سائن ان کریں۔
🚀 ہمارے رمضان چیلنج میں شامل ہوں!
مزيد جانیے
🚀 ہمارے رمضان چیلنج میں شامل ہوں!
مزيد جانیے
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
178:2
يا ايها الذين امنوا كتب عليكم القصاص في القتلى الحر بالحر والعبد بالعبد والانثى بالانثى فمن عفي له من اخيه شيء فاتباع بالمعروف واداء اليه باحسان ذالك تخفيف من ربكم ورحمة فمن اعتدى بعد ذالك فله عذاب اليم ١٧٨
يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ كُتِبَ عَلَيْكُمُ ٱلْقِصَاصُ فِى ٱلْقَتْلَى ۖ ٱلْحُرُّ بِٱلْحُرِّ وَٱلْعَبْدُ بِٱلْعَبْدِ وَٱلْأُنثَىٰ بِٱلْأُنثَىٰ ۚ فَمَنْ عُفِىَ لَهُۥ مِنْ أَخِيهِ شَىْءٌۭ فَٱتِّبَاعٌۢ بِٱلْمَعْرُوفِ وَأَدَآءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَـٰنٍۢ ۗ ذَٰلِكَ تَخْفِيفٌۭ مِّن رَّبِّكُمْ وَرَحْمَةٌۭ ۗ فَمَنِ ٱعْتَدَىٰ بَعْدَ ذَٰلِكَ فَلَهُۥ عَذَابٌ أَلِيمٌۭ ١٧٨
يٰٓاَيُّهَا
الَّذِيۡنَ
اٰمَنُوۡا
كُتِبَ
عَلَيۡكُمُ
الۡقِصَاصُ
فِى
الۡقَتۡلٰى  ؕ
الۡحُرُّ
بِالۡحُـرِّ
وَالۡعَبۡدُ
بِالۡعَبۡدِ
وَالۡاُنۡثَىٰ
بِالۡاُنۡثٰىؕ
فَمَنۡ
عُفِىَ
لَهٗ
مِنۡ
اَخِيۡهِ
شَىۡءٌ
فَاتِّبَاعٌۢ
بِالۡمَعۡرُوۡفِ
وَاَدَآءٌ
اِلَيۡهِ
بِاِحۡسَانٍؕ
ذٰلِكَ
تَخۡفِيۡفٌ
مِّنۡ
رَّبِّكُمۡ
وَرَحۡمَةٌ  ؕ
فَمَنِ
اعۡتَدٰى
بَعۡدَ
ذٰلِكَ
فَلَهٗ
عَذَابٌ
اَلِيۡمٌۚ‏
١٧٨
اے اہل ایمان ! تم پر لازم کردیا گیا ہے مقتولوں کا بدلہ لینا اور غلام غلام کے بدلے اور عورت عورت کے بدلے پھر جس کو معاف کردی جائے کوئی شے اس کے بھائی کی جانب سے تو (اس کی) پیروی کی جائے معروف طریقے پر اور ادائیگی کی جائے خوبصورتی کے ساتھ یہ تمہارے رب کی طرف سے ایک تخفیف اور رحمت ہے تو اس کے بعد بھی جو حد سے تجاوز کرے گا تو اس کے لیے دردناک عذاب ہے
تفاسیر
اسباق
تدبرات
جوابات
قیراط
آپ 2:178 سے 2:179 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

১৭৮-১৭৯ নং আয়াতের তাফসীরঅর্থাৎ আল্লাহ তা'আলা বলেন-হে মুসলিমগণ! প্রতিশোধ গ্রহণের সময় ন্যায় পন্থা অবলম্বন করবে। স্বাধীন ব্যক্তির পরিবর্তে স্বাধীন ব্যক্তি, দাসের পরিবর্তে দাস এবং নারীর পরিবর্তে নারীকে হত্যা করবে। এই ব্যাপারে সীমালংঘন করবে না। যেমন সীমা লংঘন করেছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা। তারা আল্লাহর নির্দেশ পরিবর্তন করে ফেলেছিল। এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ এই যে, অজ্ঞতার যুগে বান্ নাযীর ও বনু কুরাইযা নামক ইয়াহূদীদের দু'টি সম্প্রদায়ের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে বান্ নাযীর জয় যুক্ত হয়। অতঃপর তাদের মধ্যে এই প্রথা চালু হয় যে, যখন বান্ নাযীরের কোন লোক বানূ কুরাইযার কোন লোককে হত্যা করতো তখন প্রতিশোধ রূপে বানূ নাযীরের ঐ লোকটিকে হত্যা করা হতো না। বরং রক্তপণ হিসেবে তার নিকট হতে এক ওয়াসাক (প্রায় চার মণ) খেজুর আদায় করা হতো। আর যখন বান্ কুরাইযার কোন লোক বা নাযীরের কোন লোককে হত্যা করতো তখন প্রতিশোধ রূপে তাকেও হত্যা করা হতো এবং রক্তপণ গ্রহণ করা হলে দ্বিগুণ অর্থাৎ দুই ওয়াসাক খেজুর গ্রহণ করা হতো। সুতরাং মহান আল্লাহ অজ্ঞতা যুগের এই জঘন্য প্রথাকে উঠিয়ে দিয়ে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠিত করার নির্দেশ দেন।ইমাম আবু হাতিমের (রঃ) বর্ণনায় এই আয়াতের শান-ই-নুযুল এই বর্ণনা করা হয়েছে যে, আরবের দুটি গোত্রের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। ইসলাম গ্রহণের পর তারা পরস্পরে প্রতিশোধ গ্রহণের দাবীদার হয় এবং বলেঃ আমাদের দাসের পরিবর্তে তাদের স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা হোক এবং আমাদের নারীর পরিবর্তে তাদের পুরুষকে হত্যা করা হোক। তাদের এই দাবী খণ্ডনে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এই হুকুমটিও মানসূখ। কুরআন মাজীদ ঘোষণা করেঃ (আরবি) অর্থাৎ প্রাণের পরিবর্তে প্রাণ। সুতরাং প্রত্যেক হত্যাকারীকে নিহত ব্যক্তির পরিবর্তে হত্যা করা হবে। স্বাধীন দাসকে হত্যা করুক বা এর বিপরীত, পুরুষ নারীকে হত্যা করুক বা এর বিপরীত। সর্বাবস্থায় এই বিধানই চালু থাকবে। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, এরা পুরুষকে নারীর পরিবর্তে হত্যা করতো না। এই কারণেই (আরবি) আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। সুতরাং স্বাধীন লোক সবাই সমান। প্রাণের বদলে প্রাণ নেয়া হবে। হত্যাকারী পুরুষই হোক বা স্ত্রী হোক। অনুরূপভাবে নিহত লোকটি পুরুষই হোক বা স্ত্রীই হোক। যখনই কোন স্বাধীন ব্যক্তি কোন স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করবে তখন তার পরিবর্তে তাকেও হত্যা করা হবে। এরূপভাবে এই নির্দেশ দাস ও দাসীর মধ্যেও চালু থাকবে। যে কেউই প্রাণ নাশের ইচ্ছায় অন্যকে হত্যা করবে, প্রতিশোধ রূপে তাকেও হত্যা করা হবে। হত্যা ছাড়া জখম বা কোন অঙ্গ হানিরও এই নির্দেশই। হযরত ইমাম মালিক (রঃ) এই আয়াতটিকে (আরবি) এই আয়াত দ্বারা মানসূখ বলেছেন। জিজ্ঞাস্যঃইমাম আবু হানীফা (রঃ), ইমাম সাওরী (রঃ), ইমাম আবু লায়লা (রঃ) এবং ইমাম আবু দাউদ (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, কোন আযাদ ব্যক্তি যদি কোন গোলামকে হত্যা করে তবে তার পরিবর্তে তাকেও হত্যা করা হবে। হযরত আলী (রাঃ), হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ), হযরত সাঈদ বিন যুবাইর (রঃ), হযরত ইবরাহীম নখঈ (রঃ) হযরত হাকাম (রাঃ)-এরও এই মাযহাব। হযরত ইমাম বুখারী (রঃ), হযরত আলী বিন মাদীনী (রঃ), হযরত ইবরাহীম নাখঈ (রঃ)- এরও একটি বর্ণনা অনুসারে হযরত সাওরী (রঃ)-এরও মাযহাব এটাই যে, যদি কোন মনিব তার গোলামকে হত্যা করে তবে তার পরিবর্তে মনিবকেও হত্যা করা হবে। এর দলীল রূপে তারা এই হাদীসটি পেশ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি তার গোলামকে হত্যা করবে আমরাও তাকে হত্যা করবো, যে তার গোলামের নাক কেটে নেবে আমরাও তার নাক কেটে নেবো এবং যে তার অণ্ডকোষ কেটে নেবে তারও এই প্রতিশোধ নেয়া হবে। কিন্তু জমহুরের মাযহাব এই মনীষীদের উল্টো। তাঁদের মতে। দাসের পরিবর্তে স্বাধীন ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে না। কেননা, দাস এক প্রকারের মাল। সে ভুল বশতঃ নিহত হলে রক্তপণ দিতে হয় না, শুধুমাত্র তার মূল্যআদায় করতে হয়। অনুরূপভাবে তার হাত, পা ইত্যাদির ক্ষতি হলে প্রতিশোধের নির্দেশ নেই। কাফিরের পরিবর্তে মুসলমানকে হত্যা করা হবে কিনা এ ব্যাপারে জমহুর উলামার মাযহাব তো এই যে, তাকে হত্যা করা হবে।। সহীহ বুখারী শরীফের এই হাদীসটি এর দলীল। (আরবি) অর্থাৎ ‘কাফিরের পরিবর্তে মুসলমানকে হত্যা করা হবে না। এই হাদীসের উল্টো না কোন সহীহ হাদীস আছে, না এমন কোন ব্যাখ্যা হতে পারে যা এর উল্টো হয়। তথাপি শুধু ইমাম আবু হানীফা (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, কাফিরের পরিবর্তে মুসলমানকে হত্যা করা হবে।জিজ্ঞাস্যঃহযরত হাসান বসরী (রঃ) এবং হযরত আত্তার (রঃ)-এর উক্তি রয়েছে যে, পুরুষকে নারীর পরিবর্তে হত্যা করা হবে না। এর দলীল রূপে তাঁরা উপরোক্ত আয়াতটি পেশ করে থাকেন। কিন্তু ‘জমহুর-ই-উলামা-ই-ইসলাম এর বিপরীত মত পোষণ করেন। কেননা, সূরা-ই-মায়েদার এই আয়াতটি সাধারণ, যার মধ্যে (আরবি) বিদ্যমান রয়েছে। তাছাড়া হাদীস শরীফের মধ্যেও রয়েছে। (আরবি) অর্থাৎ মুসলমানদের রক্ত পরস্পর সমান। হযরত লায়েস (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, স্বামী যদি তার স্ত্রীকে মেরে ফেলে তবে তার পরিবর্তে তাকে (স্বামীকে হত্যা করা হবে না)জিজ্ঞাস্যঃচার ইমাম এবং জমহুর-ই উম্মতের মাযহাব এই যে, কয়েকজন মিলে একজন মুসলমানকে হত্যা করলে তার পরিবর্তে তাদের সকলকেই হত্যা করা হবে। হযরত উমার ফারূক (রাঃ)-এর যুগে সাতজন মিলে একটি লোককে হত্যা করে। তিনি সাতজনকেই হত্যা করে দেন এবং বলেন—যদি সুন' পলীর। সমস্ত লোক এই হত্যায় অংশগ্রহণ করতো তবে আমি প্রতিশোধ রূপে সকলকেই হত্যা করতাম। কোন সাহাবীই তাঁর যুগে তাঁর এই ঘোষণার উল্টো করেননি। সূতরাং এই কথার উপর যেন ইজমা হয়ে গেছে। কিন্তু ইমাম আহমাদ (রঃ) হতে বর্ণিত আছে-তিনি বলেন যে, একজনের পরিবর্তে একটি দলকে হত্যা করা হবে না, বরং একজনের পরিবর্তে একজনকেই হত্যা করা হবে। হযরত মুআয (রাঃ), হযরত ইবনে যুবাইর (রাঃ), আবদুল মালিক বিন মারওয়ান, যুহরী (রঃ), ইবনে সীরীন (রঃ) এবং হাবীব বিন আবি সাবিত (রঃ) হতেও এই উক্তিটি বর্ণিত আছে। ইবনুল মুনযির (রঃ) বলেন যে, এটাই সর্বাপেক্ষা সঠিক মত। একজন নিহত ব্যক্তির পরিবর্তে একটি দলকে হত্যা করার কোন দলীল নেই। হযরত ইবনে যুবাইর (রাঃ) হতে সাব্যস্ত আছে যে, তিনি এই মাসআলাটি স্বীকার করতেন না। সুতরাং সাহাবীদের (রাঃ) মধ্যে যখন মতবিরোধ দেখা দিয়েছে তখন এই মাসআলাটি বিবেচ্য বিষয় হয়ে পড়েছে। অতঃপর বলা হয়েছে যে, নিহত ব্যক্তির কোন উত্তরাধিকারী যদি হত্যাকারীর কোন অংশ ক্ষমা করে দেয় তবে সেটা অন্য কথা। অর্থাৎ সে হয়তো হত্যার পরিবর্তে রক্তপণ স্বীকার করে কিংবা হয়তো তার অংশের রক্তপণ ছেড়ে দেয় এবং স্পষ্টভাবে ক্ষমা করে দেয়। যদি সে রক্তপণের উপর সম্মত হয়ে। যায় তবে সে যেন হত্যাকারীর উপর জোর জবরদস্তি না করে, বরং যেন ন্যায়সঙ্গতভাবে তা আদায় করে। হত্যাকারীরও কর্তব্য এই যে, সে যেন তা সদ্ভাবে পরিশোধ করে, টালবাহানা যেন না করে। জিজ্ঞাস্যঃইমাম মালিক (রঃ) এর প্রসিদ্ধ মাযহাব, ইমাম আবু হানীফা (রঃ) এবং তার ছাত্রদের মাযহাব, ইমাম শাফিঈ (রঃ) এর মাযহাব এবং একটি বর্ণনা অনুসারে ইমাম আহমাদ (রঃ)-এর মাযহাব এই যে, নিহত ব্যক্তির অভিভাবকদের ‘কিসাস ছেড়ে দিয়ে রক্তপণের উপর সম্মত হওয়া ঐ সময় জায়েয যখন স্বয়ং হত্যাকারীও তাতে সম্মত হয়। কিন্তু অন্যান্য মনীষীগণ বলেন যে, এতে হত্যাকারীর সম্মতির শর্ত নেই।জিজ্ঞাস্যঃপূর্ববর্তী একটি দল বলেন যে, নারীরা যদি কিসাসকে ক্ষমা করে দিয়ে রক্তপণের উপর সম্মত হয়ে যায় তবে তার কোন মূল্য নেই। হযরত হাসান বসরী (রঃ), হযরত কাতাদাহ (রঃ), হযরত যুহরী (রঃ), হযরত ইবনে শিবরামাহ (রঃ), হযরত লায়েস (রঃ) এবং হযরত আওযায়ী (রঃ)-এর এটাই মাযহাব। কিন্তু অবশিষ্ট উলামা-ই-দ্বীন তাদের বিরোধী। এঁরা বলেন যে, যদি কোন নারীও রক্তপণের উপর সম্মত হয়ে যায় তবে কিসাস উঠে যাবে। অতঃপর বলা হচ্ছে যে, ইচ্ছাপূর্বক হত্যায় রক্তপণ গ্রহণ, এটা আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে লঘু বিধান ও করুণা। পূর্ববর্তী উম্মতদের এই সুযোগ ছিল না। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, বানী ইসরাঈলের উপর ‘কিসাস’ (হত্যার পরিবর্তে হত্যা) ফরয ছিল। কিসাস’ ক্ষমা করে রক্তপণ গ্রহণের অনুমতি তাদের জন্যে ছিল না। কিন্তু উম্মতে মুহাম্মদীর (সঃ) উপর আল্লাহ তা'আলার এটাও বড় অনুগ্রহ যে, রক্তপণ গ্রহণও তাদের জন্যে বৈধ করা হয়েছে। তাহলে এখানে তিনটি জিনিস হচ্ছে। (১) কিসাস’, (২) রক্তপণ, (৩) ক্ষমা। পূর্ববর্তী উম্মতদের মধ্যে শুধুমাত্র ‘কিসাস’ ও ‘ক্ষমা ছিল, কিন্তু দিয়্যাতের বিধান ছিল কেউ কেউ বলেন যে, তাওরাতধারীদের জন্যে শুধু কিসাস ও ক্ষমার বিধান ছিল এবং ইঞ্জীলধারীদের জন্যে শুধু ক্ষমাই ছিল। তারপরে বলা হচ্ছে যে, যে ব্যক্তি রক্তপণ গ্রহণ বা মেনে নেয়ার পরেও বাড়াবাড়ি করে, তার জন্যে কঠিন বেদনাদায়ক শাস্তি রয়েছে। যেমন দিয়্যাত' গ্রহণ করার পরে আবার হত্যার জন্যে খড়গ হস্ত হয়ে গেল ইত্যাদি। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, কোন লোকের যদি কেউ নিহত বা আহত হয় তবে তার তিনটির যে কোন একটি গ্রহণের স্বাধীনতা। রয়েছে। (১) সে প্রতিশোধ গ্রহণ করুক, (২) বা ক্ষমা করে দিক, (৩) অথবা রক্তপণ গ্রহণ করুক। আর যদি সে আরও কিছু করার ইচ্ছে করে তবে তাকে বাধা প্রদান কর। এই তিনটির মধ্যে একটি করার পরেও যে বাড়াবাড়ি করবে সে চিরদিনের জন্যে জাহান্নামী হয়ে যাবে (আহমাদ)'। অন্য একটি হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন- 'যে ব্যক্তি রক্তপণ গ্রহণ করলে, অতঃপর হত্যাকারীকে হত্যা করে দিলো, এখন আমি তার নিকট হতে রক্তপণও নেবো না; বরং তাকে হত্যা করে দেবো।' অতঃপর ইরশাদ হচ্ছে-হে জ্ঞানীরা! তোমরা জেনে রেখো যে, কিসাসের মধ্যে মানব গোষ্ঠীর অমরত্ব রয়েছে। এর মধ্যে বড় দুরদর্শিতা রয়েছে। যদিও বাহ্যিক দৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে যে, একজনের পরিবর্তে অপরজন নিহত হচ্ছে, সুতরাং দু’জন মারা যাচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যদি অন্তর্দষ্টি দিয়ে দেখা যায় তবে জানা যাবে যে, এটা জীবনেরই কারণ। হত্যা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির স্বয়ং এই ধারণা হবে যে, সে যাকে হত্যা করতে যাচ্ছে তাকে হত্যা করা উচিত হবে না। নতুবা তাকেও নিহত হতে হবে। এই ভেবে সে হত্যার কাজ হতে বিরত থাকবে। তাহলে দু’ব্যক্তি মৃত্যু হতে বেঁচে যাচ্ছে। পূর্বের গ্রন্থসমূহের মধ্যেও তো আল্লাহ তা'আলা এই কথাটি বর্ণনা করেছিলেন যে, (আরবি) অর্থাৎ হত্যা হত্যাকে বাধা দেয়, কিন্তু কুরআন পাকের মধ্যে অত্যন্ত বাকপটুতা ও ভাষালঙ্কারের সাথে এই বিষয়টি বর্ণনা করা হয়েছে। অতঃপর বলা হচ্ছেঃ এটা তোমাদের বেঁচে থাকার কারণ। প্রথমতঃ তোমরা আল্লাহ পাকের অবাধ্যতা থেকে রক্ষা পাবে। দ্বিতীয়তঃ না কেউ কাউকে হত্যা করবে, না সে নিহত হবে। সুতরাং পৃথিবীর বুকে সর্বত্র নিরাপত্তা ও শান্তি বিরাজ করবে। হচ্ছে প্রত্যেক পুণ্যের কাজ করা এবং প্রত্যেক পাপের কাজ ছেড়ে দেয়ার নাম।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن کو پڑھیں، سنیں، تلاش کریں، اور اس پر تدبر کریں۔

Quran.com ایک قابلِ اعتماد پلیٹ فارم ہے جسے دنیا بھر کے لاکھوں لوگ قرآن کو متعدد زبانوں میں پڑھنے، سرچ کرنے، سننے اور اس پر تدبر کرنے کے لیے استعمال کرتے ہیں۔ یہ ترجمے، تفسیر، تلاوت، لفظ بہ لفظ ترجمہ اور گہرے مطالعے کے ٹولز فراہم کرتا ہے، جس سے قرآن سب کے لیے قابلِ رسائی بنتا ہے۔

صدقۂ جاریہ کے طور پر، Quran.com لوگوں کو قرآن کے ساتھ گہرا تعلق قائم کرنے میں مدد کے لیے وقف ہے۔ Quran.Foundation کے تعاون سے، جو ایک 501(c)(3) غیر منافع بخش تنظیم ہے، Quran.com سب کے لیے ایک مفت اور قیمتی وسیلہ کے طور پر بڑھتا جا رہا ہے، الحمد للہ۔

نیویگیٹ کریں۔
ہوم
قرآن ریڈیو
قراء
ہمارے بارے میں
ڈویلپرز
پروڈکٹ اپڈیٹس
رائے
مدد
ہمارے پروجیکٹس
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
غیر منافع بخش منصوبے جو Quran.Foundation کی ملکیت، زیرِ انتظام یا زیرِ سرپرستی ہیں۔
مشہور لنکس

آیت الکرسی

سورہ یسین

سورہ الملک

سورہ الرحمان

سورہ الواقعة

سورہ الكهف

سورہ المزمل

سائٹ کا نقشہرازداریشرائط و ضوابط
© 2026 Quran.com. جملہ حقوق محفوظ ہیں