سائن ان کریں۔
🚀 ہمارے رمضان چیلنج میں شامل ہوں!
مزيد جانیے
🚀 ہمارے رمضان چیلنج میں شامل ہوں!
مزيد جانیے
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
2:24
الزانية والزاني فاجلدوا كل واحد منهما ماية جلدة ولا تاخذكم بهما رافة في دين الله ان كنتم تومنون بالله واليوم الاخر وليشهد عذابهما طايفة من المومنين ٢
ٱلزَّانِيَةُ وَٱلزَّانِى فَٱجْلِدُوا۟ كُلَّ وَٰحِدٍۢ مِّنْهُمَا مِا۟ئَةَ جَلْدَةٍۢ ۖ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌۭ فِى دِينِ ٱللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلْيَوْمِ ٱلْـَٔاخِرِ ۖ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَآئِفَةٌۭ مِّنَ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٢
اَلزَّانِيَةُ
وَالزَّانِىۡ
فَاجۡلِدُوۡا
كُلَّ
وَاحِدٍ
مِّنۡهُمَا
مِائَةَ
جَلۡدَةٍ​
وَّلَا
تَاۡخُذۡكُمۡ
بِهِمَا
رَاۡفَةٌ
فِىۡ
دِيۡنِ
اللّٰهِ
اِنۡ
كُنۡتُمۡ
تُؤۡمِنُوۡنَ
بِاللّٰهِ
وَالۡيَوۡمِ
الۡاٰخِرِ​ۚ
وَلۡيَشۡهَدۡ
عَذَابَهُمَا
طَآٮِٕفَةٌ
مِّنَ
الۡمُؤۡمِنِيۡنَ‏ 
٢
زنا کرنے والی عورت اور زنا کرنے والے مرد دونوں میں سے ہر ایک کو سو سو کوڑے مارو اور تمہیں نہ روکے ان کے ساتھ مہربانی اللہ کے دین (کی تنفیذ) کے معاملے میں اگر تم ایمان رکھتے ہو اللہ پر اور یوم آخرت پر اور چاہیے کہ ان دونوں کی اس سزا کے وقت اہل ایمان کا ایک گروہ موجود رہے
تفاسیر
اسباق
تدبرات
جوابات
قیراط
آپ 24:1 سے 24:2 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

১-২ নং আয়াতের তাফসীর‘আমি এই সূরা অবতীর্ণ করেছি’ এ কথার দ্বারা এই সূরার বুযুর্গী ও প্রয়োজনীয়তা প্রকাশ করাই উদ্দেশ্যে। এর দ্বারা উদ্দেশ্য এটা নয় যে, অন্যান্য সূরাগুলোর বুযুর্গী ও প্রয়োজনীয়তা নেই।(আরবি) এর অর্থ মুজাহিদ (রঃ) ও কাতাদা (রঃ) বর্ণনা করেছেন যে, হালাল, হারাম, আদেশ, নিষেধ, ওয়াদা ইত্যাদির বর্ণনা এতে রয়েছে। ইমাম বুখারী (রঃ) বলেন যে, এর ভাবার্থ হলোঃ আমি তোমাদের উপর ও তোমাদের পরবর্তী লোকদের উপর এটা নির্ধারিত করে দিয়েছি। এর মধ্যে সুস্পষ্ট ও খোলাখুলি উজ্জ্বল নির্দেশাবলী বর্ণনা করেছি যাতে তোমরা উপদেশ ও শিক্ষা গ্রহণ করতে পার, আমার হুকুমসমূহ স্মরণ রাখো এবং ওগুলোর উপর আমল কর। এরপর আল্লাহ তা'আলা ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণীর শাস্তির বর্ণনা দিচ্ছেন। ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী বিবাহিত ও বিবাহিতা হবে অথবা অবিবাহিত ও অবিবাহিতা হবে। সুতরাং অবিবাহিত পুরুষ এবং অবিবাহিতা নারী যদি ব্যভিচারে লিপ্ত হয়ে পড়ে তবে তাদের শাস্তির বিধান হলো ওটাই যা এই আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ একশ’ বেত্রাঘাত। আর জমহুর উলামার মতে তাদেরকে এক বছরের জন্যে দেশান্তরও করতে হবে। ইমাম আবু হানীফা। (রঃ)-এর মত এর বিপরীত। তাঁর মতে এটা নেতার ইচ্ছাধীন, তিনি ইচ্ছা করলে দেশান্তর করবেন বা করবেন না। জমহুর উলামার দলীল হলো নিম্নের হাদীসটিঃহযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) ও হযরত যায়েদ ইবনে খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, দু'জন বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট আগমন করে। একজন বলেঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমার ছেলে এ লোকটির বাড়ীতে মজুর ছিল। সে এর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচার করে ফেলেছে। আমি তার মুক্তিপণ হিসেবে একশটি বকরী ও একটি দাসী একে প্রদান করি। অতঃপর আমি আলেমদেরকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি যে, আমার ছেলের উপর শরঈ শাস্তি হলো একশ’ বেত্রাঘাত ও এক বছরকাল দেশান্তরকরণ। আর এর স্ত্রীর শাস্তি হলো রজম বা প্রস্তরাঘাতে হত্যা।” তার একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বললেনঃ “জেনে রেখো যে, আমি তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সঠিক ফায়সালা করছি। একশ’ বকরী ও দাসী তুমি ফিরিয়ে পাবে এবং তোমার ছেলের উপর একশ' বেত্রাঘাত ও এক বছরকাল দেশান্তর।” আর আসলাম গোত্রের। উনায়েস নামক একটি লোককে তিনি বললেনঃ “হে উনায়েস! সকালে তুমি এই লোকটির স্ত্রীর নিকট গমন করো। যদি সে ব্যভিচারের কথা স্বীকার করে নেয় তবে তুমি তাকে রজম করবে।” রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর কথামত উনায়েস সকালে ঐ স্ত্রী লোকটির নিকট গমন করলো এবং সে ব্যভিচারের কথা স্বীকার করে নেয়ায় তাকে রজম করে দিলো। (এ হাদীসটি সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে) এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, অবিবাহিত ব্যভিচারীকে একশ’ বেত্রাঘাতের সাথে সাথে এক বছরের জন্য দেশান্তরও করতে হবে। আর যদি বিবাহিত হয় তবে রজম করে দেয়া হবে।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত উমার (রাঃ) তাঁর এক ভাষণে হামদ ও সানার পর বলেনঃ “হে লোক সকল! আল্লাহ তাআলা হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-কে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন এবং তার উপর নিজের কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহর এই কিতাবে রজম করার হুকুমের আয়াতও ছিল। আমরা তা পাঠ করেছি, মুখস্থ করেছি এবং আমলও করেছি। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর যুগেও রজম হয়েছে এবং তার (ইন্তেকালের) পরে আমরাও রজম করেছি। আমি ভয় করছি যে, কয়েক যুগ অতিবাহিত হওয়ার পর না জানি লোকেরা হয়তো বলতে শুরু করে দেবে যে, তারা রজম করার হুকুম আল্লাহর কিতাবে পাচ্ছে না। আল্লাহ না করুন তারা হয়তো আল্লাহর এই ফরয কাজকে যা আল্লাহ তাঁর কিতাবে অবতীর্ণ করেছেন, ছেড়ে দিয়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে। রজমের সাধারণ হুকুম ঐ ব্যক্তির উপর প্রযোজ্য হবে যে ব্যভিচার করবে এবং বিবাহিত হবে, সে পুরুষ হোক বা নারীই হোক, যখন তার ব্যভিচারের উপর শরঈ দলীল পাওয়া যাবে অথবা সে গর্ভবতী হবে বা স্বীকারোক্তি করবে।” (এ হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ)-এর মুআত্তা গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। আর সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম গ্রন্থে এর চেয়েও দীর্ঘভাবে বর্ণনা করা হয়েছে)হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ)-কে তার এক ভাষণে বলতে শুনেছেনঃ “লোকেরা বলে যে, তারা রজম অর্থাৎ পাথর নিক্ষেপে হত্যা করার কথা আল্লাহর কিতাবে পায় না। কুরআন কারীমে শুধুমাত্র চাবুক মারার হুকুম রয়েছে। জেনে রেখো যে, স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) রজম করেছেন, তারপরে আমরাও রজম করেছি। কুরআনে যা নেই, উমার (রাঃ) তা লিখিয়ে নিয়েছেন লোকদের একথা বলার ভয় যদি আমি না করতাম তবে রজমের আয়াত আমি ঐ ভাবেই লিখিয়ে নিতাম যেভাবে ওটা অবতীর্ণ হয়েছিল। (এটা মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত হয়েছে। সুনানে নাসাঈতেও এ হাদীসটি রয়েছে)হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার (রাঃ) ভাষণে রজমের বর্ণনা দিয়েছেন এবং বলেছেনঃ “রজম জরুরী এবং ওটা আল্লাহর হদসমূহের মধ্যে একটি হদ। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) রজম করেছেন এবং তার পরে আমরাও রজম করেছি। যদি আমি লোকদের একথা বলার ভয় না করতাম যে, কুরআন কারীমে যা নেই তা উমার (রাঃ) বাড়িয়ে দিয়েছেন তবে আমি কুরআনের এক পার্শ্বে রজমের আয়াত লিখে দিতাম।” উমার ইবনে খাত্তাব। (রাঃ), আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) এবং অমুক ও অমুকের সাক্ষ্য এই যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) রজম করেছেন এবং আমরাও রজম করেছি। মনে রেখো যে, তোমাদের পরে এমন লোক আসবে যারা রজমকে, শাফাআতকে এবং কবরের আযাবকে অবিশ্বাস করবে। আর কতকগুলো লোককে যে কয়লা হয়ে যাওয়ার পরেও জাহান্নাম থেকে বের করা হবে, এটাকেও অবিশ্বাস করবে। (এটাও মুসনাদে আহমাদে বর্ণনা করা হয়েছে)হযরত সাঈদ ইবনে মুসাইয়াব (রঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত উমার (রাঃ) বলেছেনঃ “তোমরা রজমের হুকুমকে অস্বীকার করার ধ্বংস থেকে বেঁচে থাকো (শেষপর্যন্ত)।” এটাও ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন। (ইমাম তিরমিযীও (রঃ) এটা আনয়ন করেছেন এবং এটাকে বিশুদ্ধ বলেছেন)কাসীর ইবনে সাত (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা মারওয়ানের নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। সেখানে হযরত যায়েদ ইবনে সাবিতও (রাঃ) ছিলেন। তিনি বলেনঃ আমরা কুরআন কারীমে পড়তাম- “বিবাহিত পুরুষ বা নারী ব্যভিচার করলে তোমরা অবশ্যই রজম করবে।” মারওয়ান তখন জিজ্ঞেস করেনঃ “আপনি কুরআন কারীমে এটা লিখেন না যে?” উত্তরে হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) বলেনঃ “আমাদের মধ্যে যখন এই আলোচনা চলতে থাকে। তখন হযরত উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি তোমাদেরকে সান্ত্বনা দিচ্ছি যে, একটি লোক (একদা) নবী (সঃ)-এর কাছে আগমন করে। সে তার সামনে এরূপ এরূপ বর্ণনা দেয়। আর সে রজমের কথা বর্ণনা করে। কে একজন বলে, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনি রজমের আয়াত লিখিয়ে নিন! রাসুলুল্লাহ (সঃ) বলেন, এখনতো আমি এটা লিখিয়ে নিতে পারি না।” (এ হাদীসটিও মুসনাদে আহমাদেই বর্ণিত হয়েছে। সুনানে নাসাঈতেও এ রিওয়াইয়াতটি আছে)এসব হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, রজমের আয়াত পূর্বে লিখিত ছিল। তারপর তিলাওয়াত রহিত হয়ে গেছে এবং হুকুম বাকী রয়েছে। এসব ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে ভাল জানেন। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঐ লোকটির স্ত্রীকে রজম করার নির্দেশ দেন যে তার চাকরের সাথে ব্যভিচার করেছিল। অনুরূপভাবে তিনি হযরত মায়েয (রাঃ) ও এক গামেযিয়্যাহ মহিলাকে রজম করিয়েছিলেন। এসব হাদীসে এর উল্লেখ নেই যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) রজমের পূর্বে তাদেরকে চাবুক লাগিয়েছিলেন। বরং এসব বিশুদ্ধ ও সুস্পষ্ট হাদীসে শুধু রজমের বর্ণনা আছে। কোন হাদীসেই চাবুক মারার বর্ণনা নেই। এ জন্যেই জমহুর উলামার এটাই মাযহাব। ইমাম আবু হানীফা (রঃ) এবং ইমাম শাফেয়ীও (রঃ) এদিকেই গিয়েছেন। ইমাম আহমাদ (রঃ) বলেন যে, প্রথমে চাবুক মেরে পরে রজম করা উচিত যাতে কুরআন ও হাদীস উভয়ের উপরই আমল হয়ে যায়। মেযন আমীরুল মুমিনীন হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তাঁর কাছে সুরাজা নাম্নী একটি মহিলাকে নিয়ে আসা হয় যে বিবাহিতা ছিল এবং ব্যভিচার করেছিল। তখন তিনি বৃহস্পতিবারে তাকে চাবুক মারিয়ে নেন এবং শুক্রবারে তাকে রজম করেন। অতঃপর তিনি বলেনঃ “কিতাবুল্লাহর উপর আমল করে আমি তাকে চাবুক লাগিয়েছি এবং সুন্নাতে রাসূল (সঃ)-এর উপর আমল করে তাকে রজম করার নির্দেশ দিয়েছি।” হযরত উবাদা ইবনে সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা আমার কথা গ্রহণ কর, তোমরা আমার কথা গ্রহণ কর! আল্লাহ তা'আলা তাদের জন্যে পন্থা বের করে দিয়েছেন। অবিবাহিত পুরুষ ও অবিবাহিতা নারী ব্যভিচার করলে একশ’ চাবুক ও এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর বিবাহিত পুরুষ ও বিবাহিতা নারী ব্যভিচার করলে রজম।” (এ হাদীসটি মুসনাদে আহমাদ, সুনানে আরবাআ ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে)এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ আল্লাহর বিধান কার্যকরীকরণে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে প্রভাবান্বিত না করে। অন্তরের দয়া তো অন্য জিনিস, ওটা তো থাকবেই। কিন্তু আল্লাহর বিধান কার্যকরীকরণে ইমামের অবহেলা ও ত্রুটি প্রদর্শন নিন্দনীয়। যখন ইমাম বা বাদশাহর কাছে এমন কোন ঘটনা ঘটবে যাতে হদ জারী করা অপরিহার্য, এরূপ ক্ষেত্রে বাদশাহর উচিত হদ জারী করা এবং ওটা ছেড়ে না দেয়া। হাদীসে এসেছেঃ “তোমরা পরস্পরের মধ্যকার হদকে উপেক্ষা কর। হদযুক্ত কোন ঘটনা আমার কাছে পৌছে গেলে হদ জারী করা অপরিহার্য হয়ে যাবে।” অন্য হাদীসে এসেছেঃ “যমীনে হুদূদ কায়েম হওয়া যমীনবাসীদের জন্যে চল্লিশ দিনের বৃষ্টিপাত অপেক্ষা উত্তম।” এ কথাও বলা হয়েছে যে, তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে প্রভাবান্বিত না করে’। আল্লাহ পাকের এই উক্তির ভাবার্থ হচ্ছে তাদের প্রতি দয়াপরবশ হয়ে প্রহারকে হালকা করো না। মধ্যমভাবে চাবুক মারে। মেরে যে অস্থি ভেঙ্গে দেবে এটাও ঠিক নয়। অপবাদদাতার উপর হদ জারী করার সময় তার দেহে কাপড় থাকতে হবে। তবে ব্যভিচারীর উপর হদ জারী করার সময় তার দেহে কাপড় রাখা চলবে না। এটা হলো হযরত হাম্মাদ ইবনে আবি সুলাইমান (রাঃ)-এর উক্তি। এটা বর্ণনা করার পর তিনি (আরবি) পাঠ করেন। তখন হযরত সাঈদ ইবনে আবি উরূবাহ (রঃ) তাঁকে জিজ্ঞেস করেনঃ “এটা কি হুকুমের অন্তর্ভুক্ত?' উত্তরে তিনি বলেনঃ “হ্যা, হুকুমের অন্তর্ভুক্ত এবং চাবুক অর্থাৎ হদ কায়েম করা প্রহারকে কঠিন করার অন্তর্ভুক্ত।” হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তার দাসী ব্যভিচার করলে তিনি তার পায়ের উপর ও কোমরের উপর চাবুক মারেন। তখন হযরত নাফে’ (রাঃ) তাঁর সামনে আল্লাহর বিদান কার্যকরীকরণে তাদের প্রতি দয়া যেন তোমাদেরকে প্রভাবান্বিত না করে’- আল্লাহ তা'আলার এই উক্তিটি পাঠ করেন। হ্যরত ইবনে উমার (রাঃ) তখন তাঁকে বললেনঃ “তোমার মতে কি আমি এই দাসীর উপর কোন দয়া দেখিয়েছি? জেনে রেখো যে, আল্লাহ তা'আলা তাকে মেরে ফেলার নির্দেশ দেননি এবং একথাও বলেননি যে, তার মাথার উপর চাবুক মারা হবে। আমি তাকে সাধ্যমত চাবুক মেরেছি এবং পূর্ণ শাস্তি দিয়েছি।” (এটা ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)মহান আল্লাহ বলেনঃ যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে থাকো তবে তোমাদের উচিত আল্লাহর নির্দেশ পুরোমাত্রায় পালন করা এবং ব্যভিচারীদের উপর হদ জারী করার ব্যাপারে টালবাহানা না করা। তাদেরকে কঠিনভাবে প্রহার করতে হবে, কিন্তু এই প্রহার এমন হওয়া উচিত নয় যাতে অস্থি ভেঙ্গে যায়। এ কারণে যে, যেন তারা পাপকার্য থেকে বিরত তাকে এবং তাদের এই শাস্তি দেখে অন্যেরাও শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। দয়া খারাপ জিনিস নয়। হাদীসে এসেছে যে, একটি লোক বলেঃ “আমি বকরী যবেহ করি, কিন্তু আমার মনে ব্যথা আসে এবং মমতা লাগে।” তখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে বলেনঃ “এতেও তুমি পুণ্য লাভ করবে।”আল্লাহ তা'আলার উক্তিঃ মুমিনদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে যাতে সবারই অন্তরে ভয় সৃষ্টি হয় এবং ব্যভিচারী লাঞ্ছিতও হয়। যাতে অন্য লোকেরাও এ কাজ থেকে বিরত থাকে। প্রকাশ্যভাবে শাস্তি দিতে হবে। গোপনে মারধর করে ছেড়ে দেয়া উচিত নয়। একটি লোক এবং তদপেক্ষা বেশী লোক হলেই একটি দল হয়ে যাবে এবং আয়াতের উপর আমল হয়ে যাবে। এটার উপর ভিত্তি করেই ইমাম মুহাম্মাদ (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, একটি লোকও একটি জামাআত। আতা’ (রঃ)-এর উক্তি এই যে, দু’জন হতে হবে। সাঈদ ইবনে জুবায়ের (রঃ) বলেন যে, চারজন হওয়া চাই। যুহরী (রঃ)-এর মতে তিন বা তদপেক্ষা বেশী হতে হবে। ইমাম মালিক (রঃ) বলেন যে, চার বা তার চেয়ে বেশী হওয়া উচিত। কেননা, ব্যভিচারে চারজনের কমে সাক্ষী হয় না। চার অথবা তদপেক্ষা বেশী সাক্ষী হতে হবে। ইমাম শাফেয়ী (রঃ)-এরও মাযহাব এটাই। রাবীআ (রঃ) বলেন যে, পাঁচজন হওয়া চাই। হযরত হাসান বসরী (রঃ)-এর মতে দশজন হওয়া উচিত। কাতাদা (রঃ) বলেন যে, একটি দল হতে হবে যাতে উপদেশ, শিক্ষা ও শাস্তি হয়। নযর ইবনে আলকামা (রঃ) এই জামাআতের প্রয়োজনীয়তার কারণ এই বর্ণনা করেছেন যে, যাদের উপর হদ জারী করা হচ্ছে তাদের জন্যে এরা আল্লাহর নিকট করুণা ও ক্ষমা প্রার্থনা করবে।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن کو پڑھیں، سنیں، تلاش کریں، اور اس پر تدبر کریں۔

Quran.com ایک قابلِ اعتماد پلیٹ فارم ہے جسے دنیا بھر کے لاکھوں لوگ قرآن کو متعدد زبانوں میں پڑھنے، سرچ کرنے، سننے اور اس پر تدبر کرنے کے لیے استعمال کرتے ہیں۔ یہ ترجمے، تفسیر، تلاوت، لفظ بہ لفظ ترجمہ اور گہرے مطالعے کے ٹولز فراہم کرتا ہے، جس سے قرآن سب کے لیے قابلِ رسائی بنتا ہے۔

صدقۂ جاریہ کے طور پر، Quran.com لوگوں کو قرآن کے ساتھ گہرا تعلق قائم کرنے میں مدد کے لیے وقف ہے۔ Quran.Foundation کے تعاون سے، جو ایک 501(c)(3) غیر منافع بخش تنظیم ہے، Quran.com سب کے لیے ایک مفت اور قیمتی وسیلہ کے طور پر بڑھتا جا رہا ہے، الحمد للہ۔

نیویگیٹ کریں۔
ہوم
قرآن ریڈیو
قراء
ہمارے بارے میں
ڈویلپرز
پروڈکٹ اپڈیٹس
رائے
مدد
ہمارے پروجیکٹس
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
غیر منافع بخش منصوبے جو Quran.Foundation کی ملکیت، زیرِ انتظام یا زیرِ سرپرستی ہیں۔
مشہور لنکس

آیت الکرسی

سورہ یسین

سورہ الملک

سورہ الرحمان

سورہ الواقعة

سورہ الكهف

سورہ المزمل

سائٹ کا نقشہرازداریشرائط و ضوابط
© 2026 Quran.com. جملہ حقوق محفوظ ہیں