ลงชื่อเข้าใช้
🚀 เข้าร่วมกิจกรรมท้าทายเดือนรอมฎอนของเรา!
เรียนรู้เพิ่มเติม
🚀 เข้าร่วมกิจกรรมท้าทายเดือนรอมฎอนของเรา!
เรียนรู้เพิ่มเติม
ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
15:2
ربما يود الذين كفروا لو كانوا مسلمين ٢
رُّبَمَا يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ كَانُوا۟ مُسْلِمِينَ ٢
رُّبَمَا
يَوَدُّ
ٱلَّذِينَ
كَفَرُواْ
لَوۡ
كَانُواْ
مُسۡلِمِينَ
٢
[2] บรรดาผู้ปฏิเสธศรัทธาหวังกันว่า หากพวกเขาได้เป็นมุสลิม
ตัฟซีร
บทเรียน
ภาพสะท้อน
คำตอบ
กิรอต
คุณกำลังอ่านตัฟซีร สำหรับกลุ่มอายะห์ที่ 15:1 ถึง 15:3

১-৩ নং আয়াতের তাফসীর সূরা সমূহের শুরুতে যে হুরূফে মুকাত্তাআ’ত এসেছে সেগুলির বর্ণনা ইতিপূর্বেই গত হয়েছে। এ আয়াতে কুরআন কারীম একখানা সুস্পষ্ট আসমানী গ্রন্থ হওয়া এবং প্রত্যেকের অনুধাবন যোগ্য হওয়ার বর্ণনা দেয়া হয়েছে।কাফিররা তাদের কুফরীর কারণে সত্বরই লজ্জিত হবে। তারা মুসলমানরূপে জীবন যাপন করার আকাংখা করবে। তারা কামনা করবে যে, দুনিয়ায় যদি তারা মুসলিমরূপে থাকতো, তবে কতই না ভাল হতো! হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ), হযরত ইবনু মাসউদ (রাঃ) প্রভৃতি সাহাবীবর্গ হতে বর্ণিত আছে যে, কুরাইশ কাফিরদেরকে যখন জাহান্নামের সামনে পেশ করাহবে, তখন তারা আকাংখা করবে যে, যদি তারা দুনিয়ায় মুমিন হয়ে থাকতো! এটাও রয়েছে যে, প্রত্যেক কাফির তার মৃত্যু দেখে নিজের মুসলমান হওয়ার আকাংখা করে থাকে। অনুরূপভাবে কিয়ামতের দিনও প্রত্যেক কাফির এই আকাংখাই করবে। জাহান্নামের পার্শ্বে দাঁড়িয়ে তারা বলবেঃ “যদি আমরা পুনরায় দুনিয়ায় ফিরে যেতে পারতাম তবে আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকারও করতাম না এবং ঈমানও পরিত্যাগ করতাম না।” জাহান্নামী লোকেরা অন্যদেরকে জাহান্নাম থেকে বের হতে দেখেও নিজেদের ঈমানদার হওয়ার কামনা করবে। হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) এবং হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন যে, পাপী মুসলমানদেরকে আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের সাথে জাহান্নামে আটক করে দিবেন। তখন মুশরিকরা ঐ মুসলমানদেরকে বলবেঃ “দুনিয়ায় যে আল্লাহর তোমরা ইবাদত করতে তিনি তোমাদের আজ কি উপকার করলেন?” তাদের এ কথা শুনে আল্লাহর রহমত উথলিয়ে উঠবে এবং তিনি মুসলমানদেরকে জাহান্নাম হতে বের করে নিবেন। তখন কাফিররা আকাংখা করবে যে, তারাও যদি মুসলমান হতো (তবে কতভাল হতো)! অন্য একটি রিওয়াইয়াতে আছে যে, মুসলমানদের প্রতি মুশরিকদের এই ভৎসনা শুনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিবেনঃ ‘যার অন্তরে অনুপরিমাণও ঈমান রয়েছে তাকেও জাহান্নাম হতে বের করে নাও। ঐ সময় কাফিররা কামনা করবে যে, যদি তারাও মুসলমান হতো!হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যারা “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলেছে তাদের মধ্যে কতক লোক পাপের কারণে জাহান্নামে যাবে। তখন লাত ও উয্যার পূজারীরা তাদেরকে বলবেঃ “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলায় তোমাদের কি উপকার হলো? তোমরা তো আমাদের সাথেই জাহান্নামে পুড়ছো?” তাদের এ কথা শুনে আল্লাহ তাআলার করুণা উথলিয়ে উঠবে। তিনি তাদের সকলকেই সেখান থেকে বের করিয়ে আনবেন এবং জীবন নহরে তাদেরকে নিক্ষেপ করবেন। তখন তাদেরকে এমনই দেখা যাবে যেমন চন্দ্রকে ওর গ্রহণের পরে দেখা যায়। অতঃপর তারা সবাই জান্নাতে যাবে।” এ হাদীসটি শুনে কেউ একজন হযরত আনাসকে (রাঃ) জিজ্ঞেস করেনঃ “আপনি কি এটা রাসুলুল্লাহর (সঃ) মুখ থেকে শুনেছেন?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “জেনে রেখো যে, আমি রাসূলুল্লাহকে (সঃ) বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যা আরোপ করে (অর্থাৎ আমি বলি নাই, অথচ আমার উদ্ধৃতি দেয়), সে যেন জাহান্নামে নিজের স্থান বানিয়ে নেয়।” এতদসত্ত্বেও আমি বলছি যে, আমি এ হাদীস স্বয়ং রাসূলুল্লাহর (সঃ) মুখ থেকে শুনেছি।” (এ হাদীসটি হাফিজ আবুল কাসিম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “জাহান্নামবাসী যখন জাহান্নামে একত্রিত হবে এবং তাদের সাথে। আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী কিছু আহলে কিবলাও থাকবে তখন কাফিররা ঐ মুসলমানদেরকে বলবেঃ “তোমরা কি মুসলমান ছিলে না?” তারা উত্তরে বলবেঃ “হা।” তারা তখন বলবেঃ “ইসলাম তো তোমাদের কোন উপকারে আসলো না, তোমরা আমাদের সাথেই তো জাহান্নামে রয়েছো?” তারা এ কথা শুনে বলবেঃ “আমাদের গুনাহ ছিল বলে আমাদেরকে পাকড়াও করা হয়েছে।” আল্লাহ তাআলা তাদের কথা শুনার পর হুকুম করবেনঃ “জাহান্নামে যত আহলে কিবলা রয়েছে তাদের সকলকেই বের করে আন।” এ অবস্থা দেখে জাহান্নামে অবস্থানরত কাফিররা বলবেঃ “হায়! আমরা যদি মুসলমান হতাম তবে আমরাও (জাহান্নাম থেকে বের হয়ে যেতাম যেমন এরা বের হয়ে গেল।” বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসুলুল্লাহ (সঃ) পাঠ করেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “আলিফ-লাম- রা, এগুলি আয়াত মহাগ্রন্থের, সুস্পষ্ট কুরআনের। কখনো কখনো কাফিররা আকাংখা করবে, যে, তারা যদি মুসলিম হতো!” (এ হাদীসটিও হাফি আবুল কাসিম তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহকে (সঃ) বলতে শুনেছিঃ “কতকগুলি মু'মিনকে পাপের কারণে পাকড়াও করতঃ জাহান্নামে নিক্ষেপ করার পর আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তা হতে বের করবেন। যখন তিনি তাদেরকে মুশরিকদের সাথে জাহান্নামে প্রবিষ্ট করবেন। তখন মুশরিকরা তাদেরকে বলবেঃ “তোমরা তো দুনিয়ায় ধারণা করতে যে, তোমরা আল্লাহর বন্ধু, অথচ আজ আমাদের সাথে এখানে কেন?” একথা শুনে আল্লাহ তা'আলা তাদের জন্যে সুপারিশের অনুমতি দিবেন। তখন ফেরেশতামণ্ডলী, নবীগণ ও মু'মিনরা তাদের জন্যে সুপারিশ করবেন। ফলে আল্লাহ তাআলা তাদেরকে জাহান্নাম হতে মুক্তি দিতে থাকবেন। এ সময় মুশরিকরা বলবেঃ “হায়! আমরা যদি এদের মত (মুমিন) হতাম তবে আমাদের জন্যেও সুপারিশ করা হতো এবং আমরাও এদের সাথে বের হতে. পারতাম।” আল্লাহ পাকের (আরবি) এ উক্তির ভাবার্থ এটাই। এই লোকগুলি যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে তখন তাদের চেহারায় কিছুটা কালিমা থেকে যাবে। কাজেই তাদেরকে জাহান্নামী বলা হবে। অতঃপর তারা প্রার্থনা করবেঃ “হে আমাদের প্রতিপালক! এ নামটিও বা উপাধিটিও আমাদের থেকে দূর করে দিন।” তখন তাদেরকে জান্নাতের একটি নহরে গোসল করতে বলা হবে এবং এরপর ঐ উপাধিও দূর করে দেয়া হবে।” (এটাও তিবরানী (রঃ) বর্ণনা করেছেন)মুহাম্মদ ইবনু আলী (রঃ) তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “(জাহান্নামের) আগুণ তাদের কারো কারো হাঁটু পর্যন্ত ধরবে, কারো ধরবে কোমর পর্যন্ত এবং কারো ধরবে স্কন্ধ পর্যন্ত। এটা হবে পাপ ও আমল অনুযায়ী। কেউ কেউ এক মাস শাস্তি ভোগের পর বেরিয়ে আসবে। আবার কেউ কেউ বেরিয়ে আসবে এক বছর শাস্তি ভোগের পর। দীর্ঘ মেয়াদী শাস্তি ঐ ব্যক্তির হবে, যে দুনিয়ার সময় কাল পর্যন্ত জাহান্নামে থাকবে। অর্থাৎ দুনিয়ার প্রথম দিন থেকে নিয়ে শেষ দিন পর্যন্ত সময়। যখন আল্লাহ তাআলা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার ইচ্ছা করবেন তখন ইয়াহুদী, নাসারা ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জাহান্নামীরা ঐ (পাপী) একত্ববাদীদেরকে বলবেঃ “তোমরা তো আল্লাহর উপর তাঁর কিতাবসমূহের উপর তাঁর রাসূলদের উপর ঈমান এনেছিলে, তথাপি আজ আমরা ও তোমরা জাহান্নামে সমান (ভাবে শাস্তি ভোগ করছি)।” তাদের এই কথায় আল্লাহ তাআলা এতো বেশী রাগান্বিত হবেন যে, আর কোন কথায় তিনি এতো রাগান্বিত হবেন না। অতপর তিনি এ সময় একত্ববাদীদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার নির্দেশ দিবেন। তখন তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে জান্নাতের নহরের নিকট নিয়ে যাওয়া হবে।” (আরবি) এর ভাবার্থ। এটাই।” (এ হাদীসটি ইবনু আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)পরিশেষে আল্লাহ তাআ'লা ধমকের সুরে বলেনঃ “হে নবী (সঃ)! তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা খেতে (পরতে) থাকুক, ভোগ বিলাস করতে থাকুক এবং আশা তাদেরকে মোহাচ্ছন্ন রাখুক, পরিণামে তাদের ঠিকানা হবে জাহান্নাম। তাদেরকে তাদের বহু দূরের আকাংখা কামনা ও বাসনা তাওবা করা ও আল্লাহ তাআলার দিকে ঝুঁকে পড়া হতে উদাসীন ও ভুলিয়ে রাখবে। সত্বরই প্রকৃত অবস্থা খুলে যাবে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
อ่าน ฟัง ค้นหา และไตร่ตรองคัมภีร์อัลกุรอาน

Quran.com คือแพลตฟอร์มที่ผู้คนหลายล้านคนทั่วโลกไว้วางใจให้ใช้เพื่ออ่าน ค้นหา ฟัง และใคร่ครวญอัลกุรอานในหลากหลายภาษา Quran.com มีทั้งคำแปล ตัฟซีร บทอ่าน คำแปลทีละคำ และเครื่องมือสำหรับการศึกษาอย่างลึกซึ้ง ทำให้ทุกคนสามารถเข้าถึงอัลกุรอานได้

ในฐานะซอดาเกาะฮ์ ญาริยาห์ Quran.com มุ่งมั่นที่จะช่วยให้ผู้คนเชื่อมโยงกับอัลกุรอานอย่างลึกซึ้ง Quran.com ได้รับการสนับสนุนจาก Quran.Foundation ซึ่งเป็นองค์กรไม่แสวงหาผลกำไร 501(c)(3) และยังคงเติบโตอย่างต่อเนื่องในฐานะแหล่งข้อมูลฟรีที่มีคุณค่าสำหรับทุกคน อัลฮัมดุลิลลาฮ์

นำทาง
หน้าหลัก
วิทยุอัลกุรอาน
ผู้อ่าน
เกี่ยวกับเรา
นักพัฒนา
อัพเดทผลิตภัณฑ์
แนะนำติชม
ช่วยเหลือ
โครงการของเรา
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
โครงการไม่แสวงหากำไรที่เป็นเจ้าของ บริหารจัดการ หรือได้รับการสนับสนุนโดย Quran.Foundation
ลิงค์ยอดนิยม

อายะห์กุรซี

ยาซีน

อัลมุลก์

อัรเราะห์มาน

อัลวากิอะฮ์

อัลกะห์ฟ

อัลมุซซัมมิล

แผนผังเว็บไซต์ความเป็นส่วนตัวข้อกำหนดและเงื่อนไข
© 2026 Quran.com. สงวนลิขสิทธิ์