Войти
🚀 Присоединяйтесь к нашему Рамаданскому челленджу!
Учить больше
🚀 Присоединяйтесь к нашему Рамаданскому челленджу!
Учить больше
Войти
Войти
6:162
قل ان صلاتي ونسكي ومحياي ومماتي لله رب العالمين ١٦٢
قُلْ إِنَّ صَلَاتِى وَنُسُكِى وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِى لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ١٦٢
قُلۡ
إِنَّ
صَلَاتِي
وَنُسُكِي
وَمَحۡيَايَ
وَمَمَاتِي
لِلَّهِ
رَبِّ
ٱلۡعَٰلَمِينَ
١٦٢
Скажи: «Воистину, мой намаз и мое жертвоприношение (или поклонение), моя жизнь и моя смерть посвящены Аллаху, Господу миров.
Тафсиры
Уроки
Размышления
Ответы
Кираат
Вы читаете тафсир для группы стихов 6:161 до 6:163

১৬১-১৬৩ নং আয়াতের তাফসীর: এখানে আল্লাহ তা'আলা স্বীয় নবী (সঃ)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন, তুমি সংবাদ দিয়ে দাও-আল্লাহ তাঁর নবী (সঃ)-এর উপর কিরূপ ইন'আম বর্ষণ করেছেন যে, তাকে সরল সোজা পথে পরিচালিত করেছেন, যার মধ্যে কোন বক্রতা নেই। ওটা হচ্ছে একটা সুপ্রতিষ্ঠিত ধর্ম এবং ওটাই হচ্ছে মিল্লাতে ইবরাহীম (আঃ)। তিনি একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করতেন এবং তিনি কখনও শিক করেননি। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ “নির্বোধেরা ছাড়া আর কেউই মিল্লাতে ইবরাহীম (আঃ) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় না।” অন্যত্র আল্লাহ পাক বলেনঃ “তোমরা আল্লাহর পথে এমন চেষ্টা তদবীর কর যেমন চেষ্টা তদবীরের হক রয়েছে। তিনি তোমাদেরকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং দ্বীনের ব্যাপারে তিনি তোমাদের উপর কোন সংকীর্ণতা রাখেননি, এটাই হচ্ছে তোমাদের পিতা ইবরাহীম (আঃ)-এর ধর্ম।” আর এক জায়গায় তিনি বলেনঃ “ইবরাহীম বড়ই আবেদ ছিল, সে ছিল নিষ্কলুষ অন্তরের অধিকারী এবং শিরুক থেকে বহু দূরে অবস্থানকারী। সে ছিল আল্লাহর নিয়ামতের বড়ই কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী। আমি তাঁকে সরল-সোজা পথে পরিচালিত করেছিলাম। দুনিয়াতেও সে বহু পুণ্য লাভ করেছিল এবং আখিরাতেও সে আল্লাহর সৎ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। এখন আমি তোমার কাছে এই অহী করছি যে, তুমি মিল্লাতে ইবরাহীম (আঃ) এর অনুসরণ করো।” নবী (সঃ)-কে মিল্লাতে ইবরাহীম (আঃ)-এর অনুসরণ করতে বলা হলো বলে যে তার উপর হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হলো তা নয়। কেননা, নবী (সঃ) হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর মাযহাবের অনুসরণের মাধ্যমে তার মাযহাবকে আরও সুদৃঢ় করেছেন এবং তার মাধ্যমেই হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর দ্বীন পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়েছে। অন্য কোন নবী তাঁর দ্বীনকে পূর্ণতা দানে সক্ষম হননি। আমাদের নবী (সঃ) তো খাতেমুল আম্বিয়া। তিনি সাধারণভাবে আদম সন্তানের নেতা এবং মাকামে মাহমূদের উপর তিনি সমাসীন থাকবেন। কিয়ামতের দিন সমস্ত মাখলুক তাঁরই দিকে ফিরে আসবে, এমন কি স্বয়ং ইবরাহীম খলীল (আঃ)-ও। ইবনে ইবী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন সকাল হতো তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলতেনঃ “আমরা মিল্লাতে ইসলাম ও কালেমায়ে ইখলাসের উপর এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সঃ)-এর দ্বীনের উপর ও আমাদের পিতা একনিষ্ঠ ইবরাহীমের মিল্লাতের উপর সকাল করলাম যিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।” ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আল্লাহর কাছে কোন দ্বীন সব চেয়ে প্রিয়?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “ইবরাহীম হানীফ (আঃ)-এর ধর্ম।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) মুসনাদে আহমাদে তাখরীজ করেছেন)হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি স্বীয় থুনী রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কাঁধের উপর রাখতাম এবং তাঁর পৃষ্ঠদেশের পিছনে থেকে হাবশীদের নাচ দেখতাম। অতঃপর যখন ক্লান্ত হয়ে পড়তাম তখন সরে আসতাম। ঐ দিন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছিলেনঃ “ইয়াহূদীদের এটা জেনে নেয়া উচিত যে, আমাদের ধর্ম সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং আমাকে এমন দ্বীন দিয়ে প্রেরণ করা হয়েছে যা শির্ক থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত।” ইরশাদ হচ্ছে-হে নবী (সঃ)! তুমি বলে দাও, আমার নামায, আমার সকল ইবাদত, আমার জীবন এবং আমার মরণ সবই বিশ্বপ্রভু আল্লাহর জন্যে। যেমন অন্য জায়গায় আল্লাহ পাক কলেনঃ “হে নবী (সঃ)! তুমি তোমার প্রভুর জন্যেই নামায পড় এবং তারই জন্যে কুরবানী কর।”মুশরিকরা তো মূর্তির পূজা করতো এবং মূর্তির নামেই কুরবানী করতো। আল্লাহ তাদের বিরুদ্ধাচরণ করার নির্দেশ দিচ্ছেন এবং ওদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে কলুষমুক্ত অন্তঃকরণ নিয়ে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর উপাসনায় নিমগ্ন থাকতে মুসলমানদেরকে হুকুম করছেন। যেমন তিনি স্বীয় নবী (সঃ)-কে বলতে বললেনঃ “নিশ্চয়ই আমার নামায, আমার ইবাদত-বন্দেগী সব কিছুই বিশ্ব প্রভু আল্লাহর জন্যে।" (আরবী) হজ্ব ও উমরা পালনের সময় কুরবানী করাকে বলা হয়। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঈদুল আযহার দিন দু'টি দুম্বা যবাই করেন এবং যবাই করার সময় বলেন : (আরবী) অর্থাৎ “নিশ্চয়ই আমি আমার মুখমণ্ডল সেই সত্তার দিকে একনিষ্ঠভাবে ফিরাচ্ছি যিনি আকাশসমূহ ও ভূ-মণ্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয়ই আমার নামায, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ বিশ্বপ্রভু আল্লাহরই জন্যে। তার কোন অংশীদার নেই, আমি এর জন্যেই আদিষ্ট হয়েছি এবং আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে আমিই হলাম প্রথম।” (এটা ইবনে আবি হাতিম (রঃ) জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন)(আরবী) দ্বারা ঐ উম্মতের প্রথম মুসলমান বুঝানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর পূর্ববর্তী সকল নবী ইসলামেরই দাওয়াত দিতেন। প্রকৃত ইসলাম হচ্ছে আল্লাহকে মা'বুদ মেনে নেয়া এবং তাঁকে এক ও শরীক বিহীন বলে বিশ্বাস করা। যেমন মহান আল্লাহ বলেনঃ “হে নবী (সঃ)! আমি তোমার পূর্বে যতজন নবী পাঠিয়েছিলাম তাদের সকলের কাছেই এই অহী করেছিলাম যে, আল্লাহ এক, তার কোন অংশীদার নেই, সুতরাং তোমরা তাঁরই ইবাদত কর।” আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “নূহ তার কওমকে বললো-তোমরা যদি আমা থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও তবে বলতো- আমি কি তাবলীগ করার বিনিময়ে তোমাদের কাছে। কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছি? আমাকে পারিশ্রমিক তো আল্লাহই প্রদান করবেন। আমাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, আমি যেন সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করি।” আর এক জায়গায় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যে মিল্লাতে ইবরাহীম (আঃ) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সে বড়ই নির্বোধ। আমি তাকে দুনিয়াতেও মনোনীত করেছি এবং পরকালেও সে আল্লাহর ইবাদতকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” যখন আল্লাহ ইবরাহীম (আঃ)-কে বললেনঃ ইসলাম গ্রহণ কর, তখন সে তৎক্ষণাৎ বলে উঠলো-আমি সারা জাহানের প্রভুর কাছে আত্মসমর্পণ করলাম। ইবরাহীম (আঃ) স্বীয় সন্তানদেরকে অসিয়ত করেছিলো এবং ইয়াকূব (আঃ)ঃ “হে আমার সন্তানগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্যে এই দ্বীনকে নির্দিষ্ট করেছেন, সুতরাং তোমরা কখনও মুসলমান না হয়ে মরো না।” হযরত ইউসুফ (আঃ) বলেছিলেনঃ “হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে রাজত্বের বিরাট অংশ দান করেছেন এবং আমাকে স্বপ্নফল বর্ণনা শিক্ষা দিয়েছেন, হে আকাশসমূহের ও ভূ-মণ্ডলের সৃষ্টিকর্তা! আপনি আমার কার্য নির্বাহক দুনিয়াতেও আখিরাতেও, আমাকে পূর্ণ আনুগত্যের অবস্থায় দুনিয়া হতে উঠিয়ে নিন এবং আমাকে বিশিষ্ট নেক বান্দাদের মধ্যে পরিগণিত করুন।” হযরত মূসা (আঃ) বলেছিলেনঃ “হে আমার কওম! যদি তোমরা আল্লাহর উপর ঈমান এনে থাক তবে তাঁরই উপর ভরসা কর যদি তোমরা মুসলমান হও।” তখন তাঁর উম্মত বলেছিলঃ “আমরা আমাদের প্রভুর উপরই ভরসা করছি। হে আমাদের প্রভু! আপনি আমাদেরকে যালিমদের লক্ষ্যস্থল বানাবেন না এবং স্বীয় রহমতে আমাদেরকে কফিরদের আধিপত্য হতে মুক্তি দান করুন!”আল্লাহ পাক বলেনঃ “নিশ্চয়ই আমি তাওরাত অবতীর্ণ করেছিলাম যার মধ্যে হিদায়াত ও নূর রয়েছে, যার মাধ্যমে আত্মসমর্পণকারী নবীরা ইয়াহুদী, আল্লাহওয়ালা ও আলেমদের মধ্যে ফায়সালা করতো।” অন্যত্র আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “যখন আমি হাওয়ারীদের কাছে অহী করেছিলাম-তোমরা আমার উপর ও আমার রাসূলের উপর ঈমান আনয়ন কর, তখন তারা বললো- আমরা ঈমান আনলাম, আপনি সাক্ষী থাকুন যে, আমরা মুসলমান।” এসবের মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা সংবাদ দিলেন যে, তিনি সমস্ত নবীকে ইসলাম দিয়ে পঠিয়েছিলেন। কিন্তু নবীদের উম্মতেরা নিজ নিজ শরীয়তের প্রতি লক্ষ্য রেখে পৃথক পৃথক ধর্মের উপর ছিল। কোন কোন নবী পূর্ববর্তী নবীর শাখা ধর্মকে রহিত করে দিয়ে নিজস্ব ধর্ম চালু করেন। শেষ পর্যন্ত শরীয়তে মুহাম্মাদীর মাধ্যমে অন্যান্য সমস্ত দ্বীন মানসূখ বা রহিত হয়ে যায় এবং দ্বীনে মুহাম্মাদী কখনও রহিত হবে না, বরং চির বিদ্যমান থাকবে। কিয়ামত পর্যন্ত এর পতাকা উঁচু হয়েই থাকবে। এ জন্যেই নবী (সঃ) বলেছেনঃ “আমরা নবীরা পরস্পর বৈমাত্রেয় সন্তান। অর্থাৎ বৈমাত্রেয় সন্তানদের পিতা একজনই হয় তদ্রুপ আমাদেরও সবারই দ্বীন একই। আমরা। সবাই সেই আল্লাহকে মেনে থাকি যিনি এক ও অংশীবিহীন। আমরা তাঁরই ইবাদত করে থাকি। যদিও আমাদের শরীয়ত বিভিন্ন; কিন্তু এই শরীয়তগুলো মায়ের মত। যেমন বৈপিত্রেয় ভাই বৈমাত্রেয় ভাই এর বিপরীত হয়ে থাকে। অর্থাৎ মা এক এবং পিতা পৃথক পৃথক। আর প্রকৃত ভাই একই মা ও একই পিতার সন্তান হয়ে থাকে। তাহলে উম্মতের দৃষ্টান্ত পরম্পর এক মায়েরই সন্তানের মত।” হযরত আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) যখন নামায শুরু করতেন তখন তাকবীর বলতেন। তারপর (আরবী) বলতেন। এরপর নিম্নের দু'আটি বলতেনঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে আল্লাহ! আপনি বাদশাহ। আপনি ছাড়া অন্য কেউ উপাস্য নেই। আপনি আমার প্রভু এবং আমি আপনার দাস। আমি আমার নিজের উপর অত্যাচার করেছি এবং আমি আমার পাপের কথা স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দিন। আপনি ছাড়া আর কেউ পাপরাশি ক্ষমা করতে পারে না। আমাকে উত্তম চরিত্রের পথ বাতলিয়ে দিন। আপনি ছাড়া অন্য কেউ আমাকে উত্তম চরিত্রের পথ বাতলিয়ে দিতে পারে না। আমা থেকে দুশ্চরিত্রতা দূর করে দিন। আপনি ছাড়া অন্য কেউ আমা থেকে দুশ্চরিত্রতা দূর করতে পারে না। আপনি কল্যাণময় ও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং (পাপকার্য থেকে) আপনার কাছে তাওবা করছি।” তারপর তিনি রুকূ ও সিজদায় এবং তাশাহহুদে যা বলেছিলেন সেগুলো সম্বলিত সম্পূর্ন হাদীসটি বর্ণনা করা হয়। (এ হাদীসটি ইমাম মুহাম্মাদ (রঃ) তাঁর সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Читайте, слушайте, ищите и размышляйте над Кораном

Quran.com — это надёжная платформа, используемая миллионами людей по всему миру для чтения, поиска, прослушивания и размышления над Кораном на разных языках. Она предоставляет переводы, тафсир, декламацию, пословный перевод и инструменты для более глубокого изучения, делая Коран доступным каждому.

Quran.com, как садака джария, стремится помочь людям глубже проникнуть в Коран. При поддержке Quran.Foundation , некоммерческой организации, имеющей статус 501(c)(3), Quran.com продолжает развиваться как бесплатный и ценный ресурс для всех. Альхамдулиллях.

Навигация
Дом
Коран Радио
Чтецы
О нас
Разработчики
Обновления продуктов
Обратная связь
Помощь
Наши проекты
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Некоммерческие проекты, принадлежащие, управляемые или спонсируемые Quran.Foundation
Популярные ссылки

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Карта сайтаКонфиденциальностьУсловия и положения
© 2026 Quran.com. Все права защищены