঃশেষে ব্যয় করে ফেলছে, তাদের এভাবে মাল খরচ করা হতে বাধা দিতে হবে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তির স্কন্ধে বহু ঋণের ভার চেপে গেছে, যে ঋণ সে তার সমস্ত মাল দিয়েও পরিশোধ করতে পারে না, যদি মহাজন সে সময়ের শাসনকর্তার নিকট আবেদন করে তবে শাসনকর্তা তার সমস্ত মাল হস্তগত করবেন এবং তাকে সম্পূর্ণরূপে বেদখল করে দেবেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এখানে (আরবী) শব্দের ভাবার্থ হচ্ছে সন্তান-সন্ততি ও স্ত্রীগণ, তদ্রুপ হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ), হযরত হাকাম ইবনে উয়াইনা (রাঃ), হযরত হাসান বসরী (রঃ) এবং হযরত যহহাক (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, (আরবী) শব্দের ভাবার্থ স্ত্রী ও ছেলেমেয়েই বটে। হযরত সাঈদ ইবনে যুবাইর (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে পিতৃহীনেরা। মুজাহিদ (রঃ), ইকরামা (রঃ) এবং কাতাদাহ (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে স্ত্রীগণ। সুনান-ই-ইবনে আবি হাতিমের মধ্যে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “স্বীয় স্বামীর আনুগত্য স্বীকার করে এরা ছাড়া নিশ্চয়ই স্ত্রীলোকেরা বুদ্ধিহীনা।' তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই-এর মধ্যেও এ হাদীসটি দীর্ঘতার সাথে বর্ণিত আছে। হযরত আবু হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে দুষ্ট দাস। এরপরে আল্লাহ তা'আলা বলেন-“তাদেরকেও খাওয়াও, পরাও এবং তাদের সাথে উত্তম ব্যবহার কর।' হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হচ্ছে, আল্লাহ পাক তোমার যে মালকে তোমার জীবন ধারণের উপায় করে দিয়েছেন তা তুমি তোমার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েকে প্রদান করতঃ তাদের হাতের দিকে চেয়ে থেকো না। বরং তোমার মাল তুমি তোমার দখলেই রেখে ওকে ঠিক রাখ এবং তুমি স্বহস্তে তাদের খাওয়া ও পরার ব্যবস্থা কর।' হযরত আবু মূসা (রাঃ) বলেনঃ তিন প্রকারের লোক রয়েছে যারা আল্লাহ তা'আলার নিকট প্রার্থনা করে কিন্তু তাদের প্রার্থনা (আল্লাহ পাক) ককূল করেন না। প্রথম ঐ ব্যক্তি যার স্ত্রী দুষ্টা ও দুশ্চরিত্রা সত্ত্বেও সে তাকে তালাক প্রদান করে না। দ্বিতীয় ঐ ব্যক্তি যে তার মাল নির্বোধদেরকে প্রদান করে থাকে, অথচ আল্লাহ পাক ঘোষণা করেন-'তোমরা তোমাদের মাল নির্বোধদেরকে প্রদান করো না।' তৃতীয় ঐ ব্যক্তি যার কারও উপরে ঋণ রয়েছে এবং সে ঐ ঋণের উপর কাউকে সাক্ষী রাখেনি।এরপরে বলা হচ্ছে- তাদেরকে ভাল কথা বল'। অর্থাৎ তাদের সাথে উত্তম ও নম্রভাবে ব্যবহার কর। এ আয়াত দ্বারা জানা যাচ্ছে যে, অভাবগ্রস্তদের সাথে উত্তম ব্যবহার করা উচিত। যার নিজ হাতে খরচ করার অধিকার নেই তার খাওয়া ও পরার ব্যবস্থা করা ও খবরা-খবর লওয়া এবং নম্র ব্যবহার করা উচিত।অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ তোমরা পিতৃহীনদের দেখাশুনা কর যে পর্যন্ত না তারা যৌবনে পদার্পণ করে। এখানে- (আরবী) শব্দ দ্বারা প্রাপ্ত বয়স বুঝনো হয়েছে এবং প্রাপ্ত বয়সের পরিচয় তখনই পাওয়া যায় যখন এক বিশেষ প্রকারের স্বপ্ন দেখা যায় এবং এক বিশেষ প্রকারের পানি তীব্র বেগে বহির্গত হয়।হযরত আলী (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর উক্তিটি ভালভাবেই স্মরণ আছেঃ স্বপ্নদোষের পর পিতৃহীনতাও নই এবং সারা দিনরাত নীরব থাকাও নেই। অন্য হাদীসে রয়েছেঃ “তিন প্রকারের লোক হতে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। (১) শিশু, যে পর্যন্ত না সে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়। (২) ঘুমন্ত ব্যক্তি, যে পর্যন্ত সে জেগে উঠে। (৩) পাগল ব্যক্তি, যে পর্যন্ত না তার জ্ঞান ফিরে আসে। সুতরাং প্রাপ্ত বয়সের নিদর্শন একতো হচ্ছে এই।দ্বিতীয় নিদর্শন কারও কারও মতে এই যে, যখন তার বয়স পনেরো বছর হবে। এর দলীল হচ্ছে সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি, যাতে তিনি বলেনঃ “উহুদের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাকে সঙ্গে নেননি। তখন আমার বয়স ছিল চৌদ্দ বছর। খন্দকের যুদ্ধের সময় আমাকে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট হাযির করা হলে তিনি সম্মতন হন। সে সময় আমার বয়স ছিল পনেরো বছর। হযরত উমার ইবনে আবদুল আযীয (রঃ)-এর নিকট এ হাদীসটি পৌছলে তিনি বলেনঃ ‘প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়সের সীমা এটাই।'প্রাপ্ত বয়সের তৃতীয় নিদর্শন হচ্ছে নাভীর নীচে চুল গজান। এ ব্যাপারে আলেমদের তিনটি উক্তি রয়েছে। প্রথম উক্তি এই যে, এটা প্রাপ্ত বয়সের চিহ্ন! দ্বিতীয় উক্তি এই যে, মুসলমানদের মধ্যে এটা প্রাপ্ত বয়সের চিহ্ন নয় এবং তৃতীয় উক্তি এই যে, মুসলমানদের মধ্যে এটা প্রাপ্ত বয়সের চিহ্ন নয় কিন্তু যিম্মীদের মধ্যে এটা প্রাপ্ত বয়সের চিহ্ন। কেননা, এটা সম্ভাবনা রয়েছে যে, কোন ঔষধের কারণে এ চুল তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসে এবং যুবক হওয়া মাত্রই যিম্মীদের উপর জিযিয়া কর ধার্য করা হয়। তাহলে তারা এটা ব্যবহার করতে লাগলো কেন? কিন্তু সঠিক কথা এই যে, সকলের পক্ষেই এটা প্রাপ্ত বয়সের চিহ্ন। কেননা, প্রথমতঃ এটা প্রকৃতিগত ব্যাপার। প্রতিষেধকের সম্ভাবনা খুব দূরের সম্ভাবনা। প্রকৃত কথা এই যে, এ চুল স্বীয় সময়মতই বের হয়ে থাকে। দ্বিতীয় দলীল হচ্ছে-মুসনাদ-ই-আহমাদের হাদীসটি, যাতে হযরত আতিয়া যারাযীর (রাঃ) বর্ণনা রয়েছে, তিনি বলেনঃ ‘বানু কুরাইযার যুদ্ধের পর আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সামনে হাযির করা হয়। তিনি নির্দেশ দেনঃ এক ব্যক্তি দেখুক যে, বন্দীদের মধ্যে যাদের এ চুল বের হয়েছে তাদেরকে হত্যা করা হবে এবং যাদের বের হয়নি তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে।' সে সময় আমার এ চুল বের হয়নি বলে আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়। সুনান-ই-আরবাআর মধ্যেও এ হাদীসটি রয়েছে এবং ইমাম তিরিমিযী (রঃ) এটাকে হাসান সহীহ বলেছেন।হযরত সা'দ (রাঃ)-এর সিদ্ধান্তের উপর বানু কুরাইযা গোত্র সম্মত হয়ে যুদ্ধ হতে বিরত হয়েছিল। অতঃপর হযরত সা'দ (রাঃ) এ ফায়সালা করেন যে, তাদের যোদ্ধাদেরকে হত্যা করা হোক এবং শিশুদেরকে বন্দী করা হোক। ‘গারায়েবী আবি উবায়েদের মধ্যে রয়েছে যে, একটি ছেলে একটি যুবতী মেয়ের সম্পর্কে বলে, আমি তার সাথে ব্যভিচার করেছি। প্রকৃতপক্ষে এটা অপবাদ ছিল। হযরত উমার (রাঃ) তাকে অপবাদের হদ্দ গালাবার ইচ্ছে করেন। কিন্তু বলেনঃ তোমরা দেখ, যদি তার নাভীর নীচে চুল গজিয়ে থাকে তবে তার উপরে হদ্দ লাগাবে নচেৎ নয়। যখন দেখা যায় যে, তার সেই চুল গজায়নি তখন তার হদ্দ লাগানা বন্ধ রাখা হয়। অতঃপর আল্লাহ বলেন- যখন তোমরা দেখ যে, তাদের ধর্ম গ্রহণের সামর্থ এবং মাল রক্ষার যোগ্যতা হয়েছে তখন তাদের অভিভাবকদের কর্তব্য হবে তাদের মাল তাদেরকে সমর্পণ করা। প্রয়োজন ছাড়াই শুধুমাত্র এই ভয়ে যে, তারা বড় হওয়ামাত্রই তাদের মাল নিয়ে নেবে, কাজেই তার পূর্বেই তাদের মাল শেষ করে দেবে, খবরদার! এ কাজ করো না। যে ধনী হবে, নিজেরই খাওয়া পরার জিনিস যথেষ্ট থাকবে, তার তো কর্তব্য হবে তাদের মাল হতে কিছুই গ্রহণ না করা। মৃত জন্তু এবং প্রবাহিত রক্তের ন্যায় এ মাল তাদের জন্য সম্পূর্ণরূপে হারাম। হ্যাঁ, তবে যদি অভিভাবক দরিদ্র হয় তাহলে অবশ্যই তাকে লালন-পালন করার পারিশ্রমিক হিসেবে সময়ের প্রয়োজন ও দেশ প্রথা অনুযায়ী তার মাল হতে গ্রহণ করা তার জন্য বৈধ। সে নিজের প্রয়োজন দেখবে এবং পরিশ্রমও দেখবে। যদি প্রয়োজন পরিশ্রম অপেক্ষা কম হয় তবে প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করবে। আর যদি পরিশ্রম প্রয়োজন অপেক্ষা কম হয় তবে পরিশ্রমের বিনিময় গ্রহণ করবে।অতঃপর এরূপ অভিভাবক যদি ধনী হয়ে যায় তবে তার সেই ভক্ষণকৃত ও গ্রহণকৃত মাল ফিরিয়ে দিতে হবে কি না সেই ব্যাপার দু’টি উক্তি রয়েছে। একটি উক্তি তো এই যে, ফিরিয়ে দিতে হবে না। কেননা, সে নিজের পরিশ্রমের বিনিময়ে তা গ্রহণ করেছে। ইমাম শাফিঈ (রঃ)-এর সহচরদের মতে এটাই সঠিক। কেননা, আয়াতে বিনিময় ছাড়া তাদের মাল হতে খাওয়াকে হালাল ঘোষণা করা হয়েছে। মুসনাদ-ই-আহমাদ প্রভৃতি গ্রন্থে রয়েছে যে, এক ব্যক্তি বলেঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমার নিকট কোন মাল নেই। একজন পিতৃহীনকে আমি লালন-পালন করছি। আমি তার আহার্যের মধ্য হতে কিছু খেতে পারি কি?' তিনি বলেনঃ হ্যা, তুমি পিতৃহীনের মাল নিজের কাজে লাগাতে পার, যদি প্রয়োজনের বেশী গ্রহণ না কর, জমা না কর এবং এটাও না কর যে, নিজের মাল বাঁচিয়ে রেখে তার মাল খেয়ে ফেল।' মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমে এ রকমই বর্ণনা রয়েছে।ইবনে হিব্বান (রঃ) প্রমুখ মনীষী বলেন যে, একটি লোক রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করেনঃ “আমি পিতৃহীনকে ভদ্রতা শিখাবার জন্যে প্রয়োজন বশতঃ কোন জিনিস দিয়ে মারবো?' রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ যা দিয়ে তুমি তোমার শিশুকে শাসন-গর্জন করে থাক। নিজের মাল বাঁচিয়ে তার মাল খরচ করো না, তার সম্পদ দ্বারা ধনবান হওয়ার চেষ্টা করো না।' হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-কে কেউ জিজ্ঞেস করে, আমার নিজের উট রয়েছে এবং আমার নিকট যে পিতৃহীন প্রতিপালিত হচ্ছে তারও উট রয়েছে। আমি আমার উষ্ট্রগুলো দরিদ্রদেরকে দুধ পান করার জন্যে উপঢৌকন স্বরূপ দিয়ে থাকি। ঐ ইয়াতিমদের উষ্ট্রগুলোর দুধ পান করা কি আমার জন্যে বৈধ হবে?তখন হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ ‘ঐ ইয়ামতিমদের হারান উটগুলো যদি খুঁজে আন, ওগুলোর খড় পানির ব্যবস্থার কর, ওদের হাউজগুলো ঠিক করে থাক, ঐগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ কর তবে অবশ্যই তুমি ওগুলোর দুধ দ্বারা উপকার লাভ করতে পারবে। তবে এভাবে যে, যেন ঐ শিশুদের কোন ক্ষতি না হয় এবং প্রয়োজনের অতিরিক্তও নেবে না।' (মুআত্তা-ই-ইমাম মালিক) হযরত আতা ইবনে আবু রিবাহ (রঃ), হযরত ইকরামা (রঃ), হযরত ইবরাহীম নাখঈ (রঃ), হযরত আতিয়া আওফী (রঃ) এবং হযরত হাসান বসরী (রঃ)-এরও এটাই উক্তি। দ্বিতীয় উক্তি এই যে, অস্বচ্ছলতা দূর হয়ে যাওয়ার পর ইয়াতিমের মাল হতে ভক্ষিত ও গৃহীত জিনিস তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে হবে। কেননা, মূলে তো তা নিষিদ্ধ। কোন কারণ বশতঃ বৈধ হয়েছিল মাত্র। ঐ কারণ যখন দূর হয়ে গেল তখন তার বিনিময় দিতে হবে। যেমন কেউ নিঃসহায় ও নিরূপায় হয়ে অপরের মাল ভক্ষণ করলো। অতঃপর প্রয়োজন মিটে যাবার পর যদি সুসময় ফিরে আসে তবে সেই ভক্ষিত মাল তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। দ্বিতীয় দলীল এই যে, হযরত উমার (রাঃ) যখন খিলাফতের পদে অধিষ্ঠিত হন তখন ঘোষণা করেনঃ এখানে আমার জীবনোপায় পিতৃহীনের অভিভাবকের জীবনোপায়ের মতই। আমার প্রয়োজন না হলে বায়তুল মাল হতে আমি কিছুই গ্রহণ করবো না। আর যদি অভাব হয়ে পড়ে তবে ঋণস্বরূপ গ্রহণ করবো। যখন স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে তখন ফিরিয়ে দেবো।' (ইবনে আবিদ দুনিয়া) এ হাদীসটি হযরত সাঈদ ইবনে মানসুরও (রঃ) বর্ণনা করেছেন, এর ইসনাদ সহীহ। বায়হাকীর হাদীসের মধ্যেও এ হাদীসটি রয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে এ আয়াতের বাক্যটির তাফসীরে বর্ণিত আছে যে, ঋণরূপে ভক্ষণ করবে। অন্যান্য মুফাসসিরগণ হতেও এটা বর্ণিত আছে।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ ‘সঙ্গতভাবে খাবার ভাবার্থ এই যে, তিন অঙ্গুলী দ্বারা খাবে। অন্য বর্ণনায় হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতেই বর্ণিত আছে যে, সে নিজেরই মালকে শুধু নিজের প্রয়োজন পুরো হবার উপযাগীরূপেই খরচ করবে যাতে তার ইয়াতিমের মাল খরচ করার প্রয়োজনই না হয়। হযরত আমের শাবী (রঃ) বলেনঃ যদি এমনই নিরূপায় অবস্থা হয় যাতে মৃতদেহ ভক্ষণ হালাল হয়ে থাকে তবে অবশ্যই খাবে (ইয়াতিমের মাল) কিন্তু পরে তা পরিশোধ করতে হবে। হযরত ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আনসারী (রঃ) এবং হযরত রাবীআ (রঃ) হতে এর তাফসীর নিম্নরূপ বর্ণিত আছে-‘যদি ইয়াতিম দরিদ্র হয় তবে তার অভিভাবক তাকে তার প্রয়োজন অনুপাতে প্রদান করবে এবং তার অভিভাবক কিছুই পাবে না।' রচনায় কিন্তু এ অর্থ ঠিকভাবে বসে না। কিন্তু পূর্বে রয়েছে যে, যে ধনী হবে সে বিরত থাকবে। অর্থাৎ যে অভিভাবক ধনবান হবে সে ইয়াতিমের মাল গ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে। তাহলে এখানেও এ ভাবার্থই হবে যে, যে অভিভাবক দরিদ্র হবে’ এ অর্থ নয়। অন্য আয়াতে রয়েছে- (আরবী) অর্থাৎ “তোমরা পিতৃহীনের মালের নিকটও যেওনা, কিন্তু শুদ্ধকরণের নিমিত্ত যেতে পার, অতঃপর যদি তোমাদের প্রয়োজন হয় তবে প্রয়োজনানুপাতে সংগতভাবে ওর মধ্য হতে খাও। (১৭:৩৪)।এরপর অভিভাবকদেরকে বলা হচ্ছে-যখন তারা প্রাপ্ত বয়সে পৌছে যাবে এবং তোমরা তাদের মধ্যে বিবেচনা জ্ঞান লক্ষ্য করবে তখন সাক্ষী রেখে তাদের মাল তাদেরকে সমর্পণ করবে, যেন অস্বীকার করার সুযোগই না আসে। প্রকৃতপক্ষে সত্য সাক্ষী, পূর্ণ রক্ষক এবং সূক্ষ হিসাব গ্রহণকারী হিসেবে আল্লাহ তা'আলাই রয়েছেন, ইয়াতিমের মালের ব্যাপারে অভিভাবকের নিয়ত কি ছিল তা তিনি খুব ভালই জানেন।অভিভাবক নিজেই হয়তো বা ইয়াতিমের মাল ভক্ষণ করেছে, ধ্বংস করেছে এবং মিথ্যা হিসেব লিখে রেখেছে, কিংবা হয়তো সৎ নিয়তের অধিকারী অভিভাবক ইয়াতিমের মাল পুরোপুরি রক্ষা করেছে এবং সঠিক হিসেব রেখেছে, এসব সংবাদ সেই সবজান্তা এবং মহান রক্ষক আল্লাহ তা'আলার অবশ্যই জানা রয়েছে।সহীহ মুসলিম শরীফে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) হযরত আবু যার (রাঃ)-কে বলেনঃ “হে আবু যার! আমি তোমাকে দুর্বল ও শক্তিহীন দেখছি এবং আমি নিজের জন্যে যা পছন্দ করি তোমার জন্যে তা পছন্দ করি। সাবধান! কখনই তুমি দু ব্যক্তিরও নেতা বা আমীর নির্বাচিত হয়ো না এবং কখনও কোন ইয়াতিমের মালের অভিভাবক নিযুক্ত হয়ো না।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Читайте, слушайте, ищите и размышляйте над Кораном

Quran.com — это надёжная платформа, используемая миллионами людей по всему миру для чтения, поиска, прослушивания и размышления над Кораном на разных языках. Она предоставляет переводы, тафсир, декламацию, пословный перевод и инструменты для более глубокого изучения, делая Коран доступным каждому.

Quran.com, как садака джария, стремится помочь людям глубже проникнуть в Коран. При поддержке Quran.Foundation , некоммерческой организации, имеющей статус 501(c)(3), Quran.com продолжает развиваться как бесплатный и ценный ресурс для всех. Альхамдулиллях.

Навигация
Дом
Коран Радио
Чтецы
О нас
Разработчики
Обновления продуктов
Обратная связь
Помощь
Наши проекты
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Некоммерческие проекты, принадлежащие, управляемые или спонсируемые Quran.Foundation
Популярные ссылки

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Карта сайтаКонфиденциальностьУсловия и положения
© 2026 Quran.com. Все права защищены