Identifikohu
🚀 Bashkohuni me Sfidën tonë të Ramazanit!
Mëso më shumë
🚀 Bashkohuni me Sfidën tonë të Ramazanit!
Mëso më shumë
Identifikohu
Identifikohu
18:97
فما اسطاعوا ان يظهروه وما استطاعوا له نقبا ٩٧
فَمَا ٱسْطَـٰعُوٓا۟ أَن يَظْهَرُوهُ وَمَا ٱسْتَطَـٰعُوا۟ لَهُۥ نَقْبًۭا ٩٧
فَمَا
ٱسۡطَٰعُوٓاْ
أَن
يَظۡهَرُوهُ
وَمَا
ٱسۡتَطَٰعُواْ
لَهُۥ
نَقۡبٗا
٩٧
Tefsiret
Mësimet
Reflektime
Përgjigjet
Kiraat
Po lexoni një tefsir për grupin e vargjeve 18:97 deri në 18:99

৯৭-৯৯ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তাআ’লী খবর দিতে গিয়ে বলছেন, ইয়াজুজ ও মাজুজের ক্ষমতা নেই যে, তারা ঐ প্রাচীরের উপর উঠে তা অতিক্রম করতে পারে এবং এই শক্তিও নেই যে, তাতে ছিদ্র করে ওর মধ্য দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। উপরে চড়া তা ভেঙ্গে দেয়া তুলনায় সহজ বলে (আরবী) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং ভেঙ্গে দেয়ার ক্ষেত্রে (আরবী) শব্দ আনয়ন করা হয়েছে। মোট কথা, তারা ঐ প্রাচীরের উপর উঠতেও পারে না এবং ওতে ছিদ্র করতেও সক্ষম নয়। হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “ইয়াজুজ ও মাজুজ প্রত্যহ প্রাচীরটিকে খনন। করতে থাকে এবং এই পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, তারা যেন সূর্যের আলো দেখেই ফেলবে। তারপর দিন অতিবাহিত হয়ে যায় এবং তাদের নেতা তাদেরকে হুকুম করেঃ “আজকের মত এখানেই শেষ কর, আগামীকাল এসে আবার ভাঙ্গা যাবে। কিন্তু পরের দিন এসে তারা ওটাকে পূর্বাপেক্ষা বেশী শক্ত পায়। কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সময় যখন তাদের বের হওয়া আল্লাহ চাবেন, তখন তারা ওটা খনন করতে করতে চোকলা বা বাকলের মত করে ফেলবে। ঐ সময় তাদের নেতা তাদেরকে বলবেঃ “এখন ছেড়ে দাও, আগামীকাল ইনশা আল্লাহ আমরা এটা ভেঙ্গে ফেলবো।" সুতরাং ইশাআল্লাহ বলার বরকতে পরের দিন যখন তারা আসবে, তখন ওটাকে যে অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল ঐ অবস্থাতেই পাবে। ফলে, তৎক্ষণাৎ তারা ঐ প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলবে ও বাইরে বেরিয়ে পড়বে। বেরিয়ে এসেই তারা সমস্ত পানি অবলেহন করবে। জনগণ ব্রিত হয়ে দূর্গে আশ্রয় নেবে। তারা তাদের তীরগুলি আকাশের দিকে ছুড়বে। তীরগুলি রক্ত মাখানো অবস্থায় তাদের দিকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। তারা তখন বলবেঃ আকাশবাসীদের উপরও আমরা বিজয় লাভ করেছি। অতঃপর তাদের ঘাড়ে গুটি বের হবে এবং সবাই আল্লাহর হুকুমে ঐ প্লেগেই ধ্বংস হয়ে যাবে। যার হাতে মুহাম্মদের (সঃ) প্রাণ রয়েছে তার শপথ! তাদের দেহ ও রক্ত হবে জন্তুরখাদ্য, যার ফলে তারা খুব মোটা তাজা হয়ে যাবে।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদে বর্ণনা করেছেন। সুনানে ইবনু মাজাহতেও এ রিওয়াইয়াতটি রয়েছে। ইমাম তিরমিযীও (রঃ) এটা আনয়ন করেছেন এবং বলেছেন যে, এ রিওয়াইয়াতটি গারীব। এর সনদ খুব মজবুত)কা’ব আহ্বার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, ইয়াজুজ-মাজুজ দৈনিক প্রাচীরটিকে চাটতে থাকে এবং ওটাকে একেবারে ছালের মত করে দেয়। তারপর তারা পরস্পর বলাবলি করেঃ “আজ চলো, আগামীকাল এটা ভেঙ্গে দেবো।" কিন্তু পরের দিন এসে দেখতে পায় যে, ওটা পূর্বে যেমন ছিল তেমনই রয়ে গেছে অর্থাৎ আসল অবস্থাতেই ফিরে গেছে। অবশেষে তাদের উপর আল্লাহর ইলহাম হবে এবং তারা যাওয়ার সময় ইনশা-আল্লাহ বলে ফেলবে। সুতরাং তারা ওটাকে গত দিন যে অবস্থায় রেখে গিয়েছিল ঐ অবস্থাতেই পাবে। কাজেই তারা ওটা ভেঙ্গে ফেলবে। (খুব সম্ভব এই কা'ব (রাঃ) থেকেই হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) এটা শুনে থাকবেন এবং তা বর্ণনা করে থাকবেন। তারপর কোন বর্ণনাকারী ধারণা বশতঃ এটাকে রাসূলুল্লাহর (সঃ) উক্তি মনে করে মারফুরূপে বর্ণনা করে দিয়েছেন। এ সব ব্যাপারে একমাত্র আল্লাহ তাআলাই সঠিক জ্ঞানের অধিকারী) আমরা যে এটা বর্ণনা করলাম এর পৃষ্ঠপোষকতা ঐ হাদীস দ্বারাও হয় যা মুসনাদে আহমাদে রয়েছে। হাদীসটি হলোঃ নবীর (সঃ) স্ত্রী হযরত যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, একদা নবী (সঃ) ঘুম হতে জাগ্রত। হন। তাঁর চেহারা মুবারক রক্তিম বর্ণ ধারণ করছিল এবং তিনি বলতে ছিলেনঃ “লাইলাহা ইল্লাল্লাহ! আরবের অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ার সময় নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীরে এই পরিমাণ ছিদ্র হয়ে গেছে।” অতঃপর তিনি স্বীয় অঙ্গুলীগুলি দ্বারা বৃত্ত করে তা দেখিয়ে দিলেন। উম্মুল মুমিনীন হযরত যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ) ! আমাদের মত ভাল লোকগুলি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও কি ধ্বংস করে দেয়া হবে?" উত্তরে তিনি বলেনঃ “হাঁ যখন খারাপ ও কলুষিত লোকদের সংখ্যা বেশী হয়ে যাবে।” (এ হাদীসটি সম্পূর্ণরূপে বিশুদ্ধ। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম উভয় গ্রন্থেই এটা বর্ণিত হয়েছে। তবে সহীহ বুখারীতে বর্ণনাকারীদের তালিকায় হযরত উম্মে হাবীবার (রাঃ) উল্লেখ নেই। শুধু সহীহ মুসলিমে রয়েছে। এর সনদে এ ধরনের আরো অনেক কথা রয়েছে যা খুবই কম পাওয়া গেছে। যেমন যুহরী (রঃ) বর্ণনা করেছেন উরওয়া (রাঃ) হতে। অথচ এ দুজন মনীষী হলেন তাবেয়ী। আবার চারজন মহিলা একে অপর হতে বর্ণনা করেছেন এবং তারা চারজনই সাহাবিয়্যাহ (রাঃ)। তাঁদের মধ্যে দুজন আবার নবীর (সঃ) স্ত্রীর কন্যা এবং বাকী দু’জন তার স্ত্রী! মুসনাদে বায্যারেও এই রিওয়াইয়াতটি হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে) ঐ প্রাচীরের নির্মাণ কার্য সমাপ্ত করে ফুলকারনাইন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এবং মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেনঃ “এটা আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যে, তিনি দুষ্টদের দুষ্টামী হতে সৃষ্টজীবকে নিরাপত্তা দান করলেন। তবে যখন তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হয়ে যাবে তখন তিনি ওকে চুর্ণবিচর্ণ করে ফেলবেন। তখন এর দৃঢ়তা কোনই কাজে আসবে না। উষ্টীর ঔজ যখন ওর পিঠের সাথে সমানভাবে মিলে থাকে, উঁচু হয়ে থাকে না তখন আরববাসী ওকে (আরবী) বলে থাকে। অন্য আয়াতে রয়েছে যে, যখন হযরত মূসার (আঃ) সামনে আল্লাহ তাআলা পাহাড়ের উপর ঔজ্জ্বল্য প্রকাশ করেন তখন ঐ পাহাড় যমীনের সমান হয়ে যায়। সেখানেও শব্দ রয়েছে। সুতরাং কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে ঐ প্রাচীরটিও চূর্ণ বিচূর্ণ। হয়ে যাবে এবং ইয়াজুজ ও মাজুজের বের হবার পথ বেরিয়ে পড়বে। আল্লাহ তাআ'লার ওয়াদা অটল ও সত্য। কিয়ামতের আগমনও সত্য। ঐ প্রাচীর ভাঙ্গা মাত্রই ইয়াজুজ-মাজুজ বেরিয়ে পড়বে এবং জনগণের মধ্যে ঢুকে পড়বে। আপন পরের কোন পার্থক্য থাকবে না। এই ঘটনা দাজ্জালের আগমনের পর কিয়ামত সংঘটনের পূর্বে ঘটবে। এর পূর্ণ বর্ণনা (আরবী) (২১:৯৬)এই আয়াতের তাফসীরে আসবে ইনশা আল্লাহ। এরপরে শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং সবাই একত্রিত হয়ে যাবে। একথাও বলা হয়েছে যে, এর ভাবার্থ হচ্ছেঃ কিয়ামতের দিন মানব ও দানব সবাই মিশ্রিত হয়ে যাবে। তাফসীরে ইবনু জারীরে বানু খুযায়া গোত্রের একজন শায়েখের বর্ণনা রয়েছে যে, দানব ও মানব যখন পরস্পর মিলিত হয়ে যাবে, তখন ইবলীস বলবেঃ “আমি যাচ্ছি এবং ব্যাপার কি তা জেনে আসছি।” অতঃপর সে পূর্ব দিকে পালাবে। কিন্তু সেখানে ফেরেশতাদের দল দেখে সে থমকে দাড়াবে এবং ফিরে গিয়ে পশ্চিম দিকে যাবে। সেখানেও ঐ একই অবস্থা দেখে ডানে-বামে পালাবে। কিন্তু চতুর্দিকেই ফেরেশতাদের পরিবেষ্টন দেখে নিরাশ হয়ে গিয়ে চীৎকার শুরু করে দেবে। অকস্মাৎ একটা ছোট রাস্তা তার দৃষ্টি গোচর হবে। তখন সে তার সমস্ত সন্তানদেরকে নিয়ে ঐ পথ ধরে চলতে থাকবে। সামনে এগিয়ে গিয়ে দেখবে যে, দুযখের অগ্নি প্রজ্জ্বলিত রয়েছে। জাহান্নামের একজন দারোগা তাকে বলবেঃ “ওরে কষ্টদায়ক কলুষিত শয়তান! আল্লাহ তাআলা কি তোর মর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন না? তুই কি জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলি ?” সে উত্তরে বলবেঃ “আজ শাসন-গর্জন করছো কেন? আজ পরিত্রাণের পথ বাতলিয়ে দাও। আমি আল্লাহ তাআলার ইবাদতের জন্যে প্রস্তুত রয়েছি। যদি আল্লাহর হুকুম হয় তবে আমি এমন ইবাদত করবো যা ভূ-পৃষ্ঠে কেউ কখনো করে নাই।” তরি এ কথা শুনে দারোগা বলবেনঃ “আল্লাহ তাআলা তোর জন্যে একটা নির্দেশনামা নির্ধারণ করছেন।”সে তখন খুশী হয়ে বলবেঃ “ আমি তার হুকুম পালনের জন্যে সর্বপ্রকারের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।” তখন হুকুম দেয়া হবেঃ “ঐ নির্দেশনামা এটাই যে, তোরা সবাই জাহান্নামে চলে যা।” এই কলুষিত শয়তান তখন হতভম্ব হয়ে পড়বে। সেখানে ফেরেশতা নিজের পালক দ্বারা তাকে ও তার সন্তানদেরকে ছেচড়াতে ছেচড়াতে নিয়ে গিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। জাহান্নাম তাদেরকে নিয়ে এমনভাবে তর্জন গর্জন করতে থাকবে যে, সমস্ত নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতা, সমস্ত রাসূল হাঁটুর ভরে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে মহাপ্রতাপান্বিত আল্লাহর সামনে পড়ে যাবেন।হযরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “ইয়াজুজ-মাজুজ হযরত আদমের (আঃ) বংশধর। যদি তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয় তবে তারা মানুষের জীবিকার উপর ফাসাদ সৃষ্টি করবে। তাদের এক একজন নিজের পিছনে হাজার জন ছেড়ে মারা যায়, বরং এর চেয়েও বেশী। এদের ছাড়া আরো তিনটি দল রয়েছে। তারা হলোঃ তাভীল, তায়েস ও মানসক।” (এ হাদীসটি ইমাম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন। এটা গারীব এমন কি অস্বীকার্য ও দুর্বল)আউস ইবনু আবি আউস (রাঃ) হতে মার’ রূপে বর্ণিত আছে যে, ইয়াজুজ ও মাজুজের স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে রয়েছে। এক একজন নিজের পিছনে হাজার বা তারও বেশী রেখে মারা যায়। (এ হাদীসটি সুনানে নাসায়ীতে বর্ণিত হয়েছে)মহান আল্লাহ বলেনঃ শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে। হাদীসে আছে যে, ওটা একটা যুগ যাতে শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে। ফুকারদাতা হবেন হযরত ইসরাফীল (আঃ)। যেমন এটা প্রমাণিত। হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) ও। হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “কি করে আমি শান্তিতে ও আরামে বসে থাকতে পারি? অথচ শিংগার অধিকারী ফেরেশতা শিংগা মুখে লাগিয়ে, কপাল কুঁকিয়ে এবং কান খাড়া করে বসে রয়েছেন যে, কখন আল্লাহর নির্দেশ হবে এবং তিনি শিংগায় ফুৎকার দিবেন।” জনগণ জিজ্ঞেস করলেনঃ “তাহলে আমরা কি বলবো?” উত্তরে তিনি বললেনঃ “তোমরা বলোঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমাদের জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনি কতইনা উত্তম কার্য নির্বাহক! আমরা আল্লাহর উপর ভরসা করেছি।”মহান আল্লাহ বলেনঃ অতঃপর আমি তাদের সকলকেই একত্রিত করবো। অর্থাৎ তিনি সকলকেই হিসাবের জন্যে জমা করবেন। সবারই হাশর তাঁর সামনে হবে। যেমন সূরায়ে ওয়াকেআ’য় রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “হে নবী (সঃ)!) তুমি বলে দাওঃ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীগণ, সকলকে সমবেত করা হবে, এক স্থীরিকৃত দিবসে নির্দিষ্ট সময়ে।” (৫৬:৪৯) আর এক জায়গায় আছেঃ (আরবী) অর্থাৎ “আমি সকলকেই একত্রিত করবো এবং তাদের একজনকেও অবশিষ্ট ছেড়ে দেবো না।" (১৮:৪৭)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Lexoni, dëgjoni, kërkoni dhe reflektoni mbi Kuranin

Quran.com është një platformë e besueshme e përdorur nga miliona njerëz në mbarë botën për të lexuar, kërkuar, dëgjuar dhe reflektuar mbi Kuranin në gjuhë të shumta. Ajo ofron përkthime, tefsir, recitime, përkthim fjalë për fjalë dhe mjete për studim më të thellë, duke e bërë Kuranin të arritshëm për të gjithë.

Si një Sadaka Xhariyah, Quran.com është i përkushtuar për të ndihmuar njerëzit të lidhen thellë me Kuranin. I mbështetur nga Quran.Foundation , një organizatë jofitimprurëse 501(c)(3), Quran.com vazhdon të rritet si një burim falas dhe i vlefshëm për të gjithë, Elhamdulillah.

Navigoni
Shtëpi
Kuran Radio
Recituesit
Rreth Nesh
Zhvilluesit
Përditësimet e produktit
Feedback
Ndihmë
Projektet tona
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Projektet jofitimprurëse të zotëruara, të menaxhuara ose të sponsorizuara nga Quran.Foundation
Kërkimet e preferuara

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Harta e faqesPrivatësiaTermat dhe Kushtet
© 2026 Quran.com. Të gjitha të drejtat e rezervuara