ลงชื่อเข้าใช้
🚀 เข้าร่วมกิจกรรมท้าทายเดือนรอมฎอนของเรา!
เรียนรู้เพิ่มเติม
🚀 เข้าร่วมกิจกรรมท้าทายเดือนรอมฎอนของเรา!
เรียนรู้เพิ่มเติม
ลงชื่อเข้าใช้
ลงชื่อเข้าใช้
34:19
فقالوا ربنا باعد بين اسفارنا وظلموا انفسهم فجعلناهم احاديث ومزقناهم كل ممزق ان في ذالك لايات لكل صبار شكور ١٩
فَقَالُوا۟ رَبَّنَا بَـٰعِدْ بَيْنَ أَسْفَارِنَا وَظَلَمُوٓا۟ أَنفُسَهُمْ فَجَعَلْنَـٰهُمْ أَحَادِيثَ وَمَزَّقْنَـٰهُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ ۚ إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَـَٔايَـٰتٍۢ لِّكُلِّ صَبَّارٍۢ شَكُورٍۢ ١٩
فَقَالُواْ
رَبَّنَا
بَٰعِدۡ
بَيۡنَ
أَسۡفَارِنَا
وَظَلَمُوٓاْ
أَنفُسَهُمۡ
فَجَعَلۡنَٰهُمۡ
أَحَادِيثَ
وَمَزَّقۡنَٰهُمۡ
كُلَّ
مُمَزَّقٍۚ
إِنَّ
فِي
ذَٰلِكَ
لَأٓيَٰتٖ
لِّكُلِّ
صَبَّارٖ
شَكُورٖ
١٩
[19] และพวกเขาได้พูดว่า “ข้าแต่พระเจ้าของเรา!ขอพระองค์ได้ทรงทำให้การเดินทางของเรายืดยาวขึ้น” และพวกเขาได้อธรรมต่อตัวพวกเขาเอง ดังนั้นเราจึงได้ทำให้พวกเขาเป็นเรื่องเล่าขานติดต่อกันมา และเราได้ทำให้พวกเขาแตกสลายกระจัดกกระจายกันออกไป แท้จริงในการนี้ย่อมเป็นสัญญาณอันมากหลายอย่างแน่นอนแก่ทุกคนผู้อดทน ผู้กตัญญู
ตัฟซีร
บทเรียน
ภาพสะท้อน
คำตอบ
กิรอต
คุณกำลังอ่านตัฟซีร สำหรับกลุ่มอายะห์ที่ 34:18 ถึง 34:19

১৮-১৯ নং আয়াতের তাফসীর: এগুলো ছাড়াও তাদেরকে আল্লাহ তা'আলা আরো যেসব নিয়ামত দান। করেছিলেন সেগুলোর বর্ণনা দেয়া হচ্ছে। তারা কাছাকাছি বসবাস করতো। কোন মুসাফিরকে বিদেশে যাবার জন্যে রসদ-পত্র, পানি ইত্যাদি সাথে নেয়ার কোন প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক মঞ্জিলে পাকা, তাজা, মিষ্ট ফল, ভাল পানি মজুদ থাকতো। প্রত্যেক রাত্রে তারা যে কোন গ্রামে আরামের সাথে ও নিরাপদে আসা যাওয়া করতো। কথিত আছে যে, গ্রামগুলো সানআ’র নিকট অবস্থিত ছিল।(আরবী) শব্দটিরও দ্বিতীয় পঠন (আরবী) রয়েছে। এ রকম আরাম ও শান্তি পেয়ে তারা ফুলে উঠেছিল। যেমনভাবে বানী ইসরাঈলরা মান্নাও সালওয়ার পরিবর্তে পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি দাবী করেছিল, ঠিক তেমনিভাবে তারাও দূরবর্তী সফরের দাবী জানালো, যেন তাদের সফরের মাঝে জঙ্গল পড়ে, অনাবাদ প্রান্তর পড়ে এবং রসদ-পত্র সাথে নেয়ার মজাও উপভোগ করতে পারে। হযরত মূসা (আঃ)-এর কওমের ঐ দাবীর কারণে তাদের উপর অপমান, লাঞ্ছনা ও দারিদ্র নেমে এসেছিল। ঠিক তেমনি তাদের উপরেও স্বচ্ছলতার পরে অস্বচ্ছলতা ও ধ্বংস নেমে এসেছিল। তাদের উপর নেমে আসে ক্ষুধা ও ভীতি। শান্তি ও নিরাপত্তা তাদের বিনষ্ট হয়। কুফরী করে তারা নিজেদেরই সর্বনাশ ডেকে আনে। তারা কাহিনীর বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়। তারা একেবারে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। এমন কি যে জাতি উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করেছিল সেই জাতি অধঃপতনের অতল তলে নেমে গেল। ইকরামা (রাঃ) তাদের কাহিনী এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, তাদের মধ্যে একজন যাদুকর ও একজন যাদুকরণী ছিল। জুিনেরা তাদের কাছে এদিক-ওদিক থেকে কিছু খবর সংগ্রহ করে আনতো। তাদের যাদুকর কোথা হতে এ খবর সগ্রহ করলো যে, এই লোকালয় ধ্বংসের নিকটবর্তী হয়ে গেছে এবং এখানকার লোকেরা ধ্বংস হয়ে যাবে! ঐ যাদুকর ছিল খুবই ধনী। সে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক ছিল। সে চিন্তা করতে লাগলো যে, এখন তার কি করা দরকার? শেষ পর্যন্ত একটি কথা তার মনে উদয় হয়ে গেল। তার শ্বশুরালয়ে বহু লোক ছিল, যারা ছিল খুবই সাহসী। তাছাড়া তাদেরও ধন-সম্পদের প্রাচুর্য ছিল। সে তার ছেলেকে ডেকে বললোঃ “দেখো, আগামীকাল বহু লোক আমার কাছে এসে কত্রিত হবে। আমি যখন তোমাকে কোন কথা বলবো তখন তুমি তা অস্বীকার করবে। যখন আমি তোমাকে গাল-মন্দ দিবো তখন তুমি মুখের উপর আমাকে জবাব দিবে। আমি উঠে গিয়ে তোমাকে চড় মেরে দিবো। তখন তুমিও প্রতিশোধ হিসেবে আমাকে চড় মারবে।” ছেলেটি তার পিতার এ কথা শুনে বললাঃ “আব্বা! এ কাজ কি করে আমার দ্বারা সম্ভব হতে পারে?" যাদুকর। তখন ছেলেকে বললোঃ “তুমি বুঝতে পারনি। এমন একটি ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে যে, তোমাকে আমার এ আদেশ মেনে নেয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।” ছেলে তখন বাধ্য হয়ে সম্মত হয়ে গেল। পরের দিন যখন লোকেরা তার কাছে এসে একত্রিত হলো তখন সে তার ঐ ছেলেকে কোন কাজের আদেশ করলো। সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটি তার পিতার এ আদেশ মান্য করতে অস্বীকার করলো। সুতরাং সে তাকে খুবই গালাগালি করলো। ছেলেও তখন পিতাকে পাল্টা গালি দিলো। এতে সে ভীষণ রেগে গিয়ে ছেলেকে এক চড় মেরে দিলো। ছেলেও পাল্টা চড় মারলো। সে তখন আরো ক্রুদ্ধ হয়ে গেল এবং বললোঃ “ছুরি নিয়ে এসো, আমি একে কেটে ফেলবো।” লোকেরা এতে কঠিন ভয় পেলো এবং তাকে এ কাজ হতে বিরত থাকার জন্যে খুবই বুঝাতে লাগলো। কিন্তু সে বলতেই থাকলোঃ “আমি একে হত্যা করে ফেলবো।” লোকগুলো তখন দৌড়ে পালিয়ে গেল এবং ছেলেটির নানা-নানীর বাড়ীতে এ খবর পাঠিয়ে দিলো। খবর পেয়েই সেখান হতে লোক ছুটে আসলো। তারা প্রথমে তাকে অনুরোধ করে বুঝাতে চেষ্টা করলো। কিন্তু তাদের চেষ্টা ব্যর্থ হলো। সে কিছুতেই মানলো না। তারা তাকে বললোঃ “আপনি তাকে অন্য কোন শাস্তি দেন। তার পরিবর্তে আমাদেরকেই যা। ইচ্ছা শাস্তি প্রদান করুন!” কিন্তু তখনো সে বললোঃ “আমি তাকে মাটিতে শয়ন করিয়ে দিয়ে যথানিয়মে স্বহস্তে যবেহ করবো।" তার একথা শুনে ছেলেটির নানার লোকেরা বললোঃ “আপনাকে এ কাজ করতে দেয়া হবে না। তার পূর্বেই আমরা আপনাকে হত্যা করে ফেলবো।" যাদুকর তখন বললোঃ “অবস্থা যখন এতো দূরই গড়িয়ে গেল তখন আমি আর এ শহরে থাকবো না। যে শহরে আমার নিজস্ব ও ব্যক্তিগত ব্যাপারে অন্য লোকেরা নাক গলাবে সে শহরে আমার থাকা চলবে না। আমার ঘর-বাড়ী, জায়গা-জমি সবই তোমরা কিনে নাও। আমি অন্য কোথাও চলে যাই।” এভাবে সে তার সব কিছু বিক্রি করে দিলো এবং মূল্য নগদ আদায় করলো। যখন এদিক থেকে সে মানসিক প্রশান্তি লাভ করলো তখন সে তার কওমের লোকদেরকে বললোঃ “তোমাদের উপর আল্লাহর আযাব আসছে। তোমাদের পতনের সময় নিকটবর্তী হয়ে গেছে। এখন তোমাদের মধ্যে যারা কষ্ট ও পরিশ্রম করে দীর্ঘ সফর করতঃ নতুন ঘর বাধতে ইচ্ছুক তারা যেন আম্মান চলে যায়। যারা পানাহারের প্রতি বেশী আকৃষ্ট তাদের বসরা চলে যাওয়া উচিত। আর যারা স্বাধীনভাবে মিষ্টি খেজুর খেতে ইচ্ছুক তারা যেন মদীনায় চলে যায়। তার কওম তার কথা বিশ্বাস করতো। তাই যার যেদিকে মন চাইলো সে সেই দিকে পালিয়ে গেল। কেউ গেল আম্মানের দিকে, কেউ গেল বসরার দিকে এবং কেউ গেল মদীনার দিকে। মদীনার দিকে তিনটি গোত্র গিয়েছিল। গোত্র তিনটি হলো আউস, খাযরাজ ও বানু উসমান। যখন তারা বাতনে মার’ নামক স্থানে পৌঁছলো তখন বললোঃ “এটা খুবই পছন্দনীয় জায়গা, আমরা আর সামনে বাড়বো না।” সুতরাং তারা সেখানেই বসবাস করতে শুরু করলো। আর এ কারণেই তাদেরকে খুযাআহ বলা হয়। কেননা, তারা তাদের সাথীদের পিছনে পড়ে গিয়েছিল। আউস ও খাযরাজ গোত্রদ্বয় সরাসরি মদীনায় পৌঁছে যায় এবং সেখানে বসতি স্থাপন করে। (এটা খুবই বিস্ময়কর ‘আসার’। এতে যে যাদুকরের কথা বর্ণিত হয়েছে তার নাম ছিল আমর ইবনে আমির। সে ছিল ইয়ামনের সরদার এবং সাবার একজন প্রভাবশালী লোক। সে ছিল তাদের যাদুকর)সীরাতে ইবনে ইসহাকে রয়েছে যে, এই যাদুকরই সর্বপ্রথম ইয়ামন হতে বের হয়েছিল। কেননা, সেই সাদ্দে মা'রিবকে দেখেছিল যে, ইঁদুরগুলো ওকে ফাঁপা করে দিচ্ছে। তখনই সে বুঝতে পেরেছিল যে, ইয়ামনের আর রক্ষা নেই। সে ভেবে নিয়েছিল যে, এই উঁচু উঁচু দেয়াল, ঘরবাড়ী ইত্যাদি সবই বন্যার অতল তলে তলিয়ে যাবে। তাই সে তার সর্বকনিষ্ঠ ছেলেকে এই মকর শিখিয়েছিল। যার বর্ণনা উপরে উল্লিখিত হলো। ঐ সময় সে রেগে গিয়ে বলেছিলঃ “এমন শহরে আমি থাকতে চাইনে। আমি আমার বাড়ী-ঘর, জায়গা-জমি ইত্যাদি এখনই বিক্রি করে দিবো।” জনগণ আমরের এই ক্রোধকে গানীমাত মনে করলো এবং এর সুযোগ তারা গ্রহণ করলো। সুতরাং ঐ যাদুকর কম বেশী মূল্য নিয়ে সবকিছুই বিক্রি করে ফেললো এবং সেখান থেকে বিদায় গ্রহণ করলো। আসাদ গোত্রটিও তার সঙ্গ নিলো। পথে আককা. গোত্রের লোকেরা তাদের সাথে যুদ্ধ করলো। যুদ্ধ চলতেই থাকলো, যার বর্ণনা আব্বাস ইবনে মারদাস সালমী (রাঃ)-এর কবিতাতেও রয়েছে। অতঃপর সেখান হতে রওয়ানা হয়ে তারা বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যায়। আ’লে জাফনা ইবনে আমর ইবনে আমির সিরিয়ায় গমন করলো, আউস ও খাযরাজ গেল মদীনায়, খুযাআ গেল মুরুরায়, ইযদুস সুরাত অবতরণ করলো সুরাতে এবং ইযদ আম্মান গেল আম্মানে। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বন্যা পাঠিয়ে দিলেন এবং মারিবের বাঁধটি ভেঙ্গে গেল। এ ব্যাপারেই মহামহিমান্বিত আল্লাহ এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ করেন।সুদ্দী (রঃ) এই কাহিনীতে বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে আমির যাদুকর মকর শিখিয়েছিল তার ভ্রাতুস্পুত্রকে, পুত্রকে নয়। আহলুল ইলম বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে আমিরের আরীফা নামী স্ত্রী তার যাদু বলে এ ব্যাপার জানতে পেরে সব লোককে আহ্বান করেছিল। অন্য রিওয়াইয়াতে আছে যে, আম্মানে গাসসানী ও ইযদ এ দু’টি গোত্রকেও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল। সেখানে মিষ্ট ও ঠাণ্ডা পানি, শস্য ভরা ক্ষেত্র এবং ফলভরা গাছ থাকা সত্ত্বেও বাধভাঙ্গা বন্যার কারণে এই অবস্থা হয়েছিল যে, তারা এক মুঠো ভাত এবং এক ফোঁটা পানির জন্যে অস্থির হয়ে পড়েছিল। তাদের এই পাকড়াও ও শাস্তি এবং অভাব অনটনের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নিদর্শন রয়েছে। তারা এর থেকে যথেষ্ট শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। আল্লাহর অবাধ্যতার কারণে তাঁর আযাব তাদেরকে কতই না শক্তভাবে ঘিরে নিয়েছিল। তারা সুখ-শান্তির পরিবর্তে দুঃখ-কষ্ট ডেকে এনেছিল। বিপদ-আপদে ধৈর্যধারণকারী এবং নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারীরা এতে দালায়েলে কুদরত লাভ করবে।রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেনঃ “আল্লাহ্ তা'আলা মুমিনদের জন্যে বিস্ময়কর ফায়সালা করেছেন যে, যদি তারা আরাম ও শান্তি লাভ করে ও তাতে কৃতজ্ঞতা, প্রকাশ করে তবে পুরস্কার পাবে এবং যদি বিপদ-আপদে পতিত হয় ও তাতে ধৈর্যধারণ করে তাহলেও পুরস্কার লাভ করবে। মোটকথা, প্রত্যেক ক্ষেত্রেই মুমিনকে সাওয়াব প্রদান করা হয়, এমন কি খাদ্যের যে গ্রাস সে তার স্ত্রীর মুখে উঠিয়ে দেয় তাতেও সে পুণ্য প্রাপ্ত হয়।” (এ হাদীসটি মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে)হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেনঃ “মুমিনের জন্যে বিস্ময় যে, আল্লাহ্ তার জন্যে যে ফায়সালাই করেন তা তার জন্যে কল্যাণকরই হয়ে থাকে। সে যদি শান্তি ও আরাম লাভ করে এবং শুকরিয়া আদায় করে তবে তা হয় তার জন্যে মঙ্গলজনক। আর যদি তার উপর কোন বিপদ-আপদ আসে এবং তাতে সে ধৈর্যধারণ করে তবে সেটাও হয় তার জন্যে কল্যাণকর। কিন্তু এটা শুধু মুমিনের জন্যেই।” (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)হযরত মুতরাফ (রঃ) বলেন যে, ধৈর্যধারণকারী ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী কতই না উত্তম! যখন সে কোন নিয়ামত লাভ করে তখন কৃতজ্ঞ হয় এবং যখন বিপদে পড়ে তখন ধৈর্যশীল হয়।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
อ่าน ฟัง ค้นหา และไตร่ตรองคัมภีร์อัลกุรอาน

Quran.com คือแพลตฟอร์มที่ผู้คนหลายล้านคนทั่วโลกไว้วางใจให้ใช้เพื่ออ่าน ค้นหา ฟัง และใคร่ครวญอัลกุรอานในหลากหลายภาษา Quran.com มีทั้งคำแปล ตัฟซีร บทอ่าน คำแปลทีละคำ และเครื่องมือสำหรับการศึกษาอย่างลึกซึ้ง ทำให้ทุกคนสามารถเข้าถึงอัลกุรอานได้

ในฐานะซอดาเกาะฮ์ ญาริยาห์ Quran.com มุ่งมั่นที่จะช่วยให้ผู้คนเชื่อมโยงกับอัลกุรอานอย่างลึกซึ้ง Quran.com ได้รับการสนับสนุนจาก Quran.Foundation ซึ่งเป็นองค์กรไม่แสวงหาผลกำไร 501(c)(3) และยังคงเติบโตอย่างต่อเนื่องในฐานะแหล่งข้อมูลฟรีที่มีคุณค่าสำหรับทุกคน อัลฮัมดุลิลลาฮ์

นำทาง
หน้าหลัก
วิทยุอัลกุรอาน
ผู้อ่าน
เกี่ยวกับเรา
นักพัฒนา
อัพเดทผลิตภัณฑ์
แนะนำติชม
ช่วยเหลือ
โครงการของเรา
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
โครงการไม่แสวงหากำไรที่เป็นเจ้าของ บริหารจัดการ หรือได้รับการสนับสนุนโดย Quran.Foundation
ลิงค์ยอดนิยม

อายะห์กุรซี

ยาซีน

อัลมุลก์

อัรเราะห์มาน

อัลวากิอะฮ์

อัลกะห์ฟ

อัลมุซซัมมิล

แผนผังเว็บไซต์ความเป็นส่วนตัวข้อกำหนดและเงื่อนไข
© 2026 Quran.com. สงวนลิขสิทธิ์