Giriş yap
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
🚀 Ramazan Meydan Okumamıza Katılın!
Daha fazla bilgi edinin
Giriş yap
Giriş yap
78:13
وجعلنا سراجا وهاجا ١٣
وَجَعَلْنَا سِرَاجًۭا وَهَّاجًۭا ١٣
وَجَعَلۡنَا
سِرَاجٗا
وَهَّاجٗا
١٣
Parlak ışık veren güneşi varettik;
Tefsirler
Dersler
Yansımalar
Cevaplar
Kıraat
78:1 ile 78:16 arasındaki ayetler grubu için bir tefsir okuyorsunuz

১-১৬ নং আয়াতের তাফসীরযে মুশরিকরা কিয়ামত দিবসকে অস্বীকার করতো এবং ওকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার মানসে পরস্পরকে নানা ধরনের প্রশ্ন করতো, এখানে আল্লাহ তা'আলা তাদের ঐ সব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন এবং কিয়ামত যে অবশ্যই সংঘটিত হবে এটা বর্ণনা করতঃ তাদের দাবী খণ্ডন করছেন। তিনি বলেনঃ তারা একে অপরের নিকট কি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে?' অর্থাৎ তারা একে অপরকে কি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তারা কি কিয়ামত সম্পর্কে একে অপরের নিকট প্রশ্ন করছে। অথচ এটা তো এক মহা সংবাদ! অর্থাৎ এটা অত্যন্ত ভীতিপ্রদ ও খারাপ সংবাদ এবং উজ্জ্বল সুস্পষ্ট দিবালোকের মত প্রকাশমান।হযরত কাতাদাহ্ (রঃ) ও হযরত ইবনে যায়েদ (রঃ) (আরবি) দ্বারা মৃত্যুর পর পুনরুত্থান উদ্দেশ্য নিয়েছেন। কিন্তু হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, এর। দ্বারা কুরআন উদ্দেশ্য। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই সঠিকতর বলে মনে হচ্ছে অর্থাৎ এর দ্বারা মৃত্যুর পর পুনরুত্থানই উদ্দেশ্য।(আরবি) (যেই বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য আছে), এতে যে মতানৈক্যের কথা বলা হয়েছে তা এই যে, এ বিষয়ে তারা দুটি দলে বিভক্ত রয়েছে। একটি দল এটা স্বীকার করে যে, কিয়ামত অবশ্যই সংঘটিত হবে। আর অপর দল এটা স্বীকারই করে না।এরপর আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত অস্বীকারকারীদেরকে ধমকের সুরে বলছেনঃ কখনই না, তাদের ধারণা অবাস্তাব, অলীক, তারা শীঘ্রই জানতে পারবে। আবার বলিঃ কখনই না, তারা অচিরেই জানাবে, এটা তাদের প্রতি আল্লাহ তা’আলার কঠিন ধমক ও ভীষন শাস্তির ভীতি প্রদর্শন।এরপর আল্লাহ তা'আলা স্বীয় বিস্ময়কর সৃষ্টির সূক্ষ্মতার বর্ণনা দেয়ার পর নিজের আজীমুশশান ক্ষমতার বর্ণনা দিচ্ছেন, যার দ্বারা প্রমাণিত হচ্ছে যে, তিনি এসব জিনিস কোন নমুনা ছাড়াই প্রথমবার যখন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন তখন তিনি দ্বিতীয়বারও ওগুলো সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন। তাই তো তিনি বলেনঃ আমি কি ভূমিকে শয্যা (রূপে) নির্মাণ করিনি?' অর্থাৎ আমি সমস্ত সৃষ্টজীবের জন্যে এই ভূমিকে কি সমতল করে বিছিয়ে দিইনি? এই ভাবে যে, ওটা তোমাদের সামনে বিনীত ও অনুগত রয়েছে। নড়াচড়া না করে নীরবে পড়ে রয়েছে। আর পাহাড়কে আমি এই ভূমির জন্যে পেরেক বা কীলক করেছি যাতে এটা হেলাদোলা না করতে পারে এবং ওর উপর বসবাসকারীরা যেন উদ্বিগ্ন হয়ে না পড়ে। মহান আল্লাহ বলেনঃ “আমি সৃষ্টি করেছি তোমাদেরকে জোড়ায় জোড়ায়। অর্থাৎ তোমরা নিজেদেরই প্রতি লক্ষ্য কর যে, আমি তোমাদেরকে নর ও নারীর মাধ্যমে সৃষ্টি করেছি যাতে তোমরা একে অপর হতে কামবাসনা পূর্ণ করতে পার। আর এভাবেই তোমাদের বংশ বৃদ্ধি হয়ে থাকে। যেমন আল্লাহ তাবারাকা অলা অন্য জায়গায় বলেনঃ (আরবি) অর্থাৎ “তার নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য হতে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের সঙ্গিনীদেরকে যাতে তোমরা তাদের নিকট শান্তি পাও এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” (৩০:২১)।মহান আল্লাহ বলেনঃ “আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম।' অর্থাৎ তোমাদের দ্রিাকে আমি হট্টগোল গণ্ডগোল বন্ধ হওয়ার কারণ বানিয়েছি যাতে তোমরা আরাম ও শান্তি লাভ করতে পার এবং তোমাদের সারা দিনের শ্রান্তি-ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। এর অনুরূপ আয়াত সূরায়ে ফুরকানে গত হয়েছে। আল্লাহ্ তা'আলার উক্তিঃ “আমি রাত্রিকে করেছি আবরণ।' অর্থাৎ রাত্রির অন্ধকার ও কৃষ্ণতা জনগণের উপর ছেয়ে যায়। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি) অর্থাৎ “শপথ রজনীর যখন সে ওকে আচ্ছাদিত করে।” (৯১:৪) আরব কবিরাও তাঁদের কবিতায় রাত্রিকে পোশাক বা আবরণ বলেছেন।হযরত কাতাদা (রঃ) বলেন যে, রাত্রি শান্তি ও বিশ্রামের কারণ হয়ে যায়। অতঃপর আল্লাহ পাক বলেনঃ “আমি দিবসকে জীবিকা, সংগ্রহের জন্যে (উপযোগী) করেছি।' অর্থাৎ রাত্রির বিপরীত দিকে আমি উজ্জ্বল করেছি। দিনের বেলায় আমি অন্ধকার দূরীভূত করেছি যাতে তোমরা ওর মধ্যে জীবিকা আহরণ করতে পার। মহান আল্লাহর উক্তিঃ “আর আমি নির্মাণ করেছি তোমাদের ঊর্ধ্বদেশে সুস্থিত সপ্ত আকাশ।' অর্থাৎ সাতটি সুউচ্চ, সুদীর্ঘ ও প্রশস্ত আকাশ তোমাদের ঊর্ধ্বদেশে নির্মাণ করেছি যেগুলো চমৎকার ও সৌন্দর্যমণ্ডিত। সেই আকাশে তোমরা হীরকের ন্যায় উজ্জ্বল চকচকে নক্ষত্র দেখতে পাও। ওগুলোর কোন কোনটি পরিভ্রমণ করে ও কোন কোনটি নিশ্চল ও স্থির থাকে।আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ “আর আমি সৃষ্টি করেছি প্রোজ্জ্বল দীপ।' অর্থাৎ আমি সূর্যকে উজ্জ্বল প্রদীপ বানিয়েছি যা সমগ্র পৃথিবীকে আলোকোজ্জ্বল করে। থাকে এবং সমস্ত জিনিসকে ঝঝকে তকতকে করে তোলে ও সারা দুনিয়াকে আলোকময় করে দেয়।এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ ‘এবং আমি বর্ষণ করেছি মেঘমালা হতে প্রচুর বারি। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, প্রবাহিত বায়ু মেঘমালাকে এদিক ওদিক নিয়ে যায়। তারপর ঐ মেঘমালা হতে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষিত হয় এবং তা ভূমিকে পরিতৃপ্ত করে। আরো বহু তাফসীরকার বলেছেন যে, দ্বারা বায়ুই উদ্দেশ্য। কিন্তু কোন কোন মুফাসসির বলেছেন যে, এর দ্বারা ঐ মেঘ উদ্দেশ্য যা বিন্দু বিন্দু বৃষ্টি বরাবর বর্ষাতেই থাকে।আরবে (আরবি) ঐ নারীকে বলা হয় যার মাসিক ঋতুর সময় নিকটবর্তী হয়েছে কিন্তু এখনো ঋতু শুরু হয়নি। অনুরূপভাবে এখানেও অর্থ এই যে, আকাশে মেঘ দেখা দিয়েছে কিন্তু এখনো মেঘ হতে বৃষ্টি বর্ষণ শুরু হয়নি। হযরত হাসানঃ (রঃ) ও হযরত কাতাদা (রঃ) বলেন যে, (আরবি) দ্বারা আসমাকে বুঝানো হয়েছে। কিন্তু এটা খুবই দুর্বল উক্তি। এর দ্বারা উদ্দেশ্য মেঘ হওয়াই বিকাশমন উক্তি। যেমন অন্য জায়গায় রয়েছেঃ (আরবি)অর্থাৎ “আল্লাহ, তিনি বায়ু প্রেরণ করেন, ফলে এটা মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে, অতঃপর তিনি একে যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন, পরে একে খণ্ড-বিখণ্ড করেন এবং তুমি দেখতে পাও যে, ওটা হতে নির্গত হয় বারিধারা।” (৩০:৪৮)(আরবি)-এর অর্থ হলো ক্রমাগত প্রবাহিত হওয়া এবং অত্যধিক বর্ষিত হওয়া। একটি হাদীসে রয়েছেঃ “ঐ হজ্ব হলো সর্বোত্তম হজ্ব যাতে ‘লাব্বায়েক' খুব বেশী বেশী পাঠ করা হয়, খুব বেশী রক্ত প্রবাহিত করা হয় অর্থাৎ অধিক কুরবানী করা হয়।” এ হাদীসেও (আরবি) শব্দ রয়েছে। একটি হাদীসে রয়েছে যে, ইসহাযাহর মাসআলা সম্পর্কে প্রশ্নকারিণী একজন সাহাবিয়া মহিলাকে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “তুলার পুঁটলী কাছে রাখবে।” মহিলাটি বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমার রক্ত যে অনবরত আসতেই থাকে। এই রিওয়াইয়াতেও (আরবি) শব্দ রয়েছে। অর্থাৎ বিরামহীনভাবে রক্ত অসিতেই থাকে। সুতরাং এই আয়াতেও উদ্দেশ্য এটাই যে, মেঘ হতে বৃষ্টি অনবরত বর্ষিত হতেই থাকে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। এরপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ ঐ পাক পবিত্র ও বরকতময় বারি দ্বারা আমি উৎপন্ন করি শস্য, উদ্ভিদ, ঘন সন্নিবিষ্ট উদ্যান। এগুলো মানুষ ও অন্যান্য এর আহারের কাজে লাগে। বর্ষিত পানি খালে বিলে জমা রাখা হয়। গরপর ঐ পানি পান করা হয় এবং বাগ-বাগিচা সেই পানি পেয়ে ফুলে-ফলে, রূপে-রসে সুশোভিত হয়। আর বিভিন্ন প্রকারের রঙ, স্বাদ ও গন্ধের ফলমূল মাটি হতে উৎপন্ন হয়, যদিও ভূমির একই খণ্ডে ওগুলো পরস্পর মিলিতভারে রয়েছে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও অন্যান্য গুরুজন বলেন যে, এর অর্থ হলো জমা বা একত্রিত। এটা আল্লাহ তাআলার নিম্নের উক্তির মতঃ (আরবি)অর্থাৎ “পথিবীতে রয়েছে পরস্পর সংলগ্ন ভূখণ্ড, তাতে আছে দ্রাক্ষা-কানন, শস্যক্ষেত্র, একাধিক শিরাবিশিষ্ট অথবা এক শিরা বিশিষ্ট খজুর বৃক্ষ সিঞ্চিত একই পানিতে, আর ফল হিসেবে ওগুলোর কতককে কতকের উপর আমি শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে থাকি। অবশ্যই বোধশক্তিসম্পন্ন সম্প্রদায়ের জন্যে এতে রয়েছে। নিদর্শন।” (১৩:৪)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Kuran'ı Oku, Dinle, Araştır ve Üzerinde Düşün

Quran.com, dünya çapında milyonlarca kişinin Kur'an'ı birden fazla dilde okumak, aramak, dinlemek ve üzerinde düşünmek için kullandığı güvenilir bir platformdur. Çeviriler, tefsirler, kıraatler, kelime kelime çeviriler ve derinlemesine inceleme araçları sunarak Kur'an'ı herkes için erişilebilir hale getirir.

Bir Sadaka-i Cariye olarak Quran.com, insanların Kur'an ile derin bir bağ kurmasına yardımcı olmaya kendini adamıştır. 501(c)(3) kar amacı gütmeyen bir kuruluş olan Kur'an Vakfı tarafından desteklenen Quran.com, Elhamdülillah herkes için ücretsiz ve değerli bir kaynak olarak büyümeye devam ediyor.

Keşfedin
Anasayfa
Kuran Radyo
Okuyucular
Hakkımızda
Geliştiriciler
Ürün Güncellemeleri
Geri Bildirim
Yardım
Projelerimiz
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Quran.Foundation tarafından sahip olunan, yönetilen veya desteklenen kar amacı gütmeyen projeler
Popüler Bağlantılar

Ayatul Kursi

Surah Yaseen

Surah Al Mulk

Surah Ar-Rahman

Surah Al Waqi'ah

Surah Al Kahf

Surah Al Muzzammil

Site HaritasıGizlilikŞartlar ve koşullar
© 2026 Quran.com. Her hakkı saklıdır