Đăng nhập
🚀 Tham gia thử thách Ramadan của chúng tôi!
Tìm hiểu thêm
🚀 Tham gia thử thách Ramadan của chúng tôi!
Tìm hiểu thêm
Đăng nhập
Đăng nhập
2:144
قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام وحيث ما كنتم فولوا وجوهكم شطره وان الذين اوتوا الكتاب ليعلمون انه الحق من ربهم وما الله بغافل عما يعملون ١٤٤
قَدْ نَرَىٰ تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِى ٱلسَّمَآءِ ۖ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةًۭ تَرْضَىٰهَا ۚ فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ ۚ وَحَيْثُ مَا كُنتُمْ فَوَلُّوا۟ وُجُوهَكُمْ شَطْرَهُۥ ۗ وَإِنَّ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ لَيَعْلَمُونَ أَنَّهُ ٱلْحَقُّ مِن رَّبِّهِمْ ۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ ١٤٤
قَدۡ
نَرَىٰ
تَقَلُّبَ
وَجۡهِكَ
فِي
ٱلسَّمَآءِۖ
فَلَنُوَلِّيَنَّكَ
قِبۡلَةٗ
تَرۡضَىٰهَاۚ
فَوَلِّ
وَجۡهَكَ
شَطۡرَ
ٱلۡمَسۡجِدِ
ٱلۡحَرَامِۚ
وَحَيۡثُ
مَا
كُنتُمۡ
فَوَلُّواْ
وُجُوهَكُمۡ
شَطۡرَهُۥۗ
وَإِنَّ
ٱلَّذِينَ
أُوتُواْ
ٱلۡكِتَٰبَ
لَيَعۡلَمُونَ
أَنَّهُ
ٱلۡحَقُّ
مِن
رَّبِّهِمۡۗ
وَمَا
ٱللَّهُ
بِغَٰفِلٍ
عَمَّا
يَعۡمَلُونَ
١٤٤
Quả thật, TA đã thấy Ngươi (hỡi Thiên Sứ Muhammad) thường ngước mặt trên trời (với khao khát đổi Qiblah về ngôi đền Ka’bah). Cho nên, TA cho phép Ngươi chuyển Qiblah về hướng mà Ngươi hài lòng, vì vậy, Ngươi hãy quay mặt mình về hướng Masjid Haram (ở Makkah); và cho dù các ngươi ở bất cứ đâu cũng phải hướng mặt về đó (để dâng lễ Salah). Những ai đã được ban cho Kinh Sách chắc chắn đều biết rõ đó là chân lý từ nơi Thượng Đế của họ và Allah không làm ngơ trước những gì các ngươi làm.
Tafsirs
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, কুরআন মাজীদের মধ্যে প্রথম ‘নসখ’ হচ্ছে কিবলাহর হুকুম। রাসূলুল্লাহ (সঃ) মদীনায় হিজরত করেন। এখানকার অধিকাংশ অধিবাসী ছিল ইয়াহূদী। আল্লাহ তাঁকে বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে নামায পড়ার নির্দেশ দেন। ইয়াহুদীরা এতে খুবই খুশী হয়। তিনি কয়েক মাস পর্যন্ত ঐ দিকেই নামায পড়েন। কিন্তু স্বয়ং তাঁর মনের বাসনা ছিল হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর কিবলাহ্। তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা জানাতেন। প্রায়ই তিনি আকাশের দিকে চক্ষু উত্তোলন করতেন। অবশেষে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। এতে ইয়াহূদীরা বলতে থাকেঃ তিনি এই কিবলাহ্ হতে সরে গেলেন কেন? এর উত্তরে বলা হয় যে, পূর্ব ও পশ্চিমের মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহ তা'আলা আরও বলেনঃ “যে দিকেই তোমাদের মুখ হয়-আল্লাহ সেই দিকেই রয়েছেন। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা বলেন যে, পূর্ব কিবলাহ ছিল পরীক্ষামূলক। অন্য বর্ণনায় রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) নামাযের পরে স্বীয় মস্তক আকাশের দিকে উত্তোলন করতেন। তখন এই আয়াত অবতীর্ণ হয় এবং মসজিদে হারামের দিকে মুখ করার নির্দেশ দেয়া হয়। হযরত জিবরাঈল (আঃ) ইমামতি করেন।হযরত আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) মসজিদে হারামে' মীযাবের সামনে বসে এই পবিত্র আয়াতটি পাঠ করেন এবং বলেনঃ মীযাব কা'বার দিকে রয়েছে। ইমাম শাফেঈ (রঃ)-এরও একটি উক্তি এই রয়েছে যে, ঠিক কাবার দিকে মুখ করাই হচ্ছে আসল উদ্দেশ্য। তাঁর দ্বিতীয় উক্তি এই যে, মুখ কাবার দিকে হওয়াই যথেষ্ট। আবুল আলিয়া (রঃ) মুজাহিদ (রঃ), ইকরামা (রঃ), সাঈদ বিন যুবাইর (রঃ), রাবী বিন আনাস (রঃ), প্রভৃতি মণীষীরও উক্তি এটাই। একটি হাদীসের মধ্যেও রয়েছে যে, পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যবর্তী স্থানে কিবলাহ্ রয়েছে। ইবনে জুরাইজ-এর গ্রন্থে হাদীস রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ মসজিদে হারামের অধিবাসীদের কিবলাহ্ হচ্ছে বায়তুল্লাহ। হারাম’ বাসীদের কিবলাহ হলো মসজিদ'। আর হারাম কিবলাহ্ হচ্ছে সমগ্র পৃথিবী বাসীর। পূর্বেই থাক বা পশ্চিমেই থাক, আমার সমস্ত উম্মতের কিবলাহ্ এটাই। ‘আবু নাঈম’ নামক পুস্তকে হযরত বারা' (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) মোল বা সতেরো মাস পর্যন্ত বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামায পড়লেও বায়তুল্লাহ শরীফের দিকে নামায পড়াই তিনি পছন্দ করতেন। সুতরাং মহান আল্লাহর নির্দেশক্রমে তিনি বায়তুল্লাহ শরীফের দিকে মুখ করে আসরেরনামায আদায় করেন। অতঃপর তাঁর সাথে নামায আদায়কারীগণের মধ্যে এক ব্যক্তি অন্য একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। ঐ মসজিদে নামাযীরা সেই সময় রুকুতে ছিলেন। ঐ লোকটি তাঁদেরকে লক্ষ্য করে বলেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর সঙ্গে মক্কা শরীফের দিকে মুখ করে নামায আদায় করেছি।' একথা শুনা মাত্রই তাঁরা যে অবস্থায় ছিলেন সেই অবস্থাতেই বায়তুল্লাহ শরীফের দিকে ফিরে যান। আবদুর রাজ্জাকও কিছু হ্রাস-বৃদ্ধির সাথে এটা বর্ণনা করেছেন। সুনানে নাসায়ীর মধ্যে হযরত আবু সাঈদ বিন মুআল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ “আমরা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর যুগে ফজরের সময় মসজিদে নব্বীতে (সঃ) যেতাম এবং তথায় কিছু নফল নামায আদায় করতাম। একদিন আমরা গিয়ে দেখি যে, নবী (সঃ) মিম্বারের উপর বসে আছেন। আমি বলি যে আজ নিশ্চয় কোন নতুন কথা হয়েছে। আমিও বসে পড়ি। রাসূলুল্লাহ (সঃ) তখন (আরবি) এই আয়াতটি পাঠ করেন। আমি আমার সঙ্গীদেরকে বলি আসুন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর বক্তৃতা শেষ করার পূর্বেই এই নতুন নির্দেশকে কার্যে পরিণত করি এবং প্রথমেই আমরা আদেশ মান্যকারী হয়ে যাই। এই বলে আমরা একদিকে চলে যাই এবং সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ শরীফের দিকে মুখ করে নামায আদায় করি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) মিম্বার হতে নেমে আসেন এবং কিবলাহর দিকে মুখ করে সর্বপ্রথম যুহরের নামায আদায় করেন। তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই' গ্রন্থে হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) কাবার দিকে মুখ করে সর্বপ্রথম যে নামায আদায় করেন তা যুহরের নামায ছিল। আর এই নামাযই হচ্ছে সালাত-ই-ওসতা। কিন্তু কা'বার দিকে মুখ করে রাসূলুল্লাহ (সঃ) সর্বপ্রথম যে আসরের নামায আদায় করেন এটাই বেশী প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। এজন্যেই কুবাবাসী পরের দিন ফজরের নামাযে এই সংবাদ পেয়েছিল। তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই' গ্রন্থে হযরত নুওয়াইলা’ বিনতে মুসলিম (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ “আমরা বানু হারিসার মসজিদে বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে যুহর বা আসরের নামায পড়ছিলাম। আমাদের দু'রাকআত নামায পড়া হয়ে গেছে, এমন সময় কে একজন এসে কিবলাহ পরিবর্তনের সংবাদ দেয়। ফলে, আমরা নামাযের মধ্যেই বায়তুল্লাহর দিকে ঘুরে যাই এবং অবশিষ্ট দু'রাকাত ঐ দিকেই মুখ করে আদায় করি। নামাযের মধ্যে এইভাবে ফিরে যাওয়ার ফলে পুরুষ লোকেরা স্ত্রী লোকদের স্থানে এবং স্ত্রী লোকেরা পুরুষ লোকদের স্থানে এসে পড়ে। রাসূলুল্লাহ (সঃ)-এর নিকট এই সংবাদ পৌছলে তিনি খুশি হয়ে বলেনঃ এরাই হচ্ছে অদৃশ্যের উপর ঈমান আনয়নকারী।‘তাফসীর-ই-ইবনে মিরদুওয়াই’ গ্রন্থে হযরত উম্মারাহ্ বিন আউস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ “রুকুর অবস্থায় আমরা কিবলাহ্ পরিবর্তনের সংবাদ পাই এবং আমরা পুরুষ, স্ত্রী ও শিশু সবাই ঐ কিবলাহর দিকেই ফিরে। যাই।' অতঃপর ইরশাদ হচ্ছে, তোমরা পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ যেখানেই থাকনা কেন, নামাযের সময় তোমরা কাবার দিকে মুখ কর।' তবে সফরে সোয়ারীর উপর যে ব্যক্তি নফল নামায পড়ে সে সোয়ারী যে দিকেই যাবে সে দিকেই মুখ করে নফল নামায আদায় করবে। তার মনের গতি কাবার দিকে থাকলেই যথেষ্ট হবে। এই রকমই যে ব্যক্তি যুদ্ধের মাঠে নামায পড়ে সে যেভাবে পারে এবং যেই দিকে পড়া তার জন্যে সুবিধাজনক হয় সেই দিকেই পড়বে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি কিবলাহর দিক ঠিক করতে পারছে না সে অনুমান করে যে দিকেই কিবলাহ হওয়ার ধারণা তার বেশী হবে সে দিকেই সে নামায আদায় করবে। অতঃপর যদি প্রকৃত পক্ষেই তার নামায কিবলার দিকে হয়ে থাকে তবুও সে আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমা পেয়ে যাবে।জিজ্ঞাস্য বিষয়ঃমালেকীগণ এই আয়াত দ্বারা দলীল গ্রহণ করেছেন যে, নামাযীকে নামাযের অবস্থায় তার দৃষ্টি সামনের দিকে রাখতে হবে, সিজদার জায়গায় নয়। যেমন ইমাম শাফেঈ (রঃ), ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রঃ) এবং ইমাম আবু হানীফারও (রঃ) এটাই মযহাব। কেননা আয়াতে রয়েছে, মসজিদে হারামের দিকে মুখ কর’, কাজেই যদি সিজদার জায়গায় মুখ করা যায় তবে কিছু নত হতে হবে এবং এই কৃত্রিমতাপূর্ণ বিনয় ও নম্রতার উল্টো। কোন কোন মালেকিয়্যার এটাও উক্তি রয়েছে যে, দাঁড়ান অবস্থায় স্বীয় বক্ষের প্রতি দৃষ্টি রাখতে হবে। কাযী শুরাইহ (রঃ) বলেন যে, দাঁড়ান অবস্থায় দৃষ্টি সিজদার স্থানে রাখতে হবে। জমহুর উলামার এটাই উক্তি। কেননা এটাই হচ্ছে পূর্ণ বিনয় ও নম্রতা। অন্য একটি হাদীসেও এ বিষয়টি এসেছে। রুকুর অবস্থায় দৃষ্টি স্বীয় পায়ের স্থানে, সিজদার অবস্থায় নাকের স্থানে এবং (আরবি)-এর সময় ক্রোড়ের প্রতি রাখতে হবে। অতঃপর ইরশাদ হচ্ছে যে, ইয়াহুদীরা কথা যতই বানিয়ে বলুক না কেন, তাদের মন বলে যে, কিবলাহ্র পরিবর্তন আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকেই হয়েছে এবং এটা সত্য। কেননা, এটা স্বয়ং তাদের কিতাবেও রয়েছে। কিন্তু এরা একমাত্র কুফর, অবাধ্যতা, অহংকার এবং হিংসার বশবর্তী হয়েই এটা গোপন করছে। কিন্তু মহান আল্লাহ তাদের কৃতকর্ম হতে উদাসীন নন।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Đọc, Lắng nghe, Tra cứu và Suy ngẫm về Kinh Qur'an

Quran.com là nền tảng đáng tin cậy, được hàng triệu người dùng trên thế giới để đọc, tra cứu, lắng nghe và suy ngẫm Kinh Qur'an bằng nhiều ngôn ngữ, với bản dịch, tafsir, tụng đọc, dịch từng từ và các công cụ học sâu, giúp ai cũng có thể tiếp cận Kinh Qur'an.

Là một Sadaqah Jariyah, Quran.com tận tâm giúp mọi người gắn bó sâu sắc hơn với Kinh Qur'an. Được hậu thuẫn bởi tổ chức phi lợi nhuận 501(c)(3) Quran.Foundation, Quran.com không ngừng phát triển như một nguồn tài nguyên miễn phí và hữu ích cho tất cả, Alhamdulillah.

Điều hướng
Trang chủ
Đài Qur'an
Người đọc kinh
Về chúng tôi
Các nhà phát triển
Cập nhật sản phẩm
Phản hồi
Trợ giúp
Dự án của chúng tôi
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Dự án phi lợi nhuận do Quran.Foundation sở hữu, quản lý hoặc tài trợ
Liên kết phổ biến

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Sơ đồ trang webQuyền riêng tưĐiều khoản và điều kiện
© 2026 Quran.com. Bản quyền đã được bảo lưu.