Giriş yap
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
Giriş yap
Giriş yap
4:82
افلا يتدبرون القران ولو كان من عند غير الله لوجدوا فيه اختلافا كثيرا ٨٢
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ ٱلْقُرْءَانَ ۚ وَلَوْ كَانَ مِنْ عِندِ غَيْرِ ٱللَّهِ لَوَجَدُوا۟ فِيهِ ٱخْتِلَـٰفًۭا كَثِيرًۭا ٨٢
أَفَلَا
يَتَدَبَّرُونَ
ٱلۡقُرۡءَانَۚ
وَلَوۡ
كَانَ
مِنۡ
عِندِ
غَيۡرِ
ٱللَّهِ
لَوَجَدُواْ
فِيهِ
ٱخۡتِلَٰفٗا
كَثِيرٗا
٨٢
Kuran'ı durup düşünmüyorlar mı? Eğer o Allah'tan başkasından gelseydi, onda çok aykırılıklar bulurlardı.
Tefsirler
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
4:82 ile 4:83 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

৮২-৮৩ নং আয়াতের তাফসীর: আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বান্দাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে,তারা যেন কুরআন কারীমকে চিন্তা ও গবেষণা সহকারে পাঠ করে। ওটা হতে যেন তারা বিমুখ না হয়, অবজ্ঞা না করে। ওর মজবুত রচনা, নৈপুণ্য পূর্ণ নির্দেশাবলী এবং বাকচাতুর্য সম্বন্ধে যেন চিন্তা করে। সাথে সাথে এ সংবাদও দিচ্ছেন যে, এ পবিত্র গ্রন্থটি মতভেদ ও মতানৈক্য হতে সম্পূর্ণ পবিত্র। কেননা, এটা মহা বিজ্ঞানময় ও চরম প্রশংসিত আল্লাহরই বাণী। তিনি নিজে সত্য এবং দ্রুপ তাঁর কালামও সম্পূর্ণ সত্য। যেমন অন্য আয়াতে ঘোষণা করেছেনঃ (আরবী) অর্থাৎ তারা কি কুরআন সম্বন্ধে চিন্তা ও গবেষণা করে না, না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ রয়েছে? (৪৭:২৪)এরপর আল্লাহ তাআলা বলেন-মুশরিক ও মুনাফিকদের ধারণা হিসেবে এ কুরআন যদি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে নাযিলকৃত না হতো এবং কারও মনগড়া কথা হতো তবে অবশ্যই মানুষ ওর মধ্যে বহু মতভেদ লক্ষ্য করতো। অর্থাৎ মানুষের কথা বৈপরীত্যশূন্য হওয়া অসম্ভব। এটা অবশ্যই হতো যে, এখানে কিছু পেতো ওখানে কিছু পেতো, হয়তো এক জায়গায় ওরই বিপরীত কথা বলা হয়েছে। সুতরাং এ পবিত্র গ্রন্থের এসব ত্রুটি হতে মুক্ত হওয়া এরই পরিষ্কার দলীল যে, এটা আল্লাহ্ পাকেরই বাণী। যেমন আল্লাহ্ তা'আলা জ্ঞানে পরিপক্ক আলেমদের কথা বর্ণনা করেছেন যে, তারা বলে, আমরা এগুলোর উপর ঈমান এনেছি, এগুলো সবই আমাদের প্রভুর পক্ষ হতে আগত। অর্থাৎ স্পষ্ট আয়তি ও অস্পষ্ট আয়াত সবই সত্য। এ জন্যই তারা অস্পষ্ট আয়াতগুলোকে স্পষ্ট আয়াতগুলোর দিকে ফিরিয়ে থাকে এবং এর ফলে তারা সুপথ প্রাপ্ত হয়। পক্ষান্তরে যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে তারা স্পষ্ট আয়াতগুলো অস্পষ্ট আয়াতগুলোর দিকে ফিরিয়ে থাকে এবং এর ফলে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই আল্লাহ তাআলা প্রথম প্রকারের লোকদের প্রশংসা করেছেন এবং দ্বিতীয় প্রকারের লোকদের নিন্দে করেছেন।মুসনাদ-ই-আহমাদে রয়েছে, হযরত আমর ইবনে শুয়াইব (রাঃ) তাঁর পিতা হতে এবং তিনি তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, তার দাদা বলেনঃ আমি এবং আমার ভাই এমন এক সমাবেশে বসেছিলাম যা আমার নিকট এত প্রিয় ছিল যে, আমি একটি লাল বর্ণের উট পেলেও এমজলিসের তুলনায় ওটাকে নগণ্য মনে করতাম। আমরা এসে দেখি যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর দরজার উপর কয়েকজন মর্যাদাবান সাহাবী (রাঃ) দাড়িয়ে রয়েছেন। আমরা ভদ্রতা রক্ষা করে এক দিকে বসে পড়ি। তথায় কুরআন মাজীদের কোন আয়াত নিয়ে আলোচনা চলছিল এবং তাদের মধ্যে কিছু মতানৈক্য দেখা দিয়েছিল। অবশেষে কথা বেড়ে যায় এবং তারা পরস্পর উচ্চৈঃস্বরে কথা বলতে থাকেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) এটা শুনতে পেয়ে কুপিত অবস্থায় বাইরে আগমন করেন এবং তার চেহারা মুবারক রক্ত বর্ণ ধারণ করেছিল। তাদের উপর মাটি নিক্ষেপ করতঃ বলেনঃ “তোমরা নীরবতা অবলম্বন কর। তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণ এ কারণেই ধ্বংস হয়েছে যে, তারা তাদের নবীদের উপর মতানৈক্য আনয়ন করেছিল এবং আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াতকে অপর আয়াতের বিপরীত বলেছিল। জেনে রেখো যে, কুরআন মাজীদের কোন আয়াত অপর আয়াতের সত্যতা প্রতিপাদন করে। তোমরা যেটা জান তার উপর আমল কর এবং যেটা জাননা সেটা যারা জানে তাদের উপর ছেড়ে দাও।'অন্য বর্ণনায় রয়েছে যে, সাহাবা-ই-কিরাম তাকদীর সম্বন্ধে আলোচনা করেছিলেন। বর্ণনাকারী বলেনঃ যদি আমি এ সমাবেশে না বসতাম!' হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) বলেনঃ আমি দুপুরে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর দরবারের উপস্থিত হই। আমি বসে রয়েছি এমন সময় দু'টি লোকের মধ্যে একটি আয়াতের ব্যাপারে মতভেদ সৃষ্টি হয় এবং কণ্ঠস্বর উচ্চ হতে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতগণের ধ্বংসের একমাত্র কারণই ছিল আল্লাহ তা'আলার কিতাবে তাদের মতভেদ সৃষ্টি করা। (মুসনাদ-ই-আহমাদ)এরপর ঐ তাড়াহুড়োকারীদেরকে বাধা দেয়া হচ্ছে যারা কোন নিরাপত্তা বা ভয়ের সংবাদ পাওয়া মাত্রই সত্যাসত্য যাচাই না করেই এদিক হতে ওদিক পৃর্যন্ত পৌঁছিয়ে থাকে। অথচ ওটা সম্পূর্ণ ভুল সংবাদ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। সহীহ মুসলিম শরীফের ভূমিকায় হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ মানুষকে মিথ্যাবাদী বলার জন্যে এটাই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে তাই বর্ণনা করে।' সুনান-ই-আবু দাউদের মধ্যেও এ বর্ণনাটি রয়েছে।সহীহ বুখারী ও মুসলিমে হযরত মুগীরা ইবনে শু’বা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) (আরবী) হতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ অর্থাৎ ‘লোকেরা যেসব কথা বলে থাকে এরূপ বহু কথা সত্যাসত্য যাচাই ও চিন্তা ভাবনা না করেই যে ব্যক্তি বর্ণনা করে থাকে। সুনান-ই-আবি দাউদে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি কোন কথা বর্ণনা করে এবং সে ধারণা করে যে, ওটা যথার্থ নয় সেও মিথ্যাবাদীদের মধ্যে একজন মিথ্যাবাদী।' এখানে আমরা হযরত উমার (রাঃ)-এর হাদীসটি বর্ণনা করছি যার বিশুদ্ধতার উপর মতৈক্য রয়েছে। যখন তিনি শুনেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) স্বীয় সহধর্মিণীগণকে তালাক দিয়েছেন। তখন তিনি স্বীয় বাড়ী হতে বের হয়ে এসে মসজিদে প্রবেশ করেন। এখানেও তিনি জনগণকে একথাই বলতে শুনেন। সুতরাং স্বয়ং তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট উপস্থিত হন এবং তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ আপনি কি আপনার সহধর্মিণীগণকে তালাক দিয়েছেন?' তিনি বলেনঃ না।' তখন তিনি-‘আল্লাহু আকবার পাঠ করেন। হাদীসটি দীর্ঘতার সাথে বর্ণনা করা হয়েছে। সহীহ মুসলিম শরীফে রয়েছে যে, অতঃপর তিনি মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে উচ্চৈঃস্বরে ঘোষণা করেন্নঃ ‘হে জনমণ্ডলী! রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাঁর পত্নীগণকে তালাক দেননি।'সে সময় এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। হযরত উমার (রাঃ) এ ব্যাপারে তত্ত্ব অনুসন্ধান করেছেন। সুতরাং তিনি তত্বানুসন্ধিৎসুগণের মধ্যে একজন। কোন জিনিসকে ওর ঠিকানা ও আগার হতে বের করাকে (আরবী) বলা হয়। যখন তোক খনি খনন করে ওর মধ্যে হতে কোন জিনিস বের করে তখন আরববাসীরা (আরবী) এ কথা বলে থাকেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেন-“যদি তোমাদের উপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণা না হতো তবে অল্প সংখ্যক ব্যতীত অর্থাৎ পূর্ণ মুমিন ব্যতীত তোমরা শয়তানের অনুসারী হয়ে যেতে।' এরূপ স্থলে এ অর্থও হয় যে, তোমরা সবাই শয়তানের অনুসারী হয়ে যেতে। আরবী কবিতাতেও এ অর্থের ব্যবহার দেখা যায়।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Kuran'ı Oku, Dinle, Araştır ve Üzerinde Düşün

Quran.com, dünya çapında milyonlarca kişinin Kur'an'ı birden fazla dilde okumak, aramak, dinlemek ve üzerinde düşünmek için kullandığı güvenilir bir platformdur. Çeviriler, tefsirler, kıraatler, kelime kelime çeviriler ve derinlemesine inceleme araçları sunarak Kur'an'ı herkes için erişilebilir hale getirir.

Bir Sadaka-i Cariye olarak Quran.com, insanların Kur'an ile derin bir bağ kurmasına yardımcı olmaya kendini adamıştır. 501(c)(3) kar amacı gütmeyen bir kuruluş olan Kur'an Vakfı tarafından desteklenen Quran.com, Elhamdülillah herkes için ücretsiz ve değerli bir kaynak olarak büyümeye devam ediyor.

Keşfedin
Anasayfa
Kuran Radyo
Okuyucular
Hakkımızda
Geliştiriciler
Ürün Güncellemeleri
Geri Bildirim
Yardım
Projelerimiz
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation tarafından sahip olunan, yönetilen veya desteklenen kar amacı gütmeyen projeler
Popüler Bağlantılar

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Site HaritasıGizlilikŞartlar ve koşullar
© 2026 Quran.com. Her hakkı saklıdır