سائن ان کریں۔
🚀 ہمارے رمضان چیلنج میں شامل ہوں!
مزيد جانیے
🚀 ہمارے رمضان چیلنج میں شامل ہوں!
مزيد جانیے
سائن ان کریں۔
سائن ان کریں۔
65:4
فلا وربك لا يومنون حتى يحكموك فيما شجر بينهم ثم لا يجدوا في انفسهم حرجا مما قضيت ويسلموا تسليما ٦٥
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّىٰ يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا۟ فِىٓ أَنفُسِهِمْ حَرَجًۭا مِّمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا۟ تَسْلِيمًۭا ٦٥
فَلَا
وَرَبِّكَ
لَا
يُؤۡمِنُوۡنَ
حَتّٰى
يُحَكِّمُوۡكَ
فِيۡمَا
شَجَرَ
بَيۡنَهُمۡ
ثُمَّ
لَا
يَجِدُوۡا
فِىۡۤ
اَنۡفُسِهِمۡ
حَرَجًا
مِّمَّا
قَضَيۡتَ
وَيُسَلِّمُوۡا
تَسۡلِيۡمًا‏ 
٦٥
پس نہیں آپ کے رب کی قسم ! یہ ہرگز مؤمن نہیں ہوسکتے جب تک کہ یہ آپ کو حکم نہ مانیں ان تمام معاملات میں جو ان کے مابین پیدا ہوجائیں پھر جو کچھ آپ فیصلہ کردیں اس پر اپنے دلوں میں بھی کوئی تنگی محسوس نہ کریں اور سرتسلیم خم کریں جیسے کہ سرتسلیم خم کرنے کا حق ہے
تفاسیر
اسباق
تدبرات
جوابات
قیراط
آپ 4:64 سے 4:65 آیات کے گروپ کی تفسیر پڑھ رہے ہیں

৬৪-৬৫ নং আয়াতের তাফসীর: ভাবার্থ এই যে, প্রত্যেক যুগের রাসূলের আনুগত্য স্বীকার করা তাঁর উম্মতের উপর আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে ফরয হয়ে থাকে। রিসালাতের পদমর্যাদা এই যে, তাঁর সমস্ত আদেশকে আল্লাহ তা'আলার আদেশ মনে করা হবে। হযরত মুজাহিদ (রঃ) বলেন: (আরবী)-এর ভাবার্থ হচ্ছে এই যে, এর ক্ষমতা আল্লাহ তা'আলার হাতেই রয়েছে এবং তা তার শক্তি ও ইচ্ছের উপরই নির্ভর করে। অর্থাৎ আল্লাহর ক্ষমতা ও ইচ্ছে ছাড়া কেউ তাঁর আনুগত্য স্বীকার করতে পারে। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ (আরবী) অর্থাৎ যখন তুমি তাঁর হুকুমে তাদের উপর জয়যুক্ত হয়েছিলে।' (৩:১৫২) এখানেও (আরবী) শব্দের ভাবার্থ হচ্ছে তার ক্ষমতা ও ইচ্ছা। অতঃপর আল্লাহ তাআলা অবাধ্য ও পাপীদের প্রতি ইরশাদ করেছেন যে, তারা যেন রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট আগমন করতঃ আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকটও যেন তাদের জন্য আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করার আবেদন জানায়। তারা যখন এরূপ করবে তখন নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তাদের তাওবা কবুল করবেন এবং তাদের প্রতি দয়া পরবশ হয়ে তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন।আবু মানসূর আস্সাববাগ্ (রঃ) স্বীয় প্রসিদ্ধ গল্পের পুস্তকে উত্তীর (রঃ) একটি বর্ণনা নকল করেছেন। উত্তী (রঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সমাধির পার্শ্বে বসেছিলাম। এমন সময় সেখানে এক বেদুঈনের আগমন ঘটে। সে বলে, আস্সালামু আলাইকুম ইয়া রাসূলাল্লাহ (হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)! আমি আল্লাহ তা'আলার (আরবী) উক্তি শুনেছি। তাই আমি আপনার সামনে স্বীয় পাপের জন্যে আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা ও আপনার শাফাআত কামনা করছি। অতঃপর সে নিম্নের কবিতাটি পাঠ করেঃ (আরবী) অর্থাৎ হে ঐ সবের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি! যাদের অস্থিগুলো প্রান্তরে প্রোথিত হয়েছে এবং সেগুলোর সুবাসে পর্বত ও প্রান্তর সুরভিত হয়েছে। সে কবরের জন্য আমার প্রাণ উৎসর্গিত হোক, যে কবরে আপনি অবস্থানকারী। এতে রয়েছে পবিত্রতা, দানশীলতা ও ভদ্রতা। অতঃপর বেদুঈন চলে যায় এবং আমার চোখে দ্রিা চেপে বসে। আমি স্বপ্নে দেখি যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাকে যেন বলছেনঃ 'যাও, ঐ বেদুঈনকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও যে, আল্লাহ তা'আলা তার পাপ মার্জনা করেছেন।এরপর আল্লাহ তা'আলা স্বীয় পবিত্র ও সম্মানিত সত্তার শপথ করে বলছেনঃ ‘কোন ব্যক্তিই ঈমানের সীমার মধ্যে আসতে পারে না যে পর্যন্ত সমস্ত বিষয়ে আল্লাহ তাআলার শেষ নবী (সঃ)-কে ন্যায় বিচারক রূপে মেনে না নেবে এবং প্রত্যেক নির্দেশকে, প্রত্যেক মীমাংসাকে, প্রত্যেক সুন্নাতকে, প্রত্যেক হাদীসকে গ্রহণযোগ্য রূপে স্বীকার না করবে। আর অন্তর ও দেহকে একমাত্র ঐ রাসূলেরই (সঃ) অনুগত না করবে। মোটকথা, যে ব্যক্তি তার প্রকাশ্য, গোপনীয়, ছোট ও বড় প্রতিটি বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর হাদীসকে সমস্ত নীতির মূল মনে করবে সে হচ্ছে মুমিন। অতএব নির্দেশ দেয়া হচ্ছে, তারা যেন তোমার মীমাংসাকে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নেয় এবং স্বীয় অন্তরে যেন কোন প্রকারের সংকীর্ণতা পোষণ না করে। তারা যেন সমস্ত হাদীসকেই স্বীকার করে নেয়। তারা যেন না হাদীসসমূহকে স্বীকার করা হতে বিরত থাকে, না ঐগুলোকে সরিয়ে দেয়ার উপায় অনুসন্ধান করে, না ওর মত অন্য কোন জিনিসকে মর্যাদা সম্পন্ন মনে করে, না ঐ গুলো খণ্ডন করে এবং না ঐ গুলো মেনে নেয়ার ব্যাপারে তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হয়। যেমন রাসূলুল্লাহ (সঃ) ঘোষণা করেনঃ যার অধিকারে আমার প্রাণ রয়েছে তাঁর শপথ! তোমাদের মধ্যে কেউ মুমিন হতে পারে না যে পর্যন্ত না সে স্বীয় প্রবৃত্তিকে ঐ জিনিসের অনুগত করে যা আমি আনয়ন করেছি।'সহীহ বুখারী শরীফে হযরত উরওয়া (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন যে, নর্দমা দিয়ে বাগানে পানি নেয়ার ব্যাপারে একটি লোকের সঙ্গে হযরত যুবাইর (রাঃ)-এর বিবাদ হয়। নবী (সঃ) তখন বলেনঃ “হে যুবাইর (রাঃ)! তোমার বাগানে পানি নেয়ার পর তুমি আনসারীর বাগানে পানি যেতে দাও। তার একথা শুনে আনসারী বলে, 'হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! সে আপনার ফুপাতো ভাই তো!' এটা শুনে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর চেহারা মুবারক পরিবর্তিত হয় এবং তিনি বলেনঃ “হে যুবাইর (রাঃ)! তুমি তোমার বাগানে পানি দেয়ার পর তা বন্ধ রেখো যে পর্যন্ত না সে পানি বাগানের প্রাচীর পর্যন্ত পৌছে যায়। অতঃপর পানি তোমার প্রতিবেশীর দিকে ছেড়ে দাও।' প্রথমে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এমন পন্থা বের করেন যাতে হযরত যুবাইর (রাঃ)-এর কষ্ট না হয় এবং আনসারীরও প্রশস্ততা বেড়ে যায়। কিন্তু আনসারী যখন সেটা তার পক্ষে উত্তম মনে করলো না, তখন তিনি হযরত যুবাইর (রাঃ)-কে তাঁর পূর্ণ হক প্রদান করলেন। হযরত যুবাইর (রাঃ) বলেন, আমি ধারণা করি যে, (আরবী)-এ আয়াতটি এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়। মুসনাদ-ই-আহমাদের একটি মুরসাল হাদীসে রয়েছে যে, এ আনসারী বদরী সাহাবী ছিলেন। অন্য বর্ণনা হিসেবে উভয়ের মধ্যে বিবাদ ছিল এই যে, পানির নালা হতে প্রথমেই ছিল হযরত যুবাইর (রাঃ)-এর বাগান এবং তারপরে ঐ আনসারীর বাগান। আনসারী হযরত যুবাইর (রাঃ)-কে বলতেন, ‘পানি বন্ধ করবেন না। পানি আপনা আপনি এক সাথে দু’ বাগানেই আসবে।'মুসনাদ-ই-ইবনে আবি হাতিমের আর একটি খুব বেশী দুর্বল বর্ণনায় এ আয়াতের শান-ই-নযুল এই বর্ণনা করা হয়েছে যে, দু'ব্যক্তি তাদের বিবাদের মীমাংসার জন্যে মুহাম্মাদ (সঃ)-এর দরবারে উপস্থিত হয়। তিনি একটা মীমাংসা করে দেন। কিন্তু মীমাংসা যার প্রতিকূল হয়েছিল সে বলে, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! মীমাংসার জন্যে আপনি আমাদেরকে হযরত উমার (রাঃ)-এর নিকট পাঠিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ “ঠিক আছে, তোমরা সেখানেই যাও।' তারা এখানে আসলে যার অনুকূলে ফায়সালা হয়েছিল সে সমস্ত ঘটনা হযরত উমারের নিকট বর্ণনা করে। হযরত উমার (রাঃ) অপর ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করেন, এটা সত্যা কি?' সে স্বীকার করে নেয়। হযরত উমার (রাঃ) তখন তাদেরকে বলেন, এখানে তোমরা থাম, আমি এসে ফায়সালা করছি।' তিনি। তরবারী নিয়ে আসলেন এবং যে ব্যক্তি বলেছিল, আমাদেরকে হযরত উমার (রাঃ)এর নিকট পাঠিয়ে দিন তার গর্দান উড়িয়ে দেন। অপর ব্যক্তি এটা দেখেই দৌড়ে পালিয়ে আসে এবং রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলে, “হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! আমার সঙ্গীকে হত্যা করা হয়েছে এবং আমি পালিয়ে না আসলে আমার মঙ্গল ছিল না। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন বলেনঃ “আমি উমার (রাঃ)-কে এরূপ জানতাম না যে, তিনি এরূপ বীরত্বপনা দেখিয়ে একজন মুসলমানের রক্ত প্রবাহিত করবেন। সে সময় এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। ফলে ঐ ব্যক্তির রক্ত বিফলে যায় এবং হযরত উমার (রাঃ)-কে নির্দোষ সাব্যস্ত করা হয়। কিন্তু এ নিয়ম চালু হয়ে যাওয়া আল্লাহ তা'আলা অপছন্দ করেন। তাই তিনি (আরবী) (৪:৬৬) -এ আয়াতটি অবতীর্ণ। করেন যা পরে আসছে।তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই-এর মধ্যেও এ বর্ণনাটি রয়েছে যা গারীব ও মুরসাল। ইবনে আবি লাহীআহ্ নামক বর্ণনাকারী দুর্বল। এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে বেশী জানেন। অন্য সনদের মাধ্যমে বর্ণিত আছে যে, দু’ ব্যক্তি তাদের বিবাদ মীমাংসার জন্যে রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়। তিনি হক পন্থীর পক্ষে মীমাংসা করেন। কিন্তু মীমাংসা যার প্রতিকূলে হয়েছিল সে বলে, আমি সম্মত নই।' রাসূলুল্লাহ (সঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেনঃ তুমি কি চাও?' সে বলে, আমি হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট যেতে চাই।'উভয়ে হযরত আবু বকর (রাঃ)-এর নিকট পৌছে। হযরত আবু বকর (রাঃ) ঘটনাটি শুনে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) যে ফায়সালা করেছেন তোমাদের জন্যে ওটাই ফায়সালা।' সে তাতেও সম্মত না হয়ে সঙ্গীকে বলে, চল আমরা হযরত উমার (রাঃ)-এর নিকট যাবো।' তথায় তারা গমন করেন। তথায় যা সংঘটিত হয় তা উপরে বর্ণিত হয়েছে। (তাফসীর-ই-ইবনে হাফিয আবু ইসহাক)

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
قرآن کو پڑھیں، سنیں، تلاش کریں، اور اس پر تدبر کریں۔

Quran.com ایک قابلِ اعتماد پلیٹ فارم ہے جسے دنیا بھر کے لاکھوں لوگ قرآن کو متعدد زبانوں میں پڑھنے، سرچ کرنے، سننے اور اس پر تدبر کرنے کے لیے استعمال کرتے ہیں۔ یہ ترجمے، تفسیر، تلاوت، لفظ بہ لفظ ترجمہ اور گہرے مطالعے کے ٹولز فراہم کرتا ہے، جس سے قرآن سب کے لیے قابلِ رسائی بنتا ہے۔

صدقۂ جاریہ کے طور پر، Quran.com لوگوں کو قرآن کے ساتھ گہرا تعلق قائم کرنے میں مدد کے لیے وقف ہے۔ Quran.Foundation کے تعاون سے، جو ایک 501(c)(3) غیر منافع بخش تنظیم ہے، Quran.com سب کے لیے ایک مفت اور قیمتی وسیلہ کے طور پر بڑھتا جا رہا ہے، الحمد للہ۔

نیویگیٹ کریں۔
ہوم
قرآن ریڈیو
قراء
ہمارے بارے میں
ڈویلپرز
پروڈکٹ اپڈیٹس
رائے
مدد
ہمارے پروجیکٹس
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
غیر منافع بخش منصوبے جو Quran.Foundation کی ملکیت، زیرِ انتظام یا زیرِ سرپرستی ہیں۔
مشہور لنکس

آیت الکرسی

سورہ یسین

سورہ الملک

سورہ الرحمان

سورہ الواقعة

سورہ الكهف

سورہ المزمل

سائٹ کا نقشہرازداریشرائط و ضوابط
© 2026 Quran.com. جملہ حقوق محفوظ ہیں