Giriş yap
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
Giriş yap
Giriş yap
12:3
نحن نقص عليك احسن القصص بما اوحينا اليك هاذا القران وان كنت من قبله لمن الغافلين ٣
نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ أَحْسَنَ ٱلْقَصَصِ بِمَآ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ هَـٰذَا ٱلْقُرْءَانَ وَإِن كُنتَ مِن قَبْلِهِۦ لَمِنَ ٱلْغَـٰفِلِينَ ٣
نَحۡنُ
نَقُصُّ
عَلَيۡكَ
أَحۡسَنَ
ٱلۡقَصَصِ
بِمَآ
أَوۡحَيۡنَآ
إِلَيۡكَ
هَٰذَا
ٱلۡقُرۡءَانَ
وَإِن
كُنتَ
مِن
قَبۡلِهِۦ
لَمِنَ
ٱلۡغَٰفِلِينَ
٣
Biz bu Kuran'ı vahyederek, sana en güzel kıssaları anlatıyoruz.. Oysa daha önce sen bunlardan habersizdin.
Tefsirler
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
12:1 ile 12:3 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

এই সূরার ফযীলতের ব্যাপারে হযরত উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা তোমাদের অধীনস্থ লোকদেরকে সূরায়ে ইউসুফ শিক্ষা দাও। কেননা, যে মুসলমান এটাকে পাঠ করবে বা নিজের পরিবারের লোকদেরকে এটা শিখাবে অথবা অধীনস্থ লোকদেরকে শিক্ষা দেবে, আল্লাহ তাআ’লা তার মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ করবেন; আর তাকে এই শক্তি দান করবেন যে, সে কোন মুসলমানদের প্রতি হিংসা পোষণ করবে না।” কিন্তু এই হাদীসের সনদ খুবই দুর্বল। এর একজন অনুগামী হচ্ছেন ইবনু আসাকির। কিন্তু তারও সমস্ত সনদ অগ্রাহ্য ও পরিত্যাজ্য। ইমাম বায়হাকীর (রঃ) ‘দালাইলুন নুবুওয়াহ্' নামক গ্রন্থে রয়েছে যে, ইয়াহুদীদের একটি দল যখন রাসূলুল্লাহকে (সঃ) এই সূরাটি পাঠ করতে শুনে তখন তারা মুসলমান হয়ে যায়। কেননা, তাদের কাছে যে ধর্মগ্রন্থ রয়েছে তাতেও এই ঘটনাটি ঠিক এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। এই রিওয়াইয়াতটি কালবী (রঃ), আবু সা’লিহ (রঃ) হতে এবং তিনি হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। ১-৩ নং আয়াতের (আরবি) এর আলোচনা সূরায়ে বাকারায় হয়ে গেছে। এই কিতাব অর্থাৎ কুরআন কারীমের আয়াতগুলি সুস্পষ্ট। এগুলি অস্পষ্ট জিনিষের হাকীকত বা মূল তত্ব খুলে দিয়েছে। এখানে (আরবি) (ওটা) (আরবি) শব্দটি (এটা) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। যেহেতু আরবী ভাষা অত্যন্ত ব্যাপক অর্থবোধক ও পরিপূর্ণ ভাষা, সেইহেতু এই শ্রেষ্ঠ ভাষায় শ্রেষ্ঠতম রাসূলের (সঃ) উপর ফেরেশতাকুল শিরোমণির দৌত্যকার্যের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সর্বোত্তম স্থানে এবং বছরের সর্বোত্তম মাসে অর্থাৎ রমযান মাসে অবতীর্ণ হয়ে সর্বদিক দিয়ে পূর্ণতায় পৌঁছে যায়, যাতে আরববাসী একে ভালভাবে জানতে ও বুঝতে পারে।আল্লাহ পাক স্বীয় রাসূলকে (সাঃ) বলেনঃ ‘ওয়াহীর মাধ্যমে আমি তোমার কাছে এই কুরআন কারীম প্রেরণ করে উত্তম কাহিনী বর্ণনা করি।’ এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ সম্পর্কে হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, সাহাবীগণ আরয করলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! যদি আমাদের কাছে কোন ঘটনা বা কাহিনী বর্ণনা করতেন (তবে খুবই ভাল হতো)!” তখন এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। (হাদীসটি ইমাম ইমনু জারীর (রঃ) বর্ণনা করেছেন) অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, কিছু কাল ধরে কুরআন কারীম অবতীর্ণ হতে থাকে। রাসূলুল্লাহ (সঃ) সাহাবীদের সামনে আয়াতসমূহ পাঠ করতেন। তাঁরা বললেনঃ “যদি আমাদের সামনে কোন ঘটনার বর্ণনা দিতেন!” তখন মহা মহিমান্বিত আল্লাহ (আরবি) এই অংশ অবতীর্ণ করেন। এটা (আরবি) পর্যন্ত অবতীর্ণ হয়। এরপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁদের সামনে আয়াতসমূহ বরাবর পাঠ করতে থাকেন। কিছুকাল পর তাঁরা আবার আর করেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ) যদি আপনি আমাদের সামনে কোন ইতিহাস বা কাহিনী বর্ণনা করতেন!” তখন মহা মহিমান্বিত আল্লাহ (আরবি) এই আয়াতটি অবতীর্ণ করেন। (৩৯: ২৩) বাক্য রীতির একই ঠাট বা আকৃতি দেখে সাহাবীগণ বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! হাদীস বা কথার উপরে এবং কুরআনের নীচের কোন কিছু অর্থাৎ কোন ঘটনা যদি বর্ণনা করা হতো!” তখন মহা মহিমান্বিত আল্লাহ তাআ’লা অবতীর্ণ করেনঃ (আরবি) এই আয়াতগুলি। সুতরাং তাঁরা উত্তম কাহিনীর ইচ্ছা করলে উত্তম কাহিনী এবং উত্তম কথা বা হাদীসের ইচ্ছা করলে উত্তম হাদীস বা কথা অবতীর্ণ হয়। এই জায়গায়, যেখানে কুরআন কারীমের প্রশংসা হচ্ছে এবং এটা বর্ণনা করা হচ্ছে যে, কুরআন অন্য সব ধর্মীয় কিতাব থেকে মানুষকে অমুখাপেক্ষী অর্থাৎ কুরআন কারীম বিদ্যমান থাকতে মুসলমানরা অন্য কোন ধর্মীয় গ্রন্থের মুখাপেক্ষী নয়, তখন নিম্নের হাদীসটিও আমরা বর্ণনা করা সমীচীন মনে করছি। হযরত জাবির ইবনু আবদিল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) নবীর (সঃ) নিকট এমন একটি কিতাব নিয়ে আগমন করেন, যা তিনি কোন এক আহলে কিতাবের নিকট থেকে প্রাপ্ত হয়েছিলেন। অতঃপর তিনি তাঁর কাছে তা পাঠ করতে শুরু করেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, এতে তিনি রাগান্বিত হন এবং বলেনঃ “হে খাত্তাবের ছেলে! তুমি কি এতে মগ্ন হয়ে পথভ্রষ্ট হতে চাও? যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! আমি এটাকে (কুরআনকে) অত্যন্ত উজ্জ্বল ও চমকিতরূপে তোমাদের নিকট আনয়ন করেছি। তোমরা এই আহলে কিতাবদেরকে কোন কথা জিজ্ঞেস করো না। হতে পারে যে, তারা তোমাদেরকে কোন সঠিক ও সত্য খবর দেবে, আর তোমরা ওটাকে মিথ্যা মনে করবে এবং কোন মিথ্যা সংবাদ দেবে, আর তোমরা ওটাকে সত্য মনে করবে। জেনে রেখোঁরেখো যে, আজ যদি স্বয়ং হযরত মূসা (আঃ) জীবিত থাকতেন তবে তাঁরও আমার অনুসরণ ছাড়া কোন উপায় থাকতো না।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমদ (রঃ) স্বীয় মুসনাদ বর্ণনা করেছেন) হযরত আবদুল্লাহ ইবনু সা’বিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে আগমন করে বলেনঃ “হে আল্লাহর রাসুল (সঃ)! আমি বানু কুরাইযা গোত্রের আমার এক বন্ধুর পার্শ্ব দিয়ে গমন করেছিলাম। সে আমাকে তাওরাত হতে কতকগুলি ব্যাপক কথা লিখে দিয়েছে। আমি তা আপনাকে শুনাবো কি? বর্ণনাকারী বলেন যে, (একথা শুনে) রাসূলুল্লাহর (সঃ) চেহারা পরিবর্তন হয়ে যায়। আবদুল্লাহ ইবনু সা’বিত (রাঃ) বলেনঃ আমি তাঁকে বললামঃ আপনি কি রাসূলুল্লাহর (সঃ) চেহারা দেখতে পান না? তখন হযরত উমার (রাঃ) বলেনঃ “আমি আল্লাহকে প্রতিপালকরূপে পেয়ে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে লাভ করে এবং মুহাম্মদকে (সঃ) রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি।” তাঁর একথা শুনে রাসূলুল্লাহর (সঃ) ক্রোধ দূরীভূত হলো এবং তিনি বললেনঃ “যে পবিত্র সত্ত্বার হাতে মুহাম্মদের (সঃ) প্রাণ রয়েছে, তাঁর শপথ! যদি তোমাদের মধ্যে স্বয়ং হযরত মূসা (আঃ) থাকতেন এবং তোমরা আমাকে ছেড়ে তাঁর অনুসরণ করতে তবে তোমরা পথ ভ্রষ্ট হয়ে যেতে। উম্মতদের মধ্যে আমার অংশ হচ্ছ তোমরা এবং নবীদের মধ্যে তোমাদের অংশ হচ্ছি আমি।” (এ হাদীসটি মুসনাদে আহমদে হযরত আবদুল্লাহ ইবনু সা’বিত (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে) হযরত খা’লিদ ইবনু আরফাতা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমি (একদা) হযরত উমারের (রাঃ) কাছে বসে ছিলাম এমন সময় সূসের অধিবাসী আবদুল কায়েস গোত্রের একটি লোক হযরত উমারের (রাঃ) নিকট আগমন করে। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ “তুমি কি অমুকের পুত্র অমুক?” সে উত্তরে বলেঃ “হ্যাঁ।” তিনি পুনরায় প্রশ্ন করেনঃ “তুমি কি সূসে অবস্থান করছো?” সে জবাব দেয়ঃ “হ্যাঁ।” তখন তিনি তাঁর হাতের ছড়িটি দিয়ে তাকে প্রহার করেন। সে বলেঃ “হে আমীরুল মু'মিনীন! আমার অপরাধ কি?” উত্তরে তিনি বলেনঃ “বসো, বলছি।” অতঃপর তিনি ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ পড়ে এই সুরারই এই আয়াতগুলি (আরবি) পর্যন্ত পড়েন। তিনবার তিনি এই আয়াতগুলি পাঠ করেন এবং প্রতিবারই তাকে প্রহার করেন। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করেঃ “হে আমীরুল মু'মিনীন! আমার অপরাধ কি?” তিনি জবাবে বলেনঃ “তুমি ‘দানইয়াল’ এর কিতাব লিপিবদ্ধ করেছো।” সে তখন বলেঃ “আপনি আমাকে (যা ইচ্ছা) আদেশ করুন, আমি তা পালন করবো।” তিনি বললেনঃ “যাও, গরম পানি ও সাদা পশম দিয়ে ওগুলি উঠিয়ে ফেলল। সাবধান! আজকের পরে তুমি নিজেও তা পড়বে না এবং অন্যকেও পড়াবে না। এরপর যদি আমার কাছে খবর পৌঁছে যে, তুমি এটা পড়েছে বা কাউকে পড়িয়েছো তবে আমি তোমাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করবো।” অতঃপর তিনি তাকে বললেনঃ “বসো”। সে তখন তাঁর সামনে বসে পড়লো। তিনি বলতে লাগলেনঃ “আমি (একবার) আহলে কিতাবের নিকট গিয়ে তাদের এক কিতাব লিখে লই ওটাকে চামড়ায় জড়িয়ে রাসূলুল্লাহর (সঃ) নিকট গমন করি। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করেনঃ “হে উমার (রাঃ) তোমার হাতে ওটা কি?” উত্তরে আমি বলিঃ ‘এটা একটা কিতাব, যা আমি লিখেছি, যেন আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। আমার এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সঃ) রাগান্বিত হন এবং তার চেহারা মুবারক লাল হয়ে যায়। তারপর (আরবি) (নামায একত্রিতকারী) এ কথা বলে ঘোষনা দেয়া হয় তৎক্ষণাৎ আনসারের দল অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে আসেন এবং পরস্পর বলাবলি করেনঃ “নবীকে (সঃ) কেউ রাগিয়েছে।” অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সঃ) মিম্বরের চতুম্পার্শ্বে তাঁরা অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বসে পড়েন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন বলেনঃ “হে জনমণ্ডলী! আমাকে সমুদয় কালাম ও ওর সমাপ্তি প্রদান করা হয়েছে। আবার এগুলোকে আমার জন্যে খুবই সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। আমি আল্লাহর দ্বীনের কথাগুলি অত্যন্ত সাদা, উজ্জ্বল। ও চমকিতরূপে আনয়ন করেছি। সাবধান! তোমরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়োনা। গভীরে অবতরণকারী কেউ যেন তোমাদেরকে পথভ্রষ্ঠ না করে।” (হযরত উমার (রাঃ) বলেনঃ) আমি তখন উঠে পড়লাম এবং বললামঃ আমি আল্লাহকে প্রতিপালক রূপে পেয়ে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে লাভ করে এবং মুহাম্মদকে (সঃ) রাসূল হিসেবে প্রাপ্ত হয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি। এরপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) মিম্বর হতে অবতরণ করেন। (এ হাদীসটি হাফিয আবু ইয়ালা আল-মূসিলী (রঃ) বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনু আবি হা’তিম (রঃ) তার তাফসীরে বর্ণনা করেছেন যে, এই হাদীসের আবদুর রহমান ইবনু ইসহাক নামক একজন বর্ণনাকারীকে মুহাদ্দিসগণ দুর্বল বলেছেন। ইমাম বুখারী (রঃ) তাঁর হাদীসকে সঠিক বলেন না)হযরত জুবাইর ইবনু নুকাইর (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত উমারের (রাঃ) যুগে দু’জন লোক হিমসে অবস্থান করতো। হযরত উমার (রাঃ) তাদেরকে ডেকে পাঠান। তারা ইয়াহুদীদের নিকট থেকে কতকগুলি কথা লিখে নিয়েছিল। তারা ওগুলিকেও সঙ্গে এনেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল এই যে, এ ব্যাপারে তারা হযরত উমারকে (রাঃ) জিজ্ঞাসাবাদ করবে। যদি তিনি অনুমতি দেন তবে নিজেদের পক্ষ থেকে তারা অনুরূপ কথা আরও বাড়িয়ে দেবে, নচেৎ ওগুলিকেও নিক্ষেপ করবে। হযরত উমারের (রাঃ) কাছে এসে তারা তাকে জিজ্ঞেস করেঃ “হে আমীরুল মু'মিনীন! ইয়াহুদীদের নিকট থেকে আমরা এমন কতকগুলি কথা শুনতে পাই যে গুলি শুনে আমাদের দেহের লোম খাড়া হয়ে যায়। আমরা কি ওগুলি তাদের নিকট থেকে গ্রহণ করবো, না সবই পরিত্যাগ করবো?” হযরত উমার (রাঃ) বলেনঃ “সম্ভবতঃ তোমরা তাদের কিছু কথা লিখে রেখেছো? তাহলে শুননা! এ ব্যাপারে আমি তোমাদেরকে একটা ঘটনা বলছি। আল্লাহর রাসূলের (সঃ) যুগে আমি একবার খায়বারে গমন করে তথাকার একজন ইয়াহুদীর কথা আমার খুবই পছন্দ হয়। আমি তার কাছে আবেদন জানালে সে আমাকে তা লিখে দেয়। আমি ফিরে এসে রাসূলুল্লাহর (সঃ) কাছে তা বর্ণনা করি। তিনি আমাকে বলেনঃ “যাও, নিয়ে এসো।” আমি খুব খুশী হয়ে চললাম যে, আমার এ কাজটি হয় তো আল্লাহর রাসূলের (সঃ) কাছে বেশ পছন্দনীয় হয়েছে। সুতরাং আমি তাঁর কাছে তা নিয়ে এসে পাঠ করতে শুরু করে দিলাম। অল্পক্ষণ পরেই আমি তাঁর দিকে নযর করেই দেখি যে, তিনি অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তখন আর আমার মুখ দিয়ে একটি শব্দও বের হলো না এবং ভয়ে আমার গায়ের লোমগুলি খাড়া হয়ে গেল। আমার এ অবস্থা দেখে তিনি ওটা উঠিয়ে নিলেন এবং অক্ষর গুলি মিটিয়ে দিতে শুরু করলেন। আর মুখে তিনি বলতে লাগলেনঃ “তোমরা এদের অনুসরণ করো না। এরা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হয়েছে এবং তোমাদেরকেও পথভ্রষ্ট করবে। একথা বলতে বলতে এক এক করে সমস্ত অক্ষর তিনি মুছে ফেললেন। (অতঃপর হযরত উমার (রাঃ) তাদের দু’জনকে বললেনঃ) তোমরা দু’জন যদি তাদের থেকে কিছু লিখে নিয়ে থাকতে তবে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতাম।” তারা তখন বললো: “আল্লাহর শপথ! আমরা কখনো একটি অক্ষরও লিখবো না।” সুতরাং বাইরে এসেই তারা জঙ্গলের দিকে চললো এবং একটি গর্ত খুঁড়ে লিখার ফলকটি মাটির মধ্যে পুঁতে ফেললো। (এ হাদীসটি হাফিয আবু বকর আহমদ ইবনু ইবরাহীম আল-ইসমাঈলী (রঃ) বর্ণনা করেছেন। মারাসীলে আবি দাউদের মধ্যেও হযরত উমার (রাঃ) হতে এরূপই রিওয়াইয়াত রয়েছে। এ সব ব্যাপারে আল্লাহ তাআ’লাই সর্বাধিক জ্ঞাত)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Kuran'ı Oku, Dinle, Araştır ve Üzerinde Düşün

Quran.com, dünya çapında milyonlarca kişinin Kur'an'ı birden fazla dilde okumak, aramak, dinlemek ve üzerinde düşünmek için kullandığı güvenilir bir platformdur. Çeviriler, tefsirler, kıraatler, kelime kelime çeviriler ve derinlemesine inceleme araçları sunarak Kur'an'ı herkes için erişilebilir hale getirir.

Bir Sadaka-i Cariye olarak Quran.com, insanların Kur'an ile derin bir bağ kurmasına yardımcı olmaya kendini adamıştır. 501(c)(3) kar amacı gütmeyen bir kuruluş olan Kur'an Vakfı tarafından desteklenen Quran.com, Elhamdülillah herkes için ücretsiz ve değerli bir kaynak olarak büyümeye devam ediyor.

Keşfedin
Anasayfa
Kuran Radyo
Okuyucular
Hakkımızda
Geliştiriciler
Ürün Güncellemeleri
Geri Bildirim
Yardım
Projelerimiz
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation tarafından sahip olunan, yönetilen veya desteklenen kar amacı gütmeyen projeler
Popüler Bağlantılar

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Site HaritasıGizlilikŞartlar ve koşullar
© 2026 Quran.com. Her hakkı saklıdır