Đăng nhập
🚀 Tham gia thử thách Ramadan của chúng tôi!
Tìm hiểu thêm
🚀 Tham gia thử thách Ramadan của chúng tôi!
Tìm hiểu thêm
Đăng nhập
Đăng nhập
33:73
ليعذب الله المنافقين والمنافقات والمشركين والمشركات ويتوب الله على المومنين والمومنات وكان الله غفورا رحيما ٧٣
لِّيُعَذِّبَ ٱللَّهُ ٱلْمُنَـٰفِقِينَ وَٱلْمُنَـٰفِقَـٰتِ وَٱلْمُشْرِكِينَ وَٱلْمُشْرِكَـٰتِ وَيَتُوبَ ٱللَّهُ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ وَٱلْمُؤْمِنَـٰتِ ۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورًۭا رَّحِيمًۢا ٧٣
لِّيُعَذِّبَ
ٱللَّهُ
ٱلۡمُنَٰفِقِينَ
وَٱلۡمُنَٰفِقَٰتِ
وَٱلۡمُشۡرِكِينَ
وَٱلۡمُشۡرِكَٰتِ
وَيَتُوبَ
ٱللَّهُ
عَلَى
ٱلۡمُؤۡمِنِينَ
وَٱلۡمُؤۡمِنَٰتِۗ
وَكَانَ
ٱللَّهُ
غَفُورٗا
رَّحِيمَۢا
٧٣
(Làm thế) để Allah trừng phạt những kẻ giả tạo đức tin nam và nữ, những kẻ thờ đa thần nam và nữ; đồng thời để Ngài tha thứ cho những người có đức tin nam và nữ. Quả thật, Allah là Đấng Hằng Tha Thứ, Hằng Khoan Dung.
Tafsirs
Bài học
Suy ngẫm
Câu trả lời
Qiraat
Bạn đang đọc phần chú giải Kinh Qur'an cho nhóm các câu này. 33:72 đến 33:73

৭২-৭৩ নং আয়াতের তাফসীরহযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, এখানে (আরবি) অর্থ হলো (আরবি) বা আনুগত্য। এটা হযরত আদম (আঃ)-এর উপর পেশ করার পূর্বে যমীন, আসমান ও পাহাড়ের উপর পেশ করা হয়। তারা সবাই কিন্তু এই বিরাট দয়িত্ব পালনে অক্ষমতা প্রকাশ করে। তখন মহা মহিমান্বিত আল্লাহ ওটা হযরত আদম (আঃ)-এর সামনে পেশ করেন এবং বলেনঃ “ওরা সবাই তো অস্বীকার করলো, এখন তুমি কি বলছো, বল।” হযরত আদম (আঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ “ব্যাপার কি?” আল্লাহ্ তা'আলা উত্তরে বললেনঃ “এতে যা রয়েছে তা যদি তুমি মেনে চল তবে তুমি পুণ্য লাভ করবে ও ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে। আর যদি অমান্য কর তবে শাস্তি পাবে।” তখন হযরত আদম (আঃ) বললেনঃ “আমি এ দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত আছি।”হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে আরো বর্ণিত আছে যে, এখানে আমানত দ্বারা ফারায়েয উদ্দেশ্য। অন্যান্যদের কাছে যে এটা পেশ করা হয়েছিল তা আদেশ পর্যায়ে ছিল না, বরং শুধু তাদের মনোভাব জেনে নেয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তাদের অস্বীকৃতি ও অক্ষমতা প্রকাশের কারণে তাদের কোন গুনাহ ছিল না। বরং ওটা তাদের এক ধরনের তা'যীম ছিল। পরিপূর্ণভাবে অনুসরণের ব্যাপারেই তারা কেঁপে উঠেছিল। তারা ভয় করেছিল যে, পূর্ণভাবে দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে তাদের সর্বনাশ হয়ে যাবে।কিন্তু মানুষ অজ্ঞতা ও দুর্বলতার কারণে সন্তুষ্ট চিত্তে ঐ আমানত উঠিয়ে নিয়েছিল।হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতেই এটাও বর্ণিত আছে যে, প্রায় আসরের সময় মানুষ এই আমানত উঠিয়ে নিয়েছিল এবং মাগরিবের পূর্বেই ভুল প্রকাশ পেয়েছিল।হযরত উবাই (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, নারীদের সতীত্ব রক্ষাও একটা আমানত। হযরত কাতাদা (রঃ)-এর উক্তি আছে যে, ফারায়েয, হুদুদ ইত্যাদি সবই আল্লাহর আমানত। কারো কারো উক্তিমতে অপবিত্রতার গোসলও আমানত। যায়েদ ইবনে আসলাম বলেন যে, তিনটি জিনিস হলো আল্লাহর আমানত। ওগুলো হলো: অপবিত্রতার গোসল, রোযা এবং নাযায। ভাবার্থ এই যে, এগুলো সবই আল্লাহর আমানতের অন্তর্ভুক্ত। সমস্ত আদেশ পালন এবং সমস্ত নিষিদ্ধ কাজ হতে বিরত থাকা মানুষের দায়িত্ব। যে ঐ দায়িত্ব পালন করবে সে সওয়াব পাবে এবং যে পালন করবে না সে পাপী হবে এবং শাস্তি পাবে। হযরত হাসান বসরী (রঃ) বলেছেনঃ চিন্তা করে দেখো, আসমান নিরাপদ, সুন্দর এবং সৎ ও নিস্পাপ ফেরেশতাদের বাসস্থান হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর আমানত উঠাতে সাহস করেনি। কারণ সে বুঝতে পেরেছিল যে, ঐ আমানত রক্ষায় অপারগ হলে সে শাস্তির যোগ্য হয়ে যাবে। যমীন অত্যন্ত শক্ত, দীর্ঘ ও প্রশস্ত হওয়া সত্ত্বেও ঐ আমানত বহনের ব্যাপারে ভীত হয়ে গেল এবং বিনীতভাবে নিজের অক্ষমতা ও অপাগরতার কথা জানিয়ে দিলো। পাহাড় স্বীয় উচ্চতা, দৃঢ়তা ও কাঠিন্য সত্ত্বেও আমানতের ব্যাপারে কেঁপে উঠলো এবং নিজের অক্ষমতা প্রকাশ করলো। মুকাতিল (রঃ) বলেন যে, আসমানসমূহ উত্তরে বলেছিলঃ “আমরা তো। এমনিতেই আপনার বাধ্য। কিন্তু এটা বহনের শক্তি আমাদের নেই। কেননা এতে অকৃতকার্য হলে বড় রকম বিপদের আশংকা রয়েছে। তারপর মহান আল্লাহ যমীনকে বললেনঃ “তুমি যদি এটা পূর্ণভাবে প্রতিপালন করতে পার তবে আমি তোমাকে দয়া, অনুগ্রহ ও দানে ভূষিত করবো।" সে উত্তর দিয়েছিলঃ “আমি তো সবকিছুতেই আপনার অনুগত। আপনি যে আদেশই আমাকে করেন আমি তা পালন করে থাকি। কিন্তু এটা আমার সাধ্যের অতিরিক্ত।” অতঃপর পাহাড়কে বলা হলে সেও উত্তরে বলেঃ “আমি তো আপনার অবাধ্য নই। কথা হলো এই যে, যদি আমানত আমার উপর চাপিয়ে দেয়া হয় তবে তা আমি অবশ্যই উঠিয়ে নিবো, কিন্তু আসলে এটা বহনের ক্ষমতা আমার নেই। সুতরাং এটা হতে আমাকে অব্যাহতি দান করা হালে।” অতঃপর হযরত আদম (আঃ)-কে বলা হলো তিনি উত্তরে বললেনঃ “আল্লাহ! যদি আমি এটা পূর্ণভাবে প্রতিপালন করতে পারি তবে কি পাবো?” উত্তরে মহামহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ “তাহলে তুমি অতি সম্মানের স্থান জান্নাত লাভ করবে। তুমি দয়া ও অনুগ্রহে ভূষিত হবে। আর যদি তুমি অবাধ্য হও তবে এই অবাধ্যতার কারণে তোমাকে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। তোমাকে অগ্নিতে নিক্ষেপ করা হবে। তিনি তখন বললেনঃ “হে আল্লাহ! আমি এটা গ্রহণ করে নিলাম।”মুজাহিদ (রঃ) বলেন যে, আসমান উত্তরে বলেছিলঃ “হে আল্লাহ! আমি তারকামণ্ডলীকে স্থান এবং ফেরেশতাদেরকে জায়গা দিয়েছি, কিন্তু আমি এ দায়িত্ব পালন করতে পারবো না। এতো ফরযসমূহের ভার। এটা বহনের শক্তিই তো আমার নেই।যমীন বলেছিলঃ “হে আল্লাহ! আমার উপর আপনি গাছপালা লাগিয়েছেন, সাগর জারি করেছেন, মানুষকে স্থান দিয়েছেন। এগুলো আমি বহন করেই চলেছি। কিন্তু এখন যে আমানতের দায়িত্বভার আমার উপর অর্পণ করতে চাচ্ছেন, এটা বহন করা আমার সাধ্যের অতীত। আমি সওয়াবের আশায় আযাবের সম্ভাবনা কাঁধে নিতে পারবো না।" পাহাড়ও এ ধরনেরই জবাব দিলো। কিন্তু মানুষ ঐ দায়িত্বভার গ্রহণ করে নিলো। কোন কোন রিওয়াইয়াতে আছে যে, তারা তিন দিন পর্যন্ত কাঁদতে থাকে ও নিজেদের অক্ষমতা প্রকাশ করতে থাকে। কিন্তু মানুষ ওটাকে কাঁধে উঠিয়ে নেয়। অতঃপর মহামহিমান্বিত আল্লাহ মানুষকে সম্বোধন করে বলেনঃ “শুনো, যদি তোমার নিয়ত ভাল হয় তবে আমার সাহায্য সদা তোমার উপর থাকবে। তোমার চোখের দু’টি পলক করে দিবো। আমার অসন্তুষ্টির জিনিস হতে তোমার চোখ দুটি হেফাজত করবে। তোমার মুখে আমি দুটি ঠোট বানিয়ে দিচ্ছি। সে আমার মর্জির বিপরীত কিছু বলতে চাইলে ওকে বন্ধ করে দিবে। তোমার লজ্জাস্থানের হিফাজতের জন্যে আমি পোশাকের ব্যবস্থা করছি। আমার মর্জির বিপরীত তুমি ওটা খুলবে না।”যমীন ও আসমান সওয়াব ও আযাবকে প্রত্যাখ্যান করলো এবং আল্লাহর আনুগত্যের কাজে লেগে থাকলো। কিন্তু মানুষ তা গ্রহণ করে নিলো।একটি খুবই গরীব বা দুর্বল মারফু হাদীসে আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেনঃ “আমানত ও অফা মানুষের উপর নবীদের মাধ্যমে অবতীর্ণ হয়েছে। আল্লাহর কালাম নবীদের মুখ হয়ে মানুষের কাছে পৌঁছেছে। নবীদের ভাষার মাধ্যমে তারা ভাল-মন্দ সবকিছু জানতে পেরেছে। প্রত্যেকই পুণ্য ও পাপ সম্পর্কে অবহিত হয়েছে। জেনে রেখো যে, আমানতই হলো সর্বপ্রথম জিনিস যা উঠানো হয় এবং মানুষের অন্তরে এর লক্ষণ বাকী রয়েছে। তারপর উঠানো হয় অফা, আহাদ বা অঙ্গীকার ও যিম্মাদারী। কিতাবসমূহ তাদের হাতে রয়েছে। আলেমরা আমল করছে। আর অজ্ঞরা জানছে, কিন্তু না জানার ভান করছে। এখন এই আমানত এবং অফা আমি পর্যন্ত ও আমার উম্মত পর্যন্ত পৌঁছেছে। জেনে রেখো যে, আল্লাহ তাকেই ধ্বংস করেন যে নিজেই নিজেকে ধ্বংস করে। তারা উদাসীনতায় লিপ্ত থাকে। হে লোক সকল! তোমরা সাবধান হয়ে যাও, ভাল হয়ে চল, শয়তানের প্রতারণায় প্রতারিত হয়ো না। আল্লাহ তোমাদেরকে পরীক্ষা করছেন যে, তোমাদের মধ্যে ভাল আমলকারী কে?” হযরত আবু দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “কিয়ামতের দিন ঈমানসহ পাঁচটি জিনিস যে নিয়ে আসবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের হিফাজত করবে, ওগুলোর অ্যু, রুকূ', সিজদা ও সময়সহ আদায় করবে আর খুশী মনে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজের মালের যাকাত দিবে, অতঃপর তিনি বললেনঃ আল্লাহর কসম! মুমিন ছাড়া এটা কেউ করতে পারে না এবং আমানত আদায় করে।” জনগণ প্রশ্ন করলেনঃ “হে আবু দারদা (রাঃ)! আমানত আদায় করা কি?” তিনি উত্তরে বললেনঃ “অপবিত্রতার গোসল। কেননা, আল্লাহ তাআলা স্বীয় দ্বীনকে রক্ষার ব্যাপারে আদম সন্তানকে এর চেয়ে বড় আমানত আর কিছু দেননি।” হযরত ইবনে মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী (সঃ) বলেছেন, আল্লাহর পথে জীবন দান সমস্ত পাপ মুছে ফেলে। কিন্তু আমানতের খিয়ানতকারীকে ক্ষমা করা হয় না। খিয়ানতকারীকে কিয়ামতের দিন আনয়ন করা হবে। অতঃপর তাকে বলা হবেঃ “তোমার আমানত আদায় কর।” সে উত্তর দিবেঃ “হে আমার প্রতিপালক! কোথা হতে এবং কি করে আদায় করবো, দুনিয়া তো শেষ হয়ে গেছে।” তিনবার তাকে এ কথা বলা হবে এবং তিনবারই সে এই ব্রনের উত্তর দিবে। অতঃপর আদেশ করা হবেঃ “একে হাবিয়া জাহান্নামে নিয়ে যাও।” ফেরেশতারা তখন তাকে ধাক্কা দিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। সে একেবারে তলদেশে পৌঁছে যাবে। অতঃপর সেখানে ঐ আমানতের সাথে সাদৃশ্যযুক্ত আগুনের জিনিস তার দৃষ্টিগোচর হবে। ওটাকে সে উপরের দিকে উঠাতে থাকবে। যখন জাহান্নামের ধারে পৌছবে তখন তার পা পিছলে যাবে এবং আবার নীচে পড়ে যাবে। আবার জাহান্নামের তলদেশে চলে যাবে। পুনরায় উঠবে এবং পুনরায় পড়বে। চিরকাল সে ঐ শাস্তিই ভোগ করতে থাকবে।অযু এবং নামাযেও আমানত আছে। কথা-বার্তার মধ্যেও আছে আমানত। সবচেয়ে বড় আমানত ঐ জিনিসগুলোতে রয়েছে যেগুলো আমানত হিসেবে কারো কাছে রাখা হয়। হযরত বারা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো: “আপনার ভাই আবদুল্লাহ (রাঃ) কি হাদীস বর্ণনা করলেন তা কি আপনি শুনলেন না?” তিনি উত্তরে বললেন যে, তিনি সত্য বলেছেন।হযরত হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ “রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাদের কাছে দু’টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। একটি তো আমি স্বচক্ষে দেখেছি এবং দ্বিতীয়টির জন্যে অপেক্ষা করছি। প্রথম এই যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “আমানত মানুষের প্রকৃতির মধ্যে অবতীর্ণ করা হয়েছে। কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং হাদীসসমূহ বর্ণিত হয়েছে।” অতঃপর তিনি আমানত উঠে যাওয়া সম্পর্কে বলেনঃ “মানুষ শয়ন করবে এমতাবস্থায় তার অন্তর হতে আমানত উঠে যাবে। এমন একটি দাগ থেকে যাবে যা দেখে মনে হবে যেন কোন জ্বলন্ত কাঠ তার পায়ে লেগে আছে এবং এর ফলে তার পায়ে ফোস্কা পড়ে গেছে। আর ওটা বেশ উঁচু হয়ে আছে। কিন্তু তার ভিতরে কিছুই থাকবে না।” অতঃপর তিনি একটি কংকর নিয়ে নিজ পায়ে চেপে দিয়ে লোকদেরকে তা দেখিয়ে দিলেন যে, এইভাবে জনগণ লেন-দেন ও ক্রয়-বিক্রয় করতে থাকবে। কিন্তু তাদের মধ্যে একজনও ঈমানদার থাকবে না। এমন কি এটা মশহুর হয়ে পড়বে যে, অমুক গোত্রের মধ্যে একজন আমানতদার লোক রয়েছে এবং এতদূর পর্যন্ত বলা হবে যে, এ লোকটি কতই না জ্ঞানী, বিজ্ঞ, বিদ্বান ও বিচক্ষণ! অথচ তার মধ্যে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান থাকবে না। (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)হযরত হুযাইফা (রাঃ) বলেনঃ “দেখো, ইতিপূর্বে তো আমি অনেককেই ধার কর্জ দিতাম এবং অনেকের নিকট হতে ধার নিতাম। কেননা, সে মুসলমান হলে তো আমার প্রাপ্য আমাকে দিয়ে যাবে। আর সে ইয়াহূদী বা খৃষ্টান হলে ইসলামী শাসন তার নিকট হতে আমাকে আমার প্রাপ্য আদায় করিয়ে দিবে। কিন্তু বর্তমানে আমি শুধু অমুক অমকুকে ধার কর্জ দিয়ে থাকি এবং বাকী সবাইকে ধার দেয়া বন্ধ করে দিয়েছি। (এটা ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম (রঃ) তাঁদের সহীহ গ্রন্থে তাখরীজ করেছেন)হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যখন চারটি জিনিস তোমার মধ্যে থাকবে তখন সারা দুনিয়া ধ্বংস হয়ে গেলেও তোমার কোন ক্ষতি নেই। সেগুলো হলো : আমানত রক্ষা করা, সত্য কথা বলা, চরিত্র ভাল হওয়া এবং খাদ্য পবিত্র ও হালাল হওয়া।” (এ হাদীসটি ইমাম আহমাদ (রঃ) বর্ণনা করেছন)হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক (রঃ) কিতাবুয যুহদে বলেছেন যে, একদা খাননাস ইবনে সাহীম অথবা জিবিল্লাহ ইবনে সাহীম (রঃ) যিয়াদ ইবনে হাদীর (রঃ)-এর সাথে ছিলেন। ঘটনাক্রমে তার মুখ দিয়ে বের হয়ে যায়ঃ “আমানতের কসম!”এ কথা শুনে হযরত যিয়াদ (রঃ) কাঁদতে শুরু করেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে তিনি কাঁদতে থাকেন। তখন ইবনে সাহীম (রঃ) ভয় পেলেন যে, তার মুখ দিয়ে খুব কঠিন কথা বের হলো না কি! তাই তিনি বলেনঃ “তিনি কি ওটাকে মন্দ জানতেন? উত্তরে হযরত যিয়াদ (রঃ) বললেনঃ “হ্যা, হযরত উমার (রাঃ) এটাকে খুবই মন্দ জানতেন এবং এটা হতে নিষেধ করতেন।”হযরত বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “যে আমানতের কসম খায় সে আমাদের মধ্যে নয়। (এ হাদীসটি ইমাম আবু দাঊদ (রঃ) বর্ণনা করেছেন)এরপর মহান আল্লাহ বলেনঃ হযরত আদম (আঃ) যা করলেন এবং পরিণামে আল্লাহ মুনাফিক পুরুষ ও মুনাফিক নারী এবং মুশরিক পুরুষ ও মুশরিক নারী অর্থাৎ যারা বাহ্যিক মুসলমান এবং ভিতরে কাফির ছিল, আর যারা বাইরে ও ভিতরে উভয় ক্ষেত্রেই কাফির ছিল, তাদেরকে শাস্তি দিবেন এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর উপর আল্লাহর করুণা বর্ষিত হবে। যারা আল্লাহকে, তাঁর ফেরেশতাদেরকে এবং তাঁর রাসূলদেরকে মেনে চলতো এবং তার আনুগত্য করতো সঠিকভাবে। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

He has revealed to you ˹O Prophet˺ the Book in truth, confirming what came before it, as He revealed the Torah and the Gospel
— Dr. Mustafa Khattab, the Clear Quran
Notes placeholders
Đọc, Lắng nghe, Tra cứu và Suy ngẫm về Kinh Qur'an

Quran.com là nền tảng đáng tin cậy, được hàng triệu người dùng trên thế giới để đọc, tra cứu, lắng nghe và suy ngẫm Kinh Qur'an bằng nhiều ngôn ngữ, với bản dịch, tafsir, tụng đọc, dịch từng từ và các công cụ học sâu, giúp ai cũng có thể tiếp cận Kinh Qur'an.

Là một Sadaqah Jariyah, Quran.com tận tâm giúp mọi người gắn bó sâu sắc hơn với Kinh Qur'an. Được hậu thuẫn bởi tổ chức phi lợi nhuận 501(c)(3) Quran.Foundation, Quran.com không ngừng phát triển như một nguồn tài nguyên miễn phí và hữu ích cho tất cả, Alhamdulillah.

Điều hướng
Trang chủ
Đài Qur'an
Người đọc kinh
Về chúng tôi
Các nhà phát triển
Cập nhật sản phẩm
Phản hồi
Trợ giúp
Dự án của chúng tôi
Quran.com
Quran For Android
Quran iOS
QuranReflect.com
Sunnah.com
Nuqayah.com
Legacy.Quran.com
Corpus.Quran.com
Dự án phi lợi nhuận do Quran.Foundation sở hữu, quản lý hoặc tài trợ
Liên kết phổ biến

Ayatul Kursi

Yaseen

Al Mulk

Ar-Rahman

Al Waqi'ah

Al Kahf

Al Muzzammil

Sơ đồ trang webQuyền riêng tưĐiều khoản và điều kiện
© 2026 Quran.com. Bản quyền đã được bảo lưu.