Giriş yap
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
Giriş yap
Giriş yap
28:82
واصبح الذين تمنوا مكانه بالامس يقولون ويكان الله يبسط الرزق لمن يشاء من عباده ويقدر لولا ان من الله علينا لخسف بنا ويكانه لا يفلح الكافرون ٨٢
وَأَصْبَحَ ٱلَّذِينَ تَمَنَّوْا۟ مَكَانَهُۥ بِٱلْأَمْسِ يَقُولُونَ وَيْكَأَنَّ ٱللَّهَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦ وَيَقْدِرُ ۖ لَوْلَآ أَن مَّنَّ ٱللَّهُ عَلَيْنَا لَخَسَفَ بِنَا ۖ وَيْكَأَنَّهُۥ لَا يُفْلِحُ ٱلْكَـٰفِرُونَ ٨٢
وَأَصۡبَحَ
ٱلَّذِينَ
تَمَنَّوۡاْ
مَكَانَهُۥ
بِٱلۡأَمۡسِ
يَقُولُونَ
وَيۡكَأَنَّ
ٱللَّهَ
يَبۡسُطُ
ٱلرِّزۡقَ
لِمَن
يَشَآءُ
مِنۡ
عِبَادِهِۦ
وَيَقۡدِرُۖ
لَوۡلَآ
أَن
مَّنَّ
ٱللَّهُ
عَلَيۡنَا
لَخَسَفَ
بِنَاۖ
وَيۡكَأَنَّهُۥ
لَا
يُفۡلِحُ
ٱلۡكَٰفِرُونَ
٨٢
Daha dün onun yerinde olmayı dileyenler: "Demek Allah kullarından dilediğinin rızkını genişletip bir ölçüye göre veriyor. Eğer Allah bize lütfetmiş olmasaydı, bizi de yerin dibine geçirirdi. Demek ki inkarcılar başarıya eremezler" demeye başladılar.
Tefsirler
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
28:81 ile 28:82 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

৮১-৮২ নং আয়াতের তাফসীরউপরে কারূনের ঔদ্ধত্য ও বেঈমানীর বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এখানে তার পরিণামের বর্ণনা দেয়া হচ্ছে।হযরত সালিম (রাঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “একটি লোক তার লুঙ্গী লটকিয়ে গর্বভরে চলছিল, এমতাবস্থায় তাকে ভূ-গর্ভে প্রোথিত করা হয়। কিয়ামত পর্যন্ত সে প্রোথিত হতেই থাকবে।” (এ হাদীসটি ইমাম বুখারী (রঃ) স্বীয় সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন)হযরত আবু সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমাদের পূর্বে একটি লোক দু’টি সবুজ চাদরে নিজেকে আবৃত করে দম্ভভরে চলছিল, এমতাবস্থায় আল্লাহ তা'আলা যমীনকে নির্দেশ দিলেনঃ তাকে গিলে ফেল।” (এ রিওয়াইয়াতটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হাফিয মুহাম্মাদ ইবনে মুনযির (রঃ) তাঁর কিতাবুল আজায়েবে বর্ণনা করেছেন যে, নওফল ইবনে মাসাহিক (রঃ) বলেন, নাজরানের মসজিদে আমি এক যুবককে দেখতে পাই। আমি তার দিকে চেয়ে থাকি এবং তার দেহের দৈর্ঘ্য, পূর্ণতা এবং সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। সে আমাকে জিজ্ঞেস করেঃ “আপনি আমার দিকে তাকাচ্ছেন কেন?” আমি উত্তরে বলিঃ তোমার সৌন্দর্য ও পূর্ণতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গেছি। সে তখন বলেঃ “স্বয়ং আল্লাহও আমার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছেন। তার মুখের কথা মুখেই আছে, হঠাৎ সে ছোট হতে শুরু করে এবং ছোট ও খাটো হতেই থাকে। শেষ পর্যন্ত সে কনিষ্ঠাঙ্গুলী বরাবর হয়ে যায়। তখন তার একজন আত্মীয় তাকে ধরে তার জামার আস্তীনে ভরে নিয়ে চলে যায়।” এটাও বর্ণিত আছে যে, হযরত মূসা (আঃ)-এর বদ দু'আর কারণেই কারূন ধ্বংস হয়েছিল। তার ধ্বংসের কারণের ব্যাপারে বহু মতভেদ রয়েছে।একটি কারণ এরূপ বর্ণিত আছে যে, অভিশপ্ত কারূন এক ব্যভিচারিণী নারীকে বহু মালধন দিয়ে এই কাজে উত্তেজিত করে যে, যখন মূসা (আঃ) বানী ইসরাঈলের জামাআতে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা'আলার কিতাব পাঠ করতে শুরু করবেন ঠিক ঐ সময়ে যেন সে জনসম্মুখে বলেঃ “হে মূসা (আঃ)! তুমি আমার সাথে এরূপ এরূপ করেছো।” কারূনের এই কথামত ঐ স্ত্রীলোকটি তা-ই করে। অর্থাৎ কারূনের শিখানো কথাই বলে। তার একথা শুনে হযরত মূসা (আঃ) কেঁপে উঠেন এবং তৎক্ষণাৎ দু'রাকআত নামায আদায় করে ঐ স্ত্রীলোকটির দিকে মুখ ঘুরিয়ে বলেনঃ “আমি তোমাকে ঐ আল্লাহর কসম দিচ্ছি যিনি সমুদ্রের মধ্যে রাস্তা করে দিয়েছিলেন, তোমার কওমকে ফিরাউনের অত্যাচার হতে রক্ষা করেছেন এবং আরো বহু অনুগ্রহ করেছেন, সত্য ঘটনা যা কিছু রয়েছে সবই তুমি খুলে বল।” স্ত্রীলোকটি তখন বললো: “হে মূসা (আঃ)! আপনি যখন আমাকে আল্লাহর কসমই দিলেন তখন আমি সত্য কথাই বলছি। কারূন আমাকে বহু টাকা-পয়সা দিয়েছে এই শর্তে যে, আমি যেন বলি আপনি আমার সাথে এরূপ এরূপ কাজ করেছেন। আমি আপনাকে তা-ই বলেছি। এজন্যে আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তার কাছে তাওবা করছি।” তার এ কথা শুনে হযরত মূসা (আঃ) পুনরায় সিজদায় পড়ে যান এবং কারূনের শাস্তি প্রার্থনা করেন। তখন আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে তাঁর নিকট অহী আসেঃ “আমি যমীনকে তোমার বাধ্য করে দিলাম।” হযরত মূসা (আঃ) তখন সিজদা হতে মাথা উঠিয়ে যীমনকে বলেনঃ “তুমি কারূন ও তার প্রাসাদকে গিলে ফেল।” যমীন তা-ই করে।। কারূনের ধ্বংসের এ কারণটি হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও হযরত সুদ্দী (রঃ) বর্ণনা করেছেন। দ্বিতীয় কারণ এই বলা হয়েছে যে, একদা কারূনের সওয়ারী অতি জাঁকজমকের সাথে চলতে শুরু করে। সে অত্যন্ত মূল্যবান পোশাক পরিহিত হয়ে একটি অতি মূল্যবান সাদা খচ্চরের উপর আরোহণ করে চলছিল। তার সাথে তার গোলামগুলোও ছিল, যারা সবাই রেশমী পোশাক পরিহিত ছিল। এইভাবে সে চলতেছিল। আর ওদিকে হযরত মূসা (আঃ) বানী ইসরাঈলের সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। যখন কারূন তার দলবলসহ ঐ জনসমাবেশের পার্শ্ব দিয়ে গমন করে তখন হযরত মূসা (আঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ “হে কারূন! আজ এমন শান-শওকতের সাথে গমনের কারণ কি?” সে উত্তরে বলেঃ “ব্যাপার এই যে, আল্লাহ তোমাকে একটি ফযীলত দান করেছেন এবং আমাকেও তিনি একটি ফযীলত দান করেছেন। যদি তিনি তোমাকে নবুওয়াত দান করে থাকেন তবে আমাকে তিনি দান করেছেন ধন-দৌলত ও মান-মর্যাদা। যদি আমার মর্যাদা সম্পর্কে তুমি সন্দেহ পোষণ করে থাকো তবে আমি প্রস্তুত আছি যে, চল, আমরা দু’জন আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি, দেখা যাক আল্লাহ কার দু'আ কবুল করেন?” হযরত মূসা (আঃ) কারূনের এ প্রস্তাবে সম্মত হয়ে যান এবং তাকে সঙ্গে নিয়ে অগ্রসর হন। অতঃপর তিনি তাকে বলেনঃ “হে কারূন! আমি প্রথমে প্রার্থনা করবো, না তুমি প্রথমে করবে?” সে জবাবে বলেঃ “আমিই প্রথমে দুআ করবো।” একথা বলে সে দু'আ করতে শুরু করে এবং শেষও করে দেয়। কিন্তু তার দু'আ কবূল হলো না। হযরত মূসা (আঃ) তখন তাকে বললেনঃ “তাহলে আমি এখন দু'আ করি?” সে উত্তরে বলেঃ “হ্যা, কর।” অতঃপর হযরত মূসা (আঃ) আল্লাহ তা'আলার নিকট দু'আ করেনঃ “হে আল্লাহ! আপনি যমীনকে নির্দেশ দিন যে, আমি তাকে যে হুকুম করবো তাই যেন সে পালন করে।” আল্লাহ তা'আলা তাঁর দু'আ কবুল করেন এবং তাঁর নিকট অহী অবতীর্ণ করেনঃ “হে মূসা (আঃ)! যমীনকে আমি তোমার হুকুম পালনের নির্দেশ দিলাম।” হযরত মূসা (আঃ) তখন যমীনকে বললেনঃ “হে যমীন! তুমি কারূন ও তার লোকদেরকে ধরে ফেল।” তাঁর একথা বলা মাত্রই তাদের পাগুলো যমীনে প্রোথিত হয়। তিনি আবার বলেনঃ “আরো ধরো।” তখন তাদের হাঁটু পর্যন্ত প্রোথিত হয়ে যায়। পুনরায় তিনি বলেনঃ “আরো পাকড়াও কর।” ফলে তাদের কাঁধ পর্যন্ত প্রোথিত হয়। তারপর তিনি যমীনকে বলেনঃ “তার মাল ও তার কোষাগারও পুঁতে ফেলো।” তৎক্ষণাৎ তার সমস্ত ধন-ভাণ্ডার ও সম্পদ এসে গেল। কারূন সবগুলোই স্বচক্ষে দেখে নিলো। অতঃপর তিনি যমীনকে ইঙ্গিত করলেনঃ “এগুলোসহ তাদেরকে তোমার ভিতরে করে নাও।” সাথে সাথে কারূন তার দলবল, প্রাসাদ, ধন-দৌলত এবং কোষাগারসহ যমীনে প্রোথিত হয়ে গেল। এভাবে তার ধ্বংস সাধিত হলো। যমীন যেমন ছিল তেমনই হয়ে গেল। বর্ণিত আছে যে, সপ্ত যমীন পর্যন্ত তারা প্রোথিত হয়। একটি বর্ণনা এও আছে। যে, প্রত্যহ তারা এক মানুষ বরাবর নীচের দিকে প্রোথিত হতে রয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত তারা এই শাস্তির মধ্যেই থাকবে। এখানে বানী ইসরাঈলের আরো বহু রিওয়াইয়াত রয়েছে। কিন্তু আমরা ওগুলো ছেড়ে দিলাম। কারূনের স্বপক্ষে এমন কোন দল ছিল না যে আল্লাহর শাস্তি হতে তাকে সাহায্য করতে পারতো এবং সে নিজেও আত্মরক্ষায় সক্ষম ছিল না। সে ধ্বংস হয়, নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় এবং তার মূলোৎপাটন করা হয়। আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন।মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ পূর্বদিন যারা তার মত হবার কামনা করেছিল তারা তার শোচনীয় অবস্থা দেখে বলতে লাগলো: আমরা ভুল বুঝেছিলাম। সত্যি ধন-দৌলত আল্লাহর সন্তুষ্টির নিদর্শন নয়। এটা তো আল্লাহর হিকমত বা নৈপুণ্য, তিনি তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্যে ইচ্ছা তার রিযক বর্ধিত করেন এবং যার জন্যে ইচ্ছা হ্রাস করেন। তাঁর হিকমত তিনিই জানেন। যেমন হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের মধ্যে চরিত্রকে ঐভাবে বন্টন করেছেন, যেমনিভাবে তোমাদের মধ্যে। রিযক বন্টন করেছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে ভালবাসেন তাকেও দুনিয়া (অর্থাৎ ধন-দৌলত) দান করেন এবং যাকে ভালবাসেন না তাকেও দান করেন। আর দ্বীন একমাত্র ঐ ব্যক্তিকে দান করেন যাকে তিনি ভালবাসেন।”কারূনের মত হওয়ার বাসনাকারীরা আরো বললো: যদি আল্লাহ আমাদের প্রতি সদয় না হতেন তবে আমাদেরও তিনি ভূ-গর্ভে প্রোথিত করতেন। সত্যি, কাফিররা কখনো সফলকাম হয় না। না তারা দুনিয়ায় কৃতকার্য হয়, না আখিরাতে তারা পরিত্রাণ পাবে।(আরবি)-এর অর্থ নিয়ে আরবী ব্যাকরণবিদদের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে, এটা (আরবি)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু এটাকে(আরবি) বা হালকা করে (আরবি) রয়ে গেছে এবং (আরবি)-এর যবরটি শব্দ। বা উহ্য থাকার প্রতি ইঙ্গিত বহন করছে। কিন্তু এই উক্তিটিকে ইমাম ইবনে জারীর (রঃ) দুর্বল বলেছেন। কিন্তু আমি বলি যে, এটাকে দুর্বল বলা ঠিক নয়। কুরআন কারীমে এর লিখন এক সাথে হওয়া ওর দুর্বল হওয়ার কারণ হতে পারে না। কেননা, (আরবি)বা লিখনের পদ্ধতি তো পারিভাষিক আদেশ। যা প্রচলিত হয় তাই ধর্তব্য হয়ে থাকে। এর দ্বারা অর্থের উপর কোন ক্রিয়া হয় না। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন।অন্য উক্তি এই যে, এটা (আরবি)-এর অর্থে ব্যবহৃত। আর একটি বর্ণনা এও আছে যে, এখানে দুটি শব্দ রয়েছে অর্থাৎ (আরবি) এবং (আরবি) শব্দটি বিস্ময় প্রকাশের জন্যে অথবা সতর্কতা প্রকাশের জন্যে। আর (আরবি) শব্দটি (আরবি) (আমি ধারণা করি)-এর অর্থে ব্যবহৃত। এসব উক্তির মধ্যে সবল উক্তি হলো এটাই যে, (আরবি) এর অর্থে ব্যবহৃত। অর্থাৎ তুমি কি দেখনি? যেমন এটা হযরত কাতাদা (রঃ)-এর উক্তি। আরবী কবিতাতেও এই অর্থই নেয়া হয়েছে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Kuran'ı Oku, Dinle, Araştır ve Üzerinde Düşün

Quran.com, dünya çapında milyonlarca kişinin Kur'an'ı birden fazla dilde okumak, aramak, dinlemek ve üzerinde düşünmek için kullandığı güvenilir bir platformdur. Çeviriler, tefsirler, kıraatler, kelime kelime çeviriler ve derinlemesine inceleme araçları sunarak Kur'an'ı herkes için erişilebilir hale getirir.

Bir Sadaka-i Cariye olarak Quran.com, insanların Kur'an ile derin bir bağ kurmasına yardımcı olmaya kendini adamıştır. 501(c)(3) kar amacı gütmeyen bir kuruluş olan Kur'an Vakfı tarafından desteklenen Quran.com, Elhamdülillah herkes için ücretsiz ve değerli bir kaynak olarak büyümeye devam ediyor.

Keşfedin
Anasayfa
Kuran Radyo
Okuyucular
Hakkımızda
Geliştiriciler
Ürün Güncellemeleri
Geri Bildirim
Yardım
Projelerimiz
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation tarafından sahip olunan, yönetilen veya desteklenen kar amacı gütmeyen projeler
Popüler Bağlantılar

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Site HaritasıGizlilikŞartlar ve koşullar
© 2026 Quran.com. Her hakkı saklıdır